বাংলাদেশ রেলওয়ে (পূর্বাঞ্চল) জোনাল স্পোর্টস কাউন্সিল, চট্টগ্রাম এর উদ্যোগে ১৫’তম আন্ত: বিভাগীয় ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ সম্পন্ন হয়েছে। সমাপনি দিনে প্রতিযোগিতার ফাইনাল খেলায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন ডিএসএ (সদর) দল। দলটি ৩-০ গোলে ডিএসএস (চট্টগ্রাম) দলকে হারায়।বৃহস্পতিবার ১৬ জুলাই) সমাপনি দিনে চট্টগ্রামের পাহাড়তলী শহীদ শাহজাহান মাঠে ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের কালুরঘাট রেলওয়ে সেতু প্রকল্পের পরিচালক (পিডি) জনাব আবুল কালাম চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোহাম্মদ সফিকুর রহমান, সিওপিএস (পূর্ব) ও সভাপতি, জোনাল স্পোর্টস কাউন্সিল (পূর্বাঞ্চল), জনাব মোশারফ হোসেন দিপ্তি, সাবেক সভাপতি, চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল। এ ছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন জনাব মো: শওকত জামিল মোহসী, অতি: সিসিএম (পূর্ব) ও আহবায়ক, ১৫’তম আন্ত: বিভাগীয় ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬, জনাব চৈতী মুহুরী, সাধারণ সম্পাদক, জোনাল স্পোর্টস কাউন্সিল (পূর্বাঞ্চল) ও এসডব্লিউও (পূর্ব), সিআরবি, চট্টগ্রাম। এছাড়া উক্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিসিআরএনবি (পূর্ব), ডিআরএম (চট্টগ্রাম), ডিএস (কারখানা) পাহাড়তলী, জনাব মো: হারুনুর রশীদ, ডিডি(পিআর-পূর্ব), এজিএম (পুর্ব), জেপিও-১ (পূর্ব)সহ বিভিন্ন কর্মকর্তা ও কমচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।গত ১৩ জুলাই শহীদ শাহজাহান মাঠে১৫’তম আন্ত: বিভাগীয় ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ প্রতিযোগিতা শুরু হয়। প্রতিযোগিতায় চারটি দল যথাক্রমে ডিএসএ (সদর), ডিএসএ(পাহাড়তলী), ডিএসএ(চট্টগ্রাম) ও ডিএসএ(ঢাকা) দল অংশগ্রহণ করে। ওইদিন থেকে প্রত্যেকটি দলের ৩টি করে খেলা অনুষ্ঠিত হয়। সর্বোচ্চ পয়েন্টধারী দল ডিএসএ (সদর) ও ডিএসএ (চট্টগ্রাম) দলের মধ্যে ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। এদিন ৩০ মিনিট করে ৬০ মিনিট খেলা হয়, কিন্তু কোনো গোল হয়নি পরিশেষে ট্রাইবেকারে ডিএসএ (সদর) দল দল ৩-০ গোলে জয় লাভ করে চ্যাম্পিয়ন হয় এবং রানার আপ হয় ডিএসএস (চট্টগ্রাম) দল। পরে চ্যাম্পিয়ন ও রানার আপ দলের মধ্যে পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে টুর্নামেন্টের সফল সমাপ্তি হয়।
২ মাস ১ দিন আগে
চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি বর্তমান সরকারের চট্টগ্রাম অঞ্চলে ঘোষিত ফৃ-ট্রেড জোনের সুবিধা উপভোগ করতে কমার্শিয়াল কাউন্সেলর এর মাধ্যমে যুক্তরাস্ট্রের ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগের আহবান জানিয়েছেন। তিনি বলেন-ফৃ-ট্রেড জোনে বিনিয়োগকারীরা একটি মাত্র ট্রেড লাইসেন্সের মাধ্যমে কোন ধরণের ঝামেলাবিহীন ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবে।বুধবার (১ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাস্ট্রের কমার্শিয়াল কাউন্সেলর মি. পল ফ্রস্ট-এর নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলের সঙ্গে দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র নেতৃবৃন্দের এক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন চেম্বার সভাপতি মো. আমিরুল হক। চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ এলাকায় অবস্থিত ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারস্থ কনফারেন্স হলে এই মতিবিনিময় হয় বলে জানান চট্টগ্রাম চেম্বারের গণসংযোগ বিভাগের কর্মকর্তা মোকাম্মেল হক। মতবিনিময়ে চেম্বার সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক বলেন-যুক্তরাস্ট্রের সাথে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় রপ্তানি বাজারও যুক্তরাস্ট্র। তাই দু’দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করা উপযুক্ত সময় এখনই। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক রূপান্তরের করিডোর, এক্সপ্রেসওয়ে, এমআরটি, বন্দর উন্নয়ন ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো খাতে যুক্তরাস্ট্রের বিনিয়োগ বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। এসব খাতে মার্কিন বিনিয়োগ বাড়লে উভয়দেশের জন্য লাভজনক হবে। একই সাথে তিনি যুক্তরাস্ট্রের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশের ব্যবসা, সামাজিক ও অবকাঠামোগত খাতে অবদান রাখার উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন-উভয়দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়নে ব্যবসায়ী টু ব্যবসায়ী যোগাযোগ বৃদ্ধির কোন বিকল্প নেই। তিনি চট্টগ্রাম অঞ্চলের ভৌগোলিক সুবিধার কথা উল্লেখ করে মাতারবাড়ী ও সোনাদিয়া গভীর সমুদ্র বন্দর এবং চট্টগ্রামের বে-টার্মিনালের অবকাঠামোগত খাতে যুক্তরাস্ট্রের ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগের আহবান জানান। চেম্বার সভাপতি বর্তমান সরকারের চট্টগ্রাম অঞ্চলে ঘোষিত ফৃ-ট্রেড জোনের সুবিধা উপভোগ করতে কমার্শিয়াল কাউন্সেলর এর মাধ্যমে যুক্তরাস্ট্রের ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগের আহবান জানান। তিনি বলেন-ফৃ-ট্রেড জোনে বিনিয়োগকারীরা একটি মাত্র ট্রেড লাইসেন্সের মাধ্যমে কোন ধরণের ঝামেলাবিহীন ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবে। চেম্বার সভাপতি বলেন-বাংলাদেশ কারো কাছে ভিক্ষা চায় না, পারস্পরিক সম্মান ও স্বার্থের ভিত্তিতে একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চায়। এক্ষেত্রে যুক্তরাস্ট্রের সাথে উইন উইন ভিত্তিতে কাজ করতে চায়, যেখানে উভয়দেশই সমানভাবে লাভবান হবে।ডেপুটি পলিটিক্যাল ও ইকোনমিক কাউন্সেলর ডেভিড মু বলেন-যুক্তরাস্ট্র বাংলাদেশের সাথে ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নয়ন, বাণিজ্যিক বাধা দূর করতে কাজ করছে। তিনি বলেন-বাংলাদেশে অনেক মার্কিন কোম্পানি রয়েছে। আবার অনেক কোম্পানি পণ্য বিক্রয় করতে আগ্রহী। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ যদি ব্যবসার ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা দূর করতে পারে তবে উভয়দেশের মধ্যে ব্যবসা ও বাণিজ্যিক সংযোগ বৃদ্ধি পাবে। কমার্শিয়াল কাউন্সেলর পল ফ্রস্ট আরও বলেন-আজকের এই আলোচনার মূল উদ্দেশ্য হলো যুক্তরাস্ট্র ও বাংলাদেশের ব্যবসা ও বিনিয়োগ প্রমোট করা। যুক্তরাস্ট্রের ব্যবসায়ী এবং বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করা এবং ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা জানতে চাওয়া আজকের এই আলোচনার উদ্দেশ্য। তিনি বলেন-চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরা যুক্তরাস্ট্রের ব্যবসা সম্পর্কে জানতে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স এর সাথে যৌথভাবে কাজ করতে পারে। এছাড়া যুক্তরাস্ট্র সরকার ব্যবসা ও বিনিয়োগ বাড়াতে বাংলাদেশ সরকার এবং বিডার সাথে কাজ করছে। তিনি যেকোন বিনিয়োগের জন্য ইজ অব ডুয়িং বিজনেস খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে অভিমত ব্যক্ত করেন।