Dainik Ishan
প্রকাশক: কামাল উদ্দিন
সম্পাদক: খ. ম. ইব্রাহিম
গোপনীয়তার নীতি|আমাদের সম্পর্কে|আর্কাইভ

যোগাযোগ

সম্পাদকীয় কার্যালয় : নুরভবন, শাহ আমানত সড়ক, চট্টগ্রাম।

ফোন : ০৯৬৯৭৫১০০২৪, ০১৫৩২৭৬৪৪০৪।

ইমেইল: dainikishan@gmail.com

প্রয়োজনীয় লিংক

  • Facebookফেসবুক পেজ
  • Xএক্স (টুইটার)
  • LinkedInলিংকডইন
  • @থ্রেডস
  • Messengerমেসেঞ্জার
  • WhatsAppহোয়াটসঅ্যাপ
  • Instagramইনস্টাগ্রাম
  • Telegramটেলিগ্রাম
  • YouTubeইউটিউব চ্যানেল
  • টিকটক

কিউআর কোড

QR Code
Copyright©DainikIshan`2023 । সতর্কতা-কপিরাইট অ্যাক্ট অনুসরণ করুন...
Developed by Dainik Ishan IT Team
বেচা-কেনা.com
ই-পেপার
প্রেস রিলিজ
ফেসবুক পেজসমূহ
  • Dainik Ishan | দৈনিক ঈশান
  • দৈনিক ঈশান | Dainik Ishan
  • Dainik Ishan | দৈনিক ঈশান
Dainik Ishan
XLinkedIn@MessengerWhatsAppInstagramTelegramYouTube
    বিজ্ঞাপন — 970 × 90

    আপনার এলাকার খবর

    ট্রেন্ডিং: চট্টগ্রাম

    রং-তুলিতে প্রাণ ফিরে পাচ্ছে জিয়া স্মৃতি জাদুঘর

    রং-তুলিতে প্রাণ ফিরে পাচ্ছে জিয়া স্মৃতি জাদুঘর

    বাবর আলীর মাকালু পর্বতশৃঙ্গ জয়

    বাবর আলীর মাকালু পর্বতশৃঙ্গ জয়

    হালদায় নমুনা ডিম ছেড়েছে মা-মাছ

    হালদায় নমুনা ডিম ছেড়েছে মা-মাছ

    বুকসমান পানিতে ডুবলো চট্টগ্রাম

    চার ঘন্টার বজ্র বৃষ্টিতে বুকসমান পানিতে ডুবে গেছে চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন এলাকার সড়ক। ফলে যানবাহন ঠাঁই নিয়েছে ফ্লাওভারে। এতে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়ে নগরবাসী। দুর্ভোগে পড়ে এসএসসি পরীক্ষায় থাকা পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা।মঙ্গলবার (২৮ এপৃল) বেলা ১১টা থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টিতে পানি জমে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। ১১টার দিকে বৃষ্টি কম থাকলেও সাড়ে ১২টার দিকে আবার ভারী বৃষ্টি হয়; যা দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। নগরীর আমবাগান আবহাওয়া অফিসের অফিসার ইনচার্জ বিজন রায় বলেন, সকাল নয়টা থেকে ১২টা পর্যন্ত ১০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। তিন ঘণ্টা পরপর বৃষ্টিপাতের রেকর্ড হিসাব করা হয়। পরবর্তী অবজারভেশনে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ জানা যাবে।খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বৃষ্টিতে ডুবে যাওয়া এলাকাগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে- চট্টগ্রাম মহানগরীর প্রবর্তক মোড়, মুরাদপুর, কাতালগঞ্জ, রহমতগঞ্জ, চকবাজার, আগ্রাবাদ, রাহাত্তারপুলসহ গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো। অনেক এলাকায় ড্রেন উপচে পানি সড়ক ও বাসাবাড়িতে ঢুকে পড়েছে।নিচু এলাকাগুলোতে পানি বুকসমান হওয়ায় নগরীর যানবাহনগুলো ঠাঁই নেয় শহরজুড়ে বিস্তৃত সবকটি ফ্লাইওভারে। ডুবে গিয়ে অনেক যানবাহন মাঝপথে বিকল হয়ে পড়ে। দুর্ভোগে পড়েছে অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী ও শ্রমজীবী মানুষেরা।নগরবাসী জানান, বেলা আড়াইটায় নগরীর প্রবর্তক ও মুরাদপুর এলাকার সড়কগুলোতে গাড়ি চলাচল বন্ধ রয়েছে। সেখানে কোমর থেকে বুক পর্যন্ত পানিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে নগরীর রহমতগঞ্জ, কাতালগঞ্জ, রাহাত্তারপুল, আগ্রাবাদ এলাকার সড়কে হাঁটু সমান পানিতে তলিয়ে গেছে। এসব সড়কে যানচলাচল একেবারেই কম। ফলে ভোগান্তি পড়েছে নগরবাসী।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, অল্প সময়ের বৃষ্টিতেই পানি জমে দ্রুত পরিস্থিতি খারাপ হয়ে পড়ে। পানি নামতে দেরি হওয়ায় ভোগান্তি বাড়ছে। সাদিয়া জাহান নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থী বলেন, আজ ইংরেজি ২য় পত্রের পরীক্ষা ছিল। হল থেকে বের হয়ে গাড়ি না পেয়ে হেঁটে হেঁটে মুরাদপুর আসলাম। এখানে তো হেঁটে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি নাই। কোমর পর্যন্ত ময়লা পানি।নগরীর রাহাত্তারপুল এলাকার বাসিন্দা মমিনুল হক বলেন, চট্টগ্রামে সাধারণত এমন পানি দেখা যেত টানা তিন-চারদিন বৃষ্টি হলে। এখন দেখছি ১ ঘণ্টার বৃষ্টিতে ভয়াবহ জলাবদ্ধতা হচ্ছে। মুরাদপুরে জলাবদ্ধতায় আটকে পড়া উন্নয়নকর্মী তোফায়েলুর রহমান বলেন, যারা বৃষ্টি এবং সমুদ্রকে ভালোবাসেন, তারা চট্টগ্রামের মুরাদপুর চলে আসেন। এত পানি সমুদ্র না সড়ক বুঝার উপায় নেই।স্থানীয় বাসিন্দা আলাউদ্দিন দুলালের ভাষ্য, প্রবর্তক মোড়ের অদূরে বদনা শাহ মাজারের সামনের সড়কে জমে থাকা পানিতে আটকা পড়ে বিভিন্ন ধরনের যানবাহন। বেশ কয়েকটি গাড়ি বিকল হয়ে সড়কের ওপরই পড়ে থাকতে দেখা গেছে। অনেককে কোমরসমান, কোথাও কোথাও গলাসমান পানি পেরিয়ে চলাচল করতে হয়েছে। পানির কারণে অনেকে বাধ্য হয়ে রোড ডিভাইডারের ওপর দিয়ে হেঁটে গন্তব্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন।এ সড়কের পাশেই রয়েছে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ একাধিক বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। ফলে রোগী, স্বজন এবং জরুরি সেবাগ্রহীতাদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। প্রবর্তক মোড়ের হিজড়া খালের কালভার্ট এলাকায় মাটি ফেলে সংস্কারকাজ চলছে। যন্ত্রপাতিও রাখা হয়েছে সড়কের পাশে। স্থানীয়দের অভিযোগ, চলমান উন্নয়নকাজের কারণে পানি চলাচল ব্যাহত হয়ে জলাবদ্ধতা আরও তীব্র হয়েছে। নগরবাসীর মতে, আসন্ন বর্ষা সামনে রেখে গত সপ্তাহ থেকে মাসব্যাপী নালা-খাল পরিষ্কার কার্যক্রম শুরু করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। এর অংশ হিসেবে নগরের বিভিন্ন খাল ও নালা পরিষ্কারে তদারকি করছেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।মঙ্গলবার বিকেলে পরিদর্শনকালে মেয়র ডা. শাহদাত হোসেন বলেন, নগরের নালা-নর্দমা ময়লার স্তুপে পরিণত হওয়াই জলাবদ্ধতার অন্যতম প্রধান কারণ। তিনি বলেন, কিছু অসচেতন ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দার কারণে নালাগুলো বর্জ্য ফেলার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। জনগণ সচেতন না হলে কোনো উদ্যোগই দীর্ঘমেয়াদে সফল হবে না।নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে চলমান মেগা প্রকল্পের আওতায় ৩৬টি খাল সংস্কারের কাজ করছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। তবে হিজড়া খাল ও জামালখান খালের সংস্কারকাজ এখনো চলমান রয়েছে।চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দীন আহমেদ চৌধুরী জানান, প্রবর্তক এলাকার পাশে সিডিএর উন্নয়নকাজের কারণে সাময়িকভাবে পানি চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।

