শনিবার- ১৮ এপ্রিল, ২০২৬

চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণে মারা গেলেন আরও দু‘জন

চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণে মারা গেলেন আরও দু‘জন
print news

ট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহর এইচ ব্লকের এসি মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় রান্নাঘরে জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণে মারা গেলেন আরও দু‘জন। এ নিয়ে ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাড়িয়েছে ৫ জনে। সর্বশেষ নিহত ব্যক্তি হলেন সাখাওয়াত হোসেন (৪৯)।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। এর আগে মারা যান সাখাওয়াতের ছোট ভাইয়ের স্ত্রী আশুরা আক্তার পাখি। এর আগে স্ত্রী নুরজাহান আক্তার রানী (৪০), ছেলে শাওন (১৬), ছোট ভাই সামির আহমেদ সুমন (৪০) মারা যান।

আরও পড়ুন :  চট্টগ্রামে বসছে দু‘দিনের বৈশাখী মেলা, শেষের দিন জব্বারের বলীখেলা

বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জানান, সাখাওয়াতের শরীরের শতভাগই পুড়ে গিয়েছিল। একইভাবে শতভাগ পুড়ে গিয়েছিল আশুরা আক্তার পাখি। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শ্বাসনালীও।

বর্তমানে সাখাওয়াতের মেয়ে উম্মে আয়মান স্নিগ্ধা ৩৮ শতাংশ, আয়েশা ৪৫ শতাংশ, ফারহান আহমেদ আনাস ৩০ শতাংশ এবং শিপন ৮০ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তাদের সবার অবস্থাও আশংকাজনক।

সূত্রমতে, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সোমবার ভোরে হালিশহর এইচ ব্লকের এসি মসজিদ সংলগ্ন এলাকার হালিমা মঞ্জিল নামে ছয় তলা ভবনের তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে বিকট শব্দে বিস্ফোরণের পরপরই আগুন ধরে যায়। এই ঘটনায় দগ্ধ হয়েছেন ওই পরিবারের নারী ও শিশুসহ ৯ জন।

আরও পড়ুন :  চট্টগ্রাম বন্দরে চার জাহাজে আসছে বিপুল পরিমাণ ডিজেল

তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় লোকজন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বার্ন ইউনিটে ভর্তি করে। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে সন্ধ্যার দিকে তাদেরকে ঢাকায় জাতীয় বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসেন স্বজনরা।

দগ্ধ সাখাওয়াতের চাচাতো ভাই মো. মিলন জানান, তাদের বাড়ি কুমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলার বাগমারা গ্রামে। সাখাওয়াত হোসেন হালিশহরে মোটর পার্টসের ব্যবসা করেন। পর্তুগাল প্রবাসী ভাই সুমন চলতি মাসের ৪ তারিখে দেশে আসে। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি চিকিৎসার জন্য সুমন পরিবার নিয়ে চট্টগ্রামে সাখাওয়াতের বাসায় আসে। আরেক ছোট ভাই শিপন হালিশহরেরই বাসিন্দা।

আরও পড়ুন :  চউক চেয়ারম্যান নিয়োগ নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে

তিনি আরও জানান, সোমবার ভোরে রান্না শেষে তারা রোজার সাহরি খাওয়ার কিছুক্ষণ পরই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস। ফায়ার সার্ভিসের তথ্যমতে, কেজিডিসিএলের লাইনে জমানো গ্যাস থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

ঈশান/মখ/মম

আরও পড়ুন