চেম্বার সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক, ডেপুটি পলিটিক্যাল এন্ড ইকোনমিক কাউন্সেলর মি. ডেভিড মু ছাড়াও মতবিনিময়ে বক্তব্য রাখেন, সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি এম. এ. ছালাম, সাবেক সহ-সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর, চেম্বার পরিচালক মোহাম্মদ আকতার পারভেজ, সাবেক পরিচালক এস. এম. আবু তৈয়ব ও রাহবার এ আনোয়ার, ইতালির অনারারী কনসাল মির্জা সালমান ইস্পাহানী, বিএসআরএম’র গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমীর আলীহুসেইন, দূতাবাসের কমার্শিয়াল স্পেশালিস্ট আবির বড়ুয়া, এগ্রিকালচার স্পেশালিস্ট তানভীর আহমেদ, পিডব্লিউসি’র এসোসিয়েট ডিরেক্টর (ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন) শাদাব মাহমুদ।বক্তারা বলেন-বাংলাদেশে উৎপাদনশীল খাতের প্রযুক্তি এবং মেশিনারীজ খাতে যুক্তরাস্ট্রের পণ্যের সুনাম রয়েছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যবসায়িক সামিটে যুক্তরাস্ট্রের ব্যবসায়ীরা যদি অংশগ্রহণ করে সেক্ষেত্রে উভয়দেশের নিজেদের মধ্যে ব্যবসা বাড়াতে পারবে। এছাড়া বাংলাদেশের এগ্রো সেক্টর এবং সরকার ঘোষিত বন্ডেড ওয়্যারহাউসে কটন ও ম্যানমেইড ফাইবার খাতে যুক্তরাস্ট্রের বিনিয়োগের আহবান জানান। একই সাথে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যুক্তরাস্ট্রের নাগরিকদের জন্য ভিসা ও পাসপোর্ট প্রক্রিয়া সহজ করা এবং চট্টগ্রামে বাণিজ্যিক গুরুত্ব বিবেচনা করে যুক্তরাস্ট্রের দূতাবাসের কাউন্সিল অফিস স্থাপন, ঢাকা-নিউইয়র্ক সরাসরি ফ্লাইট চালু ও ঢাকা-চট্টগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ে বিনিয়োগ করার উপর গুরুত্বারোপ করেন।এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চেম্বার সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আমজাদ হোসেন চৌধুরী, সিডিএ’র চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন, দূতাবাসের পলিটিক্যাল স্পেশালিস্ট ফিরোজ আহমেদ, চেম্বার পরিচালকবৃন্দ এস. এম. সাইফুল আলম, আবু হায়দার চৌধুরী (আমজাদ), আমান উল্লা আল ছগির (ছুট্টু), মোহাম্মদ মনির উদ্দিন, মোঃ আফসার হাসান চৌধুরী (জসিম), মোঃ গোলাম সরওয়ার, মোঃ জাহিদুল হাসান, মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, এ. এস. এম. ইসমাইল খান, ক্যাপ্টেন মোঃ আলাউদ্দিন আল আজাদ, মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম চৌধুরী, মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, সরোয়ার আলম খান, শহীদুল আলম, মোহাম্মদ শফিউল আলম ও মোঃ সেলিম নুর, সাবেক পরিচালক ডাঃ মঈনুল ইসলাম মাহমুদ চৌধুরী, ওয়াসিউর রহমান চৌধুরী, জহুরুল হক সেলিম, মোঃ রকিবুর রহমান (টুটুল), এম মহিউদ্দিন চৌধুরী, উইম্যান চেম্বারের সভাপতি আবিদা মোস্তফা, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ’র মেজর (অব.) এমদাদুল ইসলাম ও রিটজি গ্রুপ’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মির্জা মোঃ জামশেদ আলী।
২ মাস ১৭ দিন আগে
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের নিউরোসার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ মু. ইসমাঈল হোসেন বলেছেন, শতভাগ ডেডিকেটেড নিউরোসার্জারি অপারেশন থিয়েটার এবং সম্পূর্ণ স্বাধীন নিউরোসার্জিক্যাল আইসিইউ (ICU) এখন সময়ের দাবি। চট্টগ্রামের নিউরোসার্জারি সেবাকে আন্তর্জাতিক স্তরে নিয়ে যেতে নিউরোনেভিগেশন সম্প্রসারণ ও নিউরো-অনকোলজি মাল্টিডিসিপ্লিনারি টিম (MDT) গঠন ও স্কাল বেস প্রোগ্রাম চালুর মাধ্যমে এই সেক্টরে বিশ্বমানের সেবা নিশ্চিত সম্ভব এবং চট্টগ্রামে সেই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে আমরা কাজ করছি।