দেশের আকাশে পবিত্র জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। আগামী বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সারা দেশে পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হবে।সোমবার (১৮ মে) সন্ধ্যার পর এ তথ্য জানায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমস্থ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির এক সভা শেষে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ বলেন, ‘‘দেশের আকাশে পবিত্র জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে।’এর আগে হিজরি ১৪৪৭ সনের পবিত্র জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা এবং পবিত্র ঈদুল আজহার তারিখ নির্ধারণের লক্ষ্যে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক সোমবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয়। রাজধানীর ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করবেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)।
৪ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় আঁকা গ্রাফিতি লঙ্কাকান্ড ঘটনা ঘটেছে। নগরীর লালখান বাজার এলাকায় এ নিয়ে উত্তেজনার পর মুছে ফেলা গ্রাফিতি পুনরায় আঁকতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয়েছে অঙ্ককারীদের। এ সময় গ্রাফিতি আকাঁর রঙ ছিটকে পড়ে রঙিন হয়ে উঠে গ্রাফিতি অঙ্কণকারী তরুণ-তরুণী ও পুলিশ সদস্যরাও। পুলিশ এ সময় তিনজনকে আটক করলেও পরে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন। সোমবার (১৮ মে) বেলা পৌনে দুইটার দিকে চট্টগ্রাম মহানগরীর টাইগারপাস এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এর আগে গ্রাফিতি মুছে ফেলা নিয়ে রোববার সন্ধ্যায় টাইহারপাস থেকে লালখান বাজার এলাকায় জুলাই গ্রাফিতি অঙ্কন কর্মসূচি পালন করেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চট্টগ্রাম মহানগর শাখার নেতা-কর্মীরা। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) পক্ষ থেকে এসব গ্রাফিতি মুছে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দাবি করে মেয়র ও নগর বিএনপির সাবেক সভাপতি শাহাদাত হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন তাঁরা। এনসিপির নেতা-কর্মীরা চসিক কার্যালয়ের প্রবেশমুখের সামনে অবস্থান নিলে বিএনপির নেতা-কর্মীরাও পাল্টা অবস্থান নেন। এরপর উত্তেজনা দেখা দিলে পুলিশ এসে দুই পক্ষকে সরিয়ে দেয়। রাতের ঘটনার পর সোমবার সকালে নগরীর জিইসি মোড় থেকে দেওয়ানহাট পর্যন্ত সড়ক এবং এর আশপাশের এলাকায় সভা-সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ করে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। সিএমপি কমিশনার হাসান মোহাম্মদ শওকত আলীর সই করা গণবিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। সিএমপির এই নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই সোমবার বেলা পৌনে দুইটার দিকে টাইগারপাসে শহীদ ওয়াসিম আকরাম এক্সপ্রেসওয়ের পিলারে গ্রাফিতি আঁকার জন্য জড়ো হন একদল তরুণ-তরুণী। তাঁরা নিজেদের সাধারণ শিক্ষার্থী ও জুলাইযোদ্ধা পরিচয় দেন। তাঁরা গ্রাফিতি আঁকার চেষ্টা করলে পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয়। একপর্যায়ে রঙের কৌটা নিয়েও উভয় পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়েছে। এ সময় পুলিশ সদস্য ও গ্রাফিতি আঁকতে যাওয়া তরুণ-তরুণীদের গায়ে রং ছড়িয়ে পড়ে।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ তিনজনকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় সঙ্গে আসা বাকি তরুণ-তরুণীরা পুলিশকে বাধা দেন। একপর্যায়ে আটকের প্রতিবাদে সড়কের ওপর বসে থাকতে দেখা যায় কয়েকজনকে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনিসুর রহমান বলেন, ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে আটক করা হয়েছিল, তবে পরে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।