শনিবার- ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরে আবারও জব্দ নিষিদ্ধ ঘনচিনি

চট্টগ্রাম বন্দরে আবারও জব্দ নিষিদ্ধ ঘনচিনি

ট্টগ্রাম বন্দরে আবারও জব্দ করা হয়েছে আমদানি নিষিদ্ধ ঘনচিনি (সোডিয়াম সাইক্লামেট) চালান। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) এ তথ্য জানায় কাস্টমস চট্টগ্রামের উপ-কমিশনার এইচ এম কবির আহমেদ।

কবির আহমেদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল ঢাকার সহায়তায় অভিযান চালিয়ে ৪ হাজার ২০০ কেজি ঘনচিনি আটক করে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের গোয়েন্দা টিম। এজাজ ট্রেডিং নামের একটি প্রতিষ্ঠান চীন থেকে একটি কনটেইনারে ২২ হাজার ৮৮ কেজি পণ্য আমদানি করে।

আরও পড়ুন :  র‌্যাব সদস্য খুনের ঘটনায় ২৯ জনের নামে মামলা, গ্রেপ্তার ৩

পণ্যটি পলিএলুমিনিয়াম ক্লোরাইড হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু কাস্টমস ল্যাবে রাসায়নিক পরীক্ষায় দেখা যায় এর মধ্যে ১৭ হাজার ৮০০ কেজি পলিএলুমিনিয়াম ক্লোরাইড হলেও বাকি ৪২০০ কেজি ঘনচিনি।বলে জানান কাস্টমসের এ কর্মকর্তা।

গত ২১ অক্টোবর কনটেইনারটি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছালে কাস্টমস খালাস কার্যক্রম স্থগিত করে। পরবর্তীতে ৬ নভেম্বর কায়িক পরীক্ষায় দুই ধরনের পণ্য পাওয়া যায়। পরে এসব পণ্য লাব টেস্ট করা হলে কারচুপি ধরা পড়ে।

আরও পড়ুন :  বিদেশে বসে ই-পাসপোর্ট পেল সাবেক ভূমিমন্ত্রীর ছেলে-মেয়ে

সংশ্লিষ্টরা জানান, ঘনচিনি একটি কৃত্রিম মিষ্টিকারক, যা সাধারণ চিনির তুলনায় ৩০ থেকে ৫০ গুণ বেশি মিষ্টি। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কম খরচে অতিরিক্ত মিষ্টতা পেতে মিষ্টান্ন, বেকারি, আইসক্রিম, পানীয় ও শিশু খাদ্যে এটি ব্যবহার করে থাকে। তবে এটি ক্যান্সারসহ কিডনি ও লিভারের জটিল রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

সরকার আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪ অনুযায়ী ঘনচিনি আমদানি নিষিদ্ধ করেছে। তাই কাস্টমস আইন, ২০২৩ অনুযায়ী পণ্য আটক করা হয়েছে এবং আমদানিকারকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

আরও পড়ুন :  র‌্যাব সদস্য খুনের ঘটনায় ২৯ জনের নামে মামলা, গ্রেপ্তার ৩

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর ও ২৮ অক্টোবরও পৃথক দুটি চালানে প্রায় ১০০ টন নিষিদ্ধ ঘনচিনি আটক করা হয়েছিল। সেই ঘটনার আইনগত কার্যক্রম এখনও চলমান। এ ঘটনায় কাস্টমসের দুই কর্মকর্তার উপর হামলা চালায় দূর্বৃত্তরা।

ঈশান/মম/মখ

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page