রবিবার- ৭ ডিসেম্বর, ২০২৫

গ্লোবাল ডিফেন্স কর্পের প্রতিবেদন

রূপপুর বিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে ৫০০ কোটি ডলার হাতিয়েছেন শেখ হাসিনা

মধ্যস্ততা করেন শেখ রেহানা কন্যা টিউলিপ সিদ্দিক

রূপপুর বিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে ৫০০ কোটি ডলার আত্মসাত করেছেন শেখ হাসিনা

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ৫০০ কোটি ডলারের বেশি আত্মসাৎ করেছেন বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গ্লোবাল ডিফেন্স কর্পের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন তথ্য।

তারা জানায়, মালয়েশিয়ার একটি ব্যাংকের মাধ্যমে তাকে অর্থ-আত্মসাতের সুযোগ করে দেয়, প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা-রোসাট্রম। যাতে মধ্যস্ততা করেন, ভাগ্নি টিউলিপ সিদ্দিক।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, রাশিয়ার সহযোগিতায় বিদ্যুৎকেন্দ্রটির নির্মাণে খরচ ধরা হয়, এক হাজার ২৬৫ কোটি ডলার। প্রয়োজনের তুলনায় যা অনেক বেশি। যাতে মালয়েশিয়ার এক ব্যাঙ্কের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে এই বাজেট থেকে ৫০০ কোটি ডলার আত্মসাতের সুযোগ করে দেয়, প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা-রোসাট্রম।

আরও পড়ুন :  লটারিতে সিএমপির ১৫ থানার ওসির চেয়ার বদল

নিজের ভাগ্নি টিউলিপ সিদ্দিকের মধ্যস্থতায় রাশিয়ার সঙ্গে এ চুক্তি করেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই মধ্যস্থতার বিনিময়ে পাচার করা অর্থের ৩০ শতাংশ পেয়েছেন টিউলিপ, শেখ রেহানা ও পরিবারের কয়েক সদস্য। ২০১৩ সালে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে শেখ হাসিনার সাক্ষাতের সময় সঙ্গী হয়েছিলেন, টিউলিপ সিদ্দিক।

গ্লোবাল ডিফেন্স কর্পের দাবি, সে সময় ঢাকা-মস্কোর বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র চুক্তির মধ্যস্থতাও করেন তিনি। ২০০৯ সালে ‘প্রচ্ছায়া লিমিটেড’ নামে একটি ভুয়া কোম্পানি চালু করেন, টিউলিপ সিদ্দিক, তার মা শেখ রেহানা ও চাচা তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিক। যুক্তরাষ্ট্রেও জুমানা ইনভেস্টমেন্ট নামে একটি কোম্পানি রয়েছে তাদের।

আরও পড়ুন :  চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে ৯০ লাখ টাকার সিগারেটভর্তি লাগেজ

গ্লোবাল ডিফেন্স কর্প বলছে, এই কোম্পানির মাধ্যমেই বিভিন্ন দেশের অফশোর অ্যাকাউন্টে অর্থপাচার করতেন, শেখ হাসিনা। গ্লোবাল ডিফেন্স কর্প নামে পোর্টালটি চালু হয়, ২০১৮ সালে। বিভিন্ন দেশের সামরিক ও প্রতিরক্ষাখাতে দুর্নীতির অনুসন্ধান করে থাকে তারা। বিশেষ করে চীন ও রাশিয়ার সামরিক শক্তির বিস্তার রোধে, পশ্চিমা ঢাল হয়ে কাজ করে সংস্থাটি।

উল্লেখ্য, দেশের সবচেয়ে বড় ও ব্যয়বহুল প্রকল্প রূপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। এটি পুরোপুরি বাস্তবায়নের পর ২০ শতাংশ বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।সম্প্রতি এ বিষয়ে নিজস্ব অনুসন্ধানের ভিত্তিতে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে গ্লোবাল ডিফেন্স কর্পোরেশন।

আরও পড়ুন :  খাতুনগঞ্জে উপচে পড়ছে ভোগ্যপণ্য

ঈশান/খম/সুম

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page