চিত্রনায়িকা পরীমনির সঙ্গে বিয়েবহির্ভূত ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মো. গোলাম সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই শাস্তির তথ্য জানানো হয় ১৮ জুন বৃহস্পতিবার। একজন দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তা হয়েও এমন আচরণ করায় তার বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যা নতুন করে আবারও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
সাকলায়েনের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিয়ে পরীমনির ক্ষুব্দ মন্তব্য-‘আমার শুধু মনে হয়, সাকলায়েন ব্যক্তিগত আক্রোশের মধ্যে পড়েছে।’ আমাদের মধ্যে প্রেম-ভালোবাসা যা-ই হোক না কেন, এটা শুধু একটা অদ্ভুত কারণ হিসেবে দাঁড় করানো হয়েছে এই মামলায়।
কার ব্যক্তিগত আক্রোশ—এমন প্রশ্নের জবাবে পরীমনি বলেন, ‘আমি জানি না, তবে অবশ্যই ব্যক্তিগত আক্রোশ। প্রেম-ভালোবাসা ও সম্পর্কের কারণে চাকরি যাবে, তা আমি বিশ্বাস করি না।’ সব শেষে পরী জানান, সাকলায়েনের জন্য তার খুব খারাপ লাগছে।
এর আগে ২০২৪ সালের ২৫ জুন দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাকলায়েনকে নিয়ে পরীমনি নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছিলেন বেশ সাহসের সঙ্গে। তখনই নায়িকা দাবি করেছিলেন, সাকলায়েন আসলে কোনো এক শক্তিশালী মহলের ব্যক্তিগত আক্রোশের শিকার হয়েছেন।
তাদের সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলা নানা আলোচনা ও অভিযোগ প্রসঙ্গে পরীমনি বলেছেন, সম্পর্কের বিষয় যদি আসে, এটা তো একজনের ব্যাপার না, দু‘জনের পক্ষ থেকেই আসে। এখন পর্যন্তও আমাদের সম্পর্কটা তো মানুষের কাছে পরিষ্কার নয় কোনোভাবেই।
আমরা প্রেমে ছিলাম, নাকি কী করছি, কোনো কিছুই তো স্পষ্ট করা হয়নি। এটা না সাকলায়েনের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে, না আমার কাছে, বরং সবখানে মনগড়া জিনিস লেখা হয়েছে ভিউ পাওয়ার আশায়।
সম্পর্ক নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন করা হলে তিনি আক্ষেপ করে জানান, ‘যেখানে সম্পর্কটা ডিফাইন করার আগে এত অপবাদ নিয়ে ফেলছি, সেখানে এই সম্পর্কটা কী, তা নিয়ে কথা বলার জায়গাও তো জনগণ রাখেনি। আমার মনে হয় না এটার আর কোনো দরকার আছে এখন।’