Dainik Ishan
প্রকাশক: কামাল উদ্দিন
সম্পাদক: খ. ম. ইব্রাহিম
গোপনীয়তার নীতি|আমাদের সম্পর্কে|আর্কাইভ

যোগাযোগ

সম্পাদকীয় কার্যালয় : নুরভবন, শাহ আমানত সড়ক, চট্টগ্রাম।

ফোন : ০৯৬৯৭৫১০০২৪, ০১৫৩২৭৬৪৪০৪।

ইমেইল: dainikishan@gmail.com

প্রয়োজনীয় লিংক

  • Facebookফেসবুক পেজ
  • Xএক্স (টুইটার)
  • LinkedInলিংকডইন
  • @থ্রেডস
  • Messengerমেসেঞ্জার
  • WhatsAppহোয়াটসঅ্যাপ
  • Instagramইনস্টাগ্রাম
  • Telegramটেলিগ্রাম
  • YouTubeইউটিউব চ্যানেল
  • টিকটক

কিউআর কোড

QR Code
Copyright©DainikIshan`2023 । সতর্কতা-কপিরাইট অ্যাক্ট অনুসরণ করুন...
Developed by Dainik Ishan IT Team
বেচা-কেনা.com
ই-পেপার
প্রেস রিলিজ
ফেসবুক পেজসমূহ
  • Dainik Ishan | দৈনিক ঈশান
  • দৈনিক ঈশান | Dainik Ishan
  • Dainik Ishan | দৈনিক ঈশান
Dainik Ishan
XLinkedIn@MessengerWhatsAppInstagramTelegramYouTube
    বিজ্ঞাপন — 970 × 90

    আপনার এলাকার খবর

    রাজনীতি

    উত্তেজনার পর সমঝোতায় মেয়র ও এনসিপি

    উত্তেজনার পর সমঝোতায় মেয়র ও এনসিপি

    চট্টগ্রামে জুলাই গ্রাফিতি নিয়ে লঙ্কাকান্ড!

    চট্টগ্রামে জুলাই গ্রাফিতি নিয়ে লঙ্কাকান্ড!

    সাদিক কায়েম বিয়ে করলেন কুমিল্লার মেয়ে ডা. আনিকাকে

    সাদিক কায়েম বিয়ে করলেন কুমিল্লার মেয়ে ডা. আনিকাকে

    ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন আর নেই

    বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন আর নেই। বুধবার (১৩ মে) সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। পারিবারিক সূত্র জানায়, বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি। কয়েকদিন ধরে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। অবস্থার অবনতি হলে বুধবার সকালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসন থেকে সাতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং আওয়ামী লীগের অন্যতম জ্যেষ্ঠ নেতা। দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে তার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।সাবেক মন্ত্রী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন ১৯৪৩ সালের ১২ জানুয়ারি চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার ধুম গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা শেষ করেন চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুলে। পরে স্যার আশুতোষ সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। ১৯৬৬ সালে লাহোরের ইঞ্জিনিয়ারিং ও কারিগরি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন। লাহোরে অধ্যয়নকালেই তিনি ছয় দফা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হন এবং পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। দেশে ফিরে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন এম এ আজিজের হাত ধরে।১৯৭০ সালে প্রথমবার তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। স্বাধীনতার পর ১৯৭৩, ১৯৮৬, ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসন থেকে তিনি মোট সাতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি ১ নম্বর সেক্টরের সাব-সেক্টর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধের শুরুর দিকে চট্টগ্রামে পাকিস্তানি বাহিনীর অগ্রযাত্রা ঠেকাতে শুভপুর সেতু উড়িয়ে দেওয়ার অভিযানে নেতৃত্ব দেন তিনি। পরে বিশেষ প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন গেরিলা অভিযানে অংশ নেন।স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সংবিধান প্রণেতাদের অন্যতম ছিলেন তিনি। ১৯৮৬ সালে জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় হুইপের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৫ সালেও তিনি গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন। দলীয় রাজনীতিতে তিনি চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ স¤পাদক ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।তার পিতা এস রহমান ছিলেন তৎকালীন প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। তিনি চট্টগ্রামে ওরিয়েন্ট বিল্ডার্স কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠা করেন এবং কক্সবাজারে ১৯৬৪ সালে হোটেল সায়মন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে পর্যটন শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনও পরবর্তীতে পারিবারিক ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হন। ১৯৮৩ সালে তিনি গ্যাসমিন লিমিটেড নামে একটি ইঞ্জিনিয়ারিং ও কনস্ট্রাকশন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। এছাড়া তিনি দ্য পেনিনসুলা চিটাগাং হোটেলের চেয়ারম্যান ছিলেন। ব্যক্তিজীবনে স্ত্রী আয়েশা সুলতানার সঙ্গে সংসার জীবন কাটিয়েছিলেন তিনি। তাদের তিন ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

