বুধবার- ৪ মার্চ, ২০২৬

চসিকের সাবেক কাউন্সিলর সুমন ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের দুই মামলা

চসিকের সাবেক কাউন্সিলর সুমন ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের দুই মামলা

জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বিপুল পরিমাণ স¤পদ অর্জন ও স¤পদ বিবরণীতে তথ্য গোপনের অভিযোগে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) দক্ষিণ হালিশহর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর জিয়াউল হক সুমন এবং তাঁর স্ত্রী শাহানাজ আকতারের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহ¯পতিবার (১ জানুয়ারি) দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ মামলা দুটি দায়ের করেন প্রতিষ্ঠানটির একই কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক আপেল মাহমুদ বিপ্লব।

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এর উপ-পরিচালক সুবেল আহমেদ। তিনি বলেন, কমিশনের প্রধান কার্যালয় থেকে ২২ ডিসেম্বর মামলা রুজুর অনুমোদন দেওয়া হয়। মামলা দুটির তদন্ত চলাকালে অন্য কোনো ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে সেটিও আমলে নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন :  ইরানের হামলায় বহু মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত!

দুদকের এজাহার সূত্রে জানা যায়, সাবেক কাউন্সিলর জিয়াউল হক সুমনের বিরুদ্ধে দায়ের করা প্রথম মামলায় অভিযোগ আনা হয়েছে-তিনি দুর্নীতি দমন কমিশনে দাখিল করা স¤পদ বিবরণীতে ৮৬ লাখ ৯০ হাজার ২৩৭ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর স¤পদের তথ্য গোপন করেছেন।

একইসঙ্গে তাঁর নামে মোট ১৬ কোটি ৫১ লাখ ১০ হাজার ৩৫২ টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ স¤পদ অর্জন ও ভোগদখলে রাখার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

দুদকের অনুসন্ধানে দেখা যায়, ২০১৩-১৪ থেকে ২০২১-২২ করবর্ষ পর্যন্ত সময়ে জিয়াউল হক সুমনের গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া গেছে মাত্র ১ কোটি ২৬ লাখ ৪৬ হাজার ১৪ টাকা। অথচ ওই সময়ে তাঁর মোট অর্জিত স¤পদ ও ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১৭ কোটি ৭৭ লাখ টাকার বেশি।

আরও পড়ুন :  এলজিইডির চট্টগ্রাম কার্যালয়ে দুদকের হানা

ফলে তাঁর আয়ের উৎসের সঙ্গে বড় ধরনের অসংগতি পাওয়া যায়। এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় মামলা করা হয়েছে।

অন্যদিকে দ্বিতীয় মামলায় জিয়াউল হক সুমনের স্ত্রী শাহানাজ আকতারের বিরুদ্ধে ২ কোটি ২ লাখ ২৬ হাজার ২৬৯ টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ স¤পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

আরও পড়ুন :  ইরানের হামলায় বহু মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত!

দুদকের অনুসন্ধানে দেখা যায়, তাঁর অর্জিত স¤পদ ও ব্যয়ের বিপরীতে গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া গেছে মাত্র ৬৬ লাখ ৫২ হাজার টাকা। এ ঘটনায় শাহানাজ আকতার ও জিয়াউল হক সুমনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা এবং দন্ডবিধির ১০৯ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধান অনুযায়ী, শাহানাজ আকতার দাখিল করা স¤পদ বিবরণীতে প্রদর্শিত আয়ের তুলনায় তার প্রকৃত স¤পদ ও ব্যয়ের পরিমাণ অনেক বেশি। যাচাইয়ে দেখা যায়, তার নামে অর্জিত স¤পদের বিপরীতে গ্রহণযোগ্য আয়ের ঘাটতি রয়েছে প্রায় ২ কোটি টাকার বেশি।

ঈশান/মখ/মম

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page