শুক্রবার- ১৪ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

প্রচ্ছদ /

একাধিক প্রেম ও বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন পরীমণি

print news

কখনও যৌন হেনস্তা, কখনও মাদক মামলা কখনও আবার একাধিক প্রেম এবং বিয়ে—বিভিন্ন কারণে শিরোনামে উঠে এসেছে অভিনেত্রী পরীমণির নাম। কোনোকিছু নিয়েই রাখঢাক নেই তার। আপাতত ছেলে রাজ্য আর স্বামী শরিফুল রাজকে নিয়ে গুছিয়ে নিয়েছেন নিজের সংসার।

রাজ্যের জন্মের পর রাজের সঙ্গে তার সমস্যাও নিজের ফেসবুকে লিখেছিলেন অভিনেত্রী। তবে নায়িকার জীবনে রাজই প্রথম পুরুষ নয়। তার আগেও একাধিক পুরুষ এসেছেন পরীমণির জীবনে। প্রেম হয়েছে ভেঙেছে। তা নিয়ে বিস্তর বিতর্ক সমালোচনা হয়েছে। এই যে একাধিক প্রেম এবং বিয়ে সামলান কীভাবে তিনি?

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে প্রেম নিয়ে মুখ খুললেন পরীমণি। হাসতে হাসতে নায়িকার উত্তর, ‘আচ্ছা একটা ব্রেকআপের পর মানুষ কী করে! আরেকটা ছেলে দেখব প্রেম করব, এটাই তো স্বাভাবিক। প্রেমিক গোলাপ ফুল দিলে সেটাও আমি সবাইকে দেখাই। তেমনই ব্রেকআপ হলে মন খারাপ থাকে। সেই অনুভূতিটাও আমি উদযাপন করি। সেটাও আবার সবাইকে জানাই। আর কী করব!’

নায়িকা হওয়ার আগেই প্রথম বিয়ে করেছিলেন পরীমণি। দূর সম্পর্কের দাদাকে বিয়ে করেছিলেন তিনি। তার ঠিক দুই বছর পরে ফেরদৌস কবীর সৌরভ নামে এক ব্যক্তিকে বিয়ে করেছিলেন তিনি। তার ইচ্ছাতেই নাকি বিনোদন জগতে পা রাখা পরীমণির। তবে সেই সম্পর্ক টেকেনি।

ক্যারিয়ারের প্রথম দিকে প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজের সঙ্গে বেশ ঘনিষ্ঠতা গড়ে উঠেছিল পরীমণির। তবে সেই প্রযোজককে বিয়ে করেননি তিনি। এক সাংবাদিকের সঙ্গেও তার বিয়ের কথা পাকা হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু সেই প্রেম টেকেনি। শোনা যায়, তারা নাকি গোপনে বিয়েও করেছিলেন।

২০২১ সালের মার্চ মাসে খুব অল্প দিনের পরিচয়ে সহকারী পরিচালক কামরুজ্জামান রনিকে বিয়ে করেছিলেন পরীমণি। যে সম্পর্কের আয়ু তিন মাসও ছিল না। তারপর নায়িকার জীবনে আসেন শরিফুল রাজ। আপাতত স্বামী আর ছেলেকে নিয়ে সংসারে মন দিয়েছেন অভিনেত্রী।

আরও পড়ুন

কোকা-কোলার বিজ্ঞাপনটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে!

সরিয়ে নেওয়া হয়েছে কোকা-কোলার সেই বিজ্ঞাপন!

print news

ফিলিস্তিন-ইসরায়েল যুদ্ধের পর থেকেই মুসলিম বিশ্বে কোনঠাসা হয়ে পড়ে কোমল পানীয় ব্র্যান্ড কোকা-কোলা। বাংলাদেশ একই অবস্থা। বড় একটি অংশ বয়কট করেছে পানীয়টি।

সম্প্রতি এ পানীয়ের একটি বিজ্ঞাপন প্রচার করা হয়। বিজ্ঞাপনে বলা হয় কোকা-কোলার সঙ্গে ইসরায়েলের কোনো সম্পর্ক নেই। তবে বিষয়টি ভালোভাবে নেননি নেটিজেনরা। তারা রীতিমতো ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয় প্রতিবাদ।

অবস্থা বেগতিক দেখে বিজ্ঞাপনটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে কোকা-কোলার ইউটিউব চ্যানেল থেকে। মঙ্গলবার (১১ জুন) দুপুর থেকে কোকা-কোলার ইউটিউব চ্যানেলে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বিজ্ঞাপনটি। যদিও বিষয়টি নিয়ে এখনও কোকা-কোলা কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।

তবে ধারণা করা হচ্ছে, সামাজিক মাধ্যমে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিজ্ঞাপন সরিয়ে নিয়েছে কোকা-কোলা কর্তৃপক্ষ। এদিকে কোকা-কোলা বিবৃতি না দিলেও নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন বিজ্ঞাপনটির নির্মাতা শরাফ আহমেদ জীবন এবং অভিনয়শিল্পী শিমুল শর্মা।

জীবন লিখেছেন, ‘এখানে আমি কোথাও ইসরায়েলের পক্ষ নেইনি এবং আমি কখনওই ইসরায়েলের পক্ষে নই। আমার হৃদয় সবসময় ন্যায়ের পক্ষে এবং মানবতার পাশে আছে, থাকবে।’

