রবিবার- ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬

তারেক রহমানকে দেখতে চট্টগ্রামে মানুষের ঢল

তারেক রহমানকে দেখতে চট্টগ্রামে মানুষের ঢল

# পলোগ্রাউন্ড মাঠের বাইরেও ছিল আগত মানুষের ভিড়
# প্রার্থীদের পক্ষে নেতাকর্মীদের শো-ডাউন ছিল বেশি
# ভিড় এড়াতে আগে-ভাগে মাঠ ত্যাগ, তবুও অসুস্থ ২

তারেক রহমানকে দেখতে চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড মাঠে মানুষের ঢল নেমেছে। মিছিলের পর মিছিল নিয়ে রবিবার সকাল ৮টা থেকে বিএনপির আয়োজিত জনসমাবেশে যোগ দেন নেতাকর্মীরা। এর মধ্যে চট্টগ্রাম মহানগরের বিভিন্ন আসনের প্রার্থীদের পক্ষে নেতাকর্মীদের শো-ডাউন ছিল বেশি।

মাঠের বাইরে চারপাশ ঘিরেও ছিল সমাবেশে আসা মানুষের ভিড়। বিশেষ করে নগরীর টাইগারপাস মোড়, কদমতলি ফলমন্ডি মোড়, সিআরবি, কাজীর দেউরি পর্যন্ত সড়ক ও অলিগলিতে মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা গেছে।

হাজার হাজার নেতাকর্মী সেখানে অবস্থান নিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্য শুনেছেন। বক্তব্যের মাঝে অনেকেই ভিড় এড়াতে আগে-ভাগে জনসভাস্থল ত্যাগও করেছেন। এরপরও হিটস্ট্রোকে দু‘জন অসুস্থ হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে দুপুরের দিকে সমাবেশ শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত সরেজমিনে ঘুরে এই পরিস্থিতি নজরে আসে। সমাবেশে আসার মতো ফেরার পথেও মানুষের ঢলে শত শত মানুষ ও যানবাহন চরম বিপাকে পড়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, চট্টগ্রাম টাইগারপাস মোড়ের আগে দেওয়ানহাট থেকে আগ্রাবাদ, অপরদিকে লালখান বাজার মোড় থেকে ফ্লাইওভারে এক কিলোমিটার, নিচে ওয়াসা মোড়, কদমতলী মোড় থেকে নিউ মার্কেট, নিউ মার্কেট থেকে কদমতলি ফ্লাইওভারের দুই কিলোমিটার ও সিআরবি থেকে কাজীর দেউরি পর্যন্ত যানজট সৃষ্টি হয়।

যেখানে শত শত যাত্রী ভোগান্তির মধ্যে পড়ে। এসব এলাকার মধ্যভাগে শুধুমাত্র সমাবেশে আসা মানুষ প্রবেশের অনুমতি পায়। এসব এলাকার মোড়ে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আনসারের বিপুলসংখ্যক সদস্যের উপস্থিতি দেখা গেছে।

চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলার বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, শ্রমিক দল, ওলামা দল ও মহিলা দল নেতাকর্মীরা সকাল থেকে সমাবেশে যোগ দেন। এছাড়া আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম মহানগরের বিভিন্ন আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীদের পক্ষে নেতাকর্মীদের শো-ডাউন ছিল বেশি।

এদের মধ্যে অন্যতম ছিল চট্টগ্রাম-৮ আসনের (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও) প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ ও চট্টগ্রাম-৯ আসনের (কোতোয়ালী) প্রার্থী আবু সুফিয়ানের কর্মী-সমর্থকরা। সমাবেশে আসা চট্টগ্রাম সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সদস্য জাহাঙ্গীর আলম বলেন, তরুণ প্রজন্মের তারেক রহমানকে দেখার সুযোগ পাননি। দীর্ঘদিন পর তিনি চট্টগ্রামে আসলেন। নেতাকর্মীরা তাকে দেখার জন্য উদগ্রীব ছিলেন। কিন্তু এত ভিড় যে, তা সামলানো কষ্টদায়ক। ভিড়ের মধ্যে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

