রবিবার- ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬

দশ মাসে ২২৬ রেল দুর্ঘটনায় ২৪১ জনের প্রাণহানি

চলতি বছরের অক্টোবর পর্যন্ত ১০ মাসে ২২৬ রেল দুর্ঘটনায় মারা গেছে ২৪১ জন। এ বছরের আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে ২১টি ট্রেন দুর্ঘটনায় মারা গেছে তিনজন।

বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন । ফাউন্ডেশনের তথ্যমতে, গত ৬ বছরে ১ হাজার ১১৬ রেল দুর্ঘটনায় ১ হাজার ৩৪৫ জন নিহত এবং ১ হাজার ৩০২ জন আহত হয়েছে।

ট্রেন দুর্ঘটনার প্রায় ৮০ শতাংশই ঘটছে চালক ও স্টেশন মাস্টারদের গাফিলতি এবং লাইনচ্যুতি ও লেভেল ক্রসিংয়ের কারণে বলে দাবি সংস্থাটির।

আরও পড়ুন :  জয়ের পথে বিএনপির প্রার্থী মীর হেলাল

দিনে তিনবার রেললাইন ও সিগন্যাল পরীক্ষা করার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু সেটা বছরেও একবার সম্ভব হচ্ছে না। এটাও ট্রেন দুর্ঘটনা বাড়ার কারণ মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

তবে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুর্ঘটনা রোধে রেলট্র্যাক পরিবর্তনের পাশাপাশি চালকদের কাউন্সিলিং করা হচ্ছে।

সূত্র মতে, গত অক্টোবরে কিশোরগঞ্জের ভৈরবে মালবাহী ট্রেনের সঙ্গে আন্তনগর এগারসিন্ধুরের সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান ১৭ যাত্রী, আহত হন শতাধিক।

আরও পড়ুন :  এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ ও মাহিনের ওপর হামলা

গত সপ্তাহে রাজধানীর তেজগাঁও রেলস্টেশনে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ক্রেনের আঘাতে লাইনচ্যুত হয় তিতাস কমিউটার ট্রেন।

অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি দক্ষ জনবল ছাড়া ট্রেন দুর্ঘটনা কমানো সম্ভব নয় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এ বিষয়ে যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মো. হাদিউজ্জামান বলেন, ‘সিগন্যালিং সিস্টেমকে আধুনিকায়ন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ট্র্যাকগুলো আসলে অনেকটাই জরাজীর্ণ এবং তাদের আয়ুষ্কাল শেষ হয়ে গেছে। সেক্ষেত্রে আসলে পুনর্বাসন করা বা সংস্কার করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

আরও পড়ুন :  সন্দ্বীপের সঙ্গে যুক্ত হলো ভাসানচর

দুর্ঘটনা রোধে পুরোনো রেলট্র্যাক পরিবর্তন করা হচ্ছে বলে জানায় রেলওয়ে। বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. কামরুল আহসান বলেন, ‘আমরা দুর্ঘটনা রোধকল্পে সচেষ্ট আছি। আগে প্রায়ই ডিরেইল হতো। সেটা এখন অনেক কমে গেছে। এ ছাড়া অন্যান্য সমস্যা নিয়ে কাজ করছি।

ঈশান/মখ/মউ

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page