    ৫ দিন আগে
    বুকসমান পানিতে ডুবলো চট্টগ্রাম

    নিউজিল্যান্ডের বড় রান তাড়া করে বাংলাদেশের রেকর্ড জয়

    টার্গেট বড় হওয়ায় কিছুটা শঙ্কা ছিল; রান তাড়ায় মাঝপথে ছন্দপতনও হয়েছিল। কিন্তু তাওহীদ হৃদয়, পারভেজ ইমন আর শামীম পাটোয়ারীদের বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ের সামনে সব উড়ে গেল শঙ্কা। বড় রান তাড়া করেও চট্টগ্রামে কিউইদের ৬ উইকেটে গুঁড়িয়ে দিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে শুভ সূচনা করল লিটন দাসের দল। এটা ঘরের মাঠে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রান তাড়া করার রেকর্ড।রান তাড়ায় বাংলাদেশের শুরুটা ছিল বেশ ভালো। ৫.৩ ওভারে সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান তামিম মিলে ৪১ রানের ওপেনিং জুটি উপহার দেন। ১৬ বলে ১৭ রান করে সাইফ আউট হতেই বিপর্যয়ের শুরু। অধিনায়ক লিটন দাস তিনে নেমে দারুণ শুরু করেছিলেন। কিন্তু ১৫ বলে ২ চার ‌১ ছক্কায় ২১ রান করেই তিনি ইশ সোধির বলে পুল করতে গিয়ে সোজা বোল্ড হয়ে যান। ওয়ানডে মেজাজে খেলতে থাকা তানজিদ আর রানের গতি বাড়াতে পারেননি। তিনি ২৫ বলে ২০ রান করে আউট হয়ে যান।৭৭ রানে ৩ উইকেটের পতনের পর ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। ব্যাট হাতে পাল্টা আক্রমণ শুরু করেন তাওহীদ হৃদয় ও পারভেজ ইমন। এই দুজন চতুর্থ উইকেটে গড়েন ২৮ বলে ৫৭ রানের জুটি। ১৪ বলে ২৮ রান করা ইমন ক্লার্কসনের অফ কাটারে ছক্কা মারতে গিয়ে ধরা পড়েন লং অফে। বিস্ফোরক মেজাজে থাকা হৃদয়ের সঙ্গে যোগ দেন শামীম পাটোয়ারী। শেষ তিন ওভারে প্রয়োজন হয় ১৮ রানের। ১৭তম ওভারে শামীমের তিন চার আর এক ছক্কায় জয় চলে আসে হাতের নাগালে। ১২ বল হাতে রেখেই জিতে যায় বাংলাদেশ।তাওহীদ হৃদয় ২৭ বলে ২ চার ৩ ছক্কায় ৫১ রানে অপরাজিত থাকেন। আর শামীম হোসেন খেলেন ১৩ বলে ৩ চার ২ ছক্কায় ৩১ রানের অপরাজিত ইনিংস। দুজনের অবিচ্ছিন্ন পঞ্চম উইকেট জুটিতে আসে ২১ বলে ৪৯ রান। ম্যাচসেরার পুরস্কার উঠেছে তাওহীদ হৃদয়ের হাতে। কিউইদের হয়ে ২ উইকেট নেওয়া ইশ সোধি ৪ ওভারে দিয়েছেন ৪০ রান। ম্যাথু ফিশার তো ৪ ওভারে ৫৩ রান দিয়ে ছিলেন উইকেটশূন্য।এর আগে আজ সোমবার চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৬ উইকেটে ১৮২ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। দলীয় ১১ রানেই রান আউট হয়ে যান টিম রবিনসন (০)। আরেক ওপেনার কাটেনে ক্লার্ক অবশ্য ৩৭ বলে ৭ চার ১ ছক্কায় ৫১ রানের ইনিংস উপহার দেন। তিনে নেমে উইকেটকিপার ড্যান ক্লেভারও খেলেন ২৮ বলে ৫১ রানের বিস্ফোরক ইনিংস। এ দুজনকেই শিকার করেছেন লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন।১০ ওভারে ১০০ রান তুলে ফেলা নিউজিল্যান্ড পরের পাঁচ ওভারে তোলে মাত্র ৩০ রান। বাংলাদেশি স্পিনাররা রানের লাগাম টানেন। ১৬.৩ ওভারে ৫ উইকেটে ১৫১ রান করার পর আলোকস্বল্পতায় খেলা বন্ধ হয়ে যায়। খেলা শুরু হলে ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক নিক কেলি ২৭ বলে ৩৯ রান করে আউট হয়ে যান। শিকারি শরিফুল ইসলাম। শেষ ওভারে উইকেট পেতে পারতেন রিপন মণ্ডল; তবে ১৪ বলে অপরাজিত ২৭ রান করা ক্লার্কসনের ক্যাচ ফেলেন রিশাদ হোসেন।বল হাতে তিন পেসারই উদার হস্তে রান বিলিয়েছেন। শরিফুল ৪ ওভারে ৩৬ রানে ১ উইকেট, তানজিম সাকিব ৪ ওভারে ৪০ রানে ১টি এবং রিপন ৩৯ রান দিয়ে উইকেটশূন্য। দুই স্পিনারের মধ্যে শেখ মাহেদী ৩১ রানে একটি আর রিশাদ হোসেন ৩২ রানে ২ উইকেট নেন।

    ৬ দিন আগে
    নিউজিল্যান্ডের বড় রান তাড়া করে বাংলাদেশের রেকর্ড জয়

    চট্টগ্রাম এলএ শাখার আলী আযম কি আরেক জাবেদ আলী?