ঘটনাস্থলে থাকা কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক মীর মোহাম্মদ সেলিম বলেন, একদল তরুণ-তরুণী গ্রাফিতি অঙ্কন করতে এসেছিলেন। এ সময় তাঁদের সঙ্গে সামান্য ধস্তাধস্তি হয়েছে। এ সময় পুলিশ সদস্যদের ওপর রং ছোড়েন তাঁরা। সাধারণ শিক্ষার্থী পরিচয়ে গ্রাফিতি আঁকার চেষ্টা করা তরুণ-তরুণীরা এনসিপির রাজনীতিতে যুক্ত। জানতে চাইলে নগর এনসিপির সদস্যসচিব আরিফ মঈনুদ্দিন বলেন, টাইগারপাসে এনসিপির কোনো কর্মসূচি ছিল না। জুলাই আন্দোলনের পক্ষে থাকা শিক্ষার্থীরা গ্রাফিতি আঁকতে গিয়েছিলেন। পুলিশ তাঁদের বাধা দিয়েছে। রঙের কৌটা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে টানাটানির সময় দুই পক্ষের গায়ে রং পড়েছে। ইচ্ছা করে কেউ রং ছুড়ে মারেনি।ঘটনাস্থলে উপস্থিত এনসিপির নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে দমিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ৫ আগস্ট স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশের যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, এখন আবার নতুন করে স্বৈরাচারী আচরণের পুনরাবৃত্তি দেখা যাচ্ছে। আমরা এটা কোনোভাবেই মেনে নেবো না।তাদের দাবি, গ্রাফিতিগুলো কেবল দেয়ালচিত্র নয়; বরং আন্দোলনের স্মৃতি, তরুণদের প্রতিবাদ এবং আত্নত্যাগের প্রতীক। তাই এসব গ্রাফিতি আঁকতে বাধা দেওয়া বা অপসারণের চেষ্টা সাধারণ মানুষের অনুভূতিতে আঘাত করছে।গ্রাফিতি মুছে ফেলার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের গ্রাফিতি মুছে ফেলার অভিযোগ ডাহা মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি বলেছেন, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একটি মহল ঘোলা পানিতে মাছ শিকারর চেষ্টা করছে।মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, জুলাই আন্দোলনের গ্রাফিতি মুছে ফেলার জন্য তিনি কখনো কোনো নির্দেশ দেননি এবং ভবিষ্যতেও দেবেন না। তিনি জানান, নগরীর সৌন্দর্যবর্ধনের অংশ হিসেবে চসিকের পরিচ্ছন্নতা বিভাগ নিয়মিতভাবে নির্দিষ্ট সময় পর পর বিভিন্ন পিলার ও দেয়াল থেকে পোস্টার-ব্যানার অপসারণ ও রং করার কাজ করে থাকে। টাইগারপাসসহ যেসব স্থানে রং করা হয়েছে, সেখানে মূলত পোস্টার দিয়ে ঢাকা ছিল এবং দৃশ্যমান কোনো গ্রাফিতি ছিল না।তিনি বলেন, জুলাই-আগস্টের চেতনার বিরুদ্ধে যাওয়ার প্রশ্নই আসে না। আমি নিজে দীর্ঘ ১৭ বছর রাজপথে আন্দোলন করেছি। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে চট্টগ্রামে প্রথম শহিদ ওয়াসিম আকরাম আমারই অনুসারী ছিল। মেয়র বলেন, কেউ গ্রাফিতি করতে চাইলে আর্ট কলেজের শিক্ষার্থীদের নিয়ে শৈল্পিক ও মানসম্মত গ্রাফিতি আঁকতে পারে। এ ধরনের উদ্যোগে তিনি ব্যক্তিগতভাবে কিংবা সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে অর্থায়নের আশ্বাসও দেন। তিনি বলেন, অপরিচ্ছন্ন হাতের লেখার চেয়ে পরিকল্পিত ও শৈল্পিক গ্রাফিতি শহরের সৌন্দর্য ও ভাবমূর্তি রক্ষা করবে।আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসা সহায়তার প্রসঙ্গ তুলে ধরে ডা. শাহাদাত বলেন, ৪ আগস্ট যখন অনেক হাসপাতাল আহতদের নিতে অনাগ্রহ দেখিয়েছিল, তখন তিনি নিজ উদ্যোগে ট্রিটমেন্ট ও হলি হেলথ হাসপাতালে আহতদের ভর্তি করান। এ ছাড়া ৬ আগস্ট চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে আহতদের ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। শহিদ পরিবারগুলোকেও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সহযোগিতা করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
৮ ঘণ্টা আগে
কুমিল্লার ডিসি হতে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে ৮ কোটি টাকা ঘুষ লেনদেনের একটি গোপন চুক্তি করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা এস এম সরওয়ার কামাল। এমন অভিযোগে এই কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।গত ১৩ মে নোটিশটি জারি করা হয় স্থানীয় সরকার বিভাগের সিটি করপোরেশন-২ শাখা থেকে। ১৬ মে শনিবার রাতে ফাঁস হয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মো. রবিউল ইসলাম স্বাক্ষরিত নোটিশটি। নোটিশে বলা হয়েছে, কুমিল্লার জেলা প্রশাসক পদে পদায়নের উদ্দেশ্যে এস এম সরওয়ার কামাল চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে ৮ কোটি টাকার একটি অঙ্গীকারনামা ও চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে প্রাথমিক তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেছে।