মঙ্গলবার- ২৪ মার্চ, ২০২৬

প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে চাঁদে যাচ্ছেন রুতবা ইয়াসমিন

প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে চাঁদে যাচ্ছেন রুতবা ইয়াসমিন
print news

প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে চাঁদে যাচ্ছেন রুতবা ইয়াসমিন। তিনি ঢাকার স্কলাস্টিকা স্কুল থেকে ম্যাসাচুসেটসের মাউন্ট হোলিওক কলেজে যান। ২০১৪ সালে তিনি সেখানে পদার্থবিজ্ঞানে ডিগ্রি এবং গণিতে মাইনর শেষ করেন। পরবর্তীতে কোভিডের সময় বাংলাদেশে ফিরে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে ডেটা সায়েন্সে উচ্চতর ডিগ্রি এবং ২০২৪ সালে ইউনিভার্সিটি অব সাউথ আলাবামা থেকে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন।

স্পেস নেশন জানায়, তাদের মিশনে অংশ নেওয়া অধিকাংশ সদস্যই নারী এবং রুতবা তাদের একজন। ‘স্পেস নেশন’-এর মুন পায়োনিয়ার মিশনের প্রশিক্ষণ সফলভাবে শেষ করে চাঁদে পা রাখার দৌড়ে সামনের সারিতে আছেন তিনি। রুতবার অনুপ্রেরণা ছিলেন মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামস। মহাকাশ আবহাওয়া নিয়ে রুতবার গবেষণা, বিশেষ করে ‘ভূচৌম্বকীয় ঝড়’ তাঁর আগ্রহকে আরো গভীর করে।

আরও পড়ুন :  যুদ্ধ পরিস্থিতিতেও তেলের দাম বাড়ানো হয়নি: অর্থমন্ত্রী

রুতবা মনে করেন, মহাকাশে নারীর অংশগ্রহণ এখনও সীমিত, তবে এটি পরিবর্তনের সময় এসেছে। তিনি বলেন, ‘মহাকাশ শিল্পে মাত্র ১১ শতাংশ মহাকাশচারী নারী। এ চিত্র বদলানো জরুরি। রুতবার মতে, এই মিশন দলগত কাজ, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা ও চাপের মধ্যে সমস্যা সমাধানের দারুণ এক পরীক্ষা।

তিনি বলেন, ‘আমাদের সাফল্য ছিল প্রস্তুতি, সমন্বয় ও নেতৃত্বের ফল।’ তাঁর দল, ‘ম্যাগ৭’ এই মিশন সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। ‘মুন পায়োনিয়ার মিশনে’ তাঁর প্রশিক্ষণ ছিল বেশ চ্যালেঞ্জিং। স্পেসস্যুট পরা, ইভিএ বা মহাকাশের বাইরে কাজ এবং মিশন কন্ট্রোলে যোগাযোগ রক্ষা করার কৌশল শেখা ছিল মূল বিষয়। সিমুলেশনে একটি বিপজ্জনক ত্রুটির সময়, রুতবা জরুরি ইভিএ করে পরিস্থিতি সামাল দেন। পরে তিনি মিশন কন্ট্রোলের ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে দলের সদস্যদের আইএসআরইউ (স্থানীয় সম্পদের ব্যবহার) মডিউলের দিক নির্দেশনা দেন।

আরও পড়ুন :  এপৃলে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা, আচরণবিধি ও নির্দেশনা প্রকাশ

মানসিক সুস্থতা ও শারীরিক প্রস্তুতিও তাঁর জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল। মহাকাশে সুস্থ থাকতে ভালো ঘুম, পুষ্টিকর খাবার, এবং পরিচ্ছন্নতার বিকল্প ব্যবস্থার সঙ্গে মানিয়ে নিতে হয়। রুতবা ভবিষ্যতে চাঁদের ওপর গবেষণা, নমুনা সংগ্রহ এবং আর্টেমিস মিশনের মতো বড় প্রকল্পে কাজ করতে চান। তাঁর লক্ষ্য, শুধু চাঁদে পা রাখা নয়, ইতিহাস গড়ে নারীদের সামনে পথ খুলে দেওয়া। তিনি বলেন, ‘আমি মহাকাশ অনুসন্ধানে ঐতিহাসিক অবদান রাখতে চাই।’

আরও পড়ুন :  কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষে মামলা, গেটম্যান ২ আসামির প্রশিক্ষণ ছিল না

ঈশান/খম/সুম

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page