মঙ্গলবার- ২৪ মার্চ, ২০২৬

ফুলকলির বর্জ্যে বিপর্যস্ত চট্টগ্রামের খাল-নদি, কৃষি ও জনস্বাস্থ্য

কর্তৃপক্ষের দম্ভ-কেউ কিছুই করতে পারবে না, তোয়াক্কা করছে না পরিবেশ অধিদপ্তরকেও

ফুলকলির বর্জ্যে বিপর্যস্ত চট্টগ্রামের খাল-নদি, কৃষি ও জনস্বাস্থ্য
print news

ভোগ্যপণ্য কারখানা ফুলকলির বর্জ্যে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার সার্জেন্ট মহিম আলম খাল ও কর্ণফুলী নদির বিস্তীর্ণ এলাকা। বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে বিলের ফসল উৎপাদন ও জনস্বাস্থ্য। এ নিয়ে স্থানীয় জনবসতিতে দুর্যোগ চললেও কোন মাথাব্যাথা নেই ফুলকলি কর্তৃপক্ষের।

জনগণ থেকে জনপ্রতিনিধি, এমনকি পরিবেশ অধিদপ্তরকেও তোয়াক্কা করছে না ফ্যাসিবাদের দোসর মুনাফাখোর এই ফুলকলির মালিকপক্ষ। ভুক্তভোগী স্থানীয় জনসাধারণের অভিযোগের ভিত্তিতে গত ৬ এপৃল চট্টগ্রাম জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের একটি টিম বিপর্যস্ত খাল-নদি, কৃষি ও জনস্বাস্থ্যসহ কারখানা পরিদর্শনে গেলে ফুলকলির কারখানার ম্যানেজার জসিম উদ্দিন উল্টো হুমকি দিয়ে বলেন, খাল-নদি দুষিত হচ্ছে, তাতে আমাদের কি করার আছে? আমাদের তো ইটিপি আছে।

এ সময় উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীরা ইটিপির ধারণক্ষমতা সম্পর্কে জানতে চাইলে ম্যানেজার জসিম উদ্দিন পরিচয় জানতে চেয়ে বলেন, ইটিপি সম্পর্কে জেনে আপনারা কি করবেন। এখানে আপনাদের কাজ কি? যান যা খুশি করেন- এখন আমরা ক্ষমতায়। কিছুই করতে পারবেন না আমাদের।

গণমাধ্যমকর্মীরা জানান, ইটিপি থাকলেও মূলত এটি অচল। ইটিপি পরিচালনায় কোন টেকনিশিয়ান নেই। ইটিপি পরিচালনায় দুষিত পানি শোধনের জন্য যে রাসায়নিক ব্যবহার করতে হয়। তার খরচ বাচানোর জন্য ইটিপি বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে কারখানায় ভোগ্যপণ্য তৈরীর জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন অবৈধ রং ও ক্যামিকেল মিশ্রিত দূষিত পানি সরাসরি পাশ্ববর্তি মহিম আলম খালে গিয়ে পড়ছে।

জোয়ার-ভাটায় এই খালের পানি গিয়ে পড়ছে কর্ণফুলী নদিতে। ফলে মারাত্নকভাবে দূষিত হচ্ছে কর্ণফুলীর নদির পানিও। এতে কর্ণফুলী নদি থেকে নানা প্রজাতির মাছ ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে। আর মহিম আলম খালের প্রাকৃতিক মৎস্য সম্পদসহ সকল ধরণের জীববৈচিত্র ধ্বংস হয়ে গেছে অনেক আগেই। এতে শত শত জেলে পরিবার পেশা ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছে। এছাড়া খাল ও নদি তীরের বিস্তীর্ণ ফসলি জমির উৎপাদন মারাত্নকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। জনস্বাস্থ্য আক্রান্ত হচ্ছে বিভিন্ন জটিল রোগে।