নোটিশে আরও বলা হয়, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের দায়ে তার বিরুদ্ধে কেন বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা তিন কার্যদিবসের মধ্যে স্থানীয় সরকার সচিবের কাছে লিখিতভাবে জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।রবিবার (১৭ মে) সচিবালয়ে গিয়ে নোটিশের জবাব দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন এস এম সরওয়ার কামাল। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, ‘বিভাগীয় কমিশনার স্যারের সঙ্গে এভাবে কি চুক্তি করা যায়? কেউ হয়তো স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে অভিযোগ করে আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করেছে। একইভাবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন। বিস্ময় প্রকাশ করে তিনি বলেন, এটি ষড়যন্ত্র হতে পারে। এ ধরনের চুক্তির প্রশ্নই ওঠে না। এটা আবার হয় নাকি। উল্লেখ্য, এস এম সরওয়ার কামাল জনপ্রশাসনের উপসচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে তাকে প্রেষণে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে পদায়ন করা হয়। জেলা প্রশাসক পদের কর্মকর্তারাও একই পদমর্যাদার।
১ দিন আগে
বলিউড অভিনেত্রী শেফালি শাহ বরাবরই স্পষ্টভাষী। ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে সমাজের প্রচলিত ধারণা—সব বিষয়েই অকপটে মত প্রকাশ করেন এই অভিনেত্রী। এবার বিয়ে, সম্পর্ক, সন্তান ও সামাজিক চাপ নিয়ে খোলামেলা মন্তব্য করে আবারও আলোচনায় এসেছেন তিনি।সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে শেফালি শাহ বলেন, সমাজে এখনো নারীদের জীবনের মূল লক্ষ্য হিসেবে বিয়ে ও মাতৃত্বকে দেখা হয়। তবে তার মতে, সম্পর্ক বা সংসার নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মানসিকভাবে পরিপক্ব হওয়া জরুরি। অভিনেত্রীর ভাষায়, বিয়ে শুধু রোমান্স নয়, এতে দায়িত্ব ও পরিশ্রমও থাকে। সম্পর্ককে হালকাভাবে নেওয়া ঠিক নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।সাক্ষাৎকারের এক পর্যায়ে তিনি বলেন, ‘আমাকে হয়তো ট্রোল করা হবে, তবু বলছি—সন্তান নেওয়ার চেয়ে কুকুর পোষা অনেক ভালো।’ কুকুর এমন প্রাণী যে নিঃশর্ত ভালোবাসা দেয়।শেফালি শাহ জীবনে প্রথম বিয়ে করেন অভিনেতা হর্ষ ছায়াকে, যা চার বছরের মাথায় বিচ্ছেদে শেষ হয়। পরে ২০০০ সালে তিনি চলচ্চিত্র নির্মাতা বিপুল অমৃতলাল শাহর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের দুই সন্তান রয়েছে।
১ দিন আগে
নিজের কেনা জমি ফিরে পেতে দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে আদালতের বারান্দায় দৌড়াচ্ছেন দেশের লোকগানের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কুদ্দুস বয়াতি। সম্প্রতি এক ভিডিও বার্তায় তিনি অভিযোগ করেন, ১৩ বছর আগে কেনা জমিটি স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী মানুষ ভুয়া দলিল বানিয়ে জমিটি জোরপূর্বক দখল করে নেয়।কুদ্দুস বয়াতির তথ্য অনুযায়ী, জমির মূল কাগজপত্র এবং মালিকানা শুরু থেকেই তার নামে। প্রায় ১৩ বছর আগে নেত্রকোণায় কেনা এই জমির খাজনাসহ যাবতীয় নথিপত্র ডিজিটাল হালনাগাদ করা আছে। প্রায় সাত বছর আগে বয়াতি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে স্থানীয় কিছু মানুষ সুযোগ বুঝে জমিটির ওপর নজর দেয়। তারা ভুয়া দলিল তৈরি করে জমির দখল নেওয়ার চেষ্টা করে এবং সেখানে ঘরবাড়ি তৈরি করে বসবাস শুরু করে। অথচ এর আগে জমির প্রকৃত দখল ছিল বয়াতির।জমির দলিল জালিয়াতির পর মামলা গড়ায় আদালতে, যা গত ১৩ বছর ধরে চলমান রয়েছে। দলিল জালিয়াতির অভিযোগ উঠলে দুই পক্ষকে জমিটি দখলে আদালত নিষেধাজ্ঞা জারি করে। যাতে নতুন করে কেউ সেখানে আসতে না পারে। কিন্তু বয়াতি অসুস্থ হয়ে পড়ার পর প্রতিপক্ষের লোকজন সেখানে অন্যায়ভাবে জেঁকে বসে।বয়াতি আক্ষেপ করে বলেন, ‘জমির মামলা এমন এক জটিল বিষয় দাদা-বাপ-ছেলে মরে—তবুও মামলা শেষ হয় না।’ তিনি আরও জানান, মামলার জন্য দীর্ঘ সময় ধরে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।মামলার বর্তমান অগ্রগতি সম্পর্কে তিনি জানান, গত মাসের ২২ এপৃল তারিখে মামলার রায় হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যে ব্যক্তির কাছ থেকে জমি কিনেছিলেন সেই বাদী সম্প্রতি মারা যাওয়ায় আদালত রায় আপাতত স্থগিত রেখেছেন। কুদ্দুস বয়াতির দাবি, আদালত যদি যাবতীয় প্রমাণ দেখে মনে করেন জমির আসল মালিক তিনি, তাহলে যেন আদালত তার পক্ষে রায় দেন। জমি সংক্রান্ত আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি চান তিনি।
