Dainik Ishan
প্রকাশক: কামাল উদ্দিন
সম্পাদক: খ. ম. ইব্রাহিম
গোপনীয়তার নীতি|আমাদের সম্পর্কে|আর্কাইভ

যোগাযোগ

সম্পাদকীয় কার্যালয় : নুরভবন, শাহ আমানত সড়ক, চট্টগ্রাম।

ফোন : ০৯৬৯৭৫১০০২৪, ০১৫৩২৭৬৪৪০৪।

ইমেইল: dainikishan@gmail.com

প্রয়োজনীয় লিংক

  • Facebookফেসবুক পেজ
  • Xএক্স (টুইটার)
  • LinkedInলিংকডইন
  • @থ্রেডস
  • Messengerমেসেঞ্জার
  • WhatsAppহোয়াটসঅ্যাপ
  • Instagramইনস্টাগ্রাম
  • Telegramটেলিগ্রাম
  • YouTubeইউটিউব চ্যানেল
  • টিকটক

কিউআর কোড

QR Code
Copyright©DainikIshan`2023 । সতর্কতা-কপিরাইট অ্যাক্ট অনুসরণ করুন...
Developed by Dainik Ishan IT Team
বেচা-কেনা.com
ই-পেপার
প্রেস রিলিজ
ফেসবুক পেজসমূহ
  • Dainik Ishan | দৈনিক ঈশান
  • দৈনিক ঈশান | Dainik Ishan
  • Dainik Ishan | দৈনিক ঈশান
Dainik Ishan
XLinkedIn@MessengerWhatsAppInstagramTelegramYouTube
    বিজ্ঞাপন — 970 × 90

    আপনার এলাকার খবর

    স্বদেশ

    উত্তেজনার পর সমঝোতায় মেয়র ও এনসিপি

    উত্তেজনার পর সমঝোতায় মেয়র ও এনসিপি

    জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে, ২৮ মে ঈদুল আজহা

    জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে, ২৮ মে ঈদুল আজহা

    চট্টগ্রামে জুলাই গ্রাফিতি নিয়ে লঙ্কাকান্ড!

    চট্টগ্রামে জুলাই গ্রাফিতি নিয়ে লঙ্কাকান্ড!

    ডিসি হতে ৮ কোটি টাকায় চুক্তি!

    কুমিল্লার ডিসি হতে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে ৮ কোটি টাকা ঘুষ লেনদেনের একটি গোপন চুক্তি করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা এস এম সরওয়ার কামাল। এমন অভিযোগে এই কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।গত ১৩ মে নোটিশটি জারি করা হয় স্থানীয় সরকার বিভাগের সিটি করপোরেশন-২ শাখা থেকে। ১৬ মে শনিবার রাতে ফাঁস হয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মো. রবিউল ইসলাম স্বাক্ষরিত নোটিশটি। নোটিশে বলা হয়েছে, কুমিল্লার জেলা প্রশাসক পদে পদায়নের উদ্দেশ্যে এস এম সরওয়ার কামাল চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে ৮ কোটি টাকার একটি অঙ্গীকারনামা ও চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে প্রাথমিক তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেছে।নোটিশে আরও বলা হয়, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের দায়ে তার বিরুদ্ধে কেন বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা তিন কার্যদিবসের মধ্যে স্থানীয় সরকার সচিবের কাছে লিখিতভাবে জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।রবিবার (১৭ মে) সচিবালয়ে গিয়ে নোটিশের জবাব দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন এস এম সরওয়ার কামাল। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, ‘বিভাগীয় কমিশনার স্যারের সঙ্গে এভাবে কি চুক্তি করা যায়? কেউ হয়তো স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে অভিযোগ করে আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করেছে। একইভাবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন। বিস্ময় প্রকাশ করে তিনি বলেন, এটি ষড়যন্ত্র হতে পারে। এ ধরনের চুক্তির প্রশ্নই ওঠে না। এটা আবার হয় নাকি। উল্লেখ্য, এস এম সরওয়ার কামাল জনপ্রশাসনের উপসচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে তাকে প্রেষণে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে পদায়ন করা হয়। জেলা প্রশাসক পদের কর্মকর্তারাও একই পদমর্যাদার।

    ১ দিন আগে
    ডিসি হতে ৮ কোটি টাকায় চুক্তি!