অন্যদিকে শিমুল ক্ষমা চেয়েছেন। তার কথায়, ‘আমি ভবিষ্যতে কোনো কাজে অভিনয় করতে গেলে অবশ্যই আমাদের দেশের মূল্যবোধ, মানবাধিকার, মানুষের মনোভাবকে যথেষ্ট সম্মান দিয়ে বিবেচনা করে তারপর কাজ করব। আমি মাত্র আমার জীবনের পথচলা শুরু করেছি, আমার এই পথচলায় ভুল ত্রুটি ক্ষমা সুলভ দৃষ্টিতে দেখবেন এবং আমাকে ভবিষ্যতে একজন বিবেকবান শিল্পী হয়ে ওঠার জন্য শুভ কামনায় রাখবেন।’

ঈশান/খম/সুপ

এইডস আক্রান্ত নিয়ে যা বললেন মমতাজ

এইডস আক্রান্ত নিয়ে যা বললেন মমতাজ

print news

য়েকদিন আগে সামাজিক মাধ্যমে গুঞ্জন ছড়ায়, এইডস আক্রান্ত হয়েছেন কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগম। বিষয়টি নজরে পড়েছে সাবেক এই সংসদ সদস্যের। বেশ বিব্রত তিনি। সংবাদমাধ্যমের কাছে প্রকাশ করেছেন তা।

মমতাজ বলেন, ‘শুনলাম, আমার নাকি এইডস হয়েছে! বিষয়টি বিব্রতকর। আল্লাহর রহমতে আমি সুস্থ ও খুব ভালো আছি। আর সে কারণেই স্টেজ শো নিয়ে দেশ-বিদেশ ঘুরে বেড়াতে পারছি। ঈদের পরও দেশের বাইরে যাচ্ছি। যারা এসব মিথ্যা কিংবা গুজব ছড়াচ্ছে তাদের সুবুদ্ধির উদয় হোক।

তিনি বলেন, যারা এসব বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে তাদের বলব, এগুলো ভালো না, ভালো পথে থাকেন। আর আমার ভক্তদের বলব, এসব গুজবে কান দেবেন না। সবার দোয়ায় আপনাদের মমতাজ অনেক অনেক ভালো আছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঈদের পর দিন আবার স্টেজ শোতে অংশ নিতে দুবাই যাচ্ছি। গান গাওয়ার পাশাপাশি সেখানের একটি অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানেও অংশ নেব। সব শেষ করে চলতি মাসের ২৩-২৪ তারিখে দেশে ফেরার ইচ্ছা আছে।’

কদিন আগে ‘বুঝলে নাকি বুঝপাতা’ শিরোনামের একটি গান ভাইরাল হয় মমতাজের। এতে তার সঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন গায়িকার নাতনি। গানটি নিয়ে মমতাজ বলেন, ‘মজার ছলেই গানটি কণ্ঠে তোলা। আমার সঙ্গে নাতনি মোমধুও দারুণ গেয়েছে। নাতনিকে নিয়ে তিন-চারদিন আগে ঘুরতে গিয়েই গানটি গাইলাম। তখন এটি ভিডিও করে ফেসবুকে প্রকাশ করি। এটি যে এভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে তা বুঝিনি।

একটা বার্তাও দিতে চেয়েছি। একদল মানুষ আমার নামে মিথ্যা ও গুজব ছড়াচ্ছে। যাদের বোঝার তারা ঠিকই বিষয়টি বুঝতে পেরেছে। আর কেউ কেউ বিষয়টি নিয়ে এখনও দোটানার মধ্যে আছে। মূলত তাদের উদ্দেশ্যেই গানটি গাওয়া।’

ঈশান/মখ/সুপ

কানেও ফিলিস্তিনির পক্ষে ঝড় তুললেন মার্কিন অভিনেত্রী

কানেও ফিলিস্তিনির পক্ষে ঝড় তুললেন মার্কিন অভিনেত্রী

print news

বিশ্বের সব চেয়ে বড় চলচ্চিত্র উৎসব হচ্ছে কান। এবার সেখানেও ফিলিস্তিনিদের পক্ষে জোরালো সমর্থন আদায়ে সক্ষম হয়েছে মার্কিন সুপার মডেল অভিনেত্রী বেলা হাদিদ। আরেক সুপার মডেল জিজি হাদিদের বোন তিনি। তাদের বাবা মোহামেদ হাদিদ ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক। ফিলিস্তিনিদের দুর্দশা নিয়ে দুই বোন সব সময়ই সরব।

সম্প্রতি কান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে হাজির হয়েছিলেন বেলা হাদিদ। আর সেখানেই ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রতীক লাল কেফিয়াহ দিয়ে বানানো পোশাকে নজর কেড়েছেন তিনি। স্বাধীনতাকামী ফিলিস্তিনিদের দূত হয়ে যেন ফ্রান্সের কান সৈকত থেকে দ্যুতি ছড়ালেন বেলা! এ সময় উৎসবের অতিথিরা তাকে ব্যাপক সমর্থন জানান।

ইনস্টাগ্রামে ছবিগুলো শেয়ার করে বেলা হাদিদ লিখেছেন, ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন ফরেভার’। শিরোনামের সঙ্গে পোশাকের একটি ছবিও পোস্ট করেছেন। এ সাহসী উদ্যোগের জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশংসায় ভাসছেন বেলা হাদিদ। এক্স হ্যান্ডলে একজন লিখেছেন, ‘ফিলিস্তিনি শিকড়ের প্রতি তার এই ভালোবাসায় মুগ্ধ।’