১ দিন আগে
ওমানের আল মিলিদ্দা আল মোছানা স্টেট অফ আল বাতিনাহ এলাকায় গাড়ির ভেতরে বিষাক্ত গ্যাস আক্রান্ত হয়ে নিহত রাঙ্গুনিয়ার চার ভাইয়ের লাশ মঙ্গলবার (১৯ মে) দেশে আসতে পারে। রবিবার (১৭ মে) এমন তথ্য জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সমিতি ওমানের সভাপতি মোহাম্মদ ইয়াসিন চৌধুরী। তিনি জানান, আগামী মঙ্গলবার বিকেলে একটি ফ্লাইটে একসঙ্গে চার ভাইয়ের মরদেহ দেশে পাঠানো হবে। বাংলাদেশ দূতাবাস, চট্টগ্রাম সমিতি ওমান এবং স্বজনেরা মিলে এই প্রক্রিয়া প্রায় স¤পন্ন করেছে।তিনি বলেন, এটি যেহেতু সড়ক দুর্ঘটনা নয়, তাই লাশ পাঠানোর ব্যয় ওমান সরকার নেবে না। সেই দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন স্বজন ও সমিতির নেতারা। লাশগুলো বর্তমানে ওমানের স্থানীয় হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। নিহত চার ভাই হলেন, চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার লালানগর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের বন্দাররাজা পাড়ার প্রয়াত মোহাম্মদ হাসানের ছেলে রাশেদুল ইসলাম, সাহেদুল ইসলাম, মো. সিরাজ ও মো. শহিদ। তাদের লাশ পাঠাতে পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করছে রয়্যাল ওমান পুলিশ।পুলিশ জানিয়েছে, মঙ্গলবারের মধ্যে রিপোর্ট পুলিশের হাতে আসতে পারে। রিপোর্ট পেলেই ভাইদের লাশ দেশে পাঠানো হবে। এনাম আরও জানান, বড় ভাই মো. রাশেদ (৩৫) বিবাহিত, তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। মো. শাহেদ (৩২) বিবাহিত, ছোট দুই ভাই মো. সিরাজ (২৭) ও মো. শহিদ (২৪) দেশে এসে বিয়ে করার কথা ছিল। এজন্য তারা কেনাকাটা করতে গিয়েছিলেন। ১৩ মে রাতের ফ্লাইটে তারা দেশে ফিরতেন।এনাম জানান, ঘটনার দিন রাত তখন আটটা পেরিয়ে গেছে। এ সময় এক ভাই কাঁপা হাতে ভয়েস মেসেজ পাঠালেন এক আত্নীয়কে। গলার স্বর ভারী, শ্বাস আটকে আসছে। বললেন, শরীর আর সায় দিচ্ছে না। গাড়ি থেকে বের হওয়ার মতো শক্তি নেই। নাকে-মুখে ফেনা আসছে। এরপর মায়ের কাছে ফোন করলেন। দোয়া চাইলেন।সেই দোয়া আর কাজে লাগেনি। ওই রাতেই একটি ক্লিনিকের সামনে পার্ক করা গাড়িতে চারজনকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় মানুষ পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে দরজা খোলেন। ভেতরে শুধু নি¯পন্দ চারটি শরীর।রয়্যাল ওমান পুলিশ তদন্তে নেমে জানিয়েছে, গাড়ি চালু রেখে ঘুমিয়ে পড়ায় এসির এগজস্ট থেকে নির্গত কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসে শ্বাস বন্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে চার ভাইয়ের। কার্বন মনোক্সাইড এক নির্মম ঘাতক। এই গ্যাসের কোনো রঙ নেই, কোনো গন্ধ নেই। মানুষ বুঝতেই পারে না কখন সে ঘরে ঢুকে গেছে। আবদ্ধ জায়গায় জমতে থাকে, নিঃশব্দে রক্তের অক্সিজেন কেড়ে নেয়, আর মানুষ ঘুমের মধ্যেই ঢলে পড়েন চিরঘুমে।বুধবার সন্ধ্যায় চার ভাই ওমানের বারকা এলাকা থেকে রওনা হয়েছিলেন মুলাদ্দাহর উদ্দেশে। পথে হয়তো ক্লান্তি এসেছিল। ওমানের গরমে এসি চালু রেখে গাড়িতেই হয়তো একটু জিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। সেই বিশ্রামই নিয়ে গেল তাদের চিরবিশ্রামে।স্বপ্নের সংসার, হঠাৎ ধুলোখালাতো ভাই এমরান হোসেন বলেন, পরিবারটি এক সময় দরিদ্র ছিল। চার ভাই ওমানে গিয়ে কাজ শুরু করার পর ধীরে ধীরে সচ্ছলতার মুখ দেখেছিল সংসারটি। মায়ের মুখে হাসি ফুটেছিল। বাড়িতে একটু স্বস্তি এসেছিল।মধ্যপ্রাচ্যের তপ্ত রোদে পরিশ্রম করে যাওয়া সেই চার ভাইয়ের বয়স ছিল পঁচিশ থেকে পঁয়ত্রিশের মধ্যে। জীবনের সবচেয়ে কর্মক্ষম বয়স। স্বপ্ন দেখার বয়স। দেশে ফিরে মায়ের পাশে বসার বয়স। সব শেষ হয়ে গেল এক রাতে। একটি বন্ধ গাড়িতে।তিনি বলেন, চার ভাইয়ের দাফনের জন্য রাঙ্গুনিয়ায় পারিবারিক কবরস্থানে খোড়া হবে চারটি কবর। চার ভাই একসঙ্গে বেঁচেছিলেন, একসঙ্গে মারাও গেলেন, পাশাপাশি শুয়েও থাকবেন চিরকাল। হৃদয়বিধারক এমন দৃশ্য কিভাবে সহ্য করবে আপনজনেরা। মা এখনো জানেন না ছেলেদের মৃত্যুর খবরবাইরের পৃথিবী জেনে গেছে, কিন্তু মা খাদিজা বেগম এখনো জানেন না তার চার ছেলের মৃত্যুর খবর। মা জানেন, তাঁর চার ছেলে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে আছে।