আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকর পূরো নিয়ন্ত্রণ ছিল বিতর্কিত ব্যবসায়ী গোষ্ঠী এস আলম গ্রুপের। গ্রুপটির কর্ণধার সাইফুল আলম মাসুদের ভাই আবদুস সামাদ লাবু দীর্ঘ সময় ব্যাংকটির চেয়ারম্যান ছিলেন। ওই সময়ে লাবুর নেতৃত্বে কেডিএস গ্রুপের খলিলুর রহমান ও তাঁর ছেলে সেলিম রহমান ব্যাংকটির ওপর প্রভাব বিস্তার করেন। কিন্তু রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর স্বতন্ত্র পরিচালকদের দিয়ে পরিচালিত আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকে পুনরায় ফিরলেন পুরোনো উদ্যোক্তা-শেয়ারধারীরা। বাংলাদেশ ব্যাংক বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ বহাল রেখে পুরোনো উদ্যোক্তাদের মধ্য থেকে ১৪ জনকে যুক্ত করে নতুন পর্ষদ গঠন করেছে। নতুন যুক্ত হওয়া সদস্যদের অধিকাংশই চট্টগ্রামভিত্তিক শিল্পগোষ্ঠী কেডিএস গ্রুপের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। তবে পূরণোদের মধ্যে নেই শুধু এস আলম গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুস সামাদ লাবু। বুধবার (১৫ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংক এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে পাঠিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, ২০২৪ সালের আগস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে পাঁচ সদস্যের স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ করেছিল। প্রায় দুই বছর পর ব্যাংকটির আর্থিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় আগের উদ্যোক্তাদের হাতে পরিচালনার দায়িত্ব ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, যেসব ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ আগে ভেঙে দেওয়া হয়েছিল, সেগুলোর অনেক উদ্যোক্তাকে এখন আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তবে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি ভিন্ন হওয়ায় তাদেরই পর্ষদে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।নতুন পর্ষদে যুক্ত হওয়া ১৪ সদস্যের মধ্যে রয়েছেন কেডিএস গ্রুপের কর্ণধার খলিলুর রহমান, তাঁর বড় ছেলে সেলিম রহমান, ছোট ভাই আহামেদুল হক এবং আহামেদুল হকের সম্বন্ধী বদিউর রহমান। বদিউর রহমান ২০০৯ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ব্যাংকটির চেয়ারম্যান ছিলেন। পরে পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। জানা যায়, ২০২৩ সালে তিনি পদত্যাগ করেন।এ ছাড়া কেডিএস গার্মেন্টসের প্রতিনিধি হিসেবে মাহবুব আহমেদ, কেডিএস টেক্সটাইলের প্রতিনিধি পরিচালক হিসেবে ফরিদ উদ্দিন আহমেদ এবং কেওয়াই স্টিল মিলের প্রতিনিধি পরিচালক হিসেবে শরিফ উদ্দিন তসলিমকে পর্ষদে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পর্ষদে পুনরায় জায়গা পেয়েছেন চট্টগ্রামভিত্তিক মীর গ্রুপের কর্ণধার আবদুস সালাম। তিনি এস আলম গ্রুপের কর্ণধার সাইফুল আলম মাসুদের ছেলের শ্বশুর।এ ছাড়া দুবাইভিত্তিক আল হারামাইন পারফিউমসের মালিক ও এনআরবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান মাহতাবুর রহমান নাসিরের ছেলে ইমাদুর রহমানকে আবার পরিচালক করা হয়েছে। পুরোনো পরিচালকদের মধ্যে আরও রয়েছেন রফিকুল ইসলাম, নাজমুল আহসান খালেদ, আনোয়ার হোসাইন, লিয়াকত আলী চৌধুরী ও এনায়েত উল্লাহ।
২ মাস ২ দিন আগে
ব্যবসায়িক সাফল্য, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নিয়মিত কর পরিশোধের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে সর্বোচ্চ করদাতা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন ইস্টার্ন ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. শওকত আলী চৌধুরী প্রকাশ ডিসকো শওকত। ধারাবাহিকভাবে গত ১১ বছর তিনি সর্বোচ্চ করদাতা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়ে আসছেন। সোমবার (১৩ জুলাই) এক বার্তায় তাঁর ঘনিষ্ঠজনরা এ তথ্য জানান। তারা জানিয়েছেন, শওকত আলী চৌধুরী ব্যবসায় স্বচ্ছতা ও আইনানুগ কার্যক্রম পরিচালনায় দেশে-বিদেশে পরিচালিত তার ব্যবসাগুলোর তথ্য যথাযথভাবে কর নথিতে উল্লেখ রয়েছে এবং সেসব আয়ের বিপরীতে তিনি নিয়ম অনুযায়ী শতভাগ কর পরিশোধ করেছেন।