চট্টগ্রাম এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন (সিইপিজেড) থেকে সংঘবদ্ধ চোরচক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বেপজার নিয়োজিত নিরাপত্তারক্ষী টিমের ওপর হামলার ঘটনায় চট্টগ্রাম ইপিজেড থানায় একটি মামলা দায়েরের পর আসামিদের গ্রেপ্তার করে কোর্টে প্রেরণ করেছে। বাকি চোরসহ মূলহোতাদের গ্রেপ্তারে পুলিশ মাঠে নেমেছে বলে জানায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। শুক্রবার (২১ আগস্ট) সিএমপির গণসংযোগ বিভাগ থেকে প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইপিজেড থানার মামলা নং-৮, তারিখ-১৮/০৮/২০২৬খ্রি.,ধারা-৩৪১/৩০৭/৩৩২/ ৩৩৩/৩৫৩/২২৫খ/৩৪ দঃ বিঃ রুজু করার পর ইপিজেড থানার ওসি মুহাম্মদ আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে ১৯ আগস্ট দিবাগত রাত হতে পরদিন ভোর ৫ ঘটিকার মধ্যবর্তী সময়ে ইপিজেড ও বন্দর থানা এলাকার বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে চোরচক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করে। আসামীদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে কোর্টে প্রেরন করা হয়। অন্য আসামীসহ চোরচক্রের গডফাদারদের গ্রেপ্তার করার জন্য পুলিশ অভিযান চলছে। ধৃত আসামিরা হলেন, মামলার ১ নং আসামি আসলাম শেখ (২৪), ৪ নং আসামি মো. রাসেল আলামিন (২৯), ৫ নং আসামি মো. শাহ জালাল (২৭), ও ৬নং আসামি মো. রাকিব। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) আব্দুল ওয়াদুদ জানান, সম্পত্তি সংক্রান্ত অপরাধ প্রতিরোধ ও শিল্প এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিতে সিইপিজেড এর বিভিন্ন পোষ্টে তাদের নিজস্ব নিরাপত্তা প্রহরী ও অঙ্গীভূত আনসার সদস্যরা নিরাপত্তা ডিউটি পালন করে থাকেন। এরই ধারাবাহিকতায় তাদের নিরাপত্তা প্রহরীদের উপর অর্পিত সরকারী দায়িত্ব কর্তব্যের অংশ হিসাবে ১৭ আগস্ট রাতে ইপিজেড থানাধীন চট্টগ্রাম এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন এলাকায় সহকারী নিরাপত্তা কর্মকর্তা আ.ব.ম নাজির হোসেনের নেতৃত্বে একটি টিম টহল ডিউটিতে নিয়োজিত ছিলেন। ডিউটি করাকালে ওইদিন রাত সাড়ে ৯টায় টহল টিমের সদস্যরা জানতে পারেন যে মেসার্স তারিক আজিম টেক্সটাইল লিঃ নামক শিল্প প্রতিষ্ঠানের একদল চোর চুরি করার জন্য সঙ্গোপনে প্রবেশ করেছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে টহল টিমের ইনচার্জ সহকারী নিরাপত্তা কর্মকর্তা আ.ব.ম নাজির হোসেন সঙ্গীয় নিরাপত্তারক্ষীসহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে নিরাপত্তা রক্ষীদের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরের দল দিক-বেদিক পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তাহাদের টহল টিমের সদস্যরা ধাওয়া করে ১নং আসামী আসলাম শেখ (২৪) কে আটক করেন এবং তার সাথে থাকা অপরাপর চোরেরা দৌড়ে পালিয়ে যায়। টহল টিমের ইনচার্জ বিষয়টি বেপজার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে নির্দেশনা মোতাবেক ধৃত আসলাম শেখ'কে সরকারী পিকআপযোগে পুলিশের নিকট হস্তান্তর করার লক্ষ্যে সিইপিজেড পুলিশ ফাঁড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা করেন। ধৃত আসলাম শেখ'কে সিইপিজেড ফাঁড়ির পুলিশের নিকট নেয়ার সময় উল্লেখিত আসামীগন অজ্ঞাতনামা ৩০-৪০ জন সহযোগীসহ ইপিজেড থানাধীন চট্টগ্রাম এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন এলাকার বেপজা সিকিউরিটি গেইট হতে ২০ মিটার উত্তর পূর্ব দিকে বিডি এপ্যারেল্স এর গেইটের সামনের সড়কে তাদের গাড়ী আটকে দিয়ে ভাংচুর করেন এবং আটক আসামী আসলাম শেখ'কে জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। বেপজা নিরাপত্তারক্ষীরা এতে বাঁধা দিলে আসামীগণ তাদের অজ্ঞাতনামা সহযোগীসহ বেপজা নিরাপত্তা রক্ষীদের উপর দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা করে। একপর্যায়ে আসামীগন ও তাদের অজ্ঞাতনামা সহযোগীরা বেপজা নিরাপত্তা রক্ষীদের মারধর ও গাড়ী ভাংচুর করে আটক আসলাম শেখ'কে জোরপূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে যায়। উক্ত ঘটনার বিষয়ে বেপজার সহকারী পরিচালক (প্রশাসন ও এস্টেট) পাপ্পু দে বাদী হয়ে আসলাম শেখকে (২৪) ১ নং, আব্দুল কাইয়ুমকে (৩২) ২নং, মো. রাশেদকে (৩৮) ৩নং, মো. রাসেল আলামিনকে (২৯) ৪নং, মো. শাহ জালালকে (২৭) ৫নং, মো. রাকিবকে (২৬) ৬নং, মো. আলাল খাঁনকে(২৭) ৭নং, আকাশ বিশ্বাস (২৪) কে ৮নং, মো. সবুজ হোসেনকে (৩৪) ৯নং সহ অজ্ঞাতনামা ৩০-৪০ জন সহযোগীর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেন। ইপিজেড থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আতিকুর রহমানের ভাষ্যমতে, িসইপিজেডে সংঘবদ্ধ চোরচক্রের তৎপরতা নতুন কিছু নয়। সংঘবদ্ধ একাধিক চোরচক্র গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে। কতিপয় প্রভাবশালী চিহ্নিত ব্যক্তি মূলহোতা হিসেবে এদের পরিচালনা করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত চোরেরা কিছু তথ্য দিয়েছে। এ নিয়ে কাজ করছে পুলিশ প্রশাসন। মূল হোতাসহ চোর চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশ মাঠে নেমেছে বলে জানান ওসি।
২ মাস ৮ দিন আগে
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী পালন করতে গিয়ে চট্টগ্রাম মহানগরীর ডবলমুরিং থানার মনসুরাবাদ এলাকার ওয়াপদা কলোনির একটি বাসা থেকে গ্রেফতার হওয়া ১৫ আইনজীবীর মধ্যে পাঁচ নারী আইনজীবীকে একদিনের জন্য জামিন দিয়েছেন আদালত। বাকি ১০ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।রবিবার (১৬ আগস্ট) বিকেলে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলমগীর হোসেনের আদালত এ আদেশ দিয়েছেন। চট্টগ্রাম মহানগর আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী এ তথ্য জানান।তিনি বলেন গ্রেফতার হওয়া ১৫ আইনজীবীর জামিনের আবেদন করা হয়েছিল। শুনানি শেষে আদালত আইনজীবী সমিতির (বার) জিম্মায় বিশেষ বিবেচনায় পাঁচ নারী আইনজীবীকে একদিনের জন্য জামিন দিয়েছেন। বাকি ১০ জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। আগামীকাল সোমবার জামিন পাওয়া ৫ নারী আইনজীবীকে আবার আদালতে হাজির হতে হবে।জামিন পাওয়া নারী আইনজীবীরা হলেন, আয়শা হেভেন, উম্মে হাবিবা, কামেলা খানম, সুজলা অন্তরা এবং শারমিন ইয়াসমিন নিশু। আর কারাগারে পাঠানো ১০ আইনজীবী হলেন, ইস্কান্দার মির্জা, সঞ্জয় কান্তি নাথ, এস এম সালাউদ্দিন, আহসান আবিদ, সুলতান মাহমুদ জিদান, পার্থপ্রতিম নন্দী, শুভ আইচ, মশিউর রহমান আবির, জাকির হোসেন ও যীশু রায় চৌধুরী।ডবলমুরিং থানার ওসি শাহীনূর আলম বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পদে দায়িত্বে থাকা আইনজীবীরা গত শনিবার রাতে নগরীর ডবলমুরিং থানার মনসুরাবাদ এলাকার ওয়াপদা কলোনি এলাকায় গ্রেফতার উম্মে হাবিবার বাসার নিচে ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সেখান থেকে ১৫ আইনজীবীকে গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতার উম্মে হাবিবা বাংলাদেশ কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির স্থানীয় সরকারবিষয়ক স¤পাদক ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সদস্য, হালিশহর থানা আওয়ামী লীগের দপ্তরবিষয়ক স¤পাদক ইস্কান্দার মির্জা, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের বঙ্গবন্ধু পরিষদের ধর্মবিষয়ক স¤পাদক শুভ আইচ, চন্দনাইশ উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুব মহিলা লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক কামেলা খানম রুপা, চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও ছাত্রলীগের সাবেক সহস¤পাদক সুজলা অন্তরা এবং বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাবেক মহিলা বিষয়ক স¤পাদক শারমিনা ইয়াসমিন নিশু।