স্থানীয়রা জানান, বেঁচে থাকা একমাত্র ছেলে মো. এনাম নিজেই মায়ের ঘরের দরজায় তালা দিয়ে রেখেছেন। যাতে প্রতিবেশী বা আত্নীয় কেউ মুখ ফসকে বলে না ফেলেন। মায়ের শরীর আগে থেকেই ভালো নেই। এই ধাক্কা তিনি সামলাতে পারবেন না, এই ভয়ে ছেলে নিজের বুকে পাথর চাপা দিয়ে মায়ের মুখে হাসি ধরে রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।কতটা কষ্ট বুকে নিলে একজন মানুষ মায়ের সামনে দাঁড়িয়ে স্বাভাবিক থাকতে পারেন, তা কল্পনা করতে গেলেও বুকটা ভারী হয়ে যায়। এনামের বয়স মাত্র বত্রিশ। এই বয়সে চার ভাইকে হারিয়ে মাকে আগলে রাখার এই একাকী লড়াই, এই যন্ত্রণার কোনো ভাষা নেই।আর সেই ঘরে মা খাদিজা বেগম এখনো অপেক্ষায় আছেন। ছেলেরা হাসপাতালে সুস্থ হচ্ছেন, একদিন ফিরবেন। এই বিশ্বাসটুকু নিয়েই হয়তো প্রতিটি ভোর পার করছেন তিনি। কিন্তু মঙ্গলবার ছেলেরা ফিরবেন, সেদিন তাঁরা আসবেন কাঠের বাক্সে। আর সেই সত্য বুকে লুকিয়ে রাখা এনামের জন্য প্রতিটি মুহূর্ত এখন এক নিঃশব্দ কান্নার নাম।বন্ধৃু ফোরকানের আহাজারিস্বজনদের আহাজারির পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বইছে শোকের মাতম। নিহতদের পরিবার, আত্নীয়স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে বিরাজ করছে গভীর শোক। এরই মধ্যে নিহত চার ভাইয়ের মধ্যে মো. শহীদের বন্ধু ফোরকানের আবেগঘন একটি ফেসবুক পোস্ট হৃদয় ছুঁয়ে গেছে সবার।চার ভাইয়ের মধ্যে নিহত মো. শহীদের বন্ধু ফোরকান নিজের ফেসবুক পোস্টে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করে লিখেছেন, আমি পারছি না আর বন্ধু, নিজেকে সামলাতে... তোর সঙ্গে কাটানো প্রতিটা মুহূর্ত আমাকে কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে। আজ তুই বেঁচে থাকলে হয়তো তোকে বুকে জড়িয়ে ধরে কান্না করতাম। আফসোস, সেই সময়টা আর কখনো আসবে না।তিনি আরও লেখেন, আমাদের মেসেজগুলো তোর আইডিতে হাজার বছর ধরে রয়ে যাবে। ২০২১ ব্যাচের বন্ধুদের স্মৃতিগুলোও থাকবে। তোকে সাদ্দাম বলে আর ডাকা হবে না। আজ তোর চেয়ে তোর মায়ের জন্য বেশি কষ্ট হয়। হতভাগা মা তোদের সুখ আর দেখল না। ভালো থাকিস ওপারে বন্ধু, আল্লাহ তোকে জান্নাতুল ফেরদৌসের উচ্চ মাকাম দান করুন।ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস সূত্রে জানা গেছে, নিহত চার ভাইয়ের মধ্যে শহীদ ও সিরাজের ১৫ মে দেশে আসার কথা ছিল। মাস্কাট থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটের টিকিটও নিশ্চিত করা হয়েছিল। এছাড়া আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর পুনরায় ওমানে ফেরার টিকিটও কাটা ছিল তাদের।ওমানে বাংলাদেশ দূতাবাসের লেবার কাউন্সিলর রাফিউল ইসলাম জানান, চার ভাইয়ের মরদেহ স্থানীয় পুলিশের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়েছে। ¯পন্সরের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের কাজ শেষ হলে আগামী মঙ্গলবারের মধ্যে মরদেহ দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।ওমান পুলিশের সতর্কবার্তা জারিলেবার কাউন্সিলর রাফিউল ইসলাম জানান, এই র্ট্যাজেডির পর রয়্যাল ওমান পুলিশ সবার উদ্দেশে সতর্কবার্তা জারি করেছে। গাড়ি চালু রেখে আবদ্ধ অবস্থায় ঘুমানো থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এই সতর্কতা বিশেষভাবে জরুরি।তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের প্রচন্ড গরমে গাড়িতে এসি চালিয়ে ঘুমানো অনেকের অভ্যাস। কিন্তু গাড়ির কোনো ত্রুটি বা বায়ু চলাচলের সমস্যা থাকলে এই অভ্যাসই হয়ে উঠতে পারে মরণফাঁদ। রাশেদুল, শাহেদুল, সিরাজুল ও শহিদুলের মৃত্যু যেন অন্তত আরও একটি পরিবারকে এই অন্ধকারে পড়তে না দেয়।
১ দিন আগে