    ওমান থেকে মঙ্গলবার আসছে চার ভাইয়ের লাশ, শোকে বিহ্বল রাঙ্গুনিয়া

    ওমানের আল মিলিদ্দা আল মোছানা‎ স্টেট অফ আল বাতিনাহ এলাকায় গাড়ির ভেতরে বিষাক্ত গ্যাস আক্রান্ত হয়ে নিহত রাঙ্গুনিয়ার চার ভাইয়ের লাশ মঙ্গলবার (১৯ মে) দেশে আসতে পারে। রবিবার (১৭ মে) এমন তথ্য জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সমিতি ওমানের সভাপতি মোহাম্মদ ইয়াসিন চৌধুরী। তিনি জানান, আগামী মঙ্গলবার বিকেলে একটি ফ্লাইটে একসঙ্গে চার ভাইয়ের মরদেহ দেশে পাঠানো হবে। বাংলাদেশ দূতাবাস, চট্টগ্রাম সমিতি ওমান এবং স্বজনেরা মিলে এই প্রক্রিয়া প্রায় স¤পন্ন করেছে।তিনি বলেন, এটি যেহেতু সড়ক দুর্ঘটনা নয়, তাই লাশ পাঠানোর ব্যয় ওমান সরকার নেবে না। সেই দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন স্বজন ও সমিতির নেতারা। লাশগুলো বর্তমানে ওমানের স্থানীয় হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। নিহত চার ভাই হলেন, চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার লালানগর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের বন্দাররাজা পাড়ার প্রয়াত মোহাম্মদ হাসানের ছেলে রাশেদুল ইসলাম, সাহেদুল ইসলাম, মো. সিরাজ ও মো. শহিদ। তাদের লাশ পাঠাতে পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করছে রয়্যাল ওমান পুলিশ।পুলিশ জানিয়েছে, মঙ্গলবারের মধ্যে রিপোর্ট পুলিশের হাতে আসতে পারে। রিপোর্ট পেলেই ভাইদের লাশ দেশে পাঠানো হবে। এনাম আরও জানান, বড় ভাই মো. রাশেদ (৩৫) বিবাহিত, তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। মো. শাহেদ (৩২) বিবাহিত, ছোট দুই ভাই মো. সিরাজ (২৭) ও মো. শহিদ (২৪) দেশে এসে বিয়ে করার কথা ছিল। এজন্য তারা কেনাকাটা করতে গিয়েছিলেন। ১৩ মে রাতের ফ্লাইটে তারা দেশে ফিরতেন।এনাম জানান, ঘটনার দিন রাত তখন আটটা পেরিয়ে গেছে। এ সময় এক ভাই কাঁপা হাতে ভয়েস মেসেজ পাঠালেন এক আত্নীয়কে। গলার স্বর ভারী, শ্বাস আটকে আসছে। বললেন, শরীর আর সায় দিচ্ছে না। গাড়ি থেকে বের হওয়ার মতো শক্তি নেই। নাকে-মুখে ফেনা আসছে। এরপর মায়ের কাছে ফোন করলেন। দোয়া চাইলেন।সেই দোয়া আর কাজে লাগেনি। ওই রাতেই একটি ক্লিনিকের সামনে পার্ক করা গাড়িতে চারজনকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় মানুষ পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে দরজা খোলেন। ভেতরে শুধু নি¯পন্দ চারটি শরীর।রয়্যাল ওমান পুলিশ তদন্তে নেমে জানিয়েছে, গাড়ি চালু রেখে ঘুমিয়ে পড়ায় এসির এগজস্ট থেকে নির্গত কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসে শ্বাস বন্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে চার ভাইয়ের। কার্বন মনোক্সাইড এক নির্মম ঘাতক। এই গ্যাসের কোনো রঙ নেই, কোনো গন্ধ নেই। মানুষ বুঝতেই পারে না কখন সে ঘরে ঢুকে গেছে। আবদ্ধ জায়গায় জমতে থাকে, নিঃশব্দে রক্তের অক্সিজেন কেড়ে নেয়, আর মানুষ ঘুমের মধ্যেই ঢলে পড়েন চিরঘুমে।বুধবার সন্ধ্যায় চার ভাই ওমানের বারকা এলাকা থেকে রওনা হয়েছিলেন মুলাদ্দাহর উদ্দেশে। পথে হয়তো ক্লান্তি এসেছিল। ওমানের গরমে এসি চালু রেখে গাড়িতেই হয়তো একটু জিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। সেই বিশ্রামই নিয়ে গেল তাদের চিরবিশ্রামে।স্বপ্নের সংসার, হঠাৎ ধুলোখালাতো ভাই এমরান হোসেন বলেন, পরিবারটি এক সময় দরিদ্র ছিল। চার ভাই ওমানে গিয়ে কাজ শুরু করার পর ধীরে ধীরে সচ্ছলতার মুখ দেখেছিল সংসারটি। মায়ের মুখে হাসি ফুটেছিল। বাড়িতে একটু স্বস্তি এসেছিল।মধ্যপ্রাচ্যের তপ্ত রোদে পরিশ্রম করে যাওয়া সেই চার ভাইয়ের বয়স ছিল পঁচিশ থেকে পঁয়ত্রিশের মধ্যে। জীবনের সবচেয়ে কর্মক্ষম বয়স। স্বপ্ন দেখার বয়স। দেশে ফিরে মায়ের পাশে বসার বয়স। সব শেষ হয়ে গেল এক রাতে। একটি বন্ধ গাড়িতে।