রবিবার (২৮ জুন, ২০২৬) চট্টগ্রাম মহানগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে আয়োজিত “এ মাইলস্টোন অব এক্সিলেন্স” শীর্ষক বৈজ্ঞানিক সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করতে গিয়ে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।চট্টগ্রামে সফলভাবে সম্পন্ন হওয়া ১০০টি ব্রেন টিউমার অপারেশনের ক্লিনিক্যাল লক্ষণ, টিউমারের ধরন এবং অস্ত্রোপচারের ফলাফল নিয়ে একটি যুগান্তকারী গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেছেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের নিউরোসার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ মু. ইসমাঈল হোসেন। গবেষণায় অংশ নেওয়া ১০০ জন রোগীর তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, আক্রান্তদের মধ্যে ৫৮% পুরুষ এবং ৪২% নারী। মোট রোগীর ১৩% ছিল ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু।টিউমারের প্যাথলজিক্যাল ধরনে দেখা গেছে, অপেক্ষাকৃত মৃদু বা বিনাইন (Benign) প্রকৃতির মেনিনজিওমা (Meningioma) রোগীর সংখ্যা ছিল সবচেয়ে বেশি (৪৩%)। অন্যদিকে, মারাত্মক ও দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ম্যালিগন্যান্ট প্রকৃতির গ্লিওমা (Glioma) কেস ছিল ২৪%। বাকি কেসগুলো ছিল অন্যান্য জটিল ক্রেনিয়াল এবং স্কাল-বেস প্যাথলজি।ডাঃ ইসমাঈল হোসেন তাঁর গবেষণায় দেখিয়েছেন যে, রোগীরা সাধারণত বেশ কিছু জটিল নিউরোলজিক্যাল সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে আসেন। তারমধ্যে মাথাব্যথা, বমি, দৃষ্টিশক্তির সমস্যা, শারীরিক দুর্বলতা ও খিঁচুনি উল্লেখযোগ্য।মস্তিষ্কের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অংশ সচল রেখে সর্বোচ্চ পরিমাণ টিউমার অপসারণের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে ডাঃ ইসমাইলের সার্জিক্যাল টিম দুর্দান্ত সাফল্য দেখিয়েছে। ৮১% রোগীর ক্ষেত্রে শতভাগ বা সম্পূর্ণ টিউমার সফলভাবে অপসারণ করা সম্ভব হয়েছে। নিয়ার টোটাল রিসেকশন সম্পন্ন হয়েছে ১৫% কেসে এবং টিউমারটি অত্যন্ত জটিল বা সংবেদনশীল স্থানে থাকায় মাত্র ৪% রোগীর ক্ষেত্রে আংশিক অপসারণ করা হয় ।অপারেশন-পরবর্তী ফলোআপে দেখা গেছে, ৬২% রোগীর অবস্থার সুস্পষ্ট উন্নতি হয়েছে এবং ২৮% রোগীর অবস্থা স্থিতিশীল ছিল। যদিও ১০% রোগীর অবস্থার কিছুটা অবনতি ঘটেছিল এবং ১৮% রোগী সাময়িক কিছু জটিলতার সম্মুখীন হয়েছিলেন, সামগ্রিক জীবন রক্ষার হার ছিল অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক।সেমিনারে ডাঃ ইসমাঈল হোসেন বলেন, আমাদের এই ১০০টি কেসের উপাত্ত পরিষ্কারভাবে প্রমাণ করে যে, নিখুঁত প্রি-অপারেটিভ প্ল্যানিং বা অস্ত্রোপচারের আগের পরিকল্পনা অত্যন্ত জরুরি এবং দ্রুত অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করলে রোগীর সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।তবে স্থানীয় পর্যায়ে বিশ্বমানের চিকিৎসা সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে কিছু কাঠামোগত চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করে ডাঃ ইসমাঈল জানান, চিকিৎসকের কাছে রোগীদের দেরিতে আসা এবং আর্থিক সীমাবদ্ধতা সঠিক সময়ে চিকিৎসা শুরুর বড় বাধা। এছাড়া দীর্ঘমেয়াদি সাফল্যের হার ধরে রাখতে শতভাগ ডেডিকেটেড নিউরোসার্জারি অপারেশন থিয়েটার এবং সম্পূর্ণ স্বাধীন নিউরোসার্জিক্যাল আইসিইউ (ICU) এর প্রয়োজনীয়তার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে ডাঃ মু. ইসমাঈল হোসেন জানান, চট্টগ্রামের নিউরোসার্জারি সেবাকে আন্তর্জাতিক স্তরে নিয়ে যেতে নিউরোনেভিগেশন সম্প্রসারণ ও নিউরো-অনকোলজি মাল্টিডিসিপ্লিনারি টিম (MDT) গঠন ও স্কাল বেস প্রোগ্রাম চালু করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করা হবে।১০০টি কেসের এই সফল মাইলফলক প্রমাণ করে যে, সঠিক সুযোগ-সুবিধা ও উন্নত প্রযুক্তি পেলে চট্টগ্রামের স্থানীয় চিকিৎসকরা দেশেই বিশ্বমানের চিকিৎসা সেবা দিতে সম্পূর্ণ সক্ষম।