    ৫ দিন আগে
    ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন আর নেই

    পশ্চিমবঙ্গে শুভেন্দুকে ক্ষমতায় বসানো হয়েছে হাসিনার পরামর্শে

    লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী ড. কর্নেল অলি আহমদ (বীর বিক্রম) বলেন, পশ্চিমবঙ্গে এবার ভোট হয়েছে বাংলাদেশের কায়দায়। যা হাসিনার পরামর্শ মতে ভোটে ইঞ্জিনিয়ারিং করে মমতাকে হারিয়ে শুভেন্দু অধিকারীকে ক্ষমতায় বসানো হয়েছে।রবিবার চট্টগ্রাম ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ১১ দলীয় ঐক্যের সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন কর্নেল অলি আহমদ (বীর বিক্রম)। তিনি বলেন, নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী জেতার পর থেকে পশ্চিমবঙ্গে সংখ্যালঘু মুসলমানদের উপর নির্যাতন করা হচ্ছে। পত্র-পত্রিকায় দেখলাম সেখানে মুসলমানদের গাড়িতে বেঁধে টেনে টেনে নির্যাতন করা হচ্ছে। কর্ণেল অলি আহমদ বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর বিএনপি দ্রুত নির্বাচন চেয়েছিল, আমরা বলেছি-আগে বিচার, সংস্কার ও নতুন সংবিধান। নির্বাচনে গণভোটে ৭০ শতাংশ জনগণ 'হ্যাঁ' ভোট দিয়ে জুলাই সনদকে বৈধতা দিয়েছে। কিন্তু সরকার গঠনের পর বিএনপি সেই অবস্থান থেকে সরে এসেছে, যার ফলে আজকে নতুন করে সংকট তৈরি হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী চাটুকারদের দ্বারা বেষ্টিত উল্লেখ করে তিনি বলেন, আপনি এসব বেষ্টনী থেকে বের হয়ে জনগণের ইচ্ছার প্রতি ফিরে আসেন। বেগম জিয়া ও জিয়াউর রহমানের মর্যাদা রক্ষা করুন। ইচ্ছা করলেই ক্ষমতায় থাকা যায় না। ক্ষমতায় থাকতে হলে নীতি-নৈতিকতা ও জনগণের সমর্থন প্রয়োজন হয়। দেশের ৭০ শতাংশ মানুষের ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে আপনি ক্ষমতায় থাকতে পারবেন না।তিনি বলেন, গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে নিয়োগে দলীয়করণ বন্ধ করতে হবে। আমি বলবো প্রধানমন্ত্রীকে চিন্তা করতে হবে, তাঁর দলের যে যাই করুক, দায় তাঁকেই নিতে হবে। দ্রব্যমূল্যের কারণে মানুষের মধ্যে অশান্তি সৃষ্টি হলে সরকার সেটি সামাল দিতে পারবে না। বিরোধী দলও আঙুল চুষবে না।বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম মহানগরীর সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিনের সঞ্চালনায় এতে প্রধান আলোচক ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট শিশির মনির।জামায়াতের ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিততে তাঁর পক্ষে সালাউদ্দিন সাহেব ঘোষণা দিয়েছেন, জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে পালন করবেন। প্রধানমন্ত্রীও বিভিন্ন জায়গায় এমন কথা বলেছেন। কিন্তু উনারা গণভোট অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে বলছেন না কেন? কারণ বিএনপি জুলাই সনদ জুলাইয়ের ¯িপরিট নয়, নিজেদের মতো করে বাস্তবায়ন করতে চান। তিনি বলেন, বিএনপি জুলাই সনদে যে ১০টি বিষয়ে নোট অফ ডিসেন্ট দিয়েছেন সেগুলোই স্বৈরাচার উৎপাদনের হাতিয়ার। এসব নোট অফ ডিসেন্ট ৭০ শতাংশ মানুষ গণভোটে হ্যা ভোট দিয়ে খারিজ করে দিয়েছে।বল সরকারের কোর্টে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বল এখন জামায়াতের কোর্টে নেই। বল আপনাদের কোর্টে। আপনারা যদি ভুল করেন তাহলে আপনাদের বারেই ঢুকে যাবে। তিনি বলেন, জনগণের ভাষা বুঝতে চেষ্টা করুন, পাঁচ কোটি মানুষের গণভোটের রায়কে অস্বীকার করে দেশে নতুন সংকট তৈরি করবেন না। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিন, তা না হলে যারা অতীতে কর্তৃত্ববাদী ও ফ্যাসিবাদী শাসনের পথ বেছে নিয়েছিল, তাদের মতো পরিণতি ভোগ করতে হবে।অ্যাডেভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির বলেন, গণভোট জনগণের প্রত্যক্ষ মতামত প্রকাশের গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি। গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকারি দলের অবস্থান নেওয়া কোনভাবেই কাম্য নয়। এতে সাংবিধানিক, রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক সংকট তৈরি হয়। তিনি আরও বলেন, সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭ অনুযায়ী গণভোট জনগণের সার্বভৌমত্বের বাস্তব প্রয়োগ। অতীতে ১৯৮৫, ১৯৯৬ ও ১/১১ এর সংকট এবং ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান প্রমাণ করে জনগণের সরাসরি রায় অগ্রাহ্য করা ক্ষমতা দীর্ঘমেয়াদে টেকসই হয় না। যুক্তরাজ্য, গ্রিস, কলম্বিয়ার নজিরও তাই বলে।