তিনি বলেন, চার ভাইয়ের দাফনের জন্য রাঙ্গুনিয়ায় পারিবারিক কবরস্থানে খোড়া হবে চারটি কবর। চার ভাই একসঙ্গে বেঁচেছিলেন, একসঙ্গে মারাও গেলেন, পাশাপাশি শুয়েও থাকবেন চিরকাল। হৃদয়বিধারক এমন দৃশ্য কিভাবে সহ্য করবে আপনজনেরা। মা এখনো জানেন না ছেলেদের মৃত্যুর খবরবাইরের পৃথিবী জেনে গেছে, কিন্তু মা খাদিজা বেগম এখনো জানেন না তার চার ছেলের মৃত্যুর খবর। মা জানেন, তাঁর চার ছেলে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে আছে।স্থানীয়রা জানান, বেঁচে থাকা একমাত্র ছেলে মো. এনাম নিজেই মায়ের ঘরের দরজায় তালা দিয়ে রেখেছেন। যাতে প্রতিবেশী বা আত্নীয় কেউ মুখ ফসকে বলে না ফেলেন। মায়ের শরীর আগে থেকেই ভালো নেই। এই ধাক্কা তিনি সামলাতে পারবেন না, এই ভয়ে ছেলে নিজের বুকে পাথর চাপা দিয়ে মায়ের মুখে হাসি ধরে রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।কতটা কষ্ট বুকে নিলে একজন মানুষ মায়ের সামনে দাঁড়িয়ে স্বাভাবিক থাকতে পারেন, তা কল্পনা করতে গেলেও বুকটা ভারী হয়ে যায়। এনামের বয়স মাত্র বত্রিশ। এই বয়সে চার ভাইকে হারিয়ে মাকে আগলে রাখার এই একাকী লড়াই, এই যন্ত্রণার কোনো ভাষা নেই।আর সেই ঘরে মা খাদিজা বেগম এখনো অপেক্ষায় আছেন। ছেলেরা হাসপাতালে সুস্থ হচ্ছেন, একদিন ফিরবেন। এই বিশ্বাসটুকু নিয়েই হয়তো প্রতিটি ভোর পার করছেন তিনি। কিন্তু মঙ্গলবার ছেলেরা ফিরবেন, সেদিন তাঁরা আসবেন কাঠের বাক্সে। আর সেই সত্য বুকে লুকিয়ে রাখা এনামের জন্য প্রতিটি মুহূর্ত এখন এক নিঃশব্দ কান্নার নাম।বন্ধৃু ফোরকানের আহাজারিস্বজনদের আহাজারির পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বইছে শোকের মাতম। নিহতদের পরিবার, আত্নীয়স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে বিরাজ করছে গভীর শোক। এরই মধ্যে নিহত চার ভাইয়ের মধ্যে মো. শহীদের বন্ধু ফোরকানের আবেগঘন একটি ফেসবুক পোস্ট হৃদয় ছুঁয়ে গেছে সবার।চার ভাইয়ের মধ্যে নিহত মো. শহীদের বন্ধু ফোরকান নিজের ফেসবুক পোস্টে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করে লিখেছেন, আমি পারছি না আর বন্ধু, নিজেকে সামলাতে... তোর সঙ্গে কাটানো প্রতিটা মুহূর্ত আমাকে কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে। আজ তুই বেঁচে থাকলে হয়তো তোকে বুকে জড়িয়ে ধরে কান্না করতাম। আফসোস, সেই সময়টা আর কখনো আসবে না।তিনি আরও লেখেন, আমাদের মেসেজগুলো তোর আইডিতে হাজার বছর ধরে রয়ে যাবে। ২০২১ ব্যাচের বন্ধুদের স্মৃতিগুলোও থাকবে। তোকে সাদ্দাম বলে আর ডাকা হবে না। আজ তোর চেয়ে তোর মায়ের জন্য বেশি কষ্ট হয়। হতভাগা মা তোদের সুখ আর দেখল না। ভালো থাকিস ওপারে বন্ধু, আল্লাহ তোকে জান্নাতুল ফেরদৌসের উচ্চ মাকাম দান করুন।ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস সূত্রে জানা গেছে, নিহত চার ভাইয়ের মধ্যে শহীদ ও সিরাজের ১৫ মে দেশে আসার কথা ছিল। মাস্কাট থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটের টিকিটও নিশ্চিত করা হয়েছিল। এছাড়া আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর পুনরায় ওমানে ফেরার টিকিটও কাটা ছিল তাদের।ওমানে বাংলাদেশ দূতাবাসের লেবার কাউন্সিলর রাফিউল ইসলাম জানান, চার ভাইয়ের মরদেহ স্থানীয় পুলিশের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়েছে। ¯পন্সরের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের কাজ শেষ হলে আগামী মঙ্গলবারের মধ্যে মরদেহ দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।ওমান পুলিশের সতর্কবার্তা জারিলেবার কাউন্সিলর রাফিউল ইসলাম জানান, এই র্ট্যাজেডির পর রয়্যাল ওমান পুলিশ সবার উদ্দেশে সতর্কবার্তা জারি করেছে। গাড়ি চালু রেখে আবদ্ধ অবস্থায় ঘুমানো থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এই সতর্কতা বিশেষভাবে জরুরি।তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের প্রচন্ড গরমে গাড়িতে এসি চালিয়ে ঘুমানো অনেকের অভ্যাস। কিন্তু গাড়ির কোনো ত্রুটি বা বায়ু চলাচলের সমস্যা থাকলে এই অভ্যাসই হয়ে উঠতে পারে মরণফাঁদ। রাশেদুল, শাহেদুল, সিরাজুল ও শহিদুলের মৃত্যু যেন অন্তত আরও একটি পরিবারকে এই অন্ধকারে পড়তে না দেয়।