    বউয়ের নামে কিনেছেন জমি। যেখানে নির্মাণ করেছেন বিলাস বহুল ৭ তলা বাড়ি। ব্যবহার করেন প্রিমিও গাড়ি। এছাড়া আওয়ামী লীগ নেতা ভাইসহ পরিবারের সদস্যদের নামে চট্টগ্রাম মহানগর ও নিজ জন্মস্থান আনোয়ারায় কিনেছেন সারি সারি জমি। বিভিন্ন ব্যাংকে জমা রেখেছেন কাড়ি কাড়ি টাকা। এসব কিছুই যেন মনে করিয়ে দেয় সেই স্বৈরাচারি শেখ হাসিনার আলোচিত দূর্নীতিবাজ ড্রাইভার জাবেদ আলীর অঢেল সম্পদের কথা। মনে করিয়ে দেয় এনবিআর কর্মকর্তা মতিউর রহমানের দূর্নীতির কথা। যাদের মতো অঢেল সম্পদের মালিক চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের সাধারণ শাখার উপ-সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং ভুমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখার প্রাক্তণ উচ্চমান সহকারি এইচ এম আলী আযম খান। তার কথায় এসব সম্পদের হিসাব-নিকাশ চললেও যেন নিজের কিছুই নেই। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার বারখাইন ইউনিয়নের শোলকাটা গ্রামের মৃত মোজাম্মেল হক চৌধুরীর ছেলে এইচ এম আলী আযম খান এতটাই চতুর যে, নিজের নামে কেনা অঢেল সম্পদের অনেকটাই আড়াল করে রেখেছেন। ধন-সম্পদের শক্তিতে নিজ এলাকার মানুষকে মানুষ বলেও মনে করেননা তিনি। দখল করেছেন মানুষের জমি-পুকুরসহ নানা সম্পদ। পুলিশ দিয়ে হয়রানিসহ নানাভাবে করছেন জুলুম ও নির্যাতন। এমন একাধিক ভুক্তভোগীর সাথে কথা বলে তার অঢেল সম্পদের কিছু তথ্য সামনে আনা সম্ভব হয়েছে। ভুক্তভোগীদের একজন হলেন আনোয়ারা উপজেলার বারখাইন ইউনিয়নের শোলকাটা গ্রামের মো. আবদুল্লাহর ছেলে সমির উদ্দিন। তার প্রায় ১২ গন্ডা জায়গা জোরপূর্বক অবৈধভাবে দখল করে দেয়াল ও পিলার নির্মাণ করেছেন এইচ এম আলী আযম খান। এ নিয়ে তাকে প্রতিনিয়ত প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন তিনি। জেলা প্রশাসনের প্রভাব বিস্তার করায় তার সাথে কুলিয়ে উঠতে না পেরে সমির উদ্দিন অঢেল সম্পদের কিয়দাংশের বিবরণ দিয়ে দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের বরাবরে পৃথক অভিযোগ দায়ের করেন। ২০২৪ সালের ৯ অক্টোবর দায়ের করা পৃথক অভিযোগে সমির উদ্দিন উল্লেখ করেন, এইচ এম আলী আযম খান বায়েজীদ থানার পূর্ব নাছিরাবাদ পলিটেকনিক মোজাফফর নগর আবাসিক এলাকার হাজী মোজাফ্ফর আহমদ চৌধুরী সড়কে বিশাল জায়গায় ৭ তলা বাড়ি নির্মাণ করেছেন। বাড়িটির নাম ড্যাফোডিল ভবন। বর্তমানে জমিসহ এই বাড়ির বাজার মূল্য ২০ কোটি টাকারও বেশি বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এছাড়া তার রয়েছে ৩৭ লাখ ২৩ হাজার টাকা মূল্যের প্রিমিও কার। নম্বর চট্ট-মেট্রো-গ-১২-০৯০৮। অভিযোগে দাবি করা হয়, কর্মস্থলে সাধারণ মানুষের ভুমি অধিগ্রহণ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়া ঘুষের অবৈধ অর্থে পেশায় গৃহিনী স্ত্রী মোহছেনা আক্তারের নামে কেনা বিশাল এই জায়গায় ৭ তলা ড্যাফোডিল ভবন নির্মাণ করেন। এই ভবনের বিদ্যুতের মিটারও স্ত্রী মোহছেনার নামে। মিটারের নম্বর হচ্ছে ০১০৪১০০৯৫৯২০, ০১০৪১০০৯৪৮৪৮। বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ ভূমির ক্রয়কৃত মালিকানা ছাড়া বিদ্যুৎ মিটার প্রদান করেন না। এভাবে তিনি ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা আপন ভাইসহ পরিবারের সদস্যদের নামে জমি ও কোটি কোটি টাকার সম্পদ কিনেছেন। নগরীর বিভিন্ন ব্যাংকে স্বজনদের হিসাবে জমা রেখেছেন কাড়ি কাড়ি টাকা। দূর্নীতি আড়াল করতে তিনি এই উপায় অবলম্বন করেছেন। এর মধ্যেও তিনি নিজের নামে অনেক সম্পদ কিনেছেন। দূর্নীতি আড়াল করতে তিনি এসব গোপন রেখেছেন। এমন একটি জমি কেনার তথ্য মিলেছে আনোয়ারা সাব রেজিষ্ট্রার অফিসে। অফিসের দলিলমুলে দেখা যায়, এইচ এম আলী আযম খান গত ২০১৮ সালের ১২ এপৃল ৫,২৩,২০,০০০/-(পাঁচ কোটি তেইশ লক্ষ বিশ হাজার) টাকা মূল্যে ১০ একর জমি কিনেছেন। জমির দলিল নং ১৬৫৩। যেখানে তিনি নিজেকে ব্যবসায়ী হিসেবে উল্লেখ করেছেন। অথচ বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের সাধারণ শাখায় উপ-সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের মন্ত্রী-এমপি ও নেতাদের সাথে আলী আযম খান। ছবি : দৈনিক ঈশানএর আগে ২০২০ সালের ১ অক্টোবর চট্টগ্রামের একটি আঞ্চলিক দৈনিক পত্রিকায় এইচ এম আলী আযম খানের দুর্নীতি নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। যার শিরোনাম ছিল 'কমিশন' চেক উড়ে এলএ শাখায়। এই প্রতিবেদনে বলা হয়, ভূমি অধিগ্রহণে ১০-১৫ শতাংশ পর্যন্ত 'কমিশন' নেওয়া হয়। আর অধিগ্রহণের চেক গ্রহণের আগেই কমিশনের চেক প্রদান করতে হয়।অনিয়মের এই চক্রে জড়িত সার্ভেয়ার কানুনগো, অফিস সহকারী, অধিগ্রহণ কর্মকর্তা, ব্যাংক ও হিসাবরক্ষণ অফিসের কর্মকর্তা ছাড়াও ডজনখানেক সাংবাদিক রয়েছে। রয়েছে অর্ধশতাধিক দালালচক্র। যার মধ্যে নজরুল নামে এক চেইনম্যানকে গ্রেপ্তার করে দুদক। ওই সময় তার কাছ থেকে ৫৮ লাখ টাকাসহ কয়েকটি চেক উদ্ধার করে দুদক কর্মকর্তারা। আর এই দূর্নীতির মূল হোতা ছিলেন এইচ এম আলী আযম খান। তিনি তখন এলএ শাখার উচ্চমান সহকারী ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, চট্টগ্রামে অন্তত সরকারের ১৩১টি প্রকল্প থেকে ভুমি অধিগ্রহণে হাজার হাজার ভুমির মালিক থেকে ১০-১৫% কমিশনে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন এইচ এম আলী আযম খান। যা এখনো চলমান। ভাগবোটায়ারায় তুষ্ট জেলা প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নেক নজরে ফ্যাসিবাদের দোসর এইচ এম আলী আযম খান পদোন্নতি পেয়ে বসে যান ১০ম গ্রেডে উপ-সহকারী প্রশাসনকি কর্মকর্তা হিসেবেও। এরপর তার দূর্নীতির গতি আরও বেড়ে যায়। শুধু তাই নয়, তার বিরুদ্ধে একাধিক লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও কোন ব্যবস্থা নেয়নি জেলা প্রশাসন। তবে বিষয়টি তদন্ত করতে দূর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একটি গত এপৃল আনোয়ারায় আলী আযম খানের গ্রামের বাড়ি পরিদর্শন করেন। চট্টগ্রাম মহানগরসহ তার সম্পদের খোঁজে সক্রিয় রয়েছে দুদক টিম। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, এইচ এম আলী আযম খান জেলা প্রশাসনে শক্ত সিন্ডিকেট গড়ে তোলেছেন। তার মাথার ওপর আশীর্বাদের হাত রয়েছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের দূর্নীতিবাজ সদ্য অবসরপ্রাপ্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. ইউনুচের। যার মাধ্যমে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এলএ পর্যন্ত পৌছে যায় ভুমি অধিগ্রহণের ভাগ-বাটোয়ারার অর্থ। এর সত্যতা মিলেছে জেলা প্রশাসনের এক কর্মকর্তার মুখে। এইচ এম আলী আযম খান সম্পর্কে জানতে চাইলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা বলেন, এইচ এম আলী আযম খান তো আপাদমস্তক একজন দূর্নীতিবাজ। জেলা প্রশাসনের এলএ শাখা সম্পূর্ণ তার কথা মতো চলে। তার এখন যে সম্পদ রয়েছে তার কানাকড়িও জেলা প্রশাসনের অনেক এডিসি-ডিসিরও নেই। জেলা প্রশাসনের সংস্থাপন শাখার প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবুদুর রহিম বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, তার এত সম্পদ কল্পনা করা যায় না। অবসরপ্রাপ্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. ইউনুচ তো এইচ এম আলী আযম খানের প্রিয় মানুষ। দু‘জনের বাড়িও এক এলাকায়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে এইচ এম আলী আযম খান মুঠোফোনে বলেন, আমার কোন জমি ও ভবন নেই। আরেকজনের ভবনের ছবি এনে আমার বললে তো হবে না। আর আমার নিজস্ব কোন গাড়িও নেই। আরেকজনের গাড়িতে চড়ি। গাড়িটি আমার আত্নীয়ের। এক পর্যায়ে তিনি বলেন, ভাই এসব বিষয়ে কথা বলতে আমার ভাল লাগছে না। অন্য বিষয়ে কথা বললে আপনার সাথে আমার বন্ধুত্ব হতে পারে। সমির নামে এক প্রতিবেশিকে এসব অভিযোগের জন্য দায়ী করে তিনি বলেন, তার সাথে জায়গা-জমি নিয়ে আমার ঝামেলা আছে। এ কারণে গত ৭-৮ বছর ধরে সে এসব করছে। এ কারণে তাকে আমি থানায়ও দিয়েছি। জেলও খেটেছে। এসব কাজ আর না করার জন্য মুচলেকাও দিয়েছে। এরপর কিছুদিন সে নিরব ছিল, এখন আবার শুরু করেছে। অন্য আরেক প্রশ্ন করা হলে এইচ এম আলী আযম খান বলেন, ভাই এখন আমি ব্যস্ত আছি, আপনার সাথে পরে কথা বলব বলে নিজেই ফোনের সংযোগ কেটে দেন তিনি। কিন্তু পরে তিনি আর কোন ফোনকল রিসিভ করেননি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ভুমি অধিগ্রহণ শাখার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কামরুজ্জামানের মুঠোফোনে কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি। ব্যস্ততা দেখিয়ে তিনি একটি টেক্সট মেসেজে জানান, তিনি নিজেই ফোন করে কথা বলবেন। কিন্তু তিনি ফোন আর করেননি। ফলে কথা বলতে রবিবার দুপুরে দপ্তরে গেলেও তিনি ছিলেন না। তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মো. জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত না। এমন কোন অভিযোগ আমার কাছে আসেনি। আমি আসার পর কোন অভিযোগ থাকলে বলেন। বিষয়টির খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। (দ্বিতীয় পর্ব আসছে শীঘ্রই)