চট্টগ্রাম নগর যুবদলের সাবেক দপ্তর স¤পাদক মোহাম্মদ সগির বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতির জন্য চট্টগ্রাম একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিএনপির তথা তারেক রহমানের কী পরিকল্পনা আছে তা সরাসরি শুনতে চায় চট্টগ্রামের মানুষ। দীর্ঘ ২০ বছর পর তিনি চট্টগ্রামের আসলেন, তা নিয়েও মানুষের আগ্রহ আছে।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবি সম্বলিত ব্যানারের নিচে দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন বৃদ্ধ এরশাদুর রহমান। চট্টগ্রামের বিএনপির জনসভায় এসেছেন তিনি। ৪৫ বছর ধরে রাজনীতি করলেও কখনও তারেক রহমানকে দেখার সুযোগ পাননি তিনি। জীবনে একবার হলেও তাকে দেখার জন্য চট্টগ্রামের জনসভায় এসেছেন সাতসকালে।

আরও পড়ুন :  তাহাজ্জুদের পর ভোট কেন্দ্রে ফজর জামাতে, তারপর ভোট

চট্টগ্রাম নগরীর পলোগ্রাউন্ড মাঠে বিএনপির জনসভার প্রবেশমুখে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কথা হয় কথা হয় এরশাদুর রহমানের সঙ্গে। তিনি বলেন, আমার বয়স ৬৯ বছর। ৪৫ বছর ধরে রাজনীতি করে আসছি। কখনও তারেক রহমানকে দেখার সুযোগ হয়নি। এবার কাছ থেকে দেখার আশা নিয়ে চলে আসলাম সমাবেশে।

এরশাদুর রহমান চট্টগ্রাম নগরীর হালিষহর এলাকার বাসিন্দা। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী নাগরিক পরিষদের চট্টগ্রাম শাখার সহসভাপতি তিনি। তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের প্রচলিত রাজনীতির অবসানের আশা প্রকাশ করে এরশাদুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দমন-পীড়নের পর তারা দেশ থেকে পালিয়েছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ থেকে প্রতিহিংসার রাজনীতির অবসান হবে।

তিনি বলেন, তারেক রহমানের প্রতি আমাদের প্রত্যাশা অনেক বেশি। বিশেষ করে চট্টগ্রাম বন্দরের উন্নতির দিকে যেন তিনি নজর দেন। এবং বৃহত্তর বন্দর-পতেঙ্গা এলাকায় সরকারি হাসপাতাল নাই। আমরা চাই আজকের সমাবেশে তিনি চট্টগ্রামের এসব সমস্যা নিয়ে কথা বলবেন।

পাকা ধানে নজর কেড়েছে দুই কর্মী
মাথা থেকে পা পর্যন্ত শরীরজুড়ে সাটানো হয়েছে পাকা ধান। দূর থেকে দেখলে মনে হয় বিএনপির নির্বাচনী প্রতীক ধানের শীষ যেন জীবন্ত হয়ে রাজপথে নেমে এসেছে।

বিএনপির জনসমাবেশে এই সাজে সবার নজর কেড়েছেন কৃষক দলের দুই কর্মী। তারা হলেন, চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের নেপাল চন্দ্র দাশ ও সাইদুল ইসলাম।

রবিবার সকালে চট্টগ্রাম মহানগরের পলোগ্রাউন্ড মাঠে অনুষ্ঠিত জনসমাবেশে তাদের ব্যতিক্রমী এই উপস্থিতিতে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ উৎসাহিত হয়ে ছবি এবং সেলফি তুলতে ভিড় করেছেন। সমাবেশের সময় তাদের দিকে লক্ষ্য রেখে কেউ কেউ অনবরত স্লোগান দিয়েছেন, লাগারে লাগা, ধান লাগা।

মীরসরাই উপজেলা কৃষক দলের সহসভাপতি তৌহিদ্দোজা বলেন, ধানের শীষ প্রতীকের প্রতি গভীর ভালোবাসা থেকেই তারা এভাবে নিজেদের সাজিয়েছেন। বিএনপির প্রতিটি বড় কর্মসূচিতেই এই দু‘জনকে এমন ভিন্ন আঙ্গিকে অংশ নিতে দেখা যায়।

তরুণদের প্রশ্নের মুখোমুখি তারেক রহমান
চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ড মাঠে জনসভায় যোগ দেওয়ার আগে তরুণদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দ্য প্ল্যান : ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান শীর্ষক এই অনুষ্ঠান রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় নগরীর র‌্যাডিসন ব্লু-বে ভিউ হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় চট্টগ্রাম মহানগর ও আশপাশের প্রায় ৫০টি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৪৫০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্ন ও জিজ্ঞাসার উত্তর দেন বিএনপি চেয়ারম্যান।