সরেজমিনে দেখা যায়, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পাশ ঘেষে প্রবাহিত পটিয়া উপজেলার আমজুর হাট মোড় থেকে শুরু করে মনসা বাদামতল পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার বিস্তীর্ণ সার্জেন্ট মহি আলম খালের পানির উপর ভাসছে ফুলকলির বিষাক্ত বর্জ্য। যার দূর্গন্ধে আশপাশের মানুষ চলাচলে দায় হয়ে পড়েছে। এমনকি চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে গাড়ি চলাচলের সময় এ স্থানে নাক চেপে ধরে রাখতে হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, সার্জেন্ট মহিম খালের পানি দিয়ে পটিয়া উপজেলার উজিরপুর, নাইখাইন, গৈড়লা, লড়িহরা, দক্ষিণ হুলাইন, এয়াকুবন্ডী তিয়ারকুল, পৌর এলাকার উজিরপুর, উনাইনপুরা ও পৌরসভার আল্লাই এলাকার কৃষকরা ধানিজমিতে প্রতি মৌসুমে চাষাবাদ করেন। গত কয়েক বছর ধরে বিলের চাষাবাদে আর তেমন ফসল উৎপাদন হচ্ছে না। এতে হাজার হাজার কৃষক এখন অভাব-অনটনে পড়েছে।

আরও পড়ুন :  যুদ্ধের ২৩ দিনে চট্টগ্রাম বন্দরে খালাস ২৫ জ্বালানিবাহী জাহাজ

এমনকি কারখানার সামনে থাকা বহু বছরের পূরোনো শাহ আমানত নিটিং এ্যান্ড ডাইংয়ের শ্রমিক-কর্মচারি ও জঙ্গলখাইন কৃষি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দুর্বিসহ জীবন যাপন করছে। তাদের অনেকেই চর্মরোগ সহ নানারকম জটিল রোগে ভুগছে। অথচ স্কুল কর্তৃপক্ষও এ নিয়ে টু শব্দ করে না।

ফুলকলির বর্জ্যে বিপর্যস্ত চট্টগ্রামের খাল-নদি, কৃষি ও জনস্বাস্থ্য

অভিযোগ রয়েছে, ২০১৬ সালে এই কারখানা গড়ে তোলার পর স্কুল কর্তৃপক্ষ, মেম্বার-চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন স্তরের জনপ্রতিনিধি মানববন্ধনসহ নানা প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছিল। এমনকি জেলা ও উপজেলা প্রশাসন এবং পরিবেশ অধিদপ্তরে অভিযোগও করেছিল। কিন্তু বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের তৎকালীন বন ও পরিবেশমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ এবং পটিয়া আসনের সংসদ সদস্য হুইপ সামশুল আলমের প্রত্যক্ষ সহযোগীতায় কোন অভিযোগই কাজে আসেনি।

পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা থেকে শুরু করে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, এমনকি স্থানীয় মেম্বার-চেয়ারম্যানদের মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে মুখ বন্ধ করে রাখেন ফুলকলির মালিকপক্ষ। সংবাদপত্রে কোনরকম সংবাদ না লেখার জন্য পটিয়া উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকরাও এতে সামিল হন। এভাবে কারখানা স্থাপন করে বিষাক্ত বর্জ্য নিক্ষেপ শুরু হয় এই সার্জেন্ট মহিম আলম খালে।

তখন ভুক্তভোগী জনতা চট্টগ্রাম শহরে কর্মরত সাংবাদিক দিয়ে এ বিষয়ে সংবাদ প্রচার করা হলে পরিবেশ অধিদপ্তরের চাপে ইটিপি বসাতে বাধ্য হন। যা নামকাওয়াস্তে চালুর কথা বলে পরিবেশ অধিদপ্তরসহ স্থানীয় জনগণের সাথে প্রতারণা করে আসছেন।

এভাবে কয়েক বছরে মহিম আলম খাল ফুলকলির বর্জ্যরে ভাগাড়ে পরিণত হয়। এতে জনস্বাস্থ্য ও কৃষি উৎপাদন বিপর্যন্ত হয়ে পড়ে। কিন্তু ফুলকলির মালিকপক্ষের লালিত মন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ, এমপি সামশুল হক ও তাদের অনুসারি মেম্বার-চেয়ারম্যানের ভয়ে কেউ মুখ খোলার সাহস পর্যন্ত করেনি।

শুধু তাই নয়, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য বিধ্বংসী অবৈধ ব্যবসা পরিচালনার জন্য চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা আবদুস সবুরকে নগরীর রাহাত্তারপুল এলাকার ফুলকলির প্রধান কার্যালয়ে জিএম হিসেবে নিয়োগ দেন। যিনি চট্টগ্রামসহ দেশের কোথাও ফুলকলির শাখা খুলতে কেউ ধর্ণা দিলে তাকে ফ্যাসিস্ট মন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ ও হুইপ সামশুল হকের কাছে অনুমতির জন্য পাঠাতেন। এক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ অঙ্গসংগঠনের নেতা না হলে শাখা খোলার অনুমতি পর্যন্ত পেতেন না।