এছাড়া আইনজীবী যীশু রায় চৌধুরী সাংবাদিকতা পেশায়ও আছেন। তিনি চট্টগ্রাম সাংবাদিক কো অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটির সাধারণ স¤পাদক। এ ছাড়া সঞ্জয় কান্তি নাথ, এস এম সালাউদ্দিন, আহসান আবিদ, সুলতান মাহমুদ জিদান, পার্থ প্রতিম নন্দী, মশিউর রহমান আবীর, আয়েশা হেভেন ও মোহাম্মদ জাকির হোসেন। এরা প্রত্যেকে আইনজীবী। এ ঘটনায় ডবলমুরিং থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। মামলার নম্বর ১২। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গ্রেফতার ব্যক্তিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান ওসি শাহীনূর আলম।
২ মাস ১৩ দিন আগে
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবলীগ নেতা নাছির উদ্দিন ওরফে ইয়াবা নাছির ওরফে ডাকাত নাছিরকে (৪৪) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রাঙ্গুনিয়া মডেল থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ধরা পড়ে নাশকতাসহ একাধিক মামলার পলাতক এই আসামি।বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেলে এ তথ্য জানান রাঙ্গুনিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জহির উদ্দিন। তিনি জানান, নাছির উদ্দিনকে নাশকতা মামলায় গ্রেপ্তার করে আদালতের জেল-হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদক পাচার ও ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে।গ্রেপ্তার নাছির উদ্দিন রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। সে উপজেলার মরিয়মনগর ইউনিয়ন ৫ নং ওয়ার্ড সওদাগর পাড়ার সাহাব মিয়ার ছেলে। ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর থেকে সে পলাতক ছিল। এ অবস্থায় রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গুপ্ত হামলাসহ নাশকতামূলক কর্মকান্ড চালিয়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি করে। সেই সাথে পূর্বের ন্যায় ইয়াবা, গাজা, চোলাই মদসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য পাচারে সক্রিয় হয়ে উঠে। এছাড়া চুরি-ছিনতাই ও বিভিন্ন ডাকাতি কার্যক্রমের সাথেও সম্প্ৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। স্থানীয় লোকজন তাকে ইয়াবা নাছির বা ডাকাত নাছির হিসেবে চিনে। সম্প্রতি গোপন সূত্রে খবর আসে নাছের উদ্দিন মরিয়মনগর সওদাগর পাড়ায় নিজ ঘরে অবস্থান করছে। এরপর পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে নিজের বসতঘর থেকে নাছির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের জেল-হাজতে প্রেরণ করে। তার সহযোগীদের গ্রেপ্তারে পুলিশ সক্রিয় রয়েছে বলে জানান ওসি।
২ মাস ২৪ দিন আগে