চট্টগ্রাম মহানগরীর কয়েকটি সড়কের মধ্যে ব্যস্ততম একটি সড়ক বহদ্দারহাট-আরাকান সড়কটি। এটি ওয়াপদা কলোনি সড়ক নামেও পরিচিত। কিন্তু সড়কের দু‘পাশজুড়ে প্রতিনিয়ত দাড়িয়ে থাকে সারি সারি মাইক্রোবাস আর কার। দেখে বোঝার উপায় নেই-এটি সড়ক, নাকি কার-মাইক্রো স্টেশন। বছরের পর বছর ধরে চলা কার-মাইক্রোর অবৈধ দখলে সংকুচিত হয়ে পড়েছে পুরো সড়কটি। স্কুলগামী শিক্ষার্থী থেকে অফিস ফেরত মানুষ-প্রতিদিনই দুর্ভোগ আর ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন এই সড়কে। চান্দগাঁও থানার ফরিদেরপাড়া, শমসের পাড়া, খতিবের হাট ও খতিবপাড়া এলাকার অন্তত ৫০ হাজার মানুষের যাতায়াত এই সড়ক দিয়ে। বহদ্দারহাট মোড় থেকে সড়ক ধরে এগোলেই পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যালয়। বিপরীত পাশে ন্যাশনাল পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, আর বোর্ড কার্যালয় লাগোয়া ওয়াপদা কলোনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এই দুটি প্রতিষ্ঠানে কয়েকশ শিক্ষার্থী এই সড়ক ব্যবহার করে। সেই সড়কটিতে গত ২০ বছর ধরে ব্যবহার হয়ে আসছে কার-মাইক্রোর স্টেশন হিসেবে। বহদ্দারহাট কার-মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়ন’ এই স্টেশন গড়ে তোলেন। সংগঠনটির নামে এখান থেকে প্রতিদিন তোলা হয় মোটা অঙ্কের চাঁদা। চাঁদার ভাগ যায় চান্দগাঁও থানা ও ট্রাফিক পুলিশের কাছে। যার বিনিময়ে নির্বিঘ্নে এই সড়ক দখল করে গড়ে তোলা হয়েছে কার-মাইক্রো স্টেশন।শনিবার (১৬ মে) বেলা ১১টার দিকে সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের প্রবেশমুখেই ২০-২৫ জনের জটলা। কেউ আড্ডা দিচ্ছেন, কেউ ভাড়ার জন্য হাঁকডাক করছেন, কেউবা যাত্রী নিয়ে তর্কে ব্যস্ত। প্রায় ২০ ফুট প্রশস্ত সড়কের পশ্চিমপাশজুড়ে সারি করে দাঁড়িয়ে আছে কার ও মাইক্রো। প্রবেশমুখ থেকে ওয়াপদা কলোনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শেষ সীমানা পর্যন্ত তখন দাঁড়িয়ে ছিল ৩৬টি কার-মাইক্রো।দুপুর ২টা পর্যন্ত ওই এলাকায় অবস্থান করে দেখা যায়, একের পর এক গাড়ি ঢুকছে, আবার যাত্রী নিয়ে বেরিয়েও যাচ্ছে। একদিকে সড়কের অর্ধেক অংশ স্থায়ীভাবে দখল করে রাখা হয়েছে, অন্যদিকে বাকি অংশে অব্যাহত রয়েছে মাইক্রোবাস ও কার চলাচল। ফলে সাধারণ যাত্রীবাহী যান চলাচলের জায়গা প্রায় থাকছেই না। সড়কটিতে কোনো ফুটপাতও নেই। তাই শিক্ষার্থী ও পথচারীদের ঝুঁকি নিয়ে সড়কের একপাশ ঘেঁষে চলতে হচ্ছে। এর মধ্যে সড়কের একপাশ ভাঙাচোরা। কিন্তু ভালো অংশজুড়ে কার-মাইক্রো রাখায় বাধ্য হয়ে যানবাহন ও মানুষকে চলতে হচ্ছে ভাঙা অংশ দিয়ে।ন্যাশনাল পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও ওয়াপদা কলোনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা হয়। শিশুরা জানায়, ‘রাস্তার একপাশে সবসময় গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকে। ছোট রাস্তায় সারাক্ষণ গাড়ি চলাচল করায় সবসময় ভয়ে থাকতে হয় তাদের।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সড়কে কার-মাইক্রো স্টেশন গত ১৮-২০ বছর ধরে। ফলে বহদ্দারহাট থেকে পুরো সড়কে যানজট লেগে থাকে সবসময়। বর্তমানে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের কাজের কারণে বহদ্দারহাট মসজিদ সংলগ্ন ব্রিজ, খতিবের হাটের কালারপুলসহ তিনটি পুল ভেঙে সংস্কার করা হচ্ছে। এতে বিকল্প হিসেবে এই সড়কের ওপর চাপ আরও বেড়েছে। ফলে এই সড়কে দুর্ভোগ বেড়েছে কয়েকগুণ।স্থানীয় বাসিন্দারা দুর্ভোগের চিত্র তুলে ধরে বলেন,‘বহু বছর ধরে সড়কের অর্ধেক অংশ দখল করে স্টেশন বসানো হয়েছে। এতে প্রতিদিন ভয়াবহ যানজট তৈরি হচ্ছে, ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক চলাচল। আবার স্টেশনে থাকা কিছু চালক ও সহকারী রাস্তার ওপর আড্ডা দেন। শিক্ষার্থীদের নিয়ে আসা যাওয়ার সময় মা ও পোশাক শ্রমিকদের যাতায়াতে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন। এতে শিক্ষার্থী ও নারীরা চরম অস্বস্তি ও নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন।’ এ বিষয়ে বহুবার প্রশাসন ও থানায় অভিযোগ দিয়েও কোনো সমাধান হয়নি। কারণ পুলিশ তাদের কাছ থেকে চাঁদার ভাগ খায়। এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ড কার্যালয়ের সীমানা দেয়াল ঘেঁষে রাখা হয় কার-মাইক্রোগুলো। এ কারণে ক্ষতিগ্রস্ত দেয়ালগুলোর ভেঙে নতুন করে নির্মাণ করতে হচ্ছে। এতে সরকারি অর্থ অপচয় হচ্ছে। চালকেরা বিশ্রাম ও আড্ডার জন্য প্রায়ই কার্যালয়ে ঢুকে পড়ে। তখন সিগারেট, এমনকি গাঁজাও সেবন করে। এতে কার্যালয়ের কাজে যাতায়াতে বড় ধরণের সমস্যা তৈরী হয়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড, পওর বিভাগ-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী শওকত ইবনে সাহীদ বলেন, এটা আমাদের ওপর একপ্রকার অত্যাচার। কিন্তু সড়কটি তো আমাদের অধীনে নয়, তাই আমরা চাইলেও কোনো ব্যবস্থা নিতে পারি না। আগে স্থানীয় কাউন্সিলরকে জানিয়েছিলাম, কিন্তু কোনো সমাধান পাইনি।