    ৭ দিন আগে
    চট্টগ্রাম এলএ শাখার আলী আযম কি আরেক জাবেদ আলী?

    চট্টগ্রামে প্রতি কিলোমিটারে বাস ভাড়া ২.৫৩ টাকা

    ডিজেলের দাম বাড়ার প্রভাব সরাসরি পড়ল সড়কপথে যাত্রী পরিবহনে। প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা ভাড়া বাড়িয়ে নতুন হার নির্ধারণের পরই ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরসহ আন্তজেলা ও দূরপাল্লার বাস-মিনিবাসের নতুন ভাড়ার তালিকা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। রবিবার (২৬ এপৃল) এই তালিকা প্রকাশ করা হয়। তবে তালিকায় গত বৃহস্পতিবার থেকেই নতুন ভাড়া কার্যকর হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তালিকা অনুযায়ী, চট্টগ্রাম মহানগরে ৫২ আসনের বাসে প্রতি কিলোমিটার ভাড়া ২ টাকা ৪২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২ টাকা ৫৩ পয়সা করা হয়েছে। এই হারে কালুরঘাট ব্রিজ থেকে চট্টগ্রাম নিউমার্কেট পর্যন্ত ১৪ কিলোমিটার পথের ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫ টাকা। একই তালিকায় সর্বনিম্ন ১০ টাকা ভাড়ায় চকবাজার মসজিদ থেকে নিউমার্কেট পর্যন্ত যাতায়াত করা যাবে। কালুরঘাট ব্রিজ থেকে শরাফত পেট্রলপাম্প পর্যন্ত যেকোনো গন্তব্যেও সর্বনিম্ন ভাড়া ১০ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।চট্টগ্রাম নিউমার্কেট থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত ১৮ দশমিক ৬ কিলোমিটার পথে সম্পূর্ণ যাত্রায় ভাড়া পড়বে ৪৭ টাকা। তবে এই রুটে নিউমার্কেট থেকে বাদামতলী পর্যন্ত সর্বনিম্ন ভাড়া রাখা হয়েছে ১০ টাকা। চট্টগ্রাম মহানগর থেকে বিভিন্ন উপজেলা ও জেলার পথে চলাচলকারী বাসগুলোর ক্ষেত্রেও একই হারে প্রতি কিলোমিটার ভাড়া ২ টাকা ২৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। আন্তজেলা ও দূরপাল্লার বাসের ক্ষেত্রে ৫১ আসনের জন্য প্রতি কিলোমিটার ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ২ টাকা ২৩ পয়সা। তবে যাত্রীদের আরামদায়ক ভ্রমণের জন্য অনেক পরিবহন কোম্পানি বড় বাসে আসন সংখ্যা কমিয়ে ৪০-এ নামিয়ে চালায়, সে ক্ষেত্রে ভাড়া বাড়তি দিতে হবে। দূরপাল্লার পথে ফেরি ও সেতুর টোল থাকলে সেটিও ভাড়ার সঙ্গে যুক্ত হবে। চট্টগ্রাম থেকে ফেনী হয়ে সোনাপুর পর্যন্ত ১৪৭ কিলোমিটার পথে ৫১ আসনের বাসের ভাড়া ৩২৮ টাকা এবং ৪০ আসনের বাসে ৪১৮ টাকা দিতে হবে। চট্টগ্রাম থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত ১৫৪ কিলোমিটার দূরত্বে ৫১ আসনের বাসের ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৪৩ টাকা, আর ৪০ আসনের বাসে তা ৪৩৭ টাকা।ঢাকার সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে চট্টগ্রাম রুটে ৫১ আসনের বাসের ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৭০৪ টাকা এবং ৪০ আসনের বাসে ৫৫২ টাকা। নতুন ভাড়া কাঠামো অনুযায়ী, এই রুটে টোল বাবদ অতিরিক্ত ৪৫০ টাকা যোগ হবে। কক্সবাজার রুটে ৫১ আসনের বাসে ভাড়া ৯০০ টাকা ও ৪০ আসনের বাসে ১ হাজার ১৪৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। টেকনাফ রুটে ৫১ আসনের বাসে ১ হাজার ৪৭ টাকা এবং ৪০ আসনের বাসে ১ হাজার ৩৩৫ টাকা ভাড়া ধার্য করা হয়েছে। এ ভাড়া শুধুমাত্র ডিজেল চালিত পরিবহনের জন্য কার্যকর হবে। গ্যাসচালিত বাসে বাড়তি ভাড়া নিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান সড়ক, রেল ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি জানান, গ্যাসের দাম না বাড়ায় গ্যাসচালিত কোনো যানবাহনের ভাড়া বাড়ানোর সুযোগ নেই। গ্যাসচালিত যানবাহনে আগের মতোই ভাড়া নিতে হবে। বেশি ভাড়া নেওয়া বা কোনো অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    ৭ দিন আগে
    চট্টগ্রামে প্রতি কিলোমিটারে বাস ভাড়া ২.৫৩ টাকা

    চুয়েটে পুরকৌশল বিভাগের এক্রেডিটেশন প্রক্রিয়া শুরু

    চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর পুরকৌশল বিভাগের বিএসসি প্রোগ্রামের অ্যাক্রেডিটেশন প্রক্রিয়ার আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। রবিবার (২৬ এপৃল) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট কক্ষে বোর্ড অব অ্যাক্রেডিটেশন ফর ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনিক্যাল এডুকেশন (বিএইটিই)-এর এক্সটার্নাল রিভিউ টিমের সঙ্গে এ বিষয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভায় পুরকৌশল বিভাগের শিক্ষাক্রম, মান নিয়ন্ত্রণ এবং এক্রেডিটেশন মানদণ্ড পূরণের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। সভায় চুয়েটের ভাইস-চ্যান্সেলর (রুটিন দায়িত্ব) এবং মেকানিক্যাল অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. কাজী আফজালুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আরও উপস্থিত ছিলেন তড়িৎ ও কম্পিউটার প্রকৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. কাজী দেলোয়ার হোসেন, পুর ও পরিবেশ কৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. আসিফুল হক, স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রাশিদুল হাসান, রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. শেখ মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, পুরকৌশল বিভাগ এর বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. রিয়াজ আকতার মল্লিক, আইকিউএসি এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রহমান ভুঁইয়া ও কম্পট্রোলার জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম। বিএইটিই-এর প্রতিনিধি দলে ছিলেন ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) সিভিল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. শাকিল মোহাম্মদ রিফাত, বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (বিএইউএসটি) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. মো. মাহমুদুল হাসান এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ড. মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন (পিইঞ্জি)।