পুলিশের অভিযানের মুখে ভারতে পালানোর সময় একটি কালো প্রাইভেট কার থেকে আলোচিত ও শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন এবং তার তিন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে নোয়াখালীর অভিযানে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় আরেক সন্ত্রাসী মো. রায়হান।বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকালে চট্টগ্রাম মহানগরীর দুই নম্বর গেটস্থ চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার (এসপি) মাসুদ আলম। তিনি জানান, ডেভিড ইমন ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে এমন তথ্য ছিল পুলিশের কাছে।সেই তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার (২৯ জুলাই) ভোরে যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম যশোর-নড়াইল মহাসড়কের ঝুমঝুমপুর এলাকায় অবস্থান নেন। এ সময় সন্দেহ হলে সড়ক দিয়ে কালো রঙের একটি প্রাইভেটকারে তল্লাশি চালিয়ে ডেভিড ইমনকে শনাক্ত করে পুলিশ।ইমনের আলোচিত গোফ কেটে ফেলায় পুলিশের চিনতে বেগ পেতে হয়েছে। পরে এক পর্যায়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেন সে চট্টগ্রাম মহানগরের আলোচিত ও শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন। এ সময় গাড়ির ভেতরে থাকা তার তিন সহযোগীকেও গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তার অপর তিনজন হলেন, মো. শামীম, আল ইসলাম আলিফ ওরফে তমাল এবং মো. সাফায়েত হোসেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পুলিশ বৃহস্পতিবার সকালে তাদের আদালতে প্রেরণ করে।ধামা ইলিয়াছের তথ্যেই মিলল ডেভিড ইমনের খোঁজচট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে যুবলীগের নেতা মাকসুদুল হক চৌধুরী হত্যা মামলার তদন্ত করতে গিয়ে একে একে বেরিয়ে আসে শীর্ষ সন্ত্রাসী চক্রের সদস্যদের তথ্য। মামলায় গ্রেপ্তার মো. মিঠু ওরফে ধামা ইলিয়াছকে দু‘দিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে যশোরে অভিযান চালায় চট্টগ্রাম জেলা গোয়েন্দা (ডিবি)।ওই অভিযানেই আলোচিত সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমনসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফটিকছড়িতে অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি দেশীয় এলজিসহ বেশ কয়েকটি অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ।পুলিশ সুপার (এসপি) মাসুদ আলম জানান, গত ১৩ জুন চট্টগ্রামের পাহাড়তলী এলাকায় মাকসুদুল হক চৌধুরী হত্যাকান্ডের পর ঘটনার রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু করে জেলা পুলিশ। ঘটনাস্থল ও আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ, প্রযুক্তিগত তথ্য এবং গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করে হত্যাকান্ডে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা হয়।এরপর গত ২২ জুলাই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মো. মিঠু ওরফে ধামা ইলিয়াছকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতের অনুমতি নিয়ে তাকে দু‘দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে ধামা ইলিয়াছ সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক, অস্ত্রের মজুত এবং সহযোগীদের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেন বলে জানান তিনি।তিনি বলেন, ওই তথ্যের সূত্র ধরেই পরবর্তী অভিযানের পরিকল্পনা করা হয়। পুলিশ জানতে পারে, চট্টগ্রামে দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালানো ডেভিড ইমনসহ কয়েকজন চট্টগ্রামের বাইরে যশোরে অবস্থান করছেন। তারা সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেন, রিমান্ডে পাওয়া তথ্য ও গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে গত ২৯ জুলাই যশোর জেলার কোতোয়ালি থানার ঝুমঝুমপুর এলাকায় অভিযান চালানো হয়। যশোর জেলা পুলিশের সহযোগিতায় পরিচালিত ওই অভিযানে ডেভিড ইমনসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তারের পর পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তাদের ব্যবহৃত অস্ত্রের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য পায় পুলিশ। ওই তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে ফটিকছড়ি থানার কাঞ্চননগর ইউনিয়নের মানিকপুর গ্রামের পাইট্রাল টিলাপাড়ায় অভিযান চালানো হয়। সেখানে মৃত আবুল হোসেনের একটি পরিত্যক্ত বসতবাড়ি থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি দেশীয় এলজি এবং অন্যান্য দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেন, অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে এই সন্ত্রাসী চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।পালিয়ে গেলেও দোজখ দেখে ফেলেছে সন্ত্রাসী রায়হানএদিকে ধামা ইলিয়াছের তথ্যে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের সেকেন্ড ইন কমান্ড মো. রায়হানকে ধরতে নোয়াখালীর কো¤পানীগঞ্জে অভিযান চালায় পুলিশ। কিন্তু পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে রায়হান একটি বাড়ির ছাদ থেকে লাফিয়ে পালিয়ে যায়।তবে পালিয়ে গেলেও দোজখ দেখে ফেলেছে সন্ত্রাসী রায়হান-সংবাদ সম্মেলনে এমন মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার (এসপি) মাসুদ আলম। এসপি মাসুদ আলম বলেন, শীর্ষ সন্ত্রাসী রায়হানের অবস্থানের খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। প্রথমে দাউদকান্দিতে কুমিল্লা জেলা পুলিশের সহযোগিতায় এবং পরবর্তী সময়ে ঢাকার চেকপোস্টে কড়াকড়ি আরোপের পরও সে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।পুলিশ সুপার উল্লেখ করেন, এ ধরনের অপারেশনগুলোর তথ্য অনেক সময় গণমাধ্যমে প্রকাশ পাওয়ার কারণে পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালনা করা বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। তবুও অপরাধ দমনে জেলা পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং সন্ত্রাসীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।এসপি বলেন, এ চক্রের সদস্যরা অত্যন্ত ধূর্ত প্রকৃতির। তারা প্রচলিত কোনো নেটওয়ার্ক বা সিম ব্যবহার না করে বিদেশি নম্বর এবং বিভিন্ন অ্যাপসের মাধ্যমে যোগাযোগ রক্ষা করত। দেশে আটকা পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হলে ডেভিড ইমন বড় সাজ্জাদের পরামর্শে ভারতে পালানোর পরিকল্পনা করে। এ তথ্য জানার পর পুলিশ তার ওপর কঠোর নজরদারি শুরু করে।তিনি আরও বলেন, অপরাধীদের ধরা পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হলে বা বিষয়টি আলোচিত হয়ে পড়লে তারা বিদেশে থাকা গ্যাং লিডারদের শরণাপন্ন হয়। বিদেশে অবস্থানরত বড় সাজ্জাদের পরামর্শে অপরাধীরা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করে এবং কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের ব্যবহার করে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়ে এলাকায় অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করে। এসব ঘটনার সূত্র ধরে পুলিশ নিবিড় তথ্যপ্রযুক্তির বিশ্লেষণ ও দীর্ঘ শ্রমের মাধ্যমে জেলা পুলিশের কয়েকটি টিম গঠন করে সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব বণ্টন করে।প্রসঙ্গত, ডেভিড ইমন দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম মহানগর, ফটিকছড়ি ও রাঙ্গুনিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের সঙ্গে যুক্ত। তার বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলার বিভিন্ন থানায় হত্যা, অস্ত্র, চাঁদাবাজিসহ ১৩টি মামলা রয়েছে। রাউজান, রাঙ্গুনিয়া ও চট্টগ্রাম মহানগরের কয়েকটি হত্যাকান্ডেও তাঁর স¤পৃক্ততার তথ্য তদন্তে পাওয়া গেছে।অন্যদিকে ধামা ইলিয়াছের বিরুদ্ধেও বিভিন্ন থানায় ২১টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি হত্যা মামলাসহ অস্ত্র, চাঁদাবাজি ও অন্যান্য গুরুতর অপরাধের মামলা রয়েছে বলে জানান পুলিশ সুপার।