আরেকজন লিখেছেন, ‘ফ্যাশনের সঙ্গে বিশ্ববাসীকে বার্তা দিয়ে বেলা নিজের শিকড়ের প্রতি সম্মান জানিয়েছেন।’ বেলার পোশাকটি ডিজাইন করেছেন ডিজাইনার জুটি মাইকেল এবং হুশি। এর আগে ২০০১ সালে ‘সেক্স অ্যান্ড দ্য সিটি’র সিজন ফোরের একটি পর্বে ক্যারি ব্র্যাডশোর পরা কালো এবং সাদা কেফিয়াহ টপের নেপথ্যেও ছিলেন এই জুটি।

ফিলিস্তিনি বাবা মোহামেদ হাদিদ এবং মার্কিন মা ইয়োলান্ডা হাদিদের সন্তান বেলা। মডেলিংয়ের দুনিয়ায় মা ও বোন জিজি হাদিদ বেশ প্রভাবশালী। বাবা বড় ব্যবসায়ী। বেলার পুরো নাম ইসাবেলা খাইরিয়াহ হাদিদ। ক্যারিয়ারে ১৯ বার ভোগ ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদ হয়েছেন।

২০২২ সালে ব্রিটিশ ফ্যাশন কাউন্সিল তাকে ‘মডেল অব দ্য ইয়ার’ খেতাব দেয়। ২০২৩ সালে বিশ্বের ১০০ প্রভাশালী ব্যক্তির তালিকায় স্থান করে নেন বেলা হাদিদ। ফিলিস্তিনিদের দুর্দশা নিয়ে কথা বলায় মডেলিং জগতেও জিজি ও বেলার চাপে পড়তে হয়েছে।

কিন্তু ফিলিস্তিনি রক্তের সম্পর্ক তো তারা ভুলতে পারেন না! রক্তের দায় মেটাতে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে যেমন সরব থাকেন, আবার ফিলিস্তিনের গাজায় অবরুদ্ধ মানুষদের জন্য নিয়মিত মোটা অঙ্কের অনুদানও পাঠান।

উল্লেখ্য, ইসরাইলি বর্বরতার বিরুদ্ধে দিন দিন স্বাধীনতাকামী ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন বাড়ছে। ইতোমধ্যে ১৪৭ দেশ ফিলিস্তিনিদের স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। অন্যদিকে মাত্র ৮ দেশ এর বিপক্ষে। ফিলিস্তিনিদের আশা অচিরের তারা স্বাধীনতা অর্জন করবে।

ঈশান/খম/সুম

পুরোনো রূপে ফিরতে মরিয়া মাহিয়া মাহি

পুরোনো রূপে ফিরতে মরিয়া মাহিয়া মাহি

print news

পুরোনো রূপে ফিরতে মরিয়া ঢাকায় চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মাহিয়া মাহি। কারন তার দ্বিতীয় বিয়ে ভেঙে গেছে। এমপি হতে গিয়ে সব হারিয়েছে। তবে আবারও ভুল করলেন এই অভিনেত্রী।

এই নায়িকা জানালেন তিনি একটি অনলাইন জুয়া কোম্পানির শুভেচ্ছা দূত হয়েছেন। খবরটি জানিয়ে নিজের ফেসবুক থেকে প্রকাশ করা এক ভিডিও বার্তায় মাহি বলেন, আমি মাহিয়া মাহি। আজকে আমি তোমাদের জন্য দারুণ একটি নিউজ নিয়ে এসেছি। আমি নতুন এক ফ্যামিলিতে যোগ দিতে যাচ্ছি। জয়েন হতে যাচ্ছি শুভেচ্ছাদূত হিসেবে। অনেক চমক নিয়ে আসব তোমাদের কাছে।

এদিকে বাংলাদেশের সংবিধান ও আইনে জুয়া খেলা একেবারেই নিষিদ্ধ। বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮ (২) অনুচ্ছেদে নৈতিকতা রক্ষায় রাষ্ট্রের দায়িত্ব সম্পর্কে বলা হয়েছে, গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

১৮৬৭ সাল থেকে চালু প্রকাশ্য জুয়া আইন অনুসারে, কেউ টাকার বিনিময়ে বাজি বা জুয়ার আসর বসালে এবং কেউ তাতে অংশ নিলে তা হবে দণ্ডনীয় অপরাধ। সুতরাং প্রচলিত আইন অনুসারে সব ধরনের জুয়া বাংলাদেশে সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।

বিষয়টি নিয়ে মাহি বলেন, চুক্তিতে স্পষ্টভাবে লেখা আছে ক্রিকেট রিলেটেড ইনফরমেটিভ প্ল্যাটফর্ম অ্যান্ড নট প্রমোটিং ক্যাসিনো। আমি এভাবেই তাদের সঙ্গে চুক্তি করেছি। চুক্তিতে এটাও উল্লেখ আছে, আমি যদি কোনো বেটিং অ্যাপের সঙ্গে কাজ করতে চাই, সেটাও পারব না। আমি অবৈধ কোনো কিছু করিনি। আমাদের দেশের অনেকেই এ রকম চুক্তি করেছেন। আমি অবশ্যই বেটিং অ্যাপের সঙ্গে নেই, ভবিষ্যতেও থাকব না।