এরপরও একটি স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক সুনাম ক্ষুণ্ন করতে বিভিন্ন মাধ্যমে অসত্য, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে যাচ্ছে। তাদের দাবি, এসব অভিযোগের কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। তাদের মতে, বর্তমান সরকার দেশে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে কাজ করছে। এ পরিস্থিতিতে দেশের শিল্প ও বাণিজ্যের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে সব পক্ষের দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখা প্রয়োজন।ব্যাংকিংয়ের পাশাপাশি মো. শওকত আলী চৌধুরী শিপ রিসাইক্লিং, লজিস্টিকস, রিয়েল এস্টেট, চা শিল্প, বীমাসহ বিভিন্ন শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে এবং দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।তারা আরও জানান, দীর্ঘ সময় ধরে সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন শওকত আলী চৌধুরী। তার বিরুদ্ধে সম্প্রতি উত্থাপিত অভিযোগগুলো অসত্য, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।ব্যাংকিং খাতে তার অবদানও উল্লেখযোগ্য। ইস্টার্ন ব্যাংকের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই তিনি নেতৃত্বের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। তিনি ব্যাংকটির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক এবং ১৯৯৩ সাল থেকে পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময়ের অভিজ্ঞতায় ব্যাংকের নীতিনির্ধারণ, কৌশলগত পরিকল্পনা এবং করপোরেট পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছেন।তার নেতৃত্বে পরিচালনা পর্ষদ করপোরেট গভর্ন্যান্স, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, স্বচ্ছতা এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। ব্যাংকের বার্ষিক প্রতিবেদনেও গ্রাহকের আস্থা অর্জন, সুশাসন এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার বিষয়টি অগ্রাধিকার পেয়েছে।সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইস্টার্ন ব্যাংক ডিজিটাল ব্যাংকিং, অনলাইন সেবা এবং প্রযুক্তিনির্ভর গ্রাহকসেবা সম্প্রসারণে ব্যাপক বিনিয়োগ করেছে। ২০২৫ সালের বার্ষিক সাধারণ সভায় শেয়ারহোল্ডাররা ব্যাংকের ডিজিটাল রূপান্তর এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির কৌশলের প্রশংসা করেন।
২ মাস ৫ দিন আগে
বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমানসহ দেশি-বিদেশি ৬৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা পেয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিআইডির মুখপাত্র জসীমউদ্দিন খান। তিনি বলেন, দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এ আর্থিক কেলেঙ্কারির ঘটনায় দেশি-বিদেশি ৬৪ ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হচ্ছে। তাদের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন গভর্নর আতিউর রহমানসহ ১০ বাংলাদেশি রয়েছেন। এ ছাড়া ফিলিপিন্স, শ্রীলঙ্কা, চীন, জাপান, ভারত ও উত্তর কোরিয়ার ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান থাকছে আসামির তালিকায়। মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইমের অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার আল মামুন বলেন, আমাদের তদন্ত শেষ হয়েছে। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর অভিযোগপত্র প্রস্তুত করতে ফরেনসিক প্রতিবেদন, ফিলিপিন্সের এমএলএআর, এফবিআই রিপোর্ট, জাপান ও ভারতের সুপারিশ, শ্রীলঙ্কা থেকে অর্থ ফেরতের রেকর্ড, সুইফটের তথ্য, তদন্তের ডকুমেন্টারি ও ১৬১ ধারায় নেওয়া জবানবন্দি আমলে নেওয়া হয়েছে। দশ হাজার পৃষ্ঠার মামলার ডকেট এবং খসড়া অভিযোগপত্রে অপরাধের বিস্তর তথ্যপ্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে। খসড়া অভিযোগপত্র প্রস্তুত করে আইনি পরামর্শের জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে। আশা করছি শিগগিরই আদালতে চার্জশিট দিতে পারব। সূত্র জানায়, বাংলাদেশ ব্যাংকের ১০১ মিলিয়ন ডলার রিজার্ভ চুরির এই ঘটনায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান ছাড়াও সাবেক ডেপুটি গভর্নর আবুল কাশেম, সাবেক নির্বাহী পরিচালক শুভঙ্কর সাহা, সাবেক নির্বাহী পরিচালক মেজবাউল হক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনিস এ খান, সাবেক মহাব্যবস্থাপক এ এফ এম আসাদুজ্জামান, উপপরিচালক জোবায়ের বিন হুদার নাম রয়েছে। অভিযুক্তের তালিকায় আরও তিন বাংলাদেশির নাম উঠে এসেছে। তারা হচ্ছেন-কে এম আব্দুল ওয়াদুদ, রেজাউল করিম ও মো. সুলতান মাসুদ আহমেদ। শেষ তিনজনের পরিচয় উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে সিআইডি।