    ৭ দিন আগে
    পশ্চিমবঙ্গে শুভেন্দুকে ক্ষমতায় বসানো হয়েছে হাসিনার পরামর্শে

    অজ্ঞাতবাস থেকে ফিরে যা বললেন মনজুর

    প্রায় ৪৮ ঘন্টা পর ‘অজ্ঞাতবাস’ থেকে ফিরলেন সাবেক মেয়র এম মনজুর আলম। অন করলেন মোবাইল ফোন। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অফিসে গিয়ে দেখা দিয়েছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। জানালেন, ব্যবসায়িক কাজে ছিলেন ব্যস্ত। ‘অজ্ঞাতবাসের’ অন্য কোনো কারণ নেই।এমনটা জানালেও রাজনীতির প্রসঙ্গ তুলতেই দীর্ঘশ্বাস ছাড়েন এম মনজুর আলম বলেন, ‘সব নষ্ট হয়ে গেছে।’ শনিবার (৯ মে) বিকাল ৫টার দিকে মোবাইল ফোনে কল দিলে রিসিভ করেন তিনি। কেমন আছেন জানতে চাইলে গম্ভীর স্বরে বলেন, ‘ভালো’।অজ্ঞাতবাস কেমন উপভোগ করলেন— জানতে চাইলে স্বভাবসুলভ হেসে ফেলেন, কী লেখেন আপনারা কিছু বুঝতে পারি না। কীসের অজ্ঞাতবাস! আমি ব্যবসা-বাণিজ্য করি। এগুলো নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম।এনসিপিতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে বলেন, ‘উনাদের সঙ্গে তো আমার আর কোনো যোগাযোগ হয়নি। উনারাও করেননি, আমিও করিনি। আমি ভাই আর কোথাও নেই।’রাজনীতিতে আর সক্রিয় হবেন কি না— জানতে চাইলে মনজুর আলম দীর্ঘশ্বাস ছাড়েন, ‘রাজনীতি করে আর কী করব! সব নষ্ট হয়ে গেছে।’সূত্র জানায়, জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দেওয়ার জোর গুঞ্জনের মধ্যে গত বুধবার সকাল থেকে নিজেকে আড়াল করেন এম মনজুর আলম। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে ছিল এনসিপির যোগদান অনুষ্ঠান। সেদিন পুলিশ ও এনসিপি নেতারা হন্যে হয়ে তার খোঁজ করেন। শেষ পর্যন্ত মনজুরকে না পেয়ে ‘নামকাওয়াস্তে’ যোগদান অনুষ্ঠান সেরে চট্টগ্রাম ছাড়েন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ কেন্দ্রীয় নেতারা। এরপর শনিবার বেলা ১১টার দিকে নিজের মোস্তফা হাকিম গ্রুপের হেড অফিসে যান এম মনজুর আলম। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে তেমন কোনো কথা বলেননি। দুপুর আড়াইটার দিকে বেরিয়ে যান। বিকাল পৌনে ৫টা পর্যন্ত ছিলেন বাসায়। এরপর আবার বেরিয়ে যান।ঘনিষ্ঠদের দেওয়া তথ্য, এম মনজুর আলম তাদের পারিবারিক মালিকানায় থাকা মোস্তফা হাকিম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। নগরীর দেওয়ানহাটে গ্রুপের হেড অফিসে বসেন নিয়মিত। অজ্ঞাতবাসের শেষ ২৪ ঘণ্টায় যখন মনজুরকে হন্যে হয়ে খোঁজা হচ্ছিল, তখন তিনি অবস্থান করছিলেন নিজের ‘এইচ এম স্টিল অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড’ কারখানায়। যেটি দক্ষিণ চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার ডাঙ্গারচর গ্রামে।বুধ ও বৃহস্পতিবার অজ্ঞাতবাসের পুরো তথ্য জানা গেল মনজুরের ঘনিষ্ঠ একজনের কথায়, ‘বুধবার সকাল ৯টার দিকে উনি মোবাইল ফোন বন্ধ করে বাসা থেকে বেরিয়ে সীতাকুণ্ডে যান। সেখানে একটি ওরস মাহফিলে সারাদিন ছিলেন। রাতে আর বাসায় যাননি। বৃহস্পতিবার সকালে ডাঙ্গারচরের কারখানায় চলে যান। সেখানে সারাদিন ছিলেন। উনার ছেলে ছাড়া আর কেউ বিষয়টি জানতেন না। শুক্রবার সকালে বাসায় আসেন। সারাদিন আর বাসা থেকে বের হননি। শনিবার অফিসে গেছেন।’ঘনিষ্ঠ ওই ব্যক্তির রসিকতা, ‘ডাঙ্গারচরে বসে মনজু সাহেব এনসিপিতে যোগদান অনুষ্ঠান এনজয় করেছেন।’আওয়ামী লীগ-বিএনপি উভয় দলে ঘুরেফিরে মনজুর এবার এনসিপিতে বাসা বাঁধছেন— এক মাস ধরে এমন আলোচনা চলছিল চট্টগ্রামে। নগর এনসিপির আহ্বায়কের পদ নেওয়ার পাশাপাশি দলটি তাকে আগামী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী করছে— এমন গুঞ্জনও ছিল। গত ১৪ এপৃল বিকালে এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ মনজুরের উত্তর কাট্টলীর বাসায় গিয়ে বৈঠক করলে এ গুঞ্জন আরও তীব্র হয়। কিন্তু পরিবারের সদস্য, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত কর্মকর্তা এবং ঘনিষ্ঠ কয়েকজনের আপত্তিতে শেষ পর্যন্ত মনজুর এনসিপির ঘাটে নৌকা না ভিড়িয়ে ফেরত আসেন। ছেলে সরওয়ার উল আলমের ভাষ্য, সত্তরোর্ধ্ব বয়স, ব্যাংকঋণ, ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে ঝামেলা এড়াতে তারাই মনজুরকে আর রাজনীতিতে জড়াতে দিচ্ছেন না। মনজুরও পরিবারের সিদ্ধান্তকে সম্মান করেছেন।