    ৭ দিন আগে
    চুয়েটে পুরকৌশল বিভাগের এক্রেডিটেশন প্রক্রিয়া শুরু

    রেলওয়ের সিসিএস দপ্তর ঢাকায় স্থানান্তরে সক্রিয় কুচক্রি মহল

    বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রকের (সিসিএস) দপ্তরটি চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় স্থানন্তরে সক্রিয় রয়েছে বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের প্রভাবশালী কুচক্রি মহল। যা হলে প্রথমত চট্টগ্রামের প্রতি বিমাতা সূলভ আচরণ হবে। দ্বিতীয়ত, সরকারের ব্যয় ও সরঞ্জাম সংরক্ষণ জটিল হয়ে পড়বে। রেলপথ মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব এমপির সাথে সাক্ষাৎ করে স্মারকলিপি প্রদানের সময় এমন তথ্য উপস্থাপনা করেন বাংলাদেশ রেলওয়ে ¯েপয়ার্স এন্ড এক্সেসরিজ সাপ্লাইয়ার্স এসোসিয়েশন (বারেসাএসাএ) এর নেতৃবৃন্দ।বৃহস্পতিবার (২৩ এপৃল) সকালে রেলভবনে প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরে সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি মোশারফ হোসেন দিপ্তী এবং বারেসাএসাএ‘র সভাপতি ফেরদৌস হুদার নেতৃত্বে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে প্রতিমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।এ সময় বারেসাএসাএ‘র অন্যতম পরিচালক এনায়েত কবির, আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারি বাবুল, জাকির হোসেন, আরিফুর রহমান, জাহিদুল হক জাহিদ, এ কে এম মাহফুজুর রহমান পিপলু, খন্দকার তারিকুল ইসলাম এবং মঈনুল আহসান রাসেল সাথে ছিলেন।নেতৃবৃন্দ প্রতিমন্ত্রীকে অবগত করেন, বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক (সিএিস) বিভাগটি চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় স্থানান্তরের জন্য বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের একটি কুচক্রী মহল দীর্ঘদিন যাবৎ সক্রিয় ছিল। বর্তমানে আবারও সেই চক্রটি প্রাক্তন রেলপথ মন্ত্রী, রেলপথ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যানসহ কিছু লুটেরা ব্যবসায়ী এবং সুযোগ সন্ধানী রেলওয়ে কিছু অসাধু কর্মকর্তা নিজেদের স্বার্থেই এই প্রক্রিয়ার সহিত সক্রিয় হয়েছে। যার অংশ হিসেবে প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক দপ্তর ঢাকা স্থানান্তরের জন্য বিভিন্ন ধরণের অপপ্রচারের মাধ্যমে সক্রিয় রয়েছে কিন্তু রেলওয়ে প্রয়োজনীয় বেশীরভাগ যন্ত্রাংশ বিদেশ থেকে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমদানি করতে হয়। ফলে তৎসংশ্লিষ্ট ডিসিওএস শিপিং, ডিসিওএস ডিপো, ডিসিওএস পরিদর্শন, এসিওএস জেটি ও ইনভেন্ট্রি কন্ট্রোলসেলসহ প্রয়োজনীয় সকল অবকাঠামো ও সুবিধাসমূহ ব্রিটিশ আমল থেকেই চট্টগ্রামে বিদ্যমান আছে। এই সকল কারণে অফিসটি স্থানান্তর করা চট্টগ্রামের সহিত একটি বিমাতা সুলভ আচরণ হিসেবে গণ্য হবে। অন্যদিকে সরঞ্জাম ক্রয়, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধিসহ ও সরঞ্জাম সংরক্ষণে জটিলতা সৃষ্টি হবে। এতে দেশের অপূরণীয় ক্ষতি হবে। তাই এ বিষয়ে আমরা রেলপথ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী মহোদয়ের সু-দৃষ্টি কামনা করছি।সিসিএস, পাহাড়তলীর আরপিও নং-২৪৭সি তাঃ ১৮/১২/২০২৩ইং। আমরা “বাংলাদেশ রেলওয়ে ¯েপয়ার্স এন্ড এক্সেসরিজ সাপ্লায়ার্স এসোসিয়েশন” এর পক্ষ থেকে নেতৃবৃন্দ প্রতিমন্ত্রীর সদয় অনুধাবন পূর্বক অবগতির জন্য জানান যে, আরপিও-২৪৭সি এ প্রদর্শিত বিভিন্ন শ্রেণী/ডিজিটাল (ব্রাস অন্তর্ভুক্ত) শ্রেণী সমূহ যেমন: ইবি১(১০৪)অ, ইবি১(২০৪),ই, ইবি২ (১২৩), ইবি৬ (১০৯), ইসি২ ৯(১১০), ইসি২(১৪২), আইএফ১ (১২৭) মালামালগুলি সিসিএস দপ্তর কর্তৃক ক্রয়/সংগ্রহ করা হতো, কিন্তু বিগত ১৮/১২/২০২৩ইং একটি আরপিও জারির মাধ্যমে সিওএস (পূর্ব) ও সিওএস (পশ্চিম) হইতে উপরোক্ত উল্লেখিত শ্রেণীর মালামাল সমূহ ক্রয়/সংগ্রহ করা হইতেছে। যাহা সিসিএস দপ্তরকে স্থানান্তরের প্রথম প্রক্রিয়া। নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, স্বাধীনতা পরবর্তী সময় হইতে সিসিএস দপ্তর হইতে রেলওয়ের যাবতীয় মালামাল ক্রয় সংগ্রহ করা হতো। ১৯৮৪ সালে তৎকালীন সরকার প্রধান এরশাদ সাহেবের মতামতের ভিত্তিতে সিওএস/পূর্ব ও সিওএস, পশ্চিম দপ্তর গঠন করা হয় এবং তখন এই দুই নতুন দপ্তর সমূহ কি মালামাল ক্রয় করিবেন তাহার নির্দেশনা ছিল। কিন্তু যাহা বিভিন্ন মহলের স্বার্থ লঙ্ঘিত হইয়া আসিতেছে।নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, আলোচিত বিভিন্ন শ্রেণীর মালামালগুলো রেলওয়ের সেফটি ও ¯পর্শকাতর আইটেম হিসেবে বিবেচিত এবং অধিকাংশ মালামাল সমূহ স¤পূর্ণরূপে আমদানী নির্ভর। অতীতে এইধরনের মালামাল সমূহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে ক্রয় সংগ্রহ করা হইত। এই ধরনের আন্তর্জাতিক ক্রয়কার্য স¤পাদনের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ সুবিধা শুধুমাত্র প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক এর দপ্তরে বিদ্যমান রয়েছে, যেমন (আমদানীর জন্য এলসি খোলার ব্যবস্থা, মালামাল খালাসের জন্য আর এন্ড আই দপ্তরের মাধ্যমে রেলওয়ের নিজস্ব জেটি ও শিপিং এর ব্যবহার)।এখানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রাজধানী ঢাকাকে প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ করে ঢাকাকে যানজট ও যানজট মুক্ত করা ও চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসাবে গড়ে তোলার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রহিয়াছে বলে উল্লেখ করেন। পরিশেষে প্রতিমন্ত্রীর দীর্ঘায়ু ও সফলতা কামনা করেন নেতৃবৃন্দ। রেলপথ প্রতিমন্ত্রী মনযোগ সহকারে নেতৃবৃন্দের কথা শুনেন এবং যাবতীয় সহযোগীতার আশ্বাস প্রদান করেন। এছাড়া তিনি প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক দপ্তর পরিদর্শনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন। পরে বারেসাএসাএ নেতৃবৃন্দ সদ্য পদায়িত অতিরিক্ত মহাপরিচালক (রোলিং স্টক) ফকির মো. মহিউদ্দীনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথেও সাক্ষাৎ করেছেন।স্মারকলিপিতে যা আছে : বাংলাদেশ রেলওয়ে ¯েপয়ার্স এন্ড এক্সেসরিজ সাপ্লায়ার্স এসোসিয়েশন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক টিও লাইসেন্স প্রাপ্ত বাংলাদেশ রেলওয়ের একমাত্র ব্যবসায়িক সংগঠন। যাহা বাংলাদেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন এফবিসিসিআই এর “এ” শ্রেণীভুক্ত সদস্য। প্রতি দুই বছর অন্তর অত্র সংগঠনের নির্বাচন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশক্রমে জেলা প্রশাসক, চট্টগ্রামের তত্ত্বাবধানে আমাদের নির্বাচন পরিচালনা করা হয়ে থাকে।অত্র সংগঠনটি বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্ব-পশ্চিম জোনের সকল নিবন্ধিত ব্যবসায়ীদের সকল ব্যবসায়িক স্বার্থ সংক্রান্ত বিষয়ে তদারকি করে থাকে। স্বার্থ সংরক্ষণ করা আমাদের কর্তব্য। বর্তমানে এই দপ্তরে তালিকাভুক্ত ব্যবসায়ী আছে ১১৩০ জন।বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক দপ্তর অন্যান্য সকল বিভাগের মেরামত রক্ষণাবেক্ষণ, সিগনালিং, পি-ওয়ে সামগ্রী ও দৈনন্দিন কাজের জন্য সকল পণ্য যেমন কাঁচামাল, যন্ত্রাংশ ক¤েপানেন্ট, টিকেট, ফরমস ও স্টেশনারী, আইটি ইকুইপমেন্ট, লুব অয়েল ও অন্যান্য সরঞ্জামাদি ক্রয়/সংগ্রহ এবং সংগৃহীত মালামাল যথাযথ ও কার্যকরভাবে মজুদকরণ, বিতরণ এবং ব্যবহার ব্যবস্থাপনার সার্বিক তত্ত্বাবধানে নিয়োজিত রয়েছে। রেলওয়ে সমুদয় মালামাল সরঞ্জাম বিভাগের প্রধান ইউনিট প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক পাহাড়তলী। প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক পাহাড়তলী দপ্তর হতে লোকোমোটিভের সকল দেশী ও বিদেশী যন্ত্রাংশ, বিভিন্ন ধরণের বিয়ারিং, ক্যারেজ এন্ড ওয়াগনের যন্ত্রাংশ এবং অন্যান্য বিশেষায়িত পণ্য ক্রয়/সংগ্রহ করা হয়ে থাকে। এছাড়া বৈদেশিক উৎস হতে সংগৃহীতব্য বিভিন্ন ধরণের ক্যাপিটাল এসেট, কৌশলগত ক্রয় সংক্রান্ত কাজ দক্ষতার সাথে স¤পাদন করে আসছে। অন্যদিকে সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক পূর্ব ও পশ্চিম স্থানীয় বাজার ও স্থানীয় কারখানায় প্রস্তুতকৃত প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ এবং বিভিন্ন বিভাগের পরিচালন কাজে যথা অফিসে ব্যবহার্য সামগ্রী, প্রয়োজনীয় ব্যবহার্য সামগ্রী ক্রয়/সংগ্রহ নিশ্চিত করে।বর্তমানে প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক, পাহাড়তলী দপ্তরকে রেল পরিচালনার জন্য কাঙ্খিত মালামাল সংগ্রহের ক্ষেত্রে বাঁধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক, পাহাড়তলী দপ্তরে মালামাল ক্রয়/সংগ্রহের ক্ষেত্রে পিপিআর-২০০৬, পিপিআর-২০০৮ নতুন করে পিপিআর-২০২৫ এবং বিভিন্ন সময়ে কর্তৃপক্ষ কর্তৃক জারীকৃত বিভিন্ন আদেশ যথাযথভাবে অনুসরণ করে ক্রয় প্রক্রিয়া স¤পন্ন করা হয়। পিপিআর-২০২৫ অনুযায়ী যে কোন ক্রয় প্রক্রিয়ার শুরুতে বার্ষিক ক্রয় পরিকল্পনা (এপিপি) অনুমোদন করাতে হয়। যাহার ইনভেন্ট্রি সেকশন প্রধান সরঞ্জাম দপ্তরের নিয়ন্ত্রণাধীন।অতএব, আপনার নিকট আমাদের আরজি যে, আসাম বেঙ্গল রেলওয়ে তথা বর্তমান বাংলাদেশ রেলওয়ের শত বছরের ঐতিহ্যবাহী সিএিস দপ্তর সহ সরঞ্জাম বিভাগটি চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে বহাল রেখে পূর্বের ন্যায় মালামাল ক্রয় সংগ্রহের ব্যবস্থা করিয়া ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সংরক্ষণ বর্তমান বাংলাদেশ রেলওয়েকে আধুনিকায়ন করে মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিচক্ষণতা ও দক্ষতার মাধ্যমে আপনার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবেন বলে আমাদের প্রত্যাশা।

