চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবলীগ নেতা নাছির উদ্দিন ওরফে ইয়াবা নাছির ওরফে ডাকাত নাছিরকে (৪৪) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রাঙ্গুনিয়া মডেল থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ধরা পড়ে নাশকতাসহ একাধিক মামলার পলাতক এই আসামি।বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেলে এ তথ্য জানান রাঙ্গুনিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জহির উদ্দিন। তিনি জানান, নাছির উদ্দিনকে নাশকতা মামলায় গ্রেপ্তার করে আদালতের জেল-হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদক পাচার ও ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে।গ্রেপ্তার নাছির উদ্দিন রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। সে উপজেলার মরিয়মনগর ইউনিয়ন ৫ নং ওয়ার্ড সওদাগর পাড়ার সাহাব মিয়ার ছেলে। ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর থেকে সে পলাতক ছিল। এ অবস্থায় রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গুপ্ত হামলাসহ নাশকতামূলক কর্মকান্ড চালিয়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি করে। সেই সাথে পূর্বের ন্যায় ইয়াবা, গাজা, চোলাই মদসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য পাচারে সক্রিয় হয়ে উঠে। এছাড়া চুরি-ছিনতাই ও বিভিন্ন ডাকাতি কার্যক্রমের সাথেও সম্প্ৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। স্থানীয় লোকজন তাকে ইয়াবা নাছির বা ডাকাত নাছির হিসেবে চিনে। সম্প্রতি গোপন সূত্রে খবর আসে নাছের উদ্দিন মরিয়মনগর সওদাগর পাড়ায় নিজ ঘরে অবস্থান করছে। এরপর পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে নিজের বসতঘর থেকে নাছির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের জেল-হাজতে প্রেরণ করে। তার সহযোগীদের গ্রেপ্তারে পুলিশ সক্রিয় রয়েছে বলে জানান ওসি।
১ মাস ১৩ দিন আগে
শুধু ইয়াবা পাচার নয়, রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চল জুড়ে টেন্ডারবাজি, রেলের জমি দখলবাজি, ঠিকাদার সমিতির নামে চাঁদাবাজি, ট্রেনে নারী ধর্ষণ ও রেলওয়ের স্ক্র্যাপ পাচারের মতো নানা কেলেঙ্কারির সাথে জড়িত ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান এস এ কর্পোরেশন। দৈনিক ইশানের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে এসব তথ্য। দৈনিক ঈশান প্রতিটি তথ্যের বিষয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করবে। ধারাবাহিক প্রতিবেদনের প্রথম পর্বে প্রকাশ করা হয়েছে ‘ট্রেনে ইয়াবা পাচার’ নিয়ে।
১ মাস ১৩ দিন আগে
কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী আন্তঃনগর ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস’ ট্রেনের এক স্টুয়ার্ডের কাছ থেকে ৪ হাজার ৮৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব -৭)। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ট্রেনের ওই কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম মোহাম্মদ মাহাবুর রহমান (২০)। তিনি জামালপুরের মেলান্দহ থানার নলছিয়া এলাকার আজব বাদশার ছেলে। মাহাবুর ট্রেনটির দায়িত্বে থাকা এস এ কর্পোরেশনের কর্মী।চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনের ৫ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরে তাকে গ্রেপ্তারের তথ্য জানায় র্যাবের সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন।সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব জানতে পারে, কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনের এক স্টুয়ার্ড ট্রেনের ভেতর বিপুল ইয়াবা বহন করে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনের দিকে আসছেন। খবর পেয়ে র্যাবের একটি দল বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে স্টেশন এলাকায় অবস্থান নেয়।ট্রেনটি ৫ নম্বর প্ল্যাটফর্মে এসে পৌঁছালে ট্রেনের ‘জ’ বগি থেকে নেমে এক যুবক পালানোর চেষ্টা করলে সন্দেহভাজন হিসেবে মাহাবুরকে আটক করে র্যাব সদস্যরা। পরে ট্রেনের টয়লেটে তল্লাশি চালিয়ে কালো পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় ৪ হাজার ৮৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। তাকে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের জন্য চট্টগ্রাম রেলওয়ে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে এই ইয়াবা পাচারের সাথে এস এ করপোরেশনের আরও কেউ জড়িত আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান র্যাব এর কর্মকর্তা এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন।
১ মাস ১৪ দিন আগে