
কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম পাহাড়তলীর প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক (সিসিএস) দপ্তরের কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলামকে ঢাকায় বদলির তিনদিন পর ‘ওএসডি’ করা হয়েছে। তাকে মহাপরিচালকের (ডিজি) দপ্তরে সংযুক্তির আদেশ দেওয়া হয়।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের পাহাড়তলী সিসিএস দপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানায়, কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগে তাকে ওএসডি করা হয়। এর আগে তাকে সিসিএস দপ্তর থেকে ঢাকার ডিজেল শপে বদলি করা হয়।গত ৭ জানুয়ারি সেই দপ্তরাদেশ পুনরায় সংশোধন করা হয়।
উপ-পরিচালক পলাশ কুমার সাহা (পার্সোনেল-১) স্বাক্ষরিত ওই আদেশে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে মহাপরিচালকের কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়। এর আগে ৪ জানুয়ারি এক বদলির আদেশে সিনিয়র সহকারী সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক হিসেবে ঢাকার ডিজেল শাখায় বদলি করা হয়।
রেলওয়ের বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, কমিশন বাণিজ্য নিয়ে চট্টগ্রাম পোস্ট লোগো সম্বলিত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়। বিষয়টি উপদেষ্টার নজরে পড়লে প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক মো. বেলাল হোসেন সরকার ও পরিচালক আফজাল হোসেন তাকে ডেকে ভর্ৎসনা করেন। এ ঘটনায় ৪ জানুয়ারি শরিফুল ইসলামকে বদলি করা হয়।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে বলতে শুনা যায়, টেন্ডার পাইয়ে দেওয়ার জন্য শরিফুল ইসলাম প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক মো. বেলাল হোসেন সরকারের জন্য ৫ শতাংশ থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত কমিশন লাগবে বলে দাবি করেন। কমিশন না দিলে টেন্ডার ও বিল আটকে রাখার কথাও তিনি একাধিকবার জোর দিয়ে বলেন। এসব ঘটনায় রেলওয়ের কার্যালয়ে কর্মরত ঠিকাদারদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এর পরপরই তাকে ঢাকায় বদলি করা হয়।
সূত্র জানায়, সিসিএস দপ্তরের প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক মো. বেলাল হোসেন সরকার রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের সিআরবি প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক পদে কর্মকালীন সময়ে ক্রয়কাণ্ডে দুদকের মামলায় অভিযুক্ত হন। এজন্য তার ১ বছরের ইনক্রিমেন্ট স্থগিত করা হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক মো. বেলাল হোসেন সরকার কোন রকম মন্তব্য করতে রাজী হননি। এমনকি শরিফুল ইসলামকে ভর্ৎসনার বিষয়েও তিনি ‘নো কমেন্ট’ বলে জানান।











