সূত্র আরও জানায়, রিজার্ভ চুরির ঘটনা প্রকাশ পাওয়ার পর বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন আইটি উপদেষ্টা রাকেশ আস্থানাকে প্রধান করে একটি ফরেনসিক অডিট করা হয়। অভিযোগ রয়েছে-ওই অডিটের সময় বেশির ভাগ আলামত মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল। এছাড়া হ্যাকিংয়ে সহায়তা, মানি লন্ডারিং ও চুরির অভিযোগ আনা হয়েছে ভারতীয় নাগরিক প্রীতম রেড্ডি, সুধীন্দ্রআথ্রেশ, নীলভান্নান ও মাদুক্কুর আনন্দনের বিরুদ্ধে। খসড়া অভিযোগপত্রে উত্তর কোরিয়ার কয়েকজনকে চিহ্নিত করে ল্যাজারাস গ্রুপ, পার্ক জিন হিয়োক কে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগপত্রে গাও শুহুয়াসহ দুজন চীনা নাগরিকের নামও উঠে এসেছে।উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সুইফট সিস্টেম ব্যবহার করে ৩৫টি ভুয়া বার্তা পাঠিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউ ইয়র্কে (ফেড) রাখা বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব থেকে ১০ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি হয়। এর মধ্যে একটি মেসেজের মাধ্যমে শ্রীলঙ্কায় একটি ‘ভুয়া’ এনজিওর নামে ২০ মিলিয়ন ডলার সরিয়ে নেওয়া হলেও বানান ভুলের কারণে সন্দেহ হওয়ায় শেষ মুহূর্তে তা আটকে যায়। বাকি চারটি মেসেজের মাধ্যমে ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার সরিয়ে নেওয়া হয় ফিলিপিন্সের মাকাতি শহরে রিজল কমার্সিয়াল ব্যাংকের জুপিটার স্ট্রিট শাখায় ‘ভুয়া তথ্য’ দিয়ে খোলা চারটি অ্যাকাউন্টে।অল্প সময়ের মধ্যে ওই অর্থ ব্যাংক থেকে তুলে নেওয়া হয়, ফিলরেম মানি রেমিটেন্স কোম্পানির মাধ্যমে স্থানীয় মুদ্রা পেসোর আকারে সেই অর্থ চলে যায় তিনটি ক্যাসিনোর কাছে। এর মধ্যে একটি ক্যাসিনোর মালিকের কাছ থেকে দেড় কোটি ডলার উদ্ধার করে বাংলাদেশ সরকারকে বুঝিয়ে দেওয়া হলেও বাকি অর্থ উদ্ধারে তেমন কোনো অগ্রগতি হয়নি। জুয়ার টেবিলে হাতবদল হয়ে ওই টাকা শেষ পর্যন্ত কোথায় গেছে, তারও কোনো হদিস মিলছিলো না।এ নিয়ে আরসিবিসির বিরুদ্ধে নিউ ইয়র্কের আদালতে বাংলাদেশ ব্যাংকের মামলা চলছে। অর্থ রূপান্তর, চুরি, আত্মসাৎ-এ ধরনের কর্মকাণ্ডে সহায়তা বা প্ররোচনা, জালিয়াতি, জালিয়াতিতে সহায়তা বা প্ররোচনাসহ বেশ কিছু অভিযোগ আনা হয়েছে সেখানে।মামলায় বলা হয়েছে, রিজার্ভের অর্থ চুরির কাজে ‘অজ্ঞাতনামা উত্তর কোরীয় হ্যাকারদের’ সহায়তা নেয় আসামিরা। ‘নেস্টেগ’ ও ‘ম্যাকট্রাক’ এর মত ম্যালওয়্যার পাঠিয়ে হ্যাকাররা বাংলাদেশ ব্যাংকের সুইফট নেটওয়ার্কে ঢোকার জন্য পথ বের করে। পরে নিউ ইয়র্ক ফেড থেকে টাকা সরিয়ে নেওয়া হয় নিউ ইয়র্ক ও ফিলিপিন্সে আরসিবিসির অ্যাকাউন্টে। ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ এই সাইবার জালিয়াতির ঘটনা জানাজানি হলে ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারির শুরুতে বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়। বাংলাদেশের মানুষ বিষয়টি জানতে পারে ঘটনার এক মাস পর, ফিলিপিন্সের একটি পত্রিকার খবরের মাধ্যমে। বিষয়টি চেপে রাখায় সমালোচনার মুখে গভর্নরের পদ ছাড়তে বাধ্য হন আতিউর রহমান। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শীর্ষ পর্যায়ে আনা হয় বড় ধরনের রদবদল।এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং বিভাগের যুগ্ম পরিচালক জুবায়ের বিন হুদা ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ মতিঝিল থানায় একটি মামলা করেন। তবে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন এবং তথ্য ও প্রযুক্তি আইনে দায়ের করা ওই মামলায় সরাসরি কাউকে আসামি করা হয়নি তখন।মামলাটি শুরু থেকেই তদন্ত করছে সিআইডি। সবশেষ গত ১৮ মে মামলাটির প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ৯৫ বারের মত পেছানো হয়। সেদিন আদালত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২ জুলাই দিন ঠিক করে দেয়।
২ মাস ৩০ দিন আগে