    ১ দিন আগে
    ওমান থেকে মঙ্গলবার আসছে চার ভাইয়ের লাশ, শোকে বিহ্বল রাঙ্গুনিয়া

    বহদ্দারহাট-আরাকান সড়ক যেন ‘কার-মাইক্রো স্টেশন’!

    চট্টগ্রাম মহানগরীর কয়েকটি সড়কের মধ্যে ব্যস্ততম একটি সড়ক বহদ্দারহাট-আরাকান সড়কটি। এটি ওয়াপদা কলোনি সড়ক নামেও পরিচিত। কিন্তু সড়কের দু‘পাশজুড়ে প্রতিনিয়ত দাড়িয়ে থাকে সারি সারি মাইক্রোবাস আর কার। দেখে বোঝার উপায় নেই-এটি সড়ক, নাকি কার-মাইক্রো স্টেশন। বছরের পর বছর ধরে চলা কার-মাইক্রোর অবৈধ দখলে সংকুচিত হয়ে পড়েছে পুরো সড়কটি। স্কুলগামী শিক্ষার্থী থেকে অফিস ফেরত মানুষ-প্রতিদিনই দুর্ভোগ আর ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন এই সড়কে। চান্দগাঁও থানার ফরিদেরপাড়া, শমসের পাড়া, খতিবের হাট ও খতিবপাড়া এলাকার অন্তত ৫০ হাজার মানুষের যাতায়াত এই সড়ক দিয়ে। বহদ্দারহাট মোড় থেকে সড়ক ধরে এগোলেই পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যালয়। বিপরীত পাশে ন্যাশনাল পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, আর বোর্ড কার্যালয় লাগোয়া ওয়াপদা কলোনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এই দুটি প্রতিষ্ঠানে কয়েকশ শিক্ষার্থী এই সড়ক ব্যবহার করে। সেই সড়কটিতে গত ২০ বছর ধরে ব্যবহার হয়ে আসছে কার-মাইক্রোর স্টেশন হিসেবে। বহদ্দারহাট কার-মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়ন’ এই স্টেশন গড়ে তোলেন। সংগঠনটির নামে এখান থেকে প্রতিদিন তোলা হয় মোটা অঙ্কের চাঁদা। চাঁদার ভাগ যায় চান্দগাঁও থানা ও ট্রাফিক পুলিশের কাছে। যার বিনিময়ে নির্বিঘ্নে এই সড়ক দখল করে গড়ে তোলা হয়েছে কার-মাইক্রো স্টেশন।শনিবার (১৬ মে) বেলা ১১টার দিকে সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের প্রবেশমুখেই ২০-২৫ জনের জটলা। কেউ আড্ডা দিচ্ছেন, কেউ ভাড়ার জন্য হাঁকডাক করছেন, কেউবা যাত্রী নিয়ে তর্কে ব্যস্ত। প্রায় ২০ ফুট প্রশস্ত সড়কের পশ্চিমপাশজুড়ে সারি করে দাঁড়িয়ে আছে কার ও মাইক্রো। প্রবেশমুখ থেকে ওয়াপদা কলোনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শেষ সীমানা পর্যন্ত তখন দাঁড়িয়ে ছিল ৩৬টি কার-মাইক্রো।দুপুর ২টা পর্যন্ত ওই এলাকায় অবস্থান করে দেখা যায়, একের পর এক গাড়ি ঢুকছে, আবার যাত্রী নিয়ে বেরিয়েও যাচ্ছে। একদিকে সড়কের অর্ধেক অংশ স্থায়ীভাবে দখল করে রাখা হয়েছে, অন্যদিকে বাকি অংশে অব্যাহত রয়েছে মাইক্রোবাস ও কার চলাচল। ফলে সাধারণ যাত্রীবাহী যান চলাচলের জায়গা প্রায় থাকছেই না। সড়কটিতে কোনো ফুটপাতও নেই। তাই শিক্ষার্থী ও পথচারীদের ঝুঁকি নিয়ে সড়কের একপাশ ঘেঁষে চলতে হচ্ছে। এর মধ্যে সড়কের একপাশ ভাঙাচোরা। কিন্তু ভালো অংশজুড়ে কার-মাইক্রো রাখায় বাধ্য হয়ে যানবাহন ও মানুষকে চলতে হচ্ছে ভাঙা অংশ দিয়ে।ন্যাশনাল পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও ওয়াপদা কলোনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা হয়। শিশুরা জানায়, ‘রাস্তার একপাশে সবসময় গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকে। ছোট রাস্তায় সারাক্ষণ গাড়ি চলাচল করায় সবসময় ভয়ে থাকতে হয় তাদের।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সড়কে কার-মাইক্রো স্টেশন গত ১৮-২০ বছর ধরে। ফলে বহদ্দারহাট থেকে পুরো সড়কে যানজট লেগে থাকে সবসময়। বর্তমানে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের কাজের কারণে বহদ্দারহাট মসজিদ সংলগ্ন ব্রিজ, খতিবের হাটের কালারপুলসহ তিনটি পুল ভেঙে সংস্কার করা হচ্ছে। এতে বিকল্প হিসেবে এই সড়কের ওপর চাপ আরও বেড়েছে। ফলে এই সড়কে দুর্ভোগ বেড়েছে কয়েকগুণ।স্থানীয় বাসিন্দারা দুর্ভোগের চিত্র তুলে ধরে বলেন,‘বহু বছর ধরে সড়কের অর্ধেক অংশ দখল করে স্টেশন বসানো হয়েছে। এতে প্রতিদিন ভয়াবহ যানজট তৈরি হচ্ছে, ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক চলাচল। আবার স্টেশনে থাকা কিছু চালক ও সহকারী রাস্তার ওপর আড্ডা দেন। শিক্ষার্থীদের নিয়ে আসা যাওয়ার সময় মা ও পোশাক শ্রমিকদের যাতায়াতে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন। এতে শিক্ষার্থী ও নারীরা চরম অস্বস্তি ও নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন।’ এ বিষয়ে বহুবার প্রশাসন ও থানায় অভিযোগ দিয়েও কোনো সমাধান হয়নি। কারণ পুলিশ তাদের কাছ থেকে চাঁদার ভাগ খায়। এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ড কার্যালয়ের সীমানা দেয়াল ঘেঁষে রাখা হয় কার-মাইক্রোগুলো। এ কারণে ক্ষতিগ্রস্ত দেয়ালগুলোর ভেঙে নতুন করে নির্মাণ করতে হচ্ছে। এতে সরকারি অর্থ অপচয় হচ্ছে। চালকেরা বিশ্রাম ও আড্ডার জন্য প্রায়ই কার্যালয়ে ঢুকে পড়ে। তখন সিগারেট, এমনকি গাঁজাও সেবন করে। এতে কার্যালয়ের কাজে যাতায়াতে বড় ধরণের সমস্যা তৈরী হয়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড, পওর বিভাগ-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী শওকত ইবনে সাহীদ বলেন, এটা আমাদের ওপর একপ্রকার অত্যাচার। কিন্তু সড়কটি তো আমাদের অধীনে নয়, তাই আমরা চাইলেও কোনো ব্যবস্থা নিতে পারি না। আগে স্থানীয় কাউন্সিলরকে জানিয়েছিলাম, কিন্তু কোনো সমাধান পাইনি।তবে নিজেদের বহুবছরের পুরনো নিবন্ধনভুক্ত সংগঠন উল্লেখ করে বহদ্দারহাট কার-মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. আলমগীর বলেন,‘আমাদের সমিতির প্রায় ৫০০ সদস্যের বেশিরভাগই স্থানীয় বাসিন্দা। এলাকার কেউ কেউ হয়তো অভিযোগ করেন, কিন্তু বেশিরভাগই আমাদের পক্ষে। কারণ আমাদের কারণে সড়কটি রাতে সবসময় আলোকিত থাকছে, আমরা না থাকলে তো চুরি-ছিনতাই বেড়ে যাবে। এ বিষয়ে কথা বলতে চান্দগাঁও থানার ওসির মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করলেও কোন সাড়া মেলেনি। কথা বলতে বহদ্দারহাট পুলিশ বক্সে গিয়ে ট্রাফিক পুলিশের ইন্সপেক্টরকেও পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পাঠিয়ে স্টেশনটি উচ্ছেদ করা হবে।

    ২ দিন আগে
    বহদ্দারহাট-আরাকান সড়ক যেন ‘কার-মাইক্রো স্টেশন’!