এর আগে দেশ ও আন্তর্জাতিকভাবে নিষিদ্ধ এমন সাইটের বিজ্ঞাপন ও শুভেচ্ছাদূত হিসেবে নাম জড়িয়েছে জয়া আহসান, অপু বিশ্বাস ও নুসরাত ফারিয়ার। এর মধ্যে জয়া ও ফারিয়াকে শুধু বিজ্ঞাপনে পাওয়া গেলেও অপু কাজ করছেন শুভেচ্ছাদূত হিসেবে! আর তাদের বেশির ভাগেরই দাবি, ভুল তথ্যে তারা এগুলোতে জড়িয়ে পড়েছেন।

এদিকে জিমে গিয়ে নিজেকে ফিট রাখছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের বর্তমান প্রজন্মের নায়িকা মাহিয়া মাহি। নতুনভাবে নিজেকে দর্শকের সামনে হাজির করতে চাইছেন। গেল ঈদে মুক্তি পাওয়া শাকিবের ‘রাজকুমার’ ছবিতে ক্যামিও চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের প্রশংসা পেয়েছেন। তবুও তার হাতে কোনো কাজ নেই।

কিছুদিন আগে ‘কই জানে না’ সিনেমার ‘আশিকি’ গানের সঙ্গে নাচের একটি ভিডিও প্রকাশ করে নেটাগরিকদের মনোযোগ কাড়েন তিনি। এক মিনিটের সে ভিডিওতে মাহির সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে অনেকেই ভাবছিলেন ফুরিয়ে যাননি তিনি। অনেকে তাকে এমন রূপে ফের পর্দায় দেখারও স্বপ্ন দেখছিলেন। বিচ্ছেদের পর তিনিও সন্তানকে নিয়ে ফুরফুরে মেজাজে আছেন। বন্ধু-বান্ধবীদের সঙ্গে বেশ সুন্দর সময় কাটাচ্ছেন। নতুন উদ্যমে কাজেও ফিরছেন তিনি।

ঈশান/মখ/সুম

জয় ও জায়েদ খান দু’জনই বেহায়া....

জয় ও জায়েদ খান দু’জনই বেহায়া….

print news

ঢাকা চলচ্চিত্রের আলোচিত-সমালোচিত চিত্রনায়ক জায়েদ খান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই শিক্ষার্থী দীর্ঘদিন ধরে অভিনয় জগতে কাজ করছেন। কিন্তু তার কোনো ছবি তেমন জনপ্রিয়তা পায়নি।

তবে সম্প্রতি তিনি আলোচনায় স্টেজ শোর কারণে। এ উপলক্ষ্যে তিনি বিভিন্ন দেশ সফর করছেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন জনপ্রিয়তা না থাকলে কি আমাকে কেউ ডাকে। আমার বিশাল নারী ভক্ত রয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায়ও আলোচনায় চিত্রনায়ক জায়েদ খান। কখনও ডিগবাজি দিয়ে কখনও নিজের সাজপোশাকের শো-অফ করে। অন্যদিকে কম যান না উপস্থাপক ও অভিনেতা শাহরিয়ার নাজিম জয়ও।

বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে সঞ্চালনার জন্য আলোচনায় থাকেন তিনি। প্রায়ই তার অনুষ্ঠানে অতিথিদের প্রশ্ন করে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলেন এই অভিনেতা। এবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নতুন করে আলোচনায়ে এলেন তারা দু’জন।

জানা যায়, সম্প্রতি জয়ের উপস্থাপনায় একটি অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন জায়েদ খান। আর সেখানেই নিজেদের বেহায়া বলে মন্তব্য করেন এই নায়ক। যা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়।

জায়েদ খানকে জয় প্রশ্ন করেন, ‘অনেকে বলে, জায়েদ খানকে ধইরা যদি ধুমসে পিটাইতে পারতাম। তাহলে মনে খুব শান্তি পেতাম।’ এমন কথার উত্তরে জায়েদ খান বলেন, ‘এটা আপনার ব্যাপারেও শুনেছি বিদেশে গিয়ে। আমি বলেছি, পিটাইতে পারব না।’

জায়েদ খান এমন উত্তরে খানিকটা বিব্রত হয়ে যান জয়। তবে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য ফের অভিনেতার কাছে তিনি জানতে চান, ‘এরকম শুনছেন?’ জবাবে জায়েদ খান বলেন, ‘অনেক। আপনার আমার সেইম কেস।

আমারে যারা গালি দেয়, তারা আপনারেও গালি দেয়। আমাকে ফোন করে বলে যে, এই বেহায়া লোকের শো তে যাওয়া যাবে না। আমি বলেছি, ভাই আমিও আরেক বেহায়া। আমরা দু’জনই বেহায়া।’ এরইমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে জয় ও জায়েদের এই অনুষ্ঠানের কিছু অংশ। যার কারণে নতুন করে ট্রলের মুখে পড়েছেন তারা।

ঈশান/মখ/সুপ

কান উৎসবে উজ্জ্বল যেসব বাংলাদেশি তারকা

কান উৎসবে উজ্জ্বল যেসব বাংলাদেশি তারকা

print news

বিশ্বের অন্যতম মর্যাদার আসর চলচ্চিত্র উৎসব প্রতি বছর বসে ফ্রান্সের ভূমধ্যসাগর পাড়ের রিসোর্ট শহর কানে। প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন দেশ থেকে সিনেমা জমা দেওয়া হয় সেখানে। নির্বাচিত হয় কিছু সিনেমা। সেসব সিনেমা নিয়েই সংশ্লিষ্ট নির্মাতা ও অভিনেতারা যান কান চলচ্চিত্র উৎসবে।