২ মাস ২১ দিন আগে
বৈদেশিক প্রস্তুতকারকদের তালিকাভুক্তির যাচাই-বাছাইয়ে ধীরগতির কারণে বাংলাদেশ রেলওয়ে প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক, পাহাড়তলী কর্তৃক ডিজেল লোকোমোটিভ-এর খুচরা যন্ত্রাংশ কার্যক্রমে চরম জটিলতা দেখা দিয়েছে। এতে বিদেশী খুচরা যন্ত্রাংশ প্রস্তুতকারকেরা ব্যবসায়িক কার্যক্রমে অনাগ্রহ প্রকাশ করছে। রবিবার (২৮ জুন) এ তথ্য জানান বাংলাদেশ রেলওয়ে স্পেয়ার্স এন্ড এক্সেসরিজ সাপ্লাইয়ার্স এসোসিয়েশনের সাথে যুক্ত (বারেসাএসাএ) ব্যবসায়ীরা। তাদের মতে, বিগত স্বৈরাচার সরকারের মধ্যবর্তী সময় থেকে এই তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া কাজ শুরু হলেও ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন মেয়াদে ৭ দফা দরপত্র খোলার তারিখ পিছানো হয়। স্বৈরাচার সরকারের সংসদীয় কমিটির প্রধান ও তাদের কতিপয় ঘনিষ্ট সহযোগীদের অবৈধ হস্তক্ষেপের কারনে দরপত্রটি সেই সময়ে থেকে অদ্যাবধি পর্যন্ত নিষ্পত্তি হয়নি। ইতোমধ্যে পূনরায় দরপত্র আহ্বানের পর এর যাচাই-বাছাই কার্যক্রম অত্যন্ত ধীরগতিতে প্রক্রিয়াধীন অবস্থায় আছে বিধায় উক্ত দরপত্রের অংশগ্রহণকারীরা খুবই হতাশগ্রন্থ তালিকাভুক্তির কার্যক্রম বিলম্বিত হওয়ায় বিদেশী প্রস্তুতকারকেরাও ব্যাবসায়িক কার্যক্রমে অনাগ্রহ প্রকাশ করছে। ফলে বাংলাদেশ রেলওয়ের ডিজেল লোকোমোটিভ যন্ত্রাংশ ক্রয়সংগ্রহ কার্যক্রমে অনাকাঙ্খিত জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে।সূত্রমতে, প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক, পাহাড়তলী দপ্তরে ফ্রি কোয়ালিফিকেশন এন্ড এনলিস্টমেন্ট ফর গুডস: স্পেয়ার পার্টস ফর ডিজেল ইলেকট্রিক লোকোমোটিভস এর জন্য ইনভাইটেশন ফর এনলিস্টমেন্ট (আএফই) নং-৫৪.০১.১৫৪৩.৪৫৫.০৭.০৩৭.২৪, ওপেনড অন ১৯.০৮.২০২৪ইং এবং ৩০.১১.২০২৫ইং দুপুর ১২ ঘটিকায় দরপত্র দাখিলের শেষ সময় ছিল। এই তালিকাভুক্তির জন্য মোট ৯৭টি প্রতিষ্ঠান আবেদন ফরম সংগ্রহ করে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ৫৪টি প্রতিষ্ঠান আবেদন ফরম দাখিল করে। যা যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে তালিকাভুক্তকরণ অদ্যাবধি সম্পন্ন হয়নি। এই ধীরগতির কারনে উক্ত দরপত্রে অংশগ্রহণকারীরা খুবই হতাশগ্রন্থ এবং তালিকাভুক্তির কার্যক্রম বিলম্বিত হওয়ায় বিদেশী প্রস্তুতকারকেরা ব্যবসায়িক কার্যক্রমে অনাগ্রহ প্রকাশ করছে। এছাড়া বাংলাদেশ রেলওয়ের ডিজেল লোকোমোটিভ যন্ত্রাংশ ক্রয়সংগ্রহ কার্যক্রমে অনাকাঙ্খিত জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে।এমতাবস্থায় রেলওয়ের যাত্রীসেবার মান উন্নয়নের পরিপ্রেক্ষিতে সমুদয় ডিজেল লোকোমোটিভ যন্ত্রাংশের তালিকাভুক্তিকরনের দরপত্রটি অতিদ্রুত নিষ্পত্তি করার জন্য রেলপথ মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বাংলাদেশ রেলওয়ে স্পেয়ার্স এন্ড এক্সেসরিজ সাপ্লাইয়ার্স এসোসিয়েশনের সাথে যুক্ত ব্যবসায়ীরা। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ রেলওয়ে স্পেয়ার্স এন্ড এক্সেসরিজ সাপ্লাইয়ার্স এসোসিয়েশন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক টিও লাইসেন্স প্রাপ্ত বাংলাদেশ রেলওয়ের একমাত্র ব্যবসায়িক সংগঠন। যাহা বাংলাদেশের ব্যবসায়িদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই জিআই এ ক্লাস এসোসিয়েশন। এই সংগঠননে সমগ্র বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্ব ও পশ্চিম জোনের নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত প্রায় ১৫০০ সরবরাহকারীর প্রতিনিধিত্ব করে। এই সংগঠনের সদস্যরা বাংলাদেশ রেলওয়েকে সচল রাখার জন্য প্রয়োজনীয় সর্বপ্রকার দেশীয়, বৈদেশিক যন্ত্রাংশ (ডিজেল ইঞ্জিন, কোচ ও ওয়াগণের অন্যান্য) চাহিদা মোতাবেক সরবরাহ করে থাকে।