    রাজনৈতিক হস্তক্ষেপে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে

    অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারণে বাংলাদেশের অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হারিয়েছে মান। যোগ্যতা ছাড়া কাউকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করানো যাবে না।শনিবার (১৬ মে) সকালে চট্টগ্রাম মা ও শিশু মেডিক্যাল কলেজ (চমাশিহামেক) হাসপাতালে নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।তিনি বলেন, মেডিক্যাল শিক্ষার মান রক্ষায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত, পর্যাপ্ত ফ্যাকাল্টি ও অবকাঠামো নিশ্চিত না করে আসন সংখ্যা না বাড়ানোর আহ্বান জানাই। শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক শ্রেণিকক্ষ, মাল্টিমিডিয়া সুবিধা, ডিজিটাল লাইব্রেরি, খেলাধুলা ও বিনোদনের ব্যবস্থার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্ব পুরোপুরি মাল্টিমিডিয়াভিত্তিক হয়ে গেছে। তাই মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণের সুযোগ থাকতে হবে। দেশে মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টের ঘাটতি রয়েছে। কোটি কোটি টাকার যন্ত্রপাতি দক্ষ জনবলের অভাবে ব্যবহার করা যাচ্ছে না। তাই মেডিক্যাল টেকনোলজি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার ওপর জোর দিতে হবে।দেশের স্বাস্থ্যখাতে এবার বাজেটে বরাদ্দ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হবে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ বাড়ালেই হবে না, এর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। অতীতে স্বাস্থ্য খাতের বিপুল অর্থ দুর্নীতির মাধ্যমে অপচয় হয়েছে। সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর চিকিৎসা ব্যয় সরকার বহন করবে এবং এ জন্য বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে সমন্বয়ের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া মৌলিক অধিকার। কিন্তু দীর্ঘদিন মানুষ এ অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। বর্তমান সরকার ‘ইউনিভার্সাল হেলথ কেয়ার’, প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা ও প্রাথমিক চিকিৎসা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে কাজ করছে। সরকারি হাসপাতালের সীমাবদ্ধতার কারণে দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসার জন্য বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে চুক্তিভিত্তিক ব্যবস্থা করা হবে। রোগীরা সেখানে চিকিৎসা নিলে বিল সরকার পরিশোধ করবে।নতুন ভবন নির্মাণ প্রসঙ্গে আমির খসরু বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা বাংলাদেশের বড় সমস্যা। তাই দ্রুত কাজ শেষ করার পাশাপাশি নির্মাণের গুণগত মানও নিশ্চিত করতে হবে। ভবনের নকশায় পার্কিং সুবিধার ঘাটতির বিষয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। প্রস্তাবিত ৭২টি গাড়ি পার্কিংকে অপর্যাপ্ত উল্লেখ করে তিনি কমপক্ষে ২০০ থেকে ২৫০টি পার্কিং সুবিধা রাখার পরামর্শ দেন। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত বেজমেন্ট নির্মাণ করার কথাও বলেন তিনি। দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে তেল ও গ্যাস খাতে সরকারের অতিরিক্ত প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। একইসঙ্গে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে আগের সরকারের রেখে যাওয়া প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার বকেয়াও পরিশোধ করতে হচ্ছে। আমরা একটি ঋণাত্মক অর্থনৈতিক অবস্থা থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করছি। অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে অন্তত দুই বছর সময় লাগবে।হাসপাতালের জয়েন্ট জেনারেল সেক্রেটারি মো. জাহিদুল হাসানের সঞ্চালনায় প্রতিষ্ঠানের বর্তমান অবকাঠামো স্বাস্থ্য সেবাসহ নানাবিধ চিত্র তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন হাসপাতালের প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুল মান্নান রানা, জেনারেল সেক্রেটারি রেজাউল করিম আজাদ ও মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. অসীম কুমার বড়ুয়া হাসপাতালের ট্রেজারর অধ্যক্ষ ডক্টর লায়ন মোহাম্মদ সানাউল্লাহ,অর্গানাইজিং সেক্রেটারি মোহাম্মদ সাগির, সদস্য ইঞ্জিনিয়ার জাবেদ আবছার চৌধুরী, ডা. সরওয়ার আলম, তারিকুল ইসলাম তানভির, সাইফুল ইসলাম, হারুন ইউচুপ,ডাক্তার বেলায়েত হোসেন ঢালী, পরিচালক ডা. নুরুল হক, পরিচালক মেডিকেল এফেয়ার্স ডাক্তার এ কে আসরাফুল করিম, উপরিচালক মো. মোশাররফ হোসাইন ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ন আহ্বায়ক এম এ আজিজ প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

    ২ দিন আগে
    রাজনৈতিক হস্তক্ষেপে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে

    পরমাণু শক্তি কমিশনে ১৩০ জনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

    বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ৭ ক্যাটাগরির পদে মোট ১৩০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। ৭ মে থেকে আবেদন শুরু হয়েছে। চলবে আগামী ২৭ মে, ২০২৬ বিকেল ৫টা পর্যন্ত।পদের নাম : সায়েন্টিফিক অফিসার।পদ সংখ্যা : ৩০টি।শিক্ষাগত যোগ্যতা : এসএসসি থেকে পরবর্তী পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে এমএসসি ডিগ্রি।বেতন : ২২,০০০–৫৩,০৬০ টাকা (গ্রেড–৯)।পদের নাম : ইঞ্জিনিয়ার।পদ সংখ্যা : ১৭টি।শিক্ষাগত যোগ্যতা : এমএসসি থেকে পরবর্তী পরীক্ষাগুলোয় প্রথম বিভাগ/শ্রেণিসহ বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি।বেতন : ২২,০০০–৫৩,০৬০ টাকা (গ্রেড–৯)।পদের নাম : মেডিকেল অফিসার।পদ সংখ্যা : ২৬টি।শিক্ষাগত যোগ্যতা : এমএসসি অথবা এইচএসসিতে প্রথম বিভাগসহ কমপক্ষে ৬০% নম্বর প্রাপ্ত এমবিবিএস ডিগ্রি।বেতন : ২২,০০০–৫৩,০৬০ টাকা (গ্রেড–৯)।পদের নাম : কম্পিউটার টাইপিস্ট।পদ সংখ্যা : ৯টি।শিক্ষাগত যোগ্যতা : উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।বেতন : ৯,৩০০–২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড–১৬)।পদের নাম : ল্যাবরেটরি অ্যাটেনডেন্ট।পদ সংখ্যা : ৩২টি।শিক্ষাগত যোগ্যতা : এসএসসি (বিজ্ঞান) অথবা সরকার অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান থেকে ন্যূনতম ৬ মাসের ট্রেড সার্টিফিকেট।বেতন : ৮,৫০০–২০,৫৭০ টাকা (গ্রেড–১৯)।পদের নাম : জেনারেল অ্যাটেনডেন্ট-২।পদ সংখ্যা : ৮টি।শিক্ষাগত যোগ্যতা : অষ্টম শ্রেণি পাস।বেতন : ৮,২৫০–২০,০১০ টাকা (গ্রেড–২০)।পদের নাম : স্যানিটারি অ্যাটেনডেন্ট-২।পদ সংখ্যা : ৮টি।শিক্ষাগত যোগ্যতা : অষ্টম শ্রেণি পাস।বেতন : ৮,২৫০–২০,০১০ টাকা (গ্রেড–২০)।আবেদন পদ্ধতি : আগ্রহী প্রার্থীরা এখানে ক্লিক করে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।আবেদনের শেষ সময় : ২৭ মে, ২০২৬ বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