এছাড়া আন্তর্জাতিক নানা প্রসাধনী ও ফ্যাশন ব্র্যান্ডের পণ্যদূতরাও কানের রেড কার্পেটে হাঁটেন। যেমন- ভারত থেকে লরিয়ালের পণ্যদূত হিসেবেই গেছেন ঐশ্বরিয়া ও অদিতি রাও হায়দারি। কানে একদিকে যেমন আন্তর্জাতিক তারকা খ্যাতিসম্পন্ন নায়ক-নায়িকার উপস্থিতি মেলে আবার এমন উৎসবের মতো বিশাল জমকালো আসরে গিয়ে নিজেকে মেলে ধরার চেষ্টায় থাকেন নিতান্ত সাধারণ স্তরের পারফর্মাররাও।

তাদেরই কেউ কেউ কান উৎসবে নিজের উদ্যোগে সেখানে যান। এতে করে তাকে সব খরচসহ অন্যান্য বিষয় নিজেকেই বহন করতে হয়। এ বছর বাংলাদেশ থেকে কানে গিয়ে আলোচনায় আছেন আশনা হাবিব ভাবনা, আদনান আল রাজীব, মাকসুদা আখতার প্রিয়তি, সাদিয়া খালিদ ঋতি, নির্মাতা স্বপন আহমেদ। তাতে অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে দেশে খ্যাতিমান সিনে তারকা থাকা সত্ত্বেও তারা কেন কানের মতো বিশ্বের মর্যাদাপূর্ণ আসরে যান?

সে যা হোক, প্রথমবার কান উৎসবে অংশ নিয়ে দারুণ আলো ছড়িয়েছেন অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনা। সোশ্যাল হ্যান্ডেলে প্রায় তাক লাগিয়ে দিয়েছেন ভাবনা! নিজেকে সবার মাঝে পরিচিত করার জন্য পড়েছেন নজরকাড়া পোশাক।

এ প্রসঙ্গে ভাবনা বলেন, ‘শিল্প-সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত প্রতিটি মানুষই আসলে ফ্রান্স হয়ে কান উৎসবে নিজেকে দেখতে চায়। অন্যদের মতো এটাও আমার একটা স্বপ্ন ছিল। সেটি এবার পূর্ণ হলো। তবে আরও একটি স্বপ্নের বীজ এখানে এসে বপন করলাম, সেটি হলো বৈশ্বিক সিনেমার এই উৎসবের মূল ক্যানভাসে নিজেকে আঁকতে চাই। আমি ছোট-বড় প্রত্যেক শিল্পীকে বলব, আপনারা নিজ আগ্রহ থেকে হলেও একবার আসুন এখানে।

দেখে যান, পৃথিবীর চলচ্চিত্র কোথায়, কেমন আছে। সেই মানুষগুলো দেখতে কেমন। তাদের কাজের প্রক্রিয়া বা ধরন কেমন। আপনি যদি নিজেকে সিনেমা ও শিল্পের মানুষ মনে করেন, তাহলে এখানে আপনাকে আসতেই হবে। হতে পারে, শুরুতেই আপনি উৎসবের অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড পাবেন না। কারণ শিল্পী হিসেবে কিংবা সিনেমার মানুষ হিসেবে আপনাকে তো প্রমাণ করতে হবে নিজেকে। তারপর ভিসা প্রক্রিয়া। তারপর কান সৈকতের দেখা। ফলে বিষয়টি অত সহজ নয়। সেক্ষেত্রে আমি ভাগ্যবান, প্রথমবারই শিল্পী হিসেবে কানের ভিসা পেয়েছি এবং প্রাণভরে উপভোগ করছি।’

এবারের কান উৎসবে নতুন আলোর মশাল হাতে নিয়ে সাগরপাড়ের শহরে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ঢাকার জনপ্রিয় নির্মাতা আদনান আল রাজীব। উৎসবের প্রথম দিন থেকেই তিনি ফিলিপাইনের একটি বড় টিম নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রযোজক-পরিবেশক-নির্মাতা-শিল্পীদের সঙ্গে বৈঠক আর পিচিংয়ে মনোযোগী। এবারের উৎসবের সমান্তরাল বিভাগ ক্রিটিকস’ উইকের ৬৩তম আসরে প্রতিযোগিতার জন্য নির্বাচিত হয়েছে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র র্’যাডিক্যালস’। এটি সহ-প্রযোজনা করেছেন বাংলাদেশের দুই নির্মাতা আদনান আল রাজীব ও তানভীর হোসেন।