    ৮ দিন আগে
    অজ্ঞাতবাস থেকে ফিরে যা বললেন মনজুর

    মন্ত্রিসভায় রদবদল ও আকার বাড়ছে, আসছে নতুন মুখ

    মন্ত্রিসভার রদবদল ও আকার বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে বিএনপি সরকার। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনতে মন্ত্রিসভায় রদবদল ও সম্প্রসারণের চিন্তা চলছে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক ভারসাম্য ও কর্মদক্ষতার বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (পিএমও) একাধিক সূত্র জানায়, নতুন করে পাঁচ থেকে ছয়জনের নাম নিয়ে আলোচনা চলছে। এর মধ্যে তিন থেকে চারজন মন্ত্রিসভায় যুক্ত হতে পারেন। টেকনোক্র্যাট কোটায় একজনকে অন্তর্ভুক্ত করার সম্ভাবনাও রয়েছে। এছাড়া দুজন নতুন উপদেষ্টা নিয়োগ দেওয়া হতে পারে।তবে ঠিক কবে নাগাদ মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ করা হবে, তা এখনও নিশ্চিত নয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, আগামী বাজেট অধিবেশনের আগেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসার সম্ভাবনা বেশি।প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একটি সূত্র জানায়, টেকনোক্র্যাট কোটায় নতুন মুখ হিসেবে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সভাপতি মাহিদুর রহমানের নাম আলোচনায় রয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ এবং পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য বি এম মোশাররফ হোসেনকেও মন্ত্রিসভায় দেখা যেতে পারে।একই সঙ্গে বর্তমান মন্ত্রিসভায় নোয়াখালী অঞ্চলের কোনো প্রতিনিধি না থাকায়, ওই অঞ্চল থেকেও একজনকে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা রয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে।সরকারের সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র বলছে, বর্তমান মন্ত্রিসভার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পুনর্বিন্যাস হতে পারে। একজন মন্ত্রীর দায়িত্ব কমানোর পাশাপাশি একটি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর পরিবর্তনের সম্ভাবনাও রয়েছে। কারণ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে প্রশাসনিক দুর্বলতা এবং কাজের ধীরগতির বিষয়টি সম্প্রতি সরকারের নজরে এসেছে। ইতোমধ্যে তিনটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন মন্ত্রীর বক্তব্য নিয়ে নানা ধরনের বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তার দায়িত্ব কমিয়ে দেওয়া হতে পারে— এমন আলোচনাও চলছে।প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সূত্র আরও জানিয়েছে, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকেও একজনকে মন্ত্রিসভায় দেখা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমানের নাম আলোচনায় রয়েছে। তবে, তার বয়স ও শারীরিক অবস্থার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। তিনি দায়িত্ব না পেলে সংরক্ষিত নারী আসনের অন্য কোনো সংসদ সদস্যকে মন্ত্রিসভায় আনা হতে পারে। এছাড়া, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খানের নামও আলোচনায় রয়েছে।নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারও মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেতে পারেন। সেক্ষেত্রে মুখ্য সচিব পদে নতুন নিয়োগ আসতে পারে। কয়েকজনের ফাইলও প্রস্তুত রয়েছে। তবে কবে নতুন মন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের নাম ঘোষণা হবে, সে বিষয়ে এখনও কোনো চূড়ান্ত নির্দেশনা আসেনিএই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘মন্ত্রিসভার কয়েকজনের অভিজ্ঞতার ঘাটতি রয়েছে। সে কারণেই নতুন মন্ত্রী ও উপদেষ্টা যুক্ত করে সরকারের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও কার্যকর করার চিন্তা করা হচ্ছে। এছাড়া, কিছু-কিছু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে সমন্বয়হীনতার বিষয়টি ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর নজরে এসেছে, সেখানে রদবদল হতে পারে।’ কাউকে-কাউকে দপ্তরবিহীন মন্ত্রীও করা হতে পারে।বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যে মন্ত্রিসভা গঠন করেছেন, তা দেশবাসীর কাছে ইতিবাচকভাবে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। ভবিষ্যতে তিনি যে পরিবর্তন বা সম্প্রসারণ করবেন, সেটিও দেশ ও সরকারের স্বার্থ বিবেচনায় করেই করবেন বলে আমরা বিশ্বাস করি।’মন্ত্রিসভায় রদবদল ও সম্প্রসারণের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আব্দুল্লাহ এম সালেহ (সালেহ শিবলী) বলেন, ‘এ বিষয়ে আমার কাছে কোনো তথ্য নেই। মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ বা রদবদল নিয়ে আমি কিছু জানি না।’প্রসঙ্গত, বর্তমান মন্ত্রিসভায় ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন। এছাড়া, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় ১০ জন উপদেষ্টা দায়িত্ব পালন করছেন।

    ১০ দিন আগে
    মন্ত্রিসভায় রদবদল ও আকার বাড়ছে, আসছে নতুন মুখ

    এনসিপি এড়াতে ধনকুবের মনজুর আলমের অজ্ঞাতবাস!