তবে নিজেদের বহুবছরের পুরনো নিবন্ধনভুক্ত সংগঠন উল্লেখ করে বহদ্দারহাট কার-মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. আলমগীর বলেন,‘আমাদের সমিতির প্রায় ৫০০ সদস্যের বেশিরভাগই স্থানীয় বাসিন্দা। এলাকার কেউ কেউ হয়তো অভিযোগ করেন, কিন্তু বেশিরভাগই আমাদের পক্ষে। কারণ আমাদের কারণে সড়কটি রাতে সবসময় আলোকিত থাকছে, আমরা না থাকলে তো চুরি-ছিনতাই বেড়ে যাবে। এ বিষয়ে কথা বলতে চান্দগাঁও থানার ওসির মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করলেও কোন সাড়া মেলেনি। কথা বলতে বহদ্দারহাট পুলিশ বক্সে গিয়ে ট্রাফিক পুলিশের ইন্সপেক্টরকেও পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পাঠিয়ে স্টেশনটি উচ্ছেদ করা হবে।
২ দিন আগে
অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারণে বাংলাদেশের অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হারিয়েছে মান। যোগ্যতা ছাড়া কাউকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করানো যাবে না।শনিবার (১৬ মে) সকালে চট্টগ্রাম মা ও শিশু মেডিক্যাল কলেজ (চমাশিহামেক) হাসপাতালে নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।তিনি বলেন, মেডিক্যাল শিক্ষার মান রক্ষায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত, পর্যাপ্ত ফ্যাকাল্টি ও অবকাঠামো নিশ্চিত না করে আসন সংখ্যা না বাড়ানোর আহ্বান জানাই। শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক শ্রেণিকক্ষ, মাল্টিমিডিয়া সুবিধা, ডিজিটাল লাইব্রেরি, খেলাধুলা ও বিনোদনের ব্যবস্থার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্ব পুরোপুরি মাল্টিমিডিয়াভিত্তিক হয়ে গেছে। তাই মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণের সুযোগ থাকতে হবে। দেশে মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টের ঘাটতি রয়েছে। কোটি কোটি টাকার যন্ত্রপাতি দক্ষ জনবলের অভাবে ব্যবহার করা যাচ্ছে না। তাই মেডিক্যাল টেকনোলজি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার ওপর জোর দিতে হবে।দেশের স্বাস্থ্যখাতে এবার বাজেটে বরাদ্দ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হবে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ বাড়ালেই হবে না, এর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। অতীতে স্বাস্থ্য খাতের বিপুল অর্থ দুর্নীতির মাধ্যমে অপচয় হয়েছে। সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর চিকিৎসা ব্যয় সরকার বহন করবে এবং এ জন্য বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে সমন্বয়ের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া মৌলিক অধিকার। কিন্তু দীর্ঘদিন মানুষ এ অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। বর্তমান সরকার ‘ইউনিভার্সাল হেলথ কেয়ার’, প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা ও প্রাথমিক চিকিৎসা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে কাজ করছে। সরকারি হাসপাতালের সীমাবদ্ধতার কারণে দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসার জন্য বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে চুক্তিভিত্তিক ব্যবস্থা করা হবে। রোগীরা সেখানে চিকিৎসা নিলে বিল সরকার পরিশোধ করবে।নতুন ভবন নির্মাণ প্রসঙ্গে আমির খসরু বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা বাংলাদেশের বড় সমস্যা। তাই দ্রুত কাজ শেষ করার পাশাপাশি নির্মাণের গুণগত মানও নিশ্চিত করতে হবে। ভবনের নকশায় পার্কিং সুবিধার ঘাটতির বিষয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। প্রস্তাবিত ৭২টি গাড়ি পার্কিংকে অপর্যাপ্ত উল্লেখ করে তিনি কমপক্ষে ২০০ থেকে ২৫০টি পার্কিং সুবিধা রাখার পরামর্শ দেন। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত বেজমেন্ট নির্মাণ করার কথাও বলেন তিনি। দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে তেল ও গ্যাস খাতে সরকারের অতিরিক্ত প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। একইসঙ্গে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে আগের সরকারের রেখে যাওয়া প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার বকেয়াও পরিশোধ করতে হচ্ছে। আমরা একটি ঋণাত্মক অর্থনৈতিক অবস্থা থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করছি। অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে অন্তত দুই বছর সময় লাগবে।হাসপাতালের জয়েন্ট জেনারেল সেক্রেটারি মো. জাহিদুল হাসানের সঞ্চালনায় প্রতিষ্ঠানের বর্তমান অবকাঠামো স্বাস্থ্য সেবাসহ নানাবিধ চিত্র তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন হাসপাতালের প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুল মান্নান রানা, জেনারেল সেক্রেটারি রেজাউল করিম আজাদ ও মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. অসীম কুমার বড়ুয়া হাসপাতালের ট্রেজারর অধ্যক্ষ ডক্টর লায়ন মোহাম্মদ সানাউল্লাহ,অর্গানাইজিং সেক্রেটারি মোহাম্মদ সাগির, সদস্য ইঞ্জিনিয়ার জাবেদ আবছার চৌধুরী, ডা. সরওয়ার আলম, তারিকুল ইসলাম তানভির, সাইফুল ইসলাম, হারুন ইউচুপ,ডাক্তার বেলায়েত হোসেন ঢালী, পরিচালক ডা. নুরুল হক, পরিচালক মেডিকেল এফেয়ার্স ডাক্তার এ কে আসরাফুল করিম, উপরিচালক মো. মোশাররফ হোসাইন ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ন আহ্বায়ক এম এ আজিজ প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
২ দিন আগে
বাজারে এমন কিছু চমৎকার ফাইভজি স্মার্টফোন পাওয়া যাচ্ছে, যা দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি ব্যাকআপ এবং শক্তিশালী ক্যামেরার দারুণ সমন্বয়। এসব ফোন কেনা যাবে ২০ হাজার টাকার মধ্যে। এই বাজেটে পোকো, রেডমি, রিয়েলমি, মোটো এবং আইকিউওও এর মতো জনপ্রিয় ব্র্যান্ডগুলো তাদের শক্তিশালী প্রসেসর সমৃদ্ধ ফোন বাজারে নিয়ে এসেছে।পোকো এক্স৭ ফাইভজিগেমার এবং দৈনন্দিন ভারী কাজ করার জন্য এই ফোনটি অন্যতম সেরা একটি পছন্দ হতে পারে। এই মডেলটিতে ব্যবহার করা হয়েছে মিডিয়াটেক ডাইমেনসিটি ৭৩০০ আল্ট্রা প্রসেসর এবং ১২০ হার্টজ রিফ্রেশ রেটের অ্যামোলেড ডিসপ্লে। ফোনটির অন্যতম বড় আকর্ষণ হলো এর শক্তিশালী ৬০০০ এমএএইচ ব্যাটারি। এ ছাড়া নিখুঁত ছবি তোলার জন্য এতে রয়েছে অপটিক্যাল ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন বা ওআইএস সুবিধাসহ ৫০ মেগাপিক্সেলের প্রধান ক্যামেরা।রিয়েলমি নারজো ৭০ টার্বো ফাইভজিখুব দ্রুত ও স্মুথ পারফরম্যান্স দেওয়ার জন্য এই ফোনে একটি বিশেষ টার্বো চিপসেট ব্যবহার করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের জন্য রিলস বা ভিডিও তৈরি করা থেকে শুরু করে পড়াশোনা সব কাজের জন্যই এটি দারুণ কার্যকরী। ফোনটিতে রয়েছে একটি ৫০০০ এমএএইচ ব্যাটারি এবং ছবি তোলার জন্য ৫০ মেগাপিক্সেলের সনি ক্যামেরা। এর ১২০ হার্টজ ডিসপ্লে স্ক্রিন স্ক্রলিংয়ের অভিজ্ঞতাকে আরও সহজ করে তোলে।রেডমি নোট ১৪ ফাইভজিস্বল্প বাজেটের মধ্যে যারা একটি ব্যালেন্সড বা সবদিক থেকে সামঞ্জস্যপূর্ণ স্মার্টফোন খুঁজছেন, তাদের জন্য এটি উপযুক্ত। এতে স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসরের পাশাপাশি রয়েছে ৫৫০০ এমএএইচ ব্যাটারি এবং ১০৮ মেগাপিক্সেলের শক্তিশালী ক্যামেরা। অফিসিয়াল কাজ, অনলাইন ক্লাস কিংবা শখের ফটোগ্রাফির জন্য এই ফোনটি বেশ ভালো পারফরম্যান্স দেয়।মোটো জি৮৫ ফাইভজিকোনো ধরনের বাড়তি অ্যাপের ঝামেলা ছাড়া একদম ক্লিন সফটওয়্যার এবং চমৎকার কার্ভড ডিসপ্লের জন্য এই ফোনটি প্রযুক্তিপ্রেমীদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। এর পি-অ্যামোলেড (pOLED) ডিসপ্লে, স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসর এবং ভালো ব্যাটারি ব্যাকআপের কারণে ফোনটি দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার করলেও ল্যাগ বা হ্যাং ছাড়াই স্মুথ পারফরম্যান্স বজায় রাখে।আইকিউওও জেড১০ ফাইভজি গতিশীল কার্যক্ষমতা এবং দ্রুত চার্জিং প্রযুক্তির জন্য এই ব্র্যান্ডটি বেশ পরিচিত। এই মডেলে রয়েছে ৭৩০০ এমএএইচ এর এক বিশাল ব্যাটারি এবং একটি উন্নত কুলিং সিস্টেম বা ঠান্ডা রাখার প্রক্রিয়া। ফলে একটানা গেমিং কিংবা একসঙ্গে একাধিক অ্যাপ ব্যবহার বা মাল্টিটাস্কিং করলেও ফোনটি সহজে গরম হয় না।