কানের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে রাজীব বললেন, ‘এর আগে আমার বুসানে যাওয়ার অভিজ্ঞতা হয়েছে। তবে কানে যে এভাবে এত দ্রম্নত আসতে পারব, সেটা কল্পনাও করিনি। আমার মনে হয়, কো-প্রডিউসার হিসেবে এটা আমার জন্য অবিশ্বাস্য একটি ঘটনা! যদিও আমার প্রেম কিংবা প্যাশনের জায়গা নির্মাতা হিসেবে। কিন্তু কো-প্রডিউসার হিসেবে আমি যে কাজ করছি, এখানে এসে যেভাবে একের পর এক মিটিং করছি, দেখছি, শিখছি এবং নিজের অভিজ্ঞতা অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করছি, সেটা যেকোনো ফিল্মমেকারের সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য অসম্ভব দরকারি। সত্যি বলতে, এখন তো আমি এটাও বিশ্বাস করতে চাই, দ্রম্নতই এমন উৎসবে আমি নির্মাতা হিসেবে বাংলাদেশের সিনেমা নিয়ে হাজির হব। সেই আত্মবিশ্বাস আমার মধ্যে জন্মেছে এখানে এসে।’

রাজীব জানান, গত কয়েক বছরে তিনি বেশ ক’টি সিনেমার স্ক্রিপ্ট ও পস্নট তৈরি করে রেখেছেন। কিন্তু আত্মবিশ্বাসের অভাবে সেটি নিয়ে মাঠে নামা হয়নি। কান থেকে ফিরে এবার পুরোদস্তুর সিনেমা নিয়ে মাঠে নামার কথাও জানালেন এই নির্মাতা।

অন্তঃসত্ত্বা হয়েও ৭৭তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে হাজির হয়ে সবার নজর কেড়েছেন বাংলাদেশি মেয়ে ও সাবেক মিস আয়ারল্যান্ড মাকসুদা আখতার প্রিয়তি। কানের লালগালিচায় হেঁটেছেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে প্রিয়তি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আয়ারল্যান্ডের রিচার্ড হ্যারিস ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের পক্ষ থেকে এবারও কানে এসেছি। সপ্তাহখানেক থাকব। এর মধ্যে বেশ কিছু ইভেন্ট অংশ নিতে হবে।’ মা হওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আশা করছি, আগস্ট মাসেই নতুন অতিথি পৃথিবীর আলো দেখবে। পেটে সন্তান ধারণ করে ফেস্টিভ্যালে অংশ নেওয়ায় এটি আমার জন্য আরও বিশেষ হয়ে গেছে।’

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে ‘মিস আয়ারল্যান্ড’ নির্বাচিত হন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মডেল, অভিনেত্রী ও পাইলট মাকসুদা আখতার প্রিয়তি। এরপর আন্তর্জাতিক বহু প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন তিনি।

এদিকে বাংলাদেশের কোনো নারী দ্বিতীয়বারের মতো উৎসবের সমান্তরাল বিভাগ ফিপরেসির অন্যতম জুরি (বিচারক) হিসেবে যুক্ত হয়েছেন। তিনি সাদিয়া খালিদ ঋতি। নির্মাতা নন, তিনি মূলত সিনেমা সমালোচক ও সাংবাদিক। কাজ করেন বাংলাদেশের ইংরেজি দৈনিক ঢাকা ট্রিবিউনে। সেই ঋতি এর আগে ২০১৯ সালে ফিপরেসির আমন্ত্রণ পান। বাংলাদেশের মেয়েদের মধ্যে তিনিই প্রথম এই তালিকায় নাম লেখান। ৫ বছর পর সেই ঋতিই আবার একই বিভাগের বিচারক হিসেবে ডাক পেলেন। এর মধ্যে শুরু করেছেন তার কান-কর্মকান্ড। রাত-দিন মাথা গুজে দেখছেন ফিপরেসিতে জমা পড়া ১৮টি ছবি।

এদিকে বাংলাদেশের নির্মাতা স্বপন আহমেদ, যিনি ফরাসি নাগরিকও বটে। তিনি জানালেন, এবারের উৎসবে বাংলাদেশের মিটিমিটি বাতি আরও উজ্জ্বল হয়ে জ্বলছে। একদশক ধরেই তিনি এই উৎসবে অংশ নিচ্ছেন নানা পরিচয়ে। নির্মাতা স্বপন আহমেদ বললেন, ‘এবারের উৎসব জমেনি। জমার কথাও নয়। কারণ ফরাসি সরকারের পূর্ণ মনোযোগ এবার অলিম্পিক নিয়ে। অলিম্পিকে মন দিতে এবারের কান উৎসবের বাজেট কমানো হয়েছে প্রায় তিন গুণ। ফলে উৎসব জমে ওঠার মতো যে বৈশ্বিক তারকা কিংবা পরিকল্পনা প্রয়োজন, সেসব এবার উৎসব কর্তৃপক্ষ করতে পারেনি বলেই আমার মনে হচ্ছে।

তবে আশার কথা এবার কিন্তু বাংলাদেশ আরও একধাপ এগিয়ে। ক্রিটিকস’ উইকে আমাদের দুই কো-প্রডিউসার এবং ফিপরেসিতে একজন বিচারক আছেন আমাদের। এর বাইরে আরও অনেকেই এসেছেন এবার। এই সংখ্যা আরও বাড়বে সামনে, সেই আলোর আভাস দেখতে পাচ্ছি।’

কান চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশ থেকে সচরাচর সিনেমা নির্বাচিত হয় না। ২০০২ সালে তারেক মাসুদ পরিচালিত ‘মাটির ময়না’ প্রদর্শিত হয়েছিল কানে। এটি ফিপ্রেসকি আন্তর্জাতিক সমালোচক পুরস্কার পায়। সিনেমাটি প্রাথমিকভাবে ফরাসি অর্থায়নে নির্মিত। ২০২১ সালে আবদুলস্নাহ মোহাম্মদ সাদ পরিচালিত ‘রেহানা মরিয়ম নূর’ প্রদর্শিত হয়েছিল ‘আ সার্তে রিগা’ বিভাগে। সেখানে সিনেমাটি স্ট্যান্ডিং অভেশন পেয়েছিল।