    ৩ দিন আগে
    পরমাণু শক্তি কমিশনে ১৩০ জনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

    বন অধিদপ্তরে বড় নিয়োগ, পদ-৩৮২

    পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বন অধিদফতরের রাজস্ব খাতভুক্ত ‘ফরেস্টার’ পদে ৩৮২ জন কর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীরা সরাসরি বা ডাকযোগে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের শেষ সময় আগামী ১০ জুন। পদের নাম: ফরেস্টারপদ সংখ্যা: ৩৮২টি শিক্ষাগত যোগ্যতা: ডিপ্লোমা-ইন-ফরেস্ট্রিঅন্যান্য যোগ্যতা: উচ্চতা ১৬৩ সে.মি; ও বুকের মাপ ৭৬ সে.মিবয়সসীমা: ১৮ থেকে ৩২ বছরআবেদন ফি: ১০০ টাকাবেতন: ৯,৭০০-২৩,৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৫)আবেদন যেভাবে: আবেদনপত্র ডাউনলোড করতে এই লিংকে ক্লিক করুনআবেদনপত্র পূরণ করে ডাকযোগে অথবা বন ভবন, আগারগাঁও, ঢাকার দ্বিতীয় তলায় (Level-1)-এ রক্ষিত বাক্সে সরাসরি পৌঁছাতে হবেআবেদন পাঠানোর ঠিকানা: প্রধান বন সংরক্ষক, বন অধিদফতর, বন ভবন, আগারগাঁও, শেরেবাংলা নগর, ঢাকা-১২০৭ আবেদনের সময়সীমা: ১০ জুন, ২০২৬ চাকরি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই লিংকে ক্লিক করুন

    ৩ দিন আগে
    বন অধিদপ্তরে বড় নিয়োগ, পদ-৩৮২

    বিটুমিন কেলেঙ্কারীতে যমুনা অয়েলের জিএম ওএসডি!