একই সাথে বাংলাদেশ রেলওয়ে স্পেয়ার্স এন্ড এক্সেসরিজ সাপ্লাইয়ার্স এসোসিয়েশন এর মাধ্যমে রেলওয়ের সরবরাহকারীদের বিভিন্ন যৌক্তিক সমস্যা সমাধানে ও ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষার্থে কাজ করে বলে জানান সংগঠনটির সভাপতি ফেরদৌস হুদা চৌধুরী। তিনি বলেন, বারেসাএসাএ সদস্যদের স্বার্থ রক্ষায় এ বিষয়ে খুব শীগ্রই রেলপথ মন্ত্রীর বরাবরে স্বারকলিপি প্রদান করা হবে। যার অনুলিপি রেল প্রতিমন্ত্রী, রেল সচিব, মহাপরিচালক বাংলাদেশ রেলওয়ে, অতি: মহাপরিচালক-আরএস, বাংলাদেশ রেলওয়ে, প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক, বাংলাদেশ রেলওয়ে, পাহাড়তলী, চট্টগ্রাম বরাবরে প্রেরণ করা হবে।
২ মাস ২১ দিন আগে
সিএন্ডএফ এজেন্টদের ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন কার্যক্রম সহজ, দ্রুত ও নির্বিঘ্ন করতে চট্টগ্রামের আগ্রাবাদস্থ সিএন্ডএফ ভবনে অস্থায়ী সেবা বুথ স্থাপন করছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে চট্টগ্রাম কাস্টমস এজেন্টস্ এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সাথে তাঁর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাতে বুথ স্থাপনের অনুরোধ জানান। এর প্রেক্ষিতে ব্যবসায়ীদের ভোগান্তি লাঘবে মেয়র তাৎক্ষণিকভাবে দ্রুত সময়ের মধ্যে এই বুথ স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।সাক্ষাতকালে সিএন্ডএফ এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ মেয়রের নিকট তুলে ধরেন যে, প্রতি বছর বিপুল সংখ্যক সিএন্ডএফ এজেন্টের ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়ে নানাবিধ প্রাতিষ্ঠানিক আনুষ্ঠানিকতায় সময়ক্ষেপণ হয়। যদি আগ্রাবাদস্থ সিএন্ডএফ ভবনে চসিকের একটি অস্থায়ী বুথ স্থাপন করা যায়, তাহলে অত্যন্ত সুশৃঙ্খল পরিবেশে দ্রুততম সময়ে এই সেবা দেওয়া সম্ভব হবে।
৩ মাস ১৪ দিন আগে
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে উপজেলা পর্যায়ে বাংলাদেশ সাসটেইনেবল রিকভারী, ইমারজেন্সি প্রিপেয়ার্ডনেস অ্যান্ড রেসপন্স প্রজেক্ট (বি-স্ট্রং) বিষয়ক প্রকল্প অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (এসডিএফ)’র আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সোনাইমুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাছরিন আক্তার। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা।অনুষ্ঠানে প্রকল্পের বিভিন্ন দিক উপস্থাপন করেন এসডিএফ বি-স্ট্রং প্রকল্পের সোনাইমুড়ী উপজেলা কোঅর্ডিনেটর মো. জাকির হোসেন। এছাড়া প্রকল্পের বিস্তারিত পরিচিতি তুলে ধরেন চট্টগ্রাম অঞ্চলের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক মো. সামিউল হক।প্রকল্প পরিচিতিতে তিনি জানান, ২০২৪ সালের আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সহায়তা প্রদান এবং তাদের টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ২০২৬ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত প্রকল্পের মেয়াদকালে সোনাইমুড়ী উপজেলার প্রায় ৪ হাজার দরিদ্র ও অতিদরিদ্র পরিবার এই প্রকল্পের আওতায় সহায়তা পাবে।সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাছরিন আক্তার বলেন, বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে অর্থনৈতিক পুনর্গঠন এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এ প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে এ ধরনের উদ্যোগকে অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে উল্লেখ করেন।অনুষ্ঠানে উন্মুক্ত আলোচনা পর্বে অতিথিরা সুবিধাভোগীদের মধ্যে বিতরণকৃত অর্থ সহায়তা উৎপাদনমুখী কাজে ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