ঈশান/মখ/সুপ

সাধ মেটালেন জয়া

সাধ মেটালেন জয়া আহসান

print news

কাজের পাশাপাশি অভিনেত্রী জয়া আহসানের ঘরের খবর পেতেও মুখিয়ে থাকেন ভক্তরা। তিনি কবে বিয়ে করছেন, কেন একা থাকেন এসব জানার খুব শখ তাদের। তবে অভিনেত্রী মুখে কুলুপ এঁটে রাখায় সে স্বাদ মেটে না।

এবার ভক্তদের সাধ মেটাতে যেন মুখ খুলেছেন জয়া। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনে  বিয়ে ও বিচ্ছেদ নিয়ে কথা বলেছেন তিনি।

বিয়ে নিয়ে জয়া বলেন, বর্তমান জীবন খুবই এনজয় করছি। দেখুন, পরিবার তো শুধু স্বামী-স্ত্রীকেই ঘিরে নয়, অথবা পার্টনার হলেই হয় না, পরিবারে আরও অনেকেই আছে।

পরিবারে মা-বাবা আছেন, আমার বাড়িতে যেসব লোক কাজ করেন, তাঁরা আছেন। চারপেয়ে পোষ্য আছে। আমি এসব নিয়ে খুবই এনজয় করি।

একাকী জীবন যাপন নিয়ে এ অভিনেত্রী বলেন, আমি তো কোনো কিছু পরিকল্পনা করি না। যদি মনে করি যে সিঙ্গেল থেকে ডাবল হতে চাই, দরকার আছে, তখনই হব। তবে এই মুহূর্তে আমার কোনো পরিকল্পনা নেই। কারণ, আমি খুবই ভালো আছি, শান্তিতে আছি চারদিকে। আমার আপাতত কোনো প্ল্যান নেই।’

এদিকে প্রথমবারের মতো ওয়েব সিরিজে কাজ করতে যাচ্ছেন জয়া। এটি নির্মাণ করবেন মহানগর খ্যাত নির্মাতা আশফাক নিপুণ।

ঈশান/খম/সুম

প্যানেলের জন্য সভাপতি পদপ্রার্থী খুঁজছেন নিপুণ!

প্যানেলের জন্য সভাপতি পদপ্রার্থী খুঁজছেন নিপুণ!

print news

আগামী ২৭ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে শিল্পী সমিতির নির্বাচন। এবারের নির্বাচনে মনোয়ার হোসেন ডিপজল ও মিশা সওদাগর থাকবেন এক প্যানেলে।

অন্যদিকে ভোটের মাঠ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিদায়ী কমিটির সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চন। সেকারণে বিদায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ আক্তার নিজের প্যানেলের জন্য সভাপতি পদপ্রার্থী খুঁজে বেড়াচ্ছেন।

এবারের নির্বাচনে মনোনয়নপত্র ক্রয়, দাখিল ও আপিল ফি অফেরতযোগ্য। প্রতিটি মনোনয়নপত্রের মূল্য ১০০০টাকা। আর জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে ৩০ হাজার, সহ-সভাপতি পদে ২০ হাজার, সম্পাদকীয় পদের জন্য ১৫ হাজার, কার্যনির্বাহী পদের জন্য সাত হাজার এবং সমপরিমাণ টাকা আপিল ফি প্রতিটির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। নির্বাচনের তফসিলে দেওয়া হয়েছে এ তথ্য।

জানা গেছে, প্রাথমিক ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে ২৪ মার্চ। এর আগে ২০ মার্চের মধ্যে সদস্যদের চাঁদা পরিশোধ করতে হবে। তবে চেক বা অনলাইনে চাঁদা পরিশোধের ক্ষেত্রে ১৮ মার্চ বিকেল ৩টার মধ্যে নগদায়ন করতে হবে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হবে ২৮ মার্চ বিকেল ৫টায়।

মনোনয়ন বিক্রি চলবে ৩১ মার্চ বিকেল ৪টা পর্যন্ত। মনোনয়ন দাখিল করা যাবে ২ এপ্রিল বিকেল ৪টা পর্যন্ত। নির্বাচনে প্রাথমিক প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ হবে ৩ এপ্রিল (প্রতিদ্বন্দ্বী ও প্রতিনিধির উপস্থিতিতে)। আপত্তি ও নিষ্পত্তি করা হবে ৬ এপ্রিল বিকেল ৪টা পর্যন্ত। চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ হবে ৭ এপ্রিল।

এর আগে ৭ এপ্রিল দুপুর ২টার মধ্যে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করা যাবে। ভোটগ্রহণ ও প্রাথমিক ফলাফল প্রকাশ ২৭ এপ্রিল। এদিন সকাল ১০টা থেকে বিরতিহীনভাবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ।

নির্বাচনের পর প্রাথমিক ফলাফলের বিরুদ্ধে আপিল আবেদন করা যাবে ২৯ এপ্রিল দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। আপিল বোর্ড কর্তৃক আপিল আবেদনের নিষ্পত্তি ৩০ এপ্রিল সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে করতে হবে। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির এবারে নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ হবে ১ মে বিকেল ৫টায়।