    ৮ দিন আগে
    রেলওয়ের সিসিএস দপ্তর ঢাকায় স্থানান্তরে সক্রিয় কুচক্রি মহল

    জব্বারের বলীখেলায় ‘বাঘা’ শরীফের হ্যাটট্রিক, কিশোরের বাজিমাত

    বৈশাখের ভর দুপুর। মাথার ওপর সূর্য যেন অগ্নিবর্ষণ করছে। কিন্তু চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদীঘি ময়দানের উত্তাপ ছাপিয়ে গেছে সেই অগ্নিবর্ষণ। মানুষের উন্মাদনার কাছে হার মেনেছে বৈশাখের সেই তপ্ত দুপুর।শনিবার (২৫ এপৃল) বেলা শেষে এল শান্তির বার্তা। এবারের ১১৭ তম বলীখেলায় চ্যাম্পিয়ন মো. শরীফ। যিনি সবার কাছে ‘বাঘা’ শরীফ নামে পরিচিত। আর তাতে তার হয়ে যায় হ্যাটট্রিক। খেলায় রানারআপ মো. রাশেদ।সূত্রমতে, এবারের বলীখেলায় অংশ নিয়েছিলেন ১০৮ জন বলী। নবীন থেকে প্রবীণ সবার লক্ষ্য ছিল একটাই, লালদীঘির শ্রেষ্ঠত্ব। কিন্তু শেষ পর্যন্ত লড়াইটি গিয়ে ঠেকে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী গতবারের চ্যাম্পিয়ন মো. শরীফ ও মো. রাশেদের মধ্যে।ফাইনালে রিংয়ের চারপাশ তখন কানায় কানায় পূর্ণ। ঢোলের বাদ্য আর দর্শকদের গগনবিদারী চিৎকারে মেতে উঠেছে পুরো এলাকা। লড়াই শুরু হতেই দেখা গেল কৌশল আর শক্তির অপূর্ব সমন্বয়। কখনো রাশেদ আক্রমণ করছেন, তো কখনো শরীফ তা দুর্দান্ত দক্ষতায় সামলে নিচ্ছেন। এভাবে চলল টানা ২৫ মিনিট। শেষ মুহূর্তে হুট করেই নিজের কৌশল বদলে ফেললেন শরীফ। রাশেদকে ভারসাম্যহীন করে এক নিপুণ প্যাঁচে মাটিতে ফেলে দিতেই রেফারির বাঁশি বেজে উঠল। বাঘা শরীফ টানা তৃতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়ে নিজের আধিপত্য আরও সুদৃঢ় করলেন। অরণ্য তৌফিকএর আগে খেলায় বাজিমাত করেছেন ঢাকা হরাইজন ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থী অরণ্য তৌফিক। ১৬ বছর বয়সী এই কিশোর হারিয়ে দিয়েছেন তার চেয়ে ১২ বছর বেশি বয়সের মোহাম্মদ মানিককে।শনিবার ঢাকা থেকে লালদীঘির মাঠে এসে পৌঁছান তৌফিক। সঙ্গে এসেছেন তার কোচ সামির। তৌফিক কুস্তি ও রেসলিং পছন্দ করেন ছোটবেলা থেকেই। ঢাকায় মাঝেমধ্যে খেলেন। এবার শখের বশে জব্বারের বলীখেলায় আসলেন প্রথমবার।তৌফিক ও হালিশহরের মানিকের দ্বৈরথটি এক মিনিটের বেশি স্থায়ী হয়। রিং থেকে নামার মুখেই তিনি জড়িয়ে ধরেন কোচ সামিরকে।তৌফিক বলছিলেন, ‘আমার চেয়ে অনেক স্থুলকার বড় একজনের সঙ্গে খেলেছি। সাহস করে নেমেছি। প্রথমে একটু ঘাবড়ে গেলেও সাহস হারাইনি। শেষপর্যন্ত জিতে গেছি। ভালো লাগছে।’ঢাকার মগবাজার এলাকার বাসিন্দা তৌফিক। বাবা তৌফিকুল আলম বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বড় কর্মকর্তা। মা রোকসানা চিকিৎসক। এক ভাই এক বোনের মধ্যে তৌফিক বড়।তৌফিক জানান, তার বাবা মা তাকে খেলার বিষয়ে উৎসাহ দেন। টিভিতে নিয়মিত রেসলিং দেখেন তিনি। ভবিষ্যতে একজন বড় কুস্তিগির হওয়ার স্বপ্ন দেখেন।তৌফিক এবার জব্বারের বলীখেলার সবচেয়ে কনিষ্ঠ প্রতিযোগী। জেতার পর দারুণ উচ্ছ্বসিত। ‘আগে অনেক শুনেছি এ বলীখেলার কথা। এখন সামনাসামনি দেখলাম।’শতবর্ষী আবদুল জব্বার বলীখেলা এবার ১১৭ বছরে পা দিল। এবার শতাধিক বলী অংশ নেন। ১৯০৯ সালে বদরপাতির বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আবদুল জব্বার সওদাগর এই বলীখেলার প্রচলন করেন। তখন উদ্দেশ্য ছিল নিছক বিনোদন নয়, বরং ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে চট্টগ্রামের তরুণদের শারীরিকভাবে শক্তিশালী ও সাহসী করে গড়ে তোলা। ১১৪ বছর ধরে প্রতিবছর ১২ বৈশাখ এই আয়োজন চট্টগ্রামের মানুষের আবেগের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। লালদীঘি ঘিরে আয়োজিত কয়েক কিলোমিটারের এই বৈশাখী মেলায় কেউ গামছা বেঁধে, কেউ ছাতা হাতে, আবার কেউ গাছের ছায়ায় ঠাঁই নিয়ে চাতক পাখির মতো বেলা দেখেছেন।