ফলে ক্ষুব্দ জনতা গত ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার রোয়াজারহাটে খোলা ফুলকলির শাখাসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। অন্যদিকে পটিয়া উপজেলার ভুক্তভোগী মানুষ ক্রমেই ক্ষিপ্ত হয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরে অভিযোগ করেন। যার ভিত্তিতে পরিবেশ অধিদপ্তরের একটি টিম গত ৬ এপৃল বিপর্যস্ত এলাকাসহ ফুলকলির কারখানা পরিদর্শন করেন।

আরও পড়ুন :  কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষে মামলা, গেটম্যান ২ আসামির প্রশিক্ষণ ছিল না

পরিদর্শনের সময় ফুলকলির কারখানার বর্জ্যে মহিম আলম খাল, কর্ণফুলী নদি, কৃষি ও জনস্বাস্থ্য মারাত্বক বিপর্যয়ের প্রমান পায় পরিব্শে অধিপ্তরের টিম। এ সময় তারা মহিম আলম খালে জমে থাকা বিষাক্ত বর্জ্য থেকে স্যাম্পল সংগ্রহ করেন। আর তাতে কারখানার ম্যানেজার জসিম ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন। আর রুপ পাল্টে বলেন, এখন আমরা ক্ষমতায়, কেউ কিছুই করতে পারবে না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পরিবেশ অধিদপ্তরের টিমের সদস্যরা বলেন, অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৬ এপৃল পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রশাসনের একটি টিম এই এলাকায় পরিদর্শন করেন। এ সময় খাল, ড্রেন ও কৃষি জমি বিভিন্ন জায়গা থেকে স্যা¤পল সংগ্রহ করা হয়। স্যা¤পল পরীক্ষার ফলাফল আসতে প্রায় ৭ কর্মদিবস লাগবে।

ফুলকলির বর্জ্যে বিপর্যস্ত চট্টগ্রামের খাল-নদি, কৃষি ও জনস্বাস্থ্য

টিমের সদস্যরা আরও বলেন, কারখানায় একটি বর্জ্য পরিশোধন প্ল্যান্ট থাকলেও এর কার্যক্রম মূলত বন্ধ। ইটিপি পরিচালনায় দক্ষ কোনো ইঞ্জিনিয়ার নেই। প্ল্যান্টে শুধুমাত্র প্রোডাকশন থেকে আসা পানি পরিশোধিত হয় যার ধারণক্ষমতা ১৫০০ লিটার। যা উৎপাদন ক্ষমতার চেয়ে অনেক ছোট। ফলে কারখানার ওয়েস্টেজ পানি কোনো পরিশোধন ছাড়াই সরাসরি খালে ফেলা হচ্ছে। অপরিশোধিত বর্জ্য ফেলার কারণেই দুর্গন্ধ এবং পরিবেশ দূষণ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মুহাম্মদ মঈনুদ্দিন ফয়সল বলেন, পরিদর্শনের সময় পরিদর্শক টিম কারখানার ইটিপি অচল থাকতে দেখেন। এ সময় ইটিপি চালু করতে বললে, ম্যানেজার জসিম চালু করতে জানে না বলে জানান। পরে এ বিষয়ে লিখিত নিয়ে এক দিনের মধ্যে মহিম আলম খালের বর্জ্য পরিস্কারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রামের পরিবেশ সংগঠন এ্যাডভিশন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ স¤পাদক ও পরিবেশ সংগঠক মাসুদ রানা বলেন, পটিয়া উপজেলার ফুলকলি কারখানার বিরুদ্ধে পরিবেশ বিধ্বংসী অনেক অভিযোগ রয়েছে। গত ২৪ মার্চ আমরা এই কারখানা পরিদর্শন করতে যাই। পরিদর্শনকালে আমরা অনেক কিছু দেখতে পাই, যা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। আমরা দাবি জানাচ্ছি, পরিবেশের স্বার্থে ফুলকলি কারখানার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। এখানে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া না হলে পরিবেশ হুমকির মুখে পরবে।

