রং-তুলির আছড়ে প্রাণ ফিরে পাচ্ছে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক জিয়া স্মৃতি জাদুঘর। ভবনটির ক্ষতিগ্রস্ত অংশ পুন:র্নির্মাণের পাশাপাশি পুরো স্থাপনাটিকে আবারো রঙের মাধ্যমে আগের মতো করে ফুটিয়ে তোলার কাজ চলছে। দীর্ঘদিন সংস্কার কাজ না হওয়ায় জাদুঘরের অনেক আসবাবপত্র নষ্ট হয়ে গেছে। পুরনো হয়ে মরিচা ধরেছে। ব্যবহার অযোগ্য হয়েছে কাঠের বাহ্যিক অংশ, লাইট, ফ্যান, কাপড়, শো-কেস ইত্যাদি। কিছু নতুন আসবাবপত্র যুক্ত হবে। এতে প্রাণ ফিরে পাচ্ছে জাদুঘরটি। জিয়া স্মৃতি জাদুঘর বর্তমানে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে। মন্ত্রণালয় থেকে একটি ‘উন্নয়ন কমিটি’ করে দেওয়া হয়েছে। তাদের তত্ত্বাবধায়নেই চলছে জাদুঘরের সংস্কার কাজ।সংস্কার কাজে সংশ্লিষ্টদের মতে, চলতি মাসের ৩০ মে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদৎবার্ষিকী। তার আগেই সংস্কার কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। শেষ হলে এটি পুণরায় দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হবে। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন সূত্র মতে, গত বছরের ডিসেম্বর মাসে এক ভূমিকম্পের প্রভাবে জাদুঘরের একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ভেঙে পড়ে। এ ঘটনায় একজন দর্শনার্থীও আহত হন। এরপর থেকেই দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে জাদুঘরটি সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এছাড়া স্থাপনাটিতে বিগত সরকারের আমলে বড় কোনো সংস্কার কার্যক্রমও হয়নি। দীর্ঘদিন সংস্কার কাজ না হওয়ায় অনেক আসবাবপত্র নষ্ট হয়ে গেছে। পুরনো হয়ে মরিচা ধরেছে। ব্যবহার অযোগ্য হয়েছে কাঠের বাহ্যিক অংশ, লাইট, ফ্যান, কাপড়, শো-কেস ইত্যাদি। যা সংস্কারের মাধ্যমে রং-তুলির আছড়ে আগের মতোই সবকিছু ফুটিয়ে তোলা হবে। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের সঙ্গে নিবীড়ভাবে জড়িয়ে থাকা একটি ঐতিহাসিক স্থাপনার নাম জিয়া স্মৃতি জাদুঘর। যার অবস্থান চট্টগ্রামের কাজীর দেউড়িতে। ১৯১৩ সালে ব্রিটিশ আমলে নির্মিত এই ভবনটি প্রথমে ‘লাট সাহেবের কুঠি’ এবং পরে সার্কিট হাউস হিসেবে ব্যবহার হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৯৭১ সালে এটি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ক্যাম্প ও টর্চার সেল হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান একদল পথভ্রষ্ট সেনাসদস্যের গুলিতে নিহত হওয়ার পর, তার স্মৃতি সংরক্ষণে এটিকে জাদুঘরে রূপান্তরিত করা হয়।
২৬ দিন আগে
বিশ্বের পঞ্চম উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ মাকালুর চুড়ায় পৌঁছেছেন চট্টগ্রামের পর্বতারোহী ও চিকিৎসক বাবর আলী। শনিবার (২ মে) ভোর ৫টা ৪৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময়) তিনি এই পর্বতের চুড়ায় উঠেন। এটা প্রথম কোন বাংলাদেশীর এই পর্বত জয়। মাউন্ট মাকালুর উচ্চতা ৮,৪৮৫ মিটার (২৭,৮৩৮ ফুট), যা নেপালের মহালাঙ্গুর হিমাল অঞ্চলে অবস্থিত। তার সঙ্গে অভিযানে ছিলেন শেরপা গাইড আং কামি শেরপা। এ অভিযানে পৃষ্ঠপোষকতা করেছে ভিজুয়াল নিটওয়ারস লিমিটেড, সামুদা স্পেক-কেম লিমিটেড, মাই হেলথ, চন্দ্রবিন্দু প্রকাশন ও রহমান্স গ্রোসারিজ।এক্সপিডিশন মাকালু: দ্য ফিফথ ফ্রন্টিয়ার শীর্ষক এই অভিযানের আয়োজন করে পর্বতারোহণ ক্লাব ভার্টিক্যাল ড্রিমার্স। ক্লাবটির সভাপতি ফরহান জামান নেপালের আউটফিটার মাকালু অ্যাডভেঞ্চার-এর স্বত্বাধিকারী মোহন লামসালের বরাতে বাবরের মাকালু শৃঙ্গে আরোহণের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।অভিযান-ব্যবস্থাপক ফরহান জামান জানিয়েছেন, বাবর আলী শনিবার ক্যাম্প-২-এ এবং আগামীকাল রবিবার ৩ মে বেসক্যাম্পে ফিরে আসবেন বলে আশা করা হচ্ছে।ক্লাব ভার্টিক্যাল ড্রিমার্স সূত্র জানায়, গ্রেট ব্ল্যাক ওয়ান বা মহা-কালো নামে পরিচিত মাকালু জয়ের উদ্দেশ্যে বাবর গত ৭ এপৃল দেশ ছাড়েন। প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষে ৯ এপৃল তিনি উড়ে যান টুমলিংটার, সেখান থেকে গাড়িতে পৌঁছান সেদুয়া গ্রামে। এরপর পায়ে হেঁটে ১৮ এপৃল পৌঁছান উচ্চতর বেসক্যাম্পে।