ঈশান/খম/সুম

বিয়ের পিড়িতে সেলিব্রেটি ফারাজ করিম, পাত্রী রংপুরের

বিয়ের পিড়িতে সেলিব্রেটি ফারাজ করিম, পাত্রী রংপুরের

print news

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ পরিচিত নাম ফারাজ করিম চৌধুরী। সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছুদিন ধরে আলোচনা চলছে তার বিয়ে নিয়ে। এ নিয়ে ভক্তদের মাঝে তৈরি হয়েছে বেশ আগ্রহও।

কবে কোথায় বিয়ে হচ্ছে ফারাজ করিম করিম চৌধুরীর, পাত্রিই বা কে? এ নিয়ে জানার আগ্রহ ভক্তদের। অবশেষে অনলাইন প্লাটফর্মের জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব চট্টগ্রামের রাউজানের সন্তান ফারাজ করিম চৌধুরীর বিয়ের বিষয়টি।

তার পারিবারিক সূত্র জানায়, শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর গুলশান-১ সংলগ্ন মহাখালীর মসজিদ-এ গাউসুল আজমে ইসলামি শরিয়া অনুযায়ী খুব সাধারণ আয়োজনে বিয়ের আকদ সম্পন্ন হচ্ছে এ তরুণের। এতে বর ও কনে পক্ষের সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন।

এছাড়া আগামী ১ মার্চ চট্টগ্রামের রাউজানের গহিরায় নিজ বাড়িতে বিয়ে উপলক্ষে সর্বসাধারণের জন্য মেজবানের আয়োজন করা হবে।

ফারাজ করিম চৌধুরীর পাত্রী সম্পর্কে জানা গেছে, কনের নাম আফিফা আলম। রাজধানীর নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আর্কিটেকচার বিষয়ে পড়ালেখা করছেন তিনি। আফিফার জন্ম রংপুরের মিঠাপুকুরে।

ফারাজ করিম চৌধুরী চট্টগ্রাম-৬ আসনের ৫ বারের সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীর ছেলে। ছোটবেলা থেকেই মানুষের বিপদে আপদে পাশে দাঁড়িয়ে দেশের তরুণ প্রজন্মকে জাগিয়ে তোলেন। একের পর এক ব্যতিক্রমী কর্মকাণ্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুলে ধরে দেশেজুড়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন তিনি।

বিশেষ করে যৌতুক ও মাদক বিরোধী কার্যক্রম, সমাজে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা, বঞ্চিত মানুষের ভরসাস্থল হয়ে ধরা দেন তিনি। সিলেটসহ দেশের বিভিন্নাঞ্চলে ভয়াবহ বন্যায় ত্রাণ নিয়ে মানুষের পাশে দাড়িয়েছেন তিনি। এমনকি দেশ ছেড়ে তুরস্কের ভয়াবহ ভুমিকস্পেও ত্রাণ নিয়ে গেছেন তিনি। এতে দেশ-বিদেশের মানুষের নজরে চলে আসেন ফারাজ করিম চৌধুরী।

প্রসঙ্গত, ১৯৯২ সালে চট্টগ্রামের রাউজানে জন্মগ্রহণ করেন ফারাজ করিম চৌধুরী। তিনি ছোটকাল থেকে পড়ালেখা করেছেন বিলেতে। দ্যা ইউনিভার্সিটি ম্যানচেস্টার থেকে অর্জন করেছেন মাস্টার্স ডিগ্রী। তার পিতা এ.বি.এম ফজলে করিম চৌধুরী টানা ৫ বারের সংসদ সদস্য ও রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। যিনি আধুনিক রাউজানের জনক হিসেবে খ্যাত।

ঈশান/খম/সুম

এবার চট্টগ্রামেও হবে ‘জয় বাংলা’ কনসার্ট

এবার চট্টগ্রামেও হবে ‘জয় বাংলা’ কনসার্ট

print news

ঐতিহাসিক ৭ মার্চের গুরুত্ব ও চেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে এবার চট্টগ্রামেও অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জয় বাংলা কনসার্ট।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ও সিএমপির সহযোগিতায় সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) ঢাকার পক্ষ থেকে জমকালো কনসার্ট অনুষ্ঠিত হবে চট্টগ্রামের এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে।

ইতোমধ্যেই সম্পূর্ণ আয়োজন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি নিয়মিত মনিটরিং করছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানিয়েছে, কনসার্ট স্টেজ কাঁপাতে আসছেন আর্টসেল, নেমেসিস, চিরকুটসহ আরও অন্য ব্যান্ড ও শিল্পীরা।

প্রতিবছর ঢাকা আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হলেও এবার প্রথমবারের মতো এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে এই কনসার্টের আয়োজন চলছে।

মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) আয়োজনের সার্বিক পরিস্থিতি ও প্রস্তুতি পরিদর্শন করেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান।

তিনি বলেন, জয় বাংলা মন্ত্রে তরুণদের একতাবদ্ধ করতে ৭ মার্চ আয়োজন করা হচ্ছে জয় বাংলা কনসার্ট। আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতির কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আশা করছি, চট্টগ্রামবাসীকে আমরা তাদের কাঙ্ক্ষিত কনসার্ট উপহার দিতে পারব।

ঈশান/সুপ/মউ

সম্পর্কিত আরো খবর

জনপ্রিয়

error: Content is protected !!