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে ফুলকলি ফুড প্রোডাক্টস এর পরিচালক আবছার উদ্দিন বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের টিম কারখানা পরিদর্শেনে গেছে এটা শুনেছি। কারা নাকি অভিযোগ করেছে সে কারণেই গেছে। এর বেশি কিছু আমি জানি না। ইটিপি ও দূষণ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এসব বিষয়ে আমার কিছুই জানা নেই। আপনি কারখানার ম্যানেজার জসিম সাহেবের সাথে কথা বলুন। তিনিই সব বলতে পারবেন।

আরও পড়ুন :  যুদ্ধ পরিস্থিতিতেও তেলের দাম বাড়ানো হয়নি: অর্থমন্ত্রী

জানতে চাইলে ফুলকলি ফুড প্রোডাক্টস এর ম্যানেজার জসিম উদ্দিন বলেন, আমাদের ইটিপি আছে। ইটিপি অচলও নয়। ইটিপিতে কারখানার বর্জ্য শোধন করে খালে ফেলা হয়। সমস্যা হচ্ছে-খালের উপর নির্মিত এলজিইডির একটি ব্রিজ নির্মাণের স্থলে একটি চক্র বাঁধ দিয়ে খালের পানি আটকে দিয়েছে। এতে কিছুটা দুর্গন্ধ হয়েছে। আর এই দুর্গন্ধ শুধু ফুলকলির কারখানার বর্জ্যে হয়নি। খালের পাশে বেকারিসহ আরও বিভিন্ন কারখানা রয়েছে। সবগুলোর বর্জ্যে পানি দূষণ হয়েছে।

বাঁধ দিয়ে খাল বন্ধ কারা করেছে জানতে চাইলে ম্যানেজার জসিম বলেন, এটা বললে তো ভাই সেখানে টিকে থাকাও যাবে না। যারা অভিযোগ করেছে, তারা কারখানার আশেপাশের কেউ না। অনেক দূরের গ্রামের। সরকার পরিবর্তনের পর তারা মাথাচড়া দিয়ে উঠেছে। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও একটি গ্রুপ সরকারের দোহাই দিয়ে কারখানা থেকে চাঁদা নিয়েছে। এখন এরাও চাচ্ছে। এ নিয়ে ভাই, কিছু লিখে আমাকে বিপদে ফেলবেন না ভাই। আবার এ নিয়ে নিউজটি না করার রিকোয়েস্টও করেন তিনি। আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কেউ কিছুই করতে পারবে না, কথাটি আমি বলেছি এক অর্থে। এটি বুঝানো হচ্ছে ভিন্ন অর্থে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফুলকলির ম্যানেজিং ডাইরেক্টর (এমডি) হাজী শাহ আলম বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের কথা মতে আমরা খালের বাঁধ কাটার ব্যবস্থা করেছি। খাল এখন পরিস্কার হয়ে গেছে। আর ইটিপি ছোট হয়েছে বলছে পরিবেশ অধিদপ্তর। আমরা সেটা বড় করার ব্যবস্থা নিচ্ছি। অতএব কারও কথায় আমরা ব্যবসা করব না। ফুলকলি হারাম টাকায় ব্যবসা করে না। খোঁজ নেন।

প্রশ্নের জবাবে এমডি হাজী শাহ আলম বলেন, ফুলকলির মালিক আমরা ১৪ জন। আমরা কেউ কোন রাজনীতির সাথে জড়িত নই। যখন যে সরকার থাকে, তখন সে সরকারের দল করি। সে সরকারের কথা শুনি। বর্তমানে অন্তবর্তি সরকার ক্ষমতায় আছে, সে সরকারের কথা মতো চলি আমরা। বিগত সরকারের সময় মন্ত্রী-এমপির কথায় শাখা খোলার বিষয়ে আমার কিছুই জানা নেই।

বিশেষ দ্রষ্টব্য : ফুলকলির পরিবেশ দূষণ ও ভেজাল পণ্য উৎপাদনসহ নানা অনিয়ম ও দূনীতি নিয়ে ১০ পর্বের ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করবে দৈনিক ঈশান। এক্ষেত্রে পাঠক ও ভুক্তভোগী মহল যে কোন তথ্য দিয়ে সহযোগীতা করতে পারেন। পরবর্তি প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে- ভেজাল পণ্য উৎপাদন নিয়ে। চোখ রাখুন দৈনিক ঈশানে)  

ঈশান/খম/বেবি

আরও পড়ুন

জনপ্রিয়

You cannot copy content of this page