৩০ এপৃল আবহাওয়া অনুকূলে এলে আবার অভিযানে নামেন বাবর। সেদিনই পৌঁছে যান ৬ হাজার ৬০০ মিটার উচ্চতার ক্যাম্প-২-এ, পরদিন ওঠেন ৭ হাজার ৪০০ মিটার উচ্চতার ক্যাম্প-৩-এ। সেখান থেকে রাতেই শুরু করেন চূড়ান্ত আরোহন।উচ্চতার সঙ্গে শরীর মানিয়ে নিতে ২১ এপৃল ক্যাম্প-১ এবং পরদিন ক্যাম্প-২-এ অবস্থান করেন তিনি। প্রায় ৭ হাজার মিটার উচ্চতা ¯পর্শ করে পরে নেমে আসেন বেসক্যাম্পে। দ্বিতীয় দফায় ২৭ এপৃল আবারো উঠে ক্যাম্প-২-এ একদিন কাটিয়ে পরদিন নেমে আসেন। এরপর শুরু হয় অনুকূল আবহাওয়ার অপেক্ষা।৩০ এপৃল আবহাওয়া অনুকূলে এলে আবার অভিযানে নামেন বাবর। সেদিনই পৌঁছে যান ৬ হাজার ৬০০ মিটার উচ্চতার ক্যাম্প-২-এ, পরদিন ওঠেন ৭ হাজার ৪০০ মিটার উচ্চতার ক্যাম্প-৩-এ। সেখান থেকে রাতেই শুরু করেন চূড়ান্ত আরোহন। টানা ১ হাজার ১০০ মিটারেরও বেশি বিপজ্জনক খাড়া পথ পেরিয়ে ভোরে পৌঁছান শিখরে।সূত্র মতে,বিশ্বে ৮,০০০ মিটারের বেশি উচ্চতার ১৪টি পর্বতকে সবচেয়ে কঠিন আরোহন চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই অভিযানে মাকালু জয় করে তিনি এখন পর্যন্ত পাঁচটি আট-হাজারি শৃঙ্গ সফলভাবে আরোহণ করলেন। সেই সাথে মাকালু জয়ের তালিকায় প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে নিজের নাম লেখালেন বাবর। এর আগে ২০১৭ সালে বাবর ভারতের নেহরু ইনস্টিটিউট অব মাউন্টেনিয়ারিং থেকে মৌলিক প্রশিক্ষণ নেন। ২০২২ সালে তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে পর্বতশৃঙ্গ অ্যামা দাবলাম জয় করেন। ২০২৪ সালে তিনি বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট এবং চতুর্থ উচ্চতম শৃঙ্গ লোৎসে জয় করেন।২০২৫ সালে তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে অন্নপুর্ণা-১ আরোহণ করেন এবং একই বছরে অক্সিজেন ছাড়াই মানাসলু পর্বত জয় করেন। মাকালু জয়কে তার পর্বতারোহণ অভিযাত্রার ধারাবাহিক সাফল্যের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।বাবর আলী পেশায় একজন চিকিৎসক এবং পর্বতারোহণ সংগঠন ভার্টিকাল ড্রিমার্সের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সাধারণ সম্পাদক। তার বাড়ি চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার নজুমিয়া হাট এলাকায়।
২৭ দিন আগে
স্বদেশ বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ। ফলোআপ পর্যায়ের এই প্রতিবেদনে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।
৪৫ দিন আগেস্বদেশ বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ। গভীর অনুসন্ধান পর্যায়ের এই প্রতিবেদনে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।
৪৫ দিন আগেস্বদেশ বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ। বিশেষজ্ঞ মত পর্যায়ের এই প্রতিবেদনে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।
৪৫ দিন আগেস্বদেশ বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ। তদন্ত রিপোর্ট পর্যায়ের এই প্রতিবেদনে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।
৪৫ দিন আগেবিনোদন-ভ্রমণ বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ। পর্ব-৩ পর্যায়ের এই প্রতিবেদনে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।
৫৩ দিন আগেবিনোদন-ভ্রমণ বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ। সর্বশেষ পর্যায়ের এই প্রতিবেদনে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।
৫৩ দিন আগেবিনোদন-ভ্রমণ বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ। মূল্যায়ন পর্যায়ের এই প্রতিবেদনে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।
৫৩ দিন আগেবিনোদন-ভ্রমণ বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ। বিশেষ প্রতিবেদন পর্যায়ের এই প্রতিবেদনে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।
৫৩ দিন আগে