রবিবার- ১৫ মার্চ, ২০২৬

নানা স্ক্যান্ডেলে আলোচনায়, নেই দর্শক চাহিদায়

নানা স্ক্যান্ডেলে আলোচনায়, নেই দর্শক চাহিদায়

রাজনৈতিক ও অনৈতিক নানা স্ক্যান্ডালের কারণে তারকারা দর্শক বিমুখ হয়ে পড়েছেন ঢাকার চলচ্চিত্রের লাস্যময়ী সুন্দরী তারকা অপু বিশ্বাস, বুবলী, মাহিয়া মাহি, পূর্ণিমা, পরীমণি, পূজা চেরি, রত্না কবীর, নুসরাত ফারিয়া, জয়া আহসান, তানহা তাসনিয়া, শিরিন শিলা, মিষ্টি জান্নাত, তমা মির্জা, বিদ্যা সিনহা ও মিম। যাদের কোনো ছবিই এখন দর্শকরা দেখতে চান না।

অবশ্যই কারো কারো বয়সও তাদের জন্য একটা সমস্যা হয়ে উঠেছে। কেউ কেউ আবার মাও হয়ে গেছেন। এছাড়াও লক্ষ্যণীয় বিষয় হলো মূল পেশা অভিনয়কে বাদ দিয়ে জীবিকা নির্বাহের মার্কেট হিসেবে তাদের অনেকেই দুবাইসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করছেন। সেখানে গিয়ে তাদের বেশভূষা, চলনবলন সব কিছু বদলে যায়।

আরও পড়ুন :  চট্টগ্রামে রেলওয়ের সিসিএস দপ্তরে আগুন

বিদেশের মাটিতে কাউকে কাউকে আবার শিথিল পোশাকেও দেখা যায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের পোস্ট করা ছবি থেকেই বিদেশে তারা কিভাবে অবস্থান করেন সেটা স্পষ্ট বুঝা যায়। এভাবে তারা অর্থ উপার্জন করেন গ্ল্যামার জগতের নাম ভাঙ্গিয়ে। কেউ কেউ মঞ্চ, দোকান উদ্বোধন, টিভি শো, নাটক করার পথ বেছে নিয়েছেন। আবার কারো কারো কাছে প্রেম-বিয়েটাই প্রধান।

মনে হয় তারা টাকাওয়ালা মানুষদের খুঁজতেই চলচ্চিত্রে আসেন। কারো কারো টার্গেট যশখ্যাতি সম্পন্ন বিত্তবান নায়ক। অথচ এ সময়ে প্রয়োজন দর্শককে সিনেমা হলে টেনে আনার মতো তারকা। একজন নির্মাতা বলেছেন, পুরান তারকাদের সব বাদ। চলচ্চিত্রশিল্পকে বাঁচাতে হলে নির্মাতাদের পুরনো সব ঝেড়ে ফেলে নতুন ভাবনা নিয়ে এগুতে হবে।

আরও পড়ুন :  চট্টগ্রামে পিউরিয়া ফুড প্রোডাক্টস কারখানায় অভিযান, তিন কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

নানা স্ক্যান্ডেলে আলোচনায়, নেই দর্শক চাহিদায়

আরেকজন নির্মাতার ভাষ্য, সহজভাবে টাকা উপার্জনের উদ্দেশ্যের কারণে তারকারা দর্শকের কাছে গ্রহণযোগ্যতা হারাচ্ছেন। তাদের কাছে দর্শকের চাইতে অর্থই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তারকাদের দায়িত্বহীনতার কারণেও দর্শক সিনেমা হল থেকে সরে গেছেন। লক্ষ্য করলে দেখা যাবে নব্বই দশকের শেষ দিকে ভিসিয়ার ও সিডির কারণে এক দফা দর্শক কমেছে।

এরপর চলচ্চিত্রে মিডিয়া জগতের নাটক নির্মিতাদের দাপট বাড়ার সুবাদে বিনা পয়সায় দেখা যায় এমন শিল্পীদের আগমন ঘটতে শুরু করে। বাণিজ্যিক ও অবাণিজ্যিক তারকারা দর্শক মনস্তত্ত্বকে প্রচণ্ডভাবে ধাক্কা দেন। সেটাও চলচ্চিত্রের জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠেছে এবং আরেক দফা সিনেমা হল থেকে সরে যায় দর্শক।

আরও পড়ুন :  চট্টগ্রামে রেলওয়ের সিসিএস দপ্তরে আগুন

তবে মিডিয়ার নির্মাতারা যে দু’চারটি দর্শক পছন্দের ছবি নির্মাণ করেন নি এমন নয়। কিন্তু তারা চলচ্চিত্রে আশি বা নব্বই দশকের আবহ ফিরিয়ে আনতে পারেননি। এজন্য প্রকৃত অর্থেই চলচ্চিত্রের পেশাদার নির্মাতাদের প্রয়োজন। মনে রাখতে হবে যে এখন বিনোদন জগত উন্মুক্ত।

ঈশান/খম/বেবি

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page