    হঠাৎ হদিস মিলছে না চট্টগ্রামের ধনকুবের শিল্পপতি ও সাবেক মেয়র এম মনজুর আলমের। না অফিস, না বাসা। মোবাইল বন্ধ। হন্যে হয়ে খুঁজছে পুলিশও। কোথাও মিলছে না মনজুর আলমের খোঁজ। কেন তার খোঁজ পাচ্ছেন না— ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার ধমকে তটস্থ মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যরাও।তিনি কি অপহরণের শিকার হয়েছেন? নাকি কেউ মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করছে?। ব্যাপারটা কী? মনজুর হঠাৎ কেন অজ্ঞাতবাসে? এর আগে গত এক মাস ধরে জোর আলোচনা চলছে, আওয়ামী লীগ-বিএনপি উভয় ঘাটের পানি খাওয়া মনজুর জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিচ্ছেন। চট্টগ্রাম মহানগর এনসিপির আহ্বায়কের পদ প্রস্তাব গ্রহণ করবেন কি করবেন না— এ রকম দ্বিধাদ্বন্দ্বে তিনি ও তার পরিবার। এনসিপি তাকে আগামী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী করবে, এমন গুঞ্জনে সয়লাব বন্দরনগরী।কিন্তু বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকালে এনসিপি যখন চট্টগ্রামে যোগদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করল, তার আগের দিন থেকেই খোঁজ মিলছে না মনজুরের। পরিবারের সদস্য এবং ঘনিষ্ঠজনদের আপত্তিতে তিনি আপাতত এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন না, এরপরও এনসিপি নেতারা হাল ছাড়ছেন না, এমন তথ্যও মিলেছে।পরিবার ও এনসিপির টানাটানির মধ্যে শেষ পর্যন্ত মনজুরের সিদ্ধান্ত কী, সেটা জানার আগ্রহ পুলিশের। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় নেতাদের চট্টগ্রামে সফরের বিষয়ে এনসিপির পক্ষ থেকে একের পর এক ‘বিভ্রান্তিকর’ তথ্য পুলিশের সেই কৌতূহলকে আরও তীব্র করে তোলে।এমনই এক পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নগরীর এক গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় দেখা মেলে সিএমপির দুই কর্মকর্তার। উভয়ে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা ও মনজুরকে অনুসরণের (ওয়াচ) দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের কাছে তথ্য ছিল, এনসিপির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ ও আব্দুল হান্নান মাসউদ দুপুর ২টায় বিমানে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন।ঢাকা থেকে রওনা হয়েছেন কি-না জানার জন্য এক পুলিশ কর্মকর্তা কল দেন কেন্দ্রীয় নেত্রী সাগুফতা বুশরা মিশমাকে। তিনি জানালেন, কেন্দ্রীয় নেতারা বিমানের পরিবর্তে সড়কপথে রওনা দিয়ে চট্টগ্রাম নগরীতে পৌঁছেছেন। আরেক বিপত্তি! চট্টগ্রাম শহরে কোথায় অবস্থান করছেন তারা, এমন অনুসন্ধানের মধ্যে তথ্য পৌঁছে তারা উত্তর কাট্টলীতে এম মনজুর আলমের বাসায় গেছেন।অস্থির হয়ে পড়লেন, বসা থেকে উঠে দাঁড়ালেন দুই পুলিশ কর্মকর্তা। নোয়াখালীর ভাষায় একজনকে মোবাইলে বলতে শোনা যায়, ‘কিয়ারে, তুই কোনাই? ঘুম যন্নি বেডা। তাআতায়ি মনজু সাবের বাসার হিয়ন্দি টিম ফাঠা।’ মিনিট বিশেক পর ফিরতি কলে জানতে পারলেন, আকবর শাহ থানা পুলিশের টিম ওই বাসায় গিয়ে জানতে পেরেছে ইনফরমেশন ভুল। মনজুর বাসাতেই নেই। ফের কল ওই পুলিশ কর্মকর্তার, ‘ভালা করি খবর লাগা বেডা। হেতে কোনাই গেছে আঁরে জানা। স্যারে হাডাই হালার।’ মনজুর কোথায়, এনসিপি নেতারা কোথায়? ‘স্যারের’ চাপে গলদঘর্ম অবস্থা দুই পুলিশ কর্মকর্তার। তথ্য আসে, মনজুর দুইদিন ধরে অফিসে যাচ্ছেন না। সকাল থেকে বাসায়ও নেই। মনজুরের ঘনিষ্ঠ একজনকে কল দেন নোয়াখালীর ওই কর্মকর্তা, ‘ভাইরে ভাই, কসম কাই আঁরে এক্কানা কন দেহি, হেই বেডা কি এনসিপিতে জয়েন কৈত্তু ন নি ? হেতে কোনাই?’ এরপর আবার তথ্য আসে, মোটেল সৈকতে ঢাকা থেকে আসা এনসিপি নেতারা অবস্থান করছেন। মনজুর সৈকতের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। আবার বসা থেকে উঠে দাঁড়ালেন দুই কর্মকর্তা। মোবাইল কানের কাছ থেকে যেন আর সরছে না, ‘ভাইরে ভাই, সকালে হোটেলত্তুন রেজিস্ট্রারের ছবি হিয়ান পাঠাইছেনি? তাড়াতাড়ি আঁর ওয়াটসঅ্যাপে দে, আল্লাহ ভরসা।’ দ্রুততার সাথে কোতোয়ালি থানার টিম পৌঁছে মোটেল সৈকতে। না, এবারও ইনফরমেশন ভুল। ইমতিয়াজ আলী নামে একজন এনসিপি নেতা কেন্দ্রীয় নেতাদের দেখভালের দায়িত্ব পালন করছেন, এমন তথ্য পান পুলিশ কর্মকর্তারা। তার সঙ্গে যোগাযোগ করে জানতে পারেন, কেন্দ্রীয় নেতারা বিমানেই আসছেন।শেষ পর্যন্ত মনজুরের অবস্থান আর জানতে পারেননি পুলিশ কর্মকর্তারা। বিমানবন্দর থেকে তথ্য আসে, ইউএস বাংলার একটি ফ্লাইটে সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ একা চট্টগ্রামে এসেছেন। এরপর আরও খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারেন নাহিদসহ অন্য নেতারা সড়কপথে চট্টগ্রামে এসে পৌঁছেছেন দুপুর ২টার দিকে।আর বিকাল ৪টার দিকে কথা বলে মনজুরের অজ্ঞাতবাসের রহস্যের সমাপ্তি টানেন ছেলে সরওয়ার উল আলম। তার ভাষ্য, ‘বাবা বাসা-অফিস কোথাও নেই। নিরাপদ দূরত্বে আছেন। এখন এই বয়সে আর ঝামেলায় জড়াতে চান না। ব্যবসা-বাণিজ্য, ব্যাংকের ঋণ, আমাদের অনুরোধ সবকিছু বিবেচনা করেই এমন সিদ্ধান্ত।’গত ১৪ এপৃল বিকেলে এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ গিয়েছিলেন মনজুরের উত্তর কাট্টলীর বাসায়। সন্ধ্যায় বাসা থেকে বের হয়ে তিনি ছাত্রদল-যুবদলের নেতাকর্মীদের তোপের মুখে পড়েন। তারা মনজুরকে ‘স্বৈরাচারের দোসর’ আখ্যা দিয়ে তার বাসায় যাওয়ায় হাসনাতের সমালোচনা করেন।এ নিয়ে তোলপাড় শুরু হলে চট্টগ্রামের এনসিপি নেতারা জানান, মনজুরকে দলের চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির আহ্বায়ক এবং পরবর্তীতে সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ গিয়েছিলেন।