    মন্ত্রীর ফোনের পর বিটুমিন সরবরাহ করল যমুনা অয়েল কোম্পানী লিমিটেড। এর আগে বিটুমিন সরবরাহ পেতে হয়রানি ও অনিয়মের অভিযোগ করেন ঠাকুরগাঁও পৌরসভার একটি সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের ঠিকাদার। এ ঘটনায় ওএসডি হলেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) নিয়ন্ত্রিত যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের (জেওসিএল) মহাব্যবস্থাপক (মানবসম্পদ) মো. মাসুদুল ইসলাম। তাঁকে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দপ্তরে সংযুক্ত (ওএসডি) করার আদেশ দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে গত এক বছরে বিটুমিন সরবরাহে কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না, তা তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাকে বলা হচ্ছে ‘ঠেলার নাম বাবাজি’। এ ঘটনায় জ্বালানি তেল সেক্টরে তুমুল আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিপিসির প্রশিক্ষণ, সাবসিডিয়ারি প্রশাসন ও কর্মী ব্যবস্থাপনা বিভাগ থেকে জারি করা এক আদেশপত্রে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। বিপিসির সচিব শাহিনা সুলতানা স্বাক্ষরিত চিঠিটি যমুনা অয়েলের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে পাঠানো হয়েছে।নির্দেশনা অনুযায়ী মো. মাসুদুল ইসলামকে এমডির দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়। আদেশপত্রে বলা হয়, মো. আবদুস সামাদ নামের এক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধির দাখিল করা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ঠাকুরগাঁও পৌরসভার একটি সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য গত বছরের ৭ ডিসেম্বর যমুনা অয়েলে বিটুমিন সংগ্রহের উদ্দেশ্যে পে-অর্ডার জমা দেওয়া হয়। তবে দীর্ঘ সময় পার হলেও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বিটুমিন বরাদ্দ পায়নি বলে অভিযোগ করা হয়েছে।লিখিত অভিযোগে বলা হয়, প্রকল্পটি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নিজ এলাকার এবং গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় দ্রুত কাজ শেষ করার প্রয়োজন ছিল। কিন্তু বিটুমিনের অভাবে কাজ ব্যাহত হচ্ছিল। এ বিষয়ে বারবার যোগাযোগ করেও বিটুমিন কমিটির কাছ থেকে কোনো কার্যকর সাড়া পাওয়া যায়নি।অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ৩ মে যমুনা অয়েলের এক প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলে ৫ মে বিটুমিন সংগ্রহের আশায় ঠাকুরগাঁও থেকে চট্টগ্রামে যমুনা অয়েলের প্রধান কার্যালয়ে আসেন অভিযোগকারী প্রতিনিধি। সেখানে সারাদিন অপেক্ষা করার পর তাঁকে জানানো হয়, তাঁর সিরিয়াল নম্বর ৯৫ এবং ওই মুহূর্তে বিটুমিন দেওয়া সম্ভব নয়।এ ঘটনায় মহাব্যবস্থাপক (মানবসম্পদ) মো. মাসুদুল ইসলামের আচরণ নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে অভিযোগপত্রে। পরে উপায়ান্তর না পেয়ে বিষয়টি এলজিআরডি মন্ত্রীর নজরে আনা হলে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। তবে এরপরও বিটুমিন সরবরাহ করা হয়নি বলে দাবি করা হয়েছে।অভিযোগের বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলে মো. আবদুস সামাদ বলেন, ‘পে-অর্ডার জমা দেওয়ার ছয় মাস পার হলেও আমরা বিটুমিন পাইনি। অথচ সাধারণত এক থেকে দেড় মাসের মধ্যেই বিটুমিন পাওয়ার কথা।’ তিনি অভিযোগ করেন, বিটুমিন সরবরাহের ক্ষেত্রে মোটা অঙ্কের ঘুষ চাওয়া হয়েছে। ঘুষ দিতে অস্বীকার করায় তাঁদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হয়েছে। ‘একেক সময় তাঁদের একেক সিরিয়াল নম্বর বলা হয়েছে। কাজের গুরুত্ব বিবেচনায় আমরা একাধিকবার যোগাযোগ করলেও বিটুমিন দেওয়া হয়নি,’।আবদুস সামাদ আরও বলেন, ‘দীর্ঘদিন অপেক্ষার পরও বিটুমিন না পাওয়ায় আমরা পে-অর্ডার ফেরত চাই। কিন্তু সেটিও ফেরত দেওয়া হয়নি। পরে বাধ্য হয়ে বিষয়টি এলজিআরডি মন্ত্রী মহোদয়কে অবহিত করা হয়।’তবে ভিন্ন কথা বলছেন অভিযুক্ত যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক (মানবসম্পদ) মো. মাসুদুল ইসলাম। তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি এ ধরনের অভিযোগের মতো কোনো কাজ করিনি। পুরো বিটুমিন সরবরাহ প্রক্রিয়াটি অনলাইনভিত্তিক ও স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালিত হয়। এখানে ব্যক্তিগতভাবে কারও সিরিয়াল পরিবর্তন বা হস্তক্ষেপ করার সুযোগ নেই।তিনি বলেন, অভিযোগকারী যে ৮০-১০০ গ্রেডের বিটুমিন চেয়েছিলেন, সে সময় ইস্টার্ন রিফাইনারি শাটডাউনে থাকায় ওই গ্রেডের কোনো উৎপাদন ছিল না। ফলে তা সরবরাহের সুযোগও ছিল না। ‘রিফাইনারিতে খোঁজ নিলেই বিষয়টি জানা যাবে।মো. মাসুদুল ইসলাম জানান, অভিযোগকারীর প্রকল্পের জন্য মূলত স্ট্যান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েল কোম্পানি লিমিটেড (এসএওসিএল) থেকে বিটুমিন সরবরাহ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তিনি যমুনা অয়েলে আবেদন করেন। এ ছাড়া প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সময়মতো জমা না দেওয়ায় তাঁর সিরিয়াল পিছিয়ে যায়।তিনি বলেন, ‘অভিযোগকারীর আবেদনপত্রের মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছিল। পরে তিনি টাইম এক্সটেনশন নিয়ে এপৃল মাসে কাগজপত্র জমা দেন। এরপরও সব ডকুমেন্ট ঠিকভাবে এন্ট্রি না হওয়ায় তাঁর সিরিয়াল আরও পিছিয়ে যায়। এটি অনলাইনের নিয়ম অনুযায়ী হয়েছে।’চট্টগ্রামে আসতে অভিযোগকারীকে তিনি ব্যক্তিগতভাবে বলেননি বলেও দাবি করেন এই কর্মকর্তা। তার দাবি, ‘আমাদের আইটি বিভাগের একজন সদস্য তাঁকে ডেকেছিলেন বিষয়টি বুঝিয়ে বলার জন্য। কেন তাঁর সিরিয়াল পিছিয়েছে, সেটি দেখানোর জন্য তাকে আসতে বলা হয়েছিল।’মন্ত্রীর ফোন পাওয়ার পর বিশেষ বিবেচনায় নিয়ম শিথিল করে অভিযোগকারীকে বিটুমিন সরবরাহ করা হয়েছে বলেও দাবি করেন মো. মাসুদুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘মন্ত্রী মহোদয় ফোন করার পর আমরা বিশেষ ব্যবস্থায় ইস্টার্ন রিফাইনারি থেকে পুরোনো বিটুমিন গলিয়ে ৬০-৭০ গ্রেডের বিটুমিন সরবরাহ করেছি। যদিও তাঁর আবেদন ছিল ৮০-১০০ গ্রেডের জন্য।’মাসুদুল ইসলাম বলেন, ‘এক গ্রেডের পরিবর্তে অন্য গ্রেডের বিটুমিন সরবরাহ করাও নিয়মের বাইরে। তারপরও বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনায় সেটি করা হয়েছে।’নিজের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে বলে দাবি করে মাসুদুল আলম বলেন, ‘আমি কোনো অন্যায় বা অনিয়ম করিনি। সরকার ও জনগণের স্বার্থ রক্ষা করেই কাজ করেছি। হয়তো আমাকে এখান থেকে সরানোর জন্য একটি পক্ষ অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি আল্লাহর ওপর বিচার ছেড়ে দিয়েছি।’তিনি আরও বলেন, ‘আমি সবসময় গ্রাহকদের মূল্যায়ন করি। কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাতে পারে। আমি ২২ দিন রুটিন দায়িত্বে এমডির দায়িত্বও পালন করেছি। এমডি হওয়ার চেষ্টা করেছি, হয়তো সেটিই আমার অপরাধ।’এ বিষয়ে যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ইউসুফ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। বিপিসির তাগিদপত্র পাওয়ার পর মো. মাসুদুল ইসলামকে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।

    ৩ দিন আগে
    বিটুমিন কেলেঙ্কারীতে যমুনা অয়েলের জিএম ওএসডি!