৩ মাস ২৯ দিন আগে
শপথ গ্রহণ করলেন বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, চট্টগ্রাম ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, চট্টগ্রামে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীগণের সমন্বয়ে প্রতিষ্ঠিত শত বছরের ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি ও বিনোদনমূলক এবং সেবামূলক প্রতিষ্ঠান কে.সি.দে ইনস্টিটিউট (অফিসার্স ক্লাব) এর নির্বাচিত কমিটি। বৃহস্পতিবার (৭ মে) ক্লাবের সম্মেলন কক্ষে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ক্লাবের সম্মানিত সদস্য ও বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, চট্টগ্রামের প্রশাসনিক কর্মকর্তা জনাব মো. গিয়াস উদ্দিন। এছাড়া দুই অফিসে সিনিয়র জুনিয়র সদস্যবৃন্দ, সম্মানিত উপদেষ্টাবৃন্দ, সাবেক নির্বাহী কমিটির সদস্যগণ এবং নির্বাচন কমিশনের সদস্যগণ শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এর আগে গত ২মে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী কে.সি.দে ইনস্টিটিউট (অফিসার্স ক্লাব) এর ৩ বছর মেয়াদী নির্বাহী পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে দুই অফিস থেকে নির্বাচিত ১৫ (পনেরো) জন সদস্যের মধ্যে ক্লাবের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী-সভাপতি ও সাধারণ স¤পাদকসহ ১০টি স¤পাদকীয় পদ এবং ৫ জন নির্বাহী সদস্যের প্রত্যক্ষ ভোটাভোটির মাধ্যমে ক্লাবের কমিটি গঠন করা হয়। তবে এর মধ্যে ১ জন সদস্য অনুপস্থিত থাকায় ১৪ সদস্য নিয়ে বর্তমান নির্বাহী পরিষদের কমিটি গঠিত হয়।কমিটির সভাপতি হন আলহাজ্ব মো. নাসির উদ্দির চৌধুরী, সহ-সভাপতি জনাব স্বদেশ শর্মা, সাধারণ স¤পাদক জনাব মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ স¤পাদক উদয় শংকর সেন, সাংগঠনিক স¤পাদক সৈয়দ মো. এরশাদ আলম, সংস্কৃতি ও বিনোদন স¤পাদক মোহাম্মদ আলী, অর্থ স¤পাদক জনাব রিয়াজ উদ্দিন আহাম্মদ, ক্রীড়া স¤পাদক জনাব নিউটন বড়ুয়া, দপ্তর ও প্রচার স¤পাদক মুহাম্মদ নাজিম উদ্দিন চৌধুরী, সাহিত্য ও পাঠাগার স¤পাদক মো. আমির হোসেন, নির্বাহী সদস্য মো. আবুল হাশেম, নির্বাহী সদস্য মো. কামাল হোসেন, নির্বাহী সদস্য মো. খোরশেদ আলম, নির্বাহী সদস্য মো. আক্তার হোসেন। নবনির্বাচিত নির্বাহী কমিটির সভাপতি ও সাধারণ স¤পাদক ক্লাবের সকল সদস্যগণকে শুভেচ্ছা ও অভিন্দন জানান এবং সকলের নিকট সহযোগিতা কামনা করেন। -তথ্য সূত্র- মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন, সাধারণ স¤পাদক, কে.সি.দে ইনস্টিটিউট (অফিসার্স ক্লাব), চট্টগ্রাম।
৪ মাস ১০ দিন আগে
চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনের মনোনয়ন ফরম নিতে বাধা পাওয়ার অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগপন্থী আইনজীবীরা। এ নিয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। একপর্যায়ে এর প্রতিবাদে ঘৃণা মিছিল করেছেন আওয়ামী লীগপন্থী আইনজীবীরা। সোমবার (৪ মে) সন্ধ্যায় বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের বাধার অভিযোগ করেন আওয়ামী লীগপন্থি সাধারণ আইনজীবী ফোরাম থেকে সভাপতি প্রার্থী সাবেক পিপি অ্যাডভোকেট আবদুর রশিদ। তিনি বলেন, সোমবার বিকেল ৩টার দিকে চট্টগ্রাম আদালতে