    ৮ দিন আগে
    জব্বারের বলীখেলায় ‘বাঘা’ শরীফের হ্যাটট্রিক, কিশোরের বাজিমাত

    দাম বাড়তেই উধাও জ্বালানি তেলের সংকট

    জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর হঠাৎ বদলে গেছে চট্টগ্রাম মহানগরীর তেলের পাম্পগুলোর দৃশ্যপট। গেলেই মিলছে সোনার হরিণ অকটেন-পেট্রোল। গত দেড় মাসের মতো পা¤পগুলোতে এখন নেই যানবাহনের দীর্ঘ লাইন। প্রায় ফাঁকা পাম্পগুলো।শুক্রবার (২৪ এপৃল) সকাল থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম মহানগরীর ষোলশহর, নতুন ব্রিজ, পাঁচলাইশ, অক্সিজেন, ওয়াসা মোড়, লালদীঘি ও গণি বেকারি সংলগ্ন একাধিক ফিলিং স্টেশন ঘুরে এমন পরিস্থিতি দেখা গেছে। পা¤প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পাম্পগুলোতে বর্তমানে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক। বিশেষ করে অকটেন সরবরাহ বাড়ানো এবং সীমাবদ্ধতা তুলে দেওয়ার কারণে বাজারে চাপ অনেকটাই কমে গেছে। আগে যেখানে নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি তেল দেওয়া হতো না, এখন চালকরা ইচ্ছেমতো তেল নিতে পারছেন। এতে ভোগান্তি ছাড়াই দ্রুত সেবা পাচ্ছেন তারা।গ্রাহকদের অভিযোগ, তেলের দাম বাড়াতেই এতদিন জ্বালানি তেলের সংকট তৈরি করা হয়েছিল। যেভাবে এখন সিএনজি রিফুয়েলিং স্টেশনগুলোতে সংকট তৈরী করা হয়েছে। তেলের পাম্পের ভিড় এখন গ্যাস রি-ফুয়েলিং স্টেশনে শুরু হয়েছে।আহসান উল্লাহ নামে এক সিএনজি চালক জানান, তারা নগরীর যে কোন স্টেশনে গ্যাসের জন্য গেলে মাইলেরও অধিক ভিড় দেখছেন। রি-ফুয়েলিং স্টেশনের মালিক ও কর্মচারীরা বলছে, গ্যাস সংকটের কারণে চাপ কম, তাই রিফুয়েলিং করতে সময় লাগছে। এতে গ্যাস চালিত যানবাহনগুলোর ভিড় বাড়ছে। নগরীর টাইগার পাস মোড়ের ইন্ট্রাকো সিএনজি রি-ফুয়েলিং স্টেশনে গ্যাস রি-ফুয়েলিং করতে আসা প্রাইভেটকার চালক রেজাউল করিম বলেন, শুক্রবার সকাল ৯ টায় গ্যাস নিতে এসে লাইনে দাড়িয়েছি। এখন দুপুর দেড়টা বাজে। এখনো পর্যন্ত গ্যাস নিতে পারিনি। সামনে যে লাইন আছে তাতে মনে হচ্ছে আরও এক ঘন্টা সময় লাগবে। এভাবে নগরীর প্রতিটি গ্যাস রি-ফুয়েলিং স্টেশনে ভিড় জমে আছে বলে জানান গ্যাস নিতে আসা চালকরা। অন্যদিকে স্বস্তির নিংশ্বাস ফেলছেন তেলের পাম্পগুলোর কর্মচারী ও তেল নিতে আসা যানবাহন চালকরা। তারা বলছেন, আগে যেখানে প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল ও অন্যান্য যানবাহনের দীর্ঘ সারি থাকতো এখন সেখানে স্বাভাবিক সময়ের মতোই অল্প কিছু গাড়ি থাকছে। কোন কোন পা¤েপ কর্মরতরা অলস সময় কাটাচ্ছে। নগরীর গণি বেকারি সংলগ্ন কিউ সি ট্রেডিংয়ে অকটেন নিতে আসা মোটরসাইকেল চালক রহিম উল্লাহ বলেন, আমি মোটরসাইকেলে রাইড শেয়ার করি। এ কয়েকদিন সীমাহীন কষ্ট করতে হয়েছে। এক ঘণ্টা, কোন সময় দুই ঘণ্টার বেশি সময় ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে হয়েছে। হঠাৎ দেখি তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। এরপরই দেখি পা¤েপর চিত্র পাল্টে গেছে। তেল নেওয়ার কোনো লিমিটেশন নেই। ফুল ট্যাংক লোড করে নিতে পারছি। চট্টগ্রাম মহানগরীর গাড়ির বেশি চাপ থাকা পা¤েপর একটি দামপাড়া এলাকার মেসার্স সিএমপি ফিলিং স্টেশন। দেড় মাস ধরে রাতদিন লাইন থাকতো পা¤পটিতে। মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে উল্টো চিত্র মিলেছে। শুক্রবার সকালে পা¤পটিতে গাড়ির কোনো লাইন ছিল না।একই চিত্র দেখা গেছে নগরীর নাছিরাবাদ ও কাতালগঞ্জ এলাকার পা¤পগুলোতেও। আগে যেখানে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত লম্বা লাইন থাকতো, সেখানে এখন স্বাভাবিক বিক্রি হচ্ছে। কিছু পা¤েপ একসময় দুই কিলোমিটার পর্যন্ত গাড়ির লাইন থাকলেও বর্তমানে সেই দৃশ্য একেবারেই অনুপস্থিত।পা¤প মালিকদের ভাষ্য, ডিপো থেকে জ্বালানি সরবরাহ বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে অকটেনের ক্ষেত্রে সরবরাহ উন্মুক্ত করে দেওয়ায় বাজারে স্থিতিশীলতা এসেছে। এতে একদিকে যেমন গাড়ির চাপ কমেছে, অন্যদিকে মানুষের মধ্যে থাকা আতঙ্কও অনেকটাই দূর হয়েছে।কিউ সি পা¤েপর কর্মচারী মো. আলমগীর বলেন, তেলের দাম বাড়ানোর পর বুধবার একটু চাপ ছিল। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে চাপ একদম কমে গেছে। অনেকে আগে অকটেন-পেট্রোল মজুত করেছিল, দাম বাড়ানোর পর এখন সেগুলো ব্যবহার করছে। এজন্য পা¤েপ চাপ কমে গেছে।তিনি বলেন, দুইদিন আগেও সবাই ট্যাংকি ভরে অকটেন নিতে চাইতো। এখন নিচ্ছে তিনশ থেকে পাঁচশ টাকার মতো। এখন কেউ আর অতিরিক্ত তেল কিনছেন না। আতঙ্ক প্রায় কেটে গেছে। জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দাম বৃদ্ধির আগে বাজারে এক ধরনের কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছিল। অনেকেই ধারণা করেছিলেন, সামনে তেলের দাম বাড়বে কিংবা সরবরাহ কমে যাবে। সেই আশঙ্কা থেকে স্বাভাবিক চাহিদার চেয়ে বেশি তেল কিনে মজুত করা হয়েছিল। কিন্তু দাম সমন্বয়ের পর এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার ফলে সেই মজুত তেল এখন বাজারে ব্যবহার হচ্ছে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, সরবরাহ সীমাবদ্ধ না রেখে উন্মুক্ত করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল। এতে পা¤পগুলোতে অস্বাভাবিক ভিড় কমেছে এবং সার্বিক বাজার পরিস্থিতি স্থিতিশীল হয়েছে। মানুষের মধ্যে যে 'প্যানিক' তৈরি হয়েছিল, সেটিও কেটে গেছে।সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, অকটেন ও পেট্রোলের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও ডিজেলের ক্ষেত্রে এখনো কিছুটা ঘাটতি রয়েছে। বিশেষ করে কৃষি ও পরিবহন খাতে ডিজেলের চাহিদা বেশি থাকায় এই সংকট পুরোপুরি কাটেনি। তবে সংকট কাটাতে সরকার বিভিন্ন দেশ থেকে ডিজেল আমদানির চেষ্টা করছে। প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল ও আমেরিকার যুদ্ধ শুরুর পর হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিজেল ও অপরিশোধিত ক্রুড অয়েলবাহী জাহাজ দেশে আসতে পারেনি। তবে অকটেন ও পেট্টোল দেশে তৈরী হত। এরপরও যুদ্ধ শুরুর পর থেকে চট্টগ্রামসহ সারাদেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ সংকট দেখা দেয়ার কথা বলেন ডিলার ও পাম্প মালিকরা। ফলে আতঙ্কিত হয়ে জ্বালানি তেল নির্ভর যানবাহনের চালক ও মালিকরা অকটেন ও পে্েট্রালের জন্য দেশের সবগুলো পেট্রোল পাম্পে ভিড় জমাতে শুরু করে। যা একপর্যায়ে দীর্ঘ হতে থাকে। এ সময় সরকার ও বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) দেশে অকটেন ও পেট্রোলের কোন সংকট নেই বলে দাবি করেন। তবে ডিপো ও পাম্প মালিকরা তেল মজুত করছে বলে স্বীকার করেন বিপিসির দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা। যা সত্যে পরিণত হল সরকার জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির পর। তেলের মূল্য বাড়ার ঘোষণার পরপরই উধাও হয়ে গেল সরবরাহ সংকট।