    ১০ দিন আগে
    এনসিপি এড়াতে ধনকুবের মনজুর আলমের অজ্ঞাতবাস!

    মনোনয়ন ফরম না পেরে আওয়ামী পন্থীদের ঘৃণা মিছিল

    চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনের মনোনয়ন ফরম নিতে বাধা পাওয়ার অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগপন্থী আইনজীবীরা। এ নিয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। একপর্যায়ে এর প্রতিবাদে ঘৃণা মিছিল করেছেন আওয়ামী লীগপন্থী আইনজীবীরা। সোমবার (৪ মে) সন্ধ্যায় বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের বাধার অভিযোগ করেন আওয়ামী লীগপন্থি সাধারণ আইনজীবী ফোরাম থেকে সভাপতি প্রার্থী সাবেক পিপি অ্যাডভোকেট আবদুর রশিদ। তিনি বলেন, সোমবার বিকেল ৩টার দিকে চট্টগ্রাম আদালতে আইনজীবী সমিতি ভবনে বার লাইব্রেরিতে মনোনয়ন ফরম নিতে যান আওয়ামী লীগপন্থী একদল আইনজীবী। তারা এবার সাধারণ আইনজীবী ফোরাম নামে নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা দিয়েছিল। কিন্তু মনোনয়ন ফরম তুলতে আমাদের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। ভেতর থেকে বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা আমাদের বাধা দিয়েছেন। বিকেল ৫টা পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনেক চেষ্টা করেও সাধারণ আইনজীবী ফোরামের কেউ ফরম সংগ্রহ করতে পারেননিফরম না পেয়ে সাধারণ আইনজীবী ফোরামের সদস্যরা ভোট চোর, ভোট চোর, তুমি কে আমি কে, আইনজীবী আইনজীবী, ভোট চোরের গালে গালে, জুতা মারো তালে তালে, ভুয়া ভুয়া ¯ে¬াগান দিতে থাকেন। তখন বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা সেখানে গেলে উভয়পক্ষে উত্তেজনা ও হট্টগোল হয়। পরে তারা মুখে কালো কাপড় বেঁধে আদালত প্রাঙ্গনে ঘৃণা মিছিল করেন বলে জানান আবদুর রশিদ। অভিযোগের বিষয়ে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম, চট্টগ্রামের সদস্যসচিব কামরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, বর্তমান সময়ে আওয়ামী লীগের আইনজীবীদের নির্বাচনে অংশ নেয়ার সুযোগ নেই। তবে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পাওয়া অ্যাডভোকেট রওশন আরা জানিয়েছেন, বিকেল ৫টা পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যারাই মনোনয়ন ফরম নিতে গেছেন, সবাইকে দেওয়া হয়েছে।২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গতবছর অনুষ্ঠিত জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনেও আওয়ামী লীগপন্থীদের অংশগ্রহণে বাধার অভিযোগ উঠেছিল। শেষপর্যন্ত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপি-জামায়াতপন্থীরা বিজয়ী হয়েছিলেন।