২ মাস ২৯ দিন আগে
চট্টগ্রামে ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানে সশস্ত্র হামলার ঘটনায় আলোচিত সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অন্যদিকে অভিযান টের পেয়ে পালিয়েছে সন্ত্রাসী মো. রায়হান আলম।চট্টগ্রামের কুখ্যাত সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের সেকেন্ড ইন কমান্ড ডেভিড ইমন ও রায়হানকে গ্রেপ্তারে বুধবার (২৯ জুলাই) ভোর রাতে যশোর ও নোয়াখালীতে যৌথ অভিযান চালায় পুলিশ। এর মধ্যে ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তারের পর সকাল ১০টার দিকে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার (এসপি) মাসুদ আলম। তিনি বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে চট্টগ্রামের কুখ্যাত সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনকে যশোর সদরের ঝিকরগাছা ঝুমঝুমপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করতে আমরা সক্ষম হয়েছি। তাকে ধরতে যশোর ও চট্টগ্রাম পুলিশের একাধিক টিম অভিযানে অংশ নিয়েছেন।অন্যদিকে নোয়াখালীতে পুলিশের একাধিক টিম রায়হানকে গ্রেপ্তারে অভিযান করেছে। অল্পের জন্য রায়হান পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। তাকেও গ্রেপ্তার করা হবে। ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তারের পর চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আগামীকাল বৃহ¯পতিবার সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে অভিযানের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হবে বলে জানান এসপি।পুলিশ জানায়, বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদের হয়ে বর্তমানে চট্টগ্রামে অপরাধমূলক কর্মকান্ড পরিচালনায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন দুজন। তাদের একজন ডেভিড ইমন। এর আগে দেশে এই দলের নেতৃত্ব দিতেন সাজ্জাদ হোসেন ওরফে ছোট সাজ্জাদ। তিনি বর্তমানে কারাগারে থাকায় মোবারক হোসেন ও মোহাম্মদ রায়হান দলটির নেতৃত্বে রয়েছেন।পুলিশ আরও জানায়, চট্টগ্রামে গত কয়েক বছর ধরে বেশ কিছু চাঁদাবাজি ও হুমকির ঘটনায় আলোচনায় আসে ডেভিড ইমনের নাম। ডেভিড ইমন চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম মো. মুসা।পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩০ মার্চ বাকলিয়া এলাকার জোড়া খুন এবং একই বছরের ২৩ মে রাতে নগরের পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত এলাকায় সন্ত্রাসী ঢাকাইয়া আকবর হত্যা মামলাসহ মোট সাতটি মামলার আসামি ডেভিড ইমন। রায়হানের বিরুদ্ধেও চাঁদাবাজি, অস্ত্র ও হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগে অন্তত আটটি মামলা রয়েছে।এর আগে চট্টগ্রামে বিদেশি পিস্তল ও চার রাউন্ড গুলিসহ পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনের দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। রবিবার রাতে নগরের অক্সিজেন-কুয়াইশ সড়কের ওয়াজেদিয়া এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন মো. আসিফ (২৫) ও সাইদুল ইসলাম ওরফে আরিফ (২৪)। এর মধ্যে আসিফ একটি মামলার পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি।সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ বলেন, রবিবার রাতে আসিফকে ধরতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় তার (আসিফ) কোমর থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও ম্যাগাজিনে থাকা দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। আরিফের প্যান্টের পকেট থেকে আরও দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।তিনি আরও জানিয়েছেন, গ্রেপ্তার দুজন নিজেদের আলোচিত সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনের সহযোগী বলে স্বীকার করেছে। এ ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার করে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িত থাকার কথাও জানিয়েছে তারা। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডেভিড ইমন ও রায়হানকে গ্রেপ্তারে অভিযান পরিচালনা করা হয় বলে জানান সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ।তিনি জানান, চট্টগ্রাম মহানগরীর চকবাজার এলাকার ডিজিটাল ডট নেট (ডিডিএন) নামক একটি ইন্টারনেট গেটওয়ে প্রতিষ্ঠানের মালিকের কাছে বিদেশি নম্বর থেকে ফোন করে এককালীন ২ কোটি টাকা এবং প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে ডেভিড ইমন।চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় সোমবার (১৩ জুলাই) ২০-২৫ জনের একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী দল প্রকাশ্য দিবালোকে ওই অফিসে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতনের নগদ ৩৫ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায়।এই ঘটনার ফোনের একটি অডিও কল রেকর্ড ও সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়। ডেভিড ইমন পরিচয় দিয়ে ফোন করা ওই রেকর্ডে ইন্টারনেট ব্যবসায়ীকে বলতে শোনা যায়, আমাকে না চিনলে পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে কথা বলেন, বড় সাজ্জাদ বাহিনীর ডেভিড ইমন ফোন করেছে বলেন, আমার ফোন নম্বর দেখান, তিনিই বলে দেবেন আমি কে। এই রেকর্ডে জন্ম দেয় নানা প্রশ্নের।এরই পরিপ্রেক্ষিতে পরদিন মঙ্গলবার গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ডেভিড ইমনের নিজ এলাকা ফটিকছড়ির কাঞ্চন নগরে তার খোঁজে মাঠে নামে জেলা পুলিশের বিশেষ টিম। কিন্তু তার নাগাল না পাওয়ায় অভিযান নিয়ে হাসি-ঠাট্টা করেন নগর ও ফটিকছড়ির মানুষ।তাদের অনেকেরই ভাষ্য ছিল, ডেভিড ইমন তাকে চট্টগ্রাম শহরে। আর পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে ফটিকছিড়িতে। যেন বগলের তলে রেখে ডেভিড ইমনকে খুঁজছে পুলিশ। অবশেষে ডেভিড ইমনকে যশোর থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ সেই প্রশ্নে পানি ঢেলে দিয়েছে।স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য, চট্টগ্রামজুড়েই বড় সাজ্জাদ বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড ডেভিড ইমন ও রায়হান বাহিনীর নেটওয়ার্ক। নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী, পাঁচলাইশ, পতেঙ্গা, রাউজান, রাঙ্গুনিয়া, আনোয়ারা ও হাটহাজারী উপজেলায় এই চক্রের প্রভাব বেশি। মূলত এসব এলাকায় বিচরণ ডেভিড ইমন ও রায়হানের। যেখানে তারা প্রতিনিয়ত নানা অপরাধ কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছেন।ডেভিড ইমনের আগে ছোট সাজ্জাদ ওরফে সাজ্জাদ হোসেন এই গ্রুপের নেতৃত্ব দিতেন। ছোট সাজ্জাদ বর্তমানে কারাগারে থাকায় ডেভিড ইমন ও মোহাম্মদ রায়হান আলম নগরী ও জেলাকে ভাগ করে পৃথকভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। রাজনীতিবিদ থেকে শুরু করে ডেভেলপার কো¤পানি, ইন্টারনেট, বালু তোলা, ডিশ ব্যবসা, গার্মেন্ট কিংবা খাতুনগঞ্জের আড়তদার সবার কাছে যেন এক মূর্তিমান আতঙ্ক।
৩ মাস আগে