
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির পর থেকে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এ পর্যন্ত ৮০ টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। সর্বশেষ শনিবারও ১২টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়।
বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল শনিবার বিকেলে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে শনিবারের ১২টি ফ্লাইটসহ এ পর্যন্ত মোট ৮০টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ফ্লাইট সূচিতে পরিবর্তন অব্যাহত থাকতে পারে বলেও জানান তিনি।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের আগ্রাসনের কারণে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে দুবাই, আবুধাবি, শারজাহ ও দোহার এয়ারফিল্ড বন্ধ হয়ে পড়ে। ফলে এসব রুটের ফ্লাইট চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এর প্রভাব পড়েছে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনায়ও।
সর্বশেষ শনিবার দুপুর পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যগামী ও মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা মোট ১২টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি অ্যারাইভাল এবং দুটি ডিপার্চার ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এয়ার অ্যারাবিয়ার মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা দুটি অ্যারাইভাল এবং দুটি ডিপার্চার ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি অ্যারাইভাল এবং দুটি ডিপার্চার ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এছাড়া সালাম এয়ারের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি অ্যারাইভাল ও একটি ডিপার্চার ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার সারাদিনে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা ২টি এরাইভাল ও ১টি ডিপার্চার ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি এয়ার আরাবিয়ার ৩টি এরাইভাল ও ৩টি ডিপার্চার এবং ইউএস বাংলা এয়ারলাইনসের ৩টি এরাইভাল ও ২টি ডিপার্চার ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
তবে সীমিত পরিসরে কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল করছে। এর মধ্যে শনিবার সকালে সালাম এয়ারের ফ্লাইট মাস্কাট থেকে চট্টগ্রামে এসে পৌঁছায় এবং পরবর্তীতে এটি মাস্কাটের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। এছাড়া বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট মদিনা থেকে এবং আরেকটি ফ্লাইট মাস্কাট থেকে চট্টগ্রামে অবতরণ করে। এর আগে শুক্রবার সালাম এয়ার এর মাস্কাট-চট্টগ্রাম রুটে দুটি এরাইভাল ফ্লাইট এবং চট্টগ্রাম-মাস্কাট রুটে দুটি ডিপার্চার ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে।
এছাড়া বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের জেদ্দা-চট্টগ্রাম রুটের একটি এরাইভাল ফ্লাইট এবং চট্টগ্রাম-জেদ্দা রুটের একটি ডিপার্চার ফ্লাইট চলাচল করেছে। একইভাবে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মাস্কাট-চট্টগ্রাম রুটে একটি এরাইভাল ফ্লাইট ও চট্টগ্রাম-মাস্কাট রুটে একটি ডিপার্চার ফ্লাইট চলাচল করে।
You cannot copy content of this page