    ১৪ দিন আগে
    মনোনয়ন ফরম না পেরে আওয়ামী পন্থীদের ঘৃণা মিছিল

    হাছান মাহমুদ-নওফেলসহ চট্টগ্রামের ১৭ জন পলাতক

    ঢাকা: চব্বিশের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান চলাকালে ছাত্রদল নেতা ওয়াসিমসহ ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদসহ ১৭ জনকে এখনো গ্রেফতার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এ অবস্থায় তাদের আত্মসমর্পণের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। রোববার (৩ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বে গঠিত দুই সদস্যের বেঞ্চ এ আদেশ দেন। অপর সদস্য ছিলেন বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।শুনানিতে প্রসিকিউশনের পক্ষে অংশ নেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ ও জহিরুল আমিন। তারা আদালতকে জানান, এ মামলায় মোট আসামি ২২ জন। এর মধ্যে চারজন ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছেন। বাকি ১৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকলেও স্থায়ী ও অস্থায়ী ঠিকানায় অভিযান চালিয়ে তাদের কাউকেই পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া একজন অন্য মামলায় আটক থাকায় তার বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট চাওয়া হয়। শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল ১৭ জন পলাতক আসামিকে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি অন্য এক আসামির বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়।এদিন সকালে কারাগার থেকে চার আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। তারা হলেন চট্টগ্রাম-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী, যুবলীগ নেতা আজিজুর রহমান, তৌহিদুল ইসলাম ও মো. ফিরোজ।পলাতক আসামিদের মধ্যে রয়েছেন- সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, সাবেক মেয়র আ জ ম নাসির উদ্দীন, রেজাউল করিম, মহিউদ্দিন বাচ্চু, হেলাল আকবর বাবর, নুরুল আজিম রনি, শৈবাল দাশ সুমন, আবু ছালেক, এসরারুল হক, এইচএম মিঠু, নূর মোস্তফা টিনু, দেবাশীষ পাল দেবু, জমির উদ্দিন, ইমরান হাসান মাহমুদ, জাকারিয়া দস্তগীর, মহিউদ্দিন ফরহাদ ও সুমন দে।এর আগে, গত ৭ এপৃল তিনটি অভিযোগে ২২ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গ্রহণ করে ট্রাইব্যুনাল-২। ৫ এপৃল প্রসিকিউশন আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল করে।মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, প্রথম অভিযোগে ওয়াসিম আকরাম, ফয়সাল আহমেদ শান্ত ও মো. ফারুককে হত্যার দায় আনা হয়েছে। দ্বিতীয় অভিযোগে তানভীর সিদ্দিকী, সায়মন ওরফে মাহিম এবং হৃদয় চন্দ্রকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে। তৃতীয় অভিযোগে জাহিদ হাসান, আবদুল কাদের, আছিয়া খাতুন, সানজিদা সুলতানাসহ শতাধিক ছাত্র-জনতাকে গুরুতর আহত করার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