তরুণদের প্রশ্নের উত্তরে তারেক রহমান বলেন, বিদেশে পড়াশোনার সময় অনেক শিক্ষার্থী আর্থিক সংকটে পড়েন। তাদের সহায়তায় স্টুডেন্ট লোন চালুর পরিকল্পনা করছে বিএনপি। তিনি আরও বলেন, প্রতিশ্রুতি দিয়ে তা বাস্তবায়নের চেষ্টা না করলে রাজনৈতিক দলের প্রতি জনগণের আস্থা থাকে না।

আইনশৃঙ্খলা ও দুর্নীতির প্রশ্নে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং দুর্নীতি রোধ করতে না পারলে কোনো উন্নয়ন পরিকল্পনাই সফল হবে না। চাঁদাবাজি সমাজের বিভিন্ন স্তরে ছড়িয়ে পড়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের বার্তা থাকলে এসব অপরাধ অনেকটাই কমে যাবে।

আরও পড়ুন :  চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে ভাসছে ৮৫ মাদার ভেসেল

ভোকেশনাল শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়ার কথা জানিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, আগামী ৫-১০ বছরে বৈশ্বিকভাবে কোন কোন ভোকেশনাল কাজের চাহিদা বাড়বে, তা চিহ্নিত করে কারিকুলামে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। প্রশিক্ষণ ও ভাষা শিক্ষার মাধ্যমে বিদেশে দক্ষ শ্রমশক্তি পাঠানো গেলে উন্নত মানের কর্মী রপ্তানি সম্ভব হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

স্বাস্থ্যখাত প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, শুধু হাসপাতাল নির্মাণ টেকসই সমাধান নয়। হেলথ কেয়ারার নিয়োগ দিয়ে ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য সচেতনতা গড়ে তুলতে চায় বিএনপি।

শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে স্কুলগুলোকে অডিও-ভিজ্যুয়াল সংযোগের আওতায় আনার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। এর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সেরা শিক্ষকদের পাঠদান নিশ্চিত করা যাবে। একই সঙ্গে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের জন্য আধুনিক ডিভাইস সরবরাহের কথাও বলেন বিএনপির চেয়ারম্যান।

বিশেষায়িত বাসে চড়ে জনসভায় তারেক রহমান
অনুষ্ঠান শেষে বাংলাদেশ লেখা বিশেষায়িত বাসে চড়ে ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ড মাঠে পৌঁছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) বেলা ১২টা ১০ মিনিটের দিকে তিনি জনসভাস্থলে উপস্থিত হন। বেলা ১টার দিকে সেখানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

সমাবেশ শেষে তিনি বিকেলে ফেনী, কুমিল্লা ও নারায়ণগঞ্জে একাধিক পথসভায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। এদিকে সমাবেশ উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম নগরীতে রাখা হয়েছে কঠোর নিরাপত্তার আওতায়। প্রায় দুই হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানান সিএমপি কমিশনার হাসিব আজিজ।

তিনি বলেন, মঞ্চসহ পুরো এলাকাকে রেড জোন, ইয়েলো জোন ও গ্রিন জোন এই তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ভাগ করা হয়েছে। মঞ্চকে রেড জোন ঘোষণা করা হয়েছে, যেখানে কেবল বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা, স্থায়ী কমিটির সদস্যরা এবং বৃহত্তর চট্টগ্রামের ২৩টি আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থীরা অবস্থান করতে পারবেন। মঞ্চের সামনের অংশ ইয়েলো জোন হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে, যেখানে সাংবাদিক ও নারীদের জন্য আলাদা ব্লক থাকবে। পুরো মাঠকে রাখা হয়েছে গ্রিন জোন হিসেবে।

ভিড় এড়াতে আগে-ভাগে মাঠ ত্যাগ
জনসভায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বক্তব্য দেওয়ার সময় পলোগ্রাউন্ড মাঠ ছেড়ে চলে যেতে দেখা যায় দলটির অনেক নেতাকর্মীকে।

চলে যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে স্বেচ্ছাসেবক দলের একজন কর্মী বলেন, বক্তব্য শেষ হওয়ার পরপর সবাই মাঠ ছাড়তে হুড়োহুড়ি করবে। তাই আগে থেকে চলে যাচ্ছি।’

তিনি বলেন, জনসভাটি ঘিরে সকাল থেকেই পলোগ্রাউন্ড ও আশপাশের এলাকায় ব্যাপক নেতাকর্মীর উপস্থিতি থাকলেও বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে এসে মাঠের চিত্র বদলে যায়। উপস্থিত থাকা নেতাকর্মীরা জানান, দীর্ঘ সময় ধরে কর্মসূচি চলা ও ভিড়ের কারণেই অনেকে আগে চলে যান।