    টিকটকার স্নেহা মনি ‘চোর’, যা বললেন স্নেহা

    ৩ দিন আগে
    টিকটকার স্নেহা মনি ‘চোর’, যা বললেন স্নেহা

    তিন মাসের মাথায় পদ হারালেন পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান এরফান

    দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র তিন মাসের মাথায় পদ হারালেন বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা)-এর চেয়ারম্যান মো. এরফানুল হক। তাকে বদলি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করেছে সরকার।বৃহস্পতিবার (১৫ মে) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। হঠাৎ তাকে সরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে সরকারিভাবে কোনো কারণ জানানো হয়নি। জ্বালানি খাতের গুরুত্বপূর্ণ এই প্রতিষ্ঠানে নেতৃত্ব পরিবর্তন নিয়ে প্রশাসনিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছে।সূত্র মতে, অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা এরফানুল হক চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। এর আগে তিনি জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগে অতিরিক্ত সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন।বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ১৮তম ব্যাচের কর্মকর্তা এরফানুল হক কর্মজীবনে মাঠ প্রশাসনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।এছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়, আইসিটি বিভাগ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন তিনি।শিক্ষাজীবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন এরফানুল হক। পরবর্তীতে জাপানের ওয়াসেদা ইউনিভার্সিটি থেকেও একই বিষয়ে উচ্চশিক্ষা নেন তিনি।

    ৩ দিন আগে
    তিন মাসের মাথায় পদ হারালেন পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান এরফান

    রাবিপ্রবিসহ ১১ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ

    ৩ দিন আগে
    রাবিপ্রবিসহ ১১ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ

    ভাল আর হইলো না চট্টগ্রাম বিআরটিএর মাসুদ আলম!

    ভাল আর হইলো না চট্টগ্রাম বিআরটিএর মাসুদ আলম!

    ৪ দিন আগে
    ভাল আর হইলো না চট্টগ্রাম বিআরটিএর মাসুদ আলম!

    নতুন পে-স্কেলের সম্ভাব্য বেতন গ্রেড প্রকাশ

    দেশে সরকারি চাকরিজীবীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ৯ম জাতীয় পে-স্কেল নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সরকারি চাকরিজীবীদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও দ্রব্যমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই বেতন স্কেলের খসড়া তালিকা তৈরি করা হয়েছে।১৯৭৩ সালে স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম পে-স্কেল জারির পর থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত মোট আটটি বেতন কাঠামো ঘোষণা করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী প্রতি ৫ বছর অন্তর নতুন স্কেল আসার কথা থাকলেও করোনা মহামারি ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে তা দীর্ঘায়িত হয়েছে। তবে ২০২৬ সালে এসে ৯ম পে-স্কেল নিয়ে সরকারি পর্যায়ে ব্যাপক তৎপরতা শুরু হয়েছে।নিচে ২০২৬ সালের প্রস্তাবিত জাতীয় বেতন স্কেলের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা দেওয়া হলো, যা সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।গ্রেড - বেতন স্কেল (টাকা)০১ ১,৬০,০০০/- টাকা (নির্ধারিত)০২ ১,৩২,০০০ – ১,৫৩,০০০ টাকা০৩ ১,১৩,০০০ – ১,৪৮,৮০০ টাকা০৪ ১,০০,০০০ – ১,৪২,৪০০ টাকা০৫ ৮৬,০০০ – ১,৩৯,৭০০ টাকা০৬ ৭১,০০০ – ১,৩৪,০০০ টাকা০৭ ৫৮,০০০ – ১,২৬,৮০০ টাকা০৮ ৪৭,২০০ – ১,১৩,৭০০ টাকা০৯ ৪৫,১০০ – ১,০৮,৮০০ টাকা১০ ৩২,০০০ – ৭৭,৩০০ টাকা১১ ২৫,০০০ – ৬০,৫০০ টাকা১২ ২৪,৩০০ – ৫৮,৭০০ টাকা১৩ ২৪,০০০ – ৫৮,০০০ টাকা১৪ ২৩,৫০০ – ৫৬,৮০০ টাকা১৫ ২২,৮০০ – ৫৫,২০০ টাকা১৬ ২১,৯০০ – ৫২,৯০০ টাকা১৭ ২১,৪০০ – ৫১,৯০০ টাকা১৮ ২১,০০০ – ৫০,৯০০ টাকা১৯ ২০,৫০০ – ৪৯,৬০০ টাকা২০ ২০,০০০ – ৪৮,৪০০ টাকা(এটি একটি প্রস্তাবিত তালিকা মাত্র। সরকারি প্রজ্ঞাপন বা গেজেট প্রকাশ হওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে।)

    ৪ দিন আগে
    নতুন পে-স্কেলের সম্ভাব্য বেতন গ্রেড প্রকাশ
    বিজ্ঞাপন — 300 × 250

    এই সপ্তাহের পাঠকপ্রিয়

    ওমান থেকে মঙ্গলবার আসছে চার ভাইয়ের লাশ, শোকে বিহ্বল রাঙ্গুনিয়া

    ওমান থেকে মঙ্গলবার আসছে চার ভাইয়ের লাশ, শোকে বিহ্বল রাঙ্গুনিয়া

    জমি কিনে ১৩ বছর ধরে আদালতে কুদ্দুস বয়াতি

    জমি কিনে ১৩ বছর ধরে আদালতে কুদ্দুস বয়াতি

    সন্তানের চেয়ে কুকুর পোষা অনেক ভালো

    সন্তানের চেয়ে কুকুর পোষা অনেক ভালো

    চট্টগ্রামে জুলাই গ্রাফিতি নিয়ে লঙ্কাকান্ড!

    চট্টগ্রামে জুলাই গ্রাফিতি নিয়ে লঙ্কাকান্ড!

    জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে, ২৮ মে ঈদুল আজহা

    জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে, ২৮ মে ঈদুল আজহা

    ডিসি হতে ৮ কোটি টাকায় চুক্তি!

    ডিসি হতে ৮ কোটি টাকায় চুক্তি!

    উত্তেজনার পর সমঝোতায় মেয়র ও এনসিপি

    উত্তেজনার পর সমঝোতায় মেয়র ও এনসিপি

    মেসিকে নিয়ে এক মন্তব্যে আলোচনায় পরীমণি

    মেসিকে নিয়ে এক মন্তব্যে আলোচনায় পরীমণি

    দুবাই ট্যাক্সি কোম্পানিতে ৬ হাজার ড্রাইভার নিয়োগ

    দুবাই ট্যাক্সি কোম্পানিতে ৬ হাজার ড্রাইভার নিয়োগ

    হিরো মোটরবাইকে নগদ ছাড় ও ঈদুল আজহার উপহার

    হিরো মোটরবাইকে নগদ ছাড় ও ঈদুল আজহার উপহার

    বিজ্ঞাপন — ৩০০ × ২৫০
    বিজ্ঞাপন — ৩০০ × ২৫০
    বিজ্ঞাপন — 970 × 90