    ১৫ দিন আগে
    হাছান মাহমুদ-নওফেলসহ চট্টগ্রামের ১৭ জন পলাতক

    নতুন তফসিলে সরাসরি নির্বাচনের নির্দেশনা

    ১৯ দিন আগে
    নতুন তফসিলে সরাসরি নির্বাচনের নির্দেশনা

    রাউজানে ফের বিএনপি কর্মী খুন

    চট্টগ্রামের রাউজানে তিন দিনের ব্যবধানে আবারও এক বিএনপি কর্মীকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। ওই বিএনপি কর্মীর নাম নাছির উদ্দীন (৫৫)।রোববার দিবাগত রাতে রাউজান উপজেলার কদলপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ শমশের পাড়ায় লেংগা বাইল্যার ঘাটা এলাকায় নিজ বাড়ির কাছেই হামলার শিকার হন তিনি। সোমবার (২৭ এপৃল) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেন রাউজান থানার ওসি সাজেদুল ইসলাম। তিনি জানান, ঘটনাস্থল থেকে তিনটি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে। পুলিশের ধারণা, মাটি ও পাহাড় কাটা, চাঁদাবাজি এবং এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। পুলিশ জানায়, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় নাছিরকে প্রথমে রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানকার চিকিৎসকদের পরামর্শ তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। এরপর হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক নুরুল আলম আশেক বলেন, রোববার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে রাউজান থেকে ভুক্তভোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার শরীরে তিনটি গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। এর মধ্যে দুটি গুলি পেটে বিদ্ধ হওয়ায় তার অবস্থা গুরুতর হয়ে ওঠে। নিহতের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।পুলিশ আরও জানায়, নাছির উদ্দীনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে থানায় ছয়টি মামলা রয়েছে। স্থানীয়ভাবে তিনি বিতর্কিত কর্মকান্ডের সঙ্গেও জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। কয়েকমাস আগে নাছিরকে দুর্বৃত্তরা কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছিল। সেইবার আশঙ্কাজনক হাসপাতালে ভর্তির পর দীর্ঘদিন চিকিৎসা নিয়ে তিনি সুস্থ হয়েছিলেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, এলাকায় মাটিকাটা, পাহাড় কাটা ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নাছির উদ্দীনের সঙ্গে জানে আলম ওরফে ডাকাত আলম নামের এক ব্যক্তির দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ ঘটনার পেছনে সেই বিরোধের জের থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।নাছির উদ্দীন ৮ নম্বর কদলপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ শমসের পাড়ার বাসিন্দা। তার বাবার নাম মৃত দুদু মিয়া (প্রকাশ দুইধ্যা মধু)। একসময় যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন নাছির। পরবর্তীতে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। নাছির বিএনপি নেতা ও রাউজানের সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর অনুসারী ছিলেন।চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সহসভাপতি সাবের সুলতান কাজল বলেন, নাছির উদ্দিন যুবদলের একজন নিবেদিত কর্মী ছিলেন। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার দাবি করছি। এ ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। কদলপুর ইউনিয়ন বিএনপির হাফেজ আবুল হাসেম এ হত্যাকান্ডের সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।এর আগে ২৫ এপৃল শনিবার ভোরে রাউজান পৌর এলাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের জঙ্গল রাউজান এলাকায় কাউসারুজ্জামান (৩৬) নামে বিএনপির এক কর্মীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। পেশায় তিনি একজন কৃষক ছিলেন। নিহতের পরিবারের দাবি, গত দুই বছরে কাউসারুজ্জামানের ওপর একাধিকবার হামলা হয়। এলাকায় অপরাধের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকায় তাকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের পর থেকে সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য হয়ে উঠেছে রাউজান। রাজনৈতিক নেতাদের প্রশ্রয়ে উপজেলাটিতে একের পর এক হত্যাকান্ডের ঘটনা চলছেই। এ সময়ে রাউজানে অন্তত দেড় ডজনেরও বেশি হত্যাকান্ড ঘটেছে। এর মধ্যে বেশিরভাগই হত্যাকান্ড রাজনৈতিক ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে। বাকিগুলো ঘটেছে পারিবারিক বিরোধ, চাঁদাবাজি ও দখলকে কেন্দ্র ধরে।

    ২১ দিন আগে
    রাউজানে ফের বিএনপি কর্মী খুন

    জামায়াতের মেয়র প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালী, অপেক্ষায় বিএনপি

    ২৬ দিন আগে
    জামায়াতের মেয়র প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালী, অপেক্ষায় বিএনপি

    জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত রাজনৈতিক দলগুলো

    নির্বাচনী মাঠ সরগরম, প্রার্থী চূড়ান্ত করার কাজ চলছে।

    ৩৮ দিন আগে
    জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত রাজনৈতিক দলগুলো

    কূটনৈতিক তৎপরতায় বাংলাদেশের নতুন অবস্থান

    আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নিজেদের শক্তিশালী করছে বাংলাদেশ।

    ৩৮ দিন আগে
    কূটনৈতিক তৎপরতায় বাংলাদেশের নতুন অবস্থান
    বিজ্ঞাপন — 300 × 250

    এই সপ্তাহের পাঠকপ্রিয়

    ওমান থেকে মঙ্গলবার আসছে চার ভাইয়ের লাশ, শোকে বিহ্বল রাঙ্গুনিয়া

    ওমান থেকে মঙ্গলবার আসছে চার ভাইয়ের লাশ, শোকে বিহ্বল রাঙ্গুনিয়া

    জমি কিনে ১৩ বছর ধরে আদালতে কুদ্দুস বয়াতি

    জমি কিনে ১৩ বছর ধরে আদালতে কুদ্দুস বয়াতি

    সন্তানের চেয়ে কুকুর পোষা অনেক ভালো

    সন্তানের চেয়ে কুকুর পোষা অনেক ভালো

    চট্টগ্রামে জুলাই গ্রাফিতি নিয়ে লঙ্কাকান্ড!

    চট্টগ্রামে জুলাই গ্রাফিতি নিয়ে লঙ্কাকান্ড!

    জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে, ২৮ মে ঈদুল আজহা

    জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে, ২৮ মে ঈদুল আজহা

    ডিসি হতে ৮ কোটি টাকায় চুক্তি!

    ডিসি হতে ৮ কোটি টাকায় চুক্তি!

    উত্তেজনার পর সমঝোতায় মেয়র ও এনসিপি

    উত্তেজনার পর সমঝোতায় মেয়র ও এনসিপি

    মেসিকে নিয়ে এক মন্তব্যে আলোচনায় পরীমণি

    মেসিকে নিয়ে এক মন্তব্যে আলোচনায় পরীমণি

    দুবাই ট্যাক্সি কোম্পানিতে ৬ হাজার ড্রাইভার নিয়োগ

    দুবাই ট্যাক্সি কোম্পানিতে ৬ হাজার ড্রাইভার নিয়োগ

    হিরো মোটরবাইকে নগদ ছাড় ও ঈদুল আজহার উপহার

    হিরো মোটরবাইকে নগদ ছাড় ও ঈদুল আজহার উপহার

    বিজ্ঞাপন — ৩০০ × ২৫০
    বিজ্ঞাপন — ৩০০ × ২৫০
    বিজ্ঞাপন — 970 × 90