সরেজমিনে দেখা যায়, তারেক রহমান ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিকল্পনা ও দলীয় কর্মসূচি স¤পর্কে বক্তৃতা দিচ্ছিলেন, তখন বিভিন্ন দিক থেকে নেতাকর্মীরা ধীরে ধীরে বেরিয়ে যেতে শুরু করেন। ফলে মাঠের উপস্থিতির ঘনত্ব কমে আসে এবং শৃঙ্খলার ঘাটতি লক্ষ্য করা যায়।

আরও পড়ুন :  চট্টগ্রামে তারেক রহমান

অসুস্থ দু‘জন সমাবেশ থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেলে
পলোগ্রাউন্ড মাঠে বিএনপির সমাবেশ চলাকালে ভিড়ের চাপে দুইজন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জনসমাবেশস্থল থেকে তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

আহতরা হলেন-চান্দগাঁও থানাধনি উত্তর মোহরা এলাকার মো. করিমের ছেলে রাকিব (২৫, অন্যজনের নাম পাওয়া যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দীর্ঘ সময় সমাবেশে অবস্থান করার একপর্যায়ে দুজন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। সমাবেশস্থলে স্বেচ্ছাসেবকরা পানি ও প্রাথমিক সহায়তা দেন। সহকর্মীরা তাদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।

চমেক হাসপাতাল পুলিশ বক্সের ইনচার্জ এসআই নুরুল আলম আশেক বলেন, তারা হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। বর্তমানে দু‘জনই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

সমাবেশ মঞ্চে ছিলেন যারা
সমাবেশ মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও পার্বত্য চট্টগ্রামের সংসদীয় আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থীরা। এর মধ্যে প্রথম সারিতে ছিলেন বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটি সদস্য উদয় কুমার বড়ুয়া, চট্টগ্রাম-১০ আসনের প্রার্থী সাঈদ নোমান, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব মোহাম্মদ নাজিমুর রহমান, চট্টগ্রাম-১৩ আসনের প্রার্থী সারোয়ার জামাল নিজাম, চট্টগ্রাম-৯ আসনের প্রার্থী আবু সুফিয়ান, কক্সবাজার-৪ আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ শাহাজাহান চৌধুরী, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য সুকোমল বড়ুয়া, চট্টগ্রাম-৪ আসনের প্রার্থী আসলাম চৌধুরী, উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য গোলাম আকবর খন্দকার, চট্টগ্রাম-৬ আসনের প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন, বিএনপির স্থায়ী কমিটি সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ ও আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

মঞ্চে আরও ছিলেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম সিটির মেয়র শাহাদাত হোসেন, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য এস এম ফজলুল হক, বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাংগঠনিক স¤পাদক হারুনুর রশিদ, চট্টগ্রাম-৫ আসনের প্রার্থী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, বিএনপির কেন্দ্রীয় শ্রমবিষয়ক স¤পাদক এএম নাজিম উদ্দীন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ স¤পাদক আবুল হাশেম বক্কর, খাগড়াছড়ির প্রার্থী আব্দুল ওয়াদুদ ভুইঁয়া, কক্সবাজারের প্রার্থী লুৎফুর রহমান কাজল, বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটি সদস্য ম্যামাসিং, বান্দরবান জেলা বিএনপির আহবায়ক জেরি প্রো চৌধুরী, বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির নারী বিষয়ক স¤পাদক বেগম নুরে আরা সাফা, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক ইদ্রিস মিয়া, বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটি সদস্য আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ, চট্টগ্রাম-৩ আসনের প্রার্থী মোস্তফা কামাল ও রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি দীপেন দেওয়ান।

মঞ্চের দ্বিতীয় সারিতে ছিলেন চট্টগ্রাম-১২ আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ এনামুল হক, চট্টগ্রাম-১৫ আসনের প্রার্থী নাজমুল মোস্তফা আমিন, চট্টগ্রাম-১৬ আসনের প্রার্থী মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা ও চট্টগ্রাম-১ আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ নুরুল আমিন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহানগর বিএনপির আহবায়ক মোহাম্মদ এরশাদ উল্লাহ।

প্রসঙ্গত, তারেক রহমান সর্বশেষ ২০০৫ সালে চট্টগ্রামে এসেছিলেন। সে সময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের প্রচারণায় অংশ নিয়ে তিনি নগরীর লালদিঘী ময়দানে জনসভায় বক্তব্য দিয়েছিলেন।

ঈ্যশান/মখ/বেবি

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page