আইনজীবী সমিতি ভবনে বার লাইব্রেরিতে মনোনয়ন ফরম নিতে যান আওয়ামী লীগপন্থী একদল আইনজীবী। তারা এবার সাধারণ আইনজীবী ফোরাম নামে নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা দিয়েছিল। কিন্তু মনোনয়ন ফরম তুলতে আমাদের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। ভেতর থেকে বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা আমাদের বাধা দিয়েছেন। বিকেল ৫টা পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনেক চেষ্টা করেও সাধারণ আইনজীবী ফোরামের কেউ ফরম সংগ্রহ করতে পারেননিফরম না পেয়ে সাধারণ আইনজীবী ফোরামের সদস্যরা ভোট চোর, ভোট চোর, তুমি কে আমি কে, আইনজীবী আইনজীবী, ভোট চোরের গালে গালে, জুতা মারো তালে তালে, ভুয়া ভুয়া ¯ে¬াগান দিতে থাকেন। তখন বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা সেখানে গেলে উভয়পক্ষে উত্তেজনা ও হট্টগোল হয়। পরে তারা মুখে কালো কাপড় বেঁধে আদালত প্রাঙ্গনে ঘৃণা মিছিল করেন বলে জানান আবদুর রশিদ। অভিযোগের বিষয়ে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম, চট্টগ্রামের সদস্যসচিব কামরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, বর্তমান সময়ে আওয়ামী লীগের আইনজীবীদের নির্বাচনে অংশ নেয়ার সুযোগ নেই। তবে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পাওয়া অ্যাডভোকেট রওশন আরা জানিয়েছেন, বিকেল ৫টা পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যারাই মনোনয়ন ফরম নিতে গেছেন, সবাইকে দেওয়া হয়েছে।২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গতবছর অনুষ্ঠিত জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনেও আওয়ামী লীগপন্থীদের অংশগ্রহণে বাধার অভিযোগ উঠেছিল। শেষপর্যন্ত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপি-জামায়াতপন্থীরা বিজয়ী হয়েছিলেন।
৪ মাস ১৪ দিন আগে
এবার মানুষ নয়, কাঁটাতারের বেড়া পেরিয়ে ফেনীর তিন গরুও ভারতের ত্রিপুরায় চলে গেছে। ফেনীর পরশুরামের মীর্জানগর ইউনিয়নের আশ্রাফপুর সীমান্ত দিয়ে গরুগুলো ত্রিপুরা চলে যায়। এতে গরুর মালিক নুরুন নেসা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। গরুগুলো ফিরিয়ে আনতে বিজিবি যোগাযোগ করছে বিএসএফের সঙ্গে।ভুক্তভোগী নুরুন নেসা (৫৫) ফেনীর পরশুরামের মীর্জানগর ইউনিয়নের আশ্রাফপুর গ্রামের বাসিন্দা। ২০ বছর আগে এক দুর্ঘটনায় স্বামীকে হারানোর পর গরু পালন ও দুধ বিক্রি করে সংসার চালান তিনি। তার দুই ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে দুইজন প্রতিবন্ধী।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার (২ মে) নুরুন নেসার ছেলে নজরুল ইসলাম গরুগুলোকে ঘাস খাওয়াতে নিয়ে যান আশ্রাফপুর বড় কবরস্থান এলাকায়। এক পর্যায়ে তিনটি গরু কাঁটাতারের বেড়া পেরিয়ে চলে যায় ভারতের অভ্যন্তরে।গরুগুলো ত্রিপুরার রাজনগর থানার সামনে রাখা হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সাংবাদিক গরুগুলো সেখানে দেখতে পেয়েছেন বলে দাবি করেন। গরুর মধ্যে রয়েছে দুটি গর্ভবতী গাভী এবং একটি বড় বাছুর।নুরুন নেসা পরশুরাম মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। ফেনীস্থ ৪ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান জানালেন, গরুগুলো ফেরত আনতে বিজিবির পক্ষ থেকে বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং সমাধানের চেষ্টা চলছে বিষয়টির।
৪ মাস ১৪ দিন আগে
রেলপথ প্রতিমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাতে বারেসাএসাএ নেতৃবৃন্দ। ছবি: সরবরাহকৃত
৪ মাস ১৯ দিন আগে
ঢাকায় আন্তর্জাতিক ব্যবসা সম্মেলন
৫ মাস ১০ দিন আগে