    ১০ দিন আগে
    দাম বাড়তেই উধাও জ্বালানি তেলের সংকট

    চসিকের সাবেক মেয়র রেজাউল করিমের অনিয়ম তদন্তে দুদক

    চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) সাবেক মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরীর অনিয়ম তদন্তে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২-এর সহকারী পরিচালক সম্প্রতি মো. রাজু আহমেদ এ বিষয়ে চিঠি দেন বর্তমান মেয়র শাহাদাত হোসেনকে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সাবেক মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরীর আমলে শ্রমিক, কর আদায়কারী, অফিস সহায়ক, সড়ক তদারককারী, সুপারভাইজার ও সড়ক পরিদর্শকসহ বিভিন্ন পদে বিপুল জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়। বিশেষ করে তার মেয়াদের শেষ দুই বছরে অন্তত ১৮৮ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, যা এখন আলোচনার কেন্দ্রে। এ পরিপ্রেক্ষিতে দুদক এসব নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি, আবেদনপত্র, নিয়োগ পরীক্ষার রেকর্ড এবং নিয়োগপত্রসহ সব ধরনের গুরুত্বপূর্ণ নথি চেয়েছে।অভিযোগ রয়েছে, রেজাউল করিম চৌধুরীর আমলে ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের জন্য পরীক্ষা ছাড়াই চাকরির ব্যবস্থা করেছেন এবং পরে তাদের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে পদায়ন করা হয়। শ্রমিক হিসেবে নিয়োগ দিয়েই একলাফে উচ্চ গ্রেডের পদে পদায়ন করা হয়েছে অন্তত ৬৪ জনকে, যা নিয়ে উঠেছে গুরুতর প্রশ্ন। চসিকের জনবল কাঠামো অনুযায়ী, শ্রমিক পদ ২০তম গ্রেডের হলেও, সেখান থেকে সরাসরি ১০ম গ্রেডের উপসহকারী প্রকৌশলী, ১৬তম গ্রেডের কর আদায়কারী বা অনুমতিপত্র পরিদর্শক পদে পদায়ন করা হয়েছে।এছাড়া রেজাউল করিম চৌধুরীর আমলে প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকার একটি বড় প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালককে মারধরের ঘটনাও ঘটে, যা তখন বেশ আলোচিত হয়। কাজের ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে বিরোধের জেরে ২০২৩ সালের ২৯ জানুয়ারি প্রকৌশলী মো. গোলাম ইয়াজদানী ঠিকাদারদের হামলার শিকার হন।সাবেক মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরীর মেয়াদকালে নগরের চারটি ওয়ার্ডে বাসাবাড়ি ও দোকান-অফিস থেকে সরাসরি বর্জ্য সংগ্রহ (ডোর-টু-ডোর) কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তিনটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি করে সিটি করপোরেশন। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—মেসার্স পাওয়ার সোর্স, ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রাইভেট সার্ভিস ও চান্দগাঁও ক্লিনার্স সার্ভিস। এসব প্রতিষ্ঠান তৎকালীন মেয়র ও এক ওয়ার্ড কাউন্সিলরের ঘনিষ্ঠদের মালিকানাধীন ছিল বলেও বিতর্ক তৈরি হয়। এ ঘটনায় সাবেক মেয়রের ব্যক্তিগত নথি, তার দায়িত্বকালে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়োগ সংক্রান্ত কাগজপত্র, ২৫টি উন্নয়ন প্রকল্পে কার্যাদেশ প্রদানের দলিল এবং বর্জ্য সংগ্রহের চুক্তিপত্রসহ সব প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ তলব করেছে দুদক। সাত কর্মদিবসের মধ্যে এসব নথি জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সিটি কর্পোরেশনকে।চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বর্তমান মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেন, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও আইন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    ১০ দিন আগে
    চসিকের সাবেক মেয়র রেজাউল করিমের অনিয়ম তদন্তে দুদক

    জামায়াতের মেয়র প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালী, অপেক্ষায় বিএনপি

    ১২ দিন আগে
    জামায়াতের মেয়র প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালী, অপেক্ষায় বিএনপি

    চট্টগ্রামে ছাত্রদল-ছাত্র শিবিরের দফায় দফায় সংঘর্ষ

    ১২ দিন আগে
    চট্টগ্রামে ছাত্রদল-ছাত্র শিবিরের দফায় দফায় সংঘর্ষ
    বিজ্ঞাপন — 300 × 250

    এই সপ্তাহের পাঠকপ্রিয়

    জরিমানা দিয়েও ভেজাল পণ্য খাওয়াচ্ছে ‘ওয়েল ফুড’

    জরিমানা দিয়েও ভেজাল পণ্য খাওয়াচ্ছে ‘ওয়েল ফুড’

    মে দিবসেও থামেনি পিইএচপির কাচ কারখানা

    মে দিবসেও থামেনি পিইএচপির কাচ কারখানা

    নতুন তফসিলে সরাসরি নির্বাচনের নির্দেশনা

    নতুন তফসিলে সরাসরি নির্বাচনের নির্দেশনা

    পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের আরো কাছে বাংলাদেশ

    পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের আরো কাছে বাংলাদেশ

    নিউজিল্যান্ডের বড় রান তাড়া করে বাংলাদেশের রেকর্ড জয়

    নিউজিল্যান্ডের বড় রান তাড়া করে বাংলাদেশের রেকর্ড জয়

    নাহার এগ্রোর পাহাড় কাটা থামালেন ইউএনও

    নাহার এগ্রোর পাহাড় কাটা থামালেন ইউএনও

    নিচেই লুকিয়ে আছে জীবনের সব নিরব রহস্য

    নিচেই লুকিয়ে আছে জীবনের সব নিরব রহস্য

    চালুর আগেই জংয়ে গিলছে আখাউড়া-আগরতলা ডুয়েলগেজ রেলপথ!

    চালুর আগেই জংয়ে গিলছে আখাউড়া-আগরতলা ডুয়েলগেজ রেলপথ!

    হালদায় নমুনা ডিম ছেড়েছে মা-মাছ

    হালদায় নমুনা ডিম ছেড়েছে মা-মাছ

    বুকসমান পানিতে ডুবলো চট্টগ্রাম

    বুকসমান পানিতে ডুবলো চট্টগ্রাম

    বিজ্ঞাপন — ৩০০ × ২৫০
    বিজ্ঞাপন — ৩০০ × ২৫০
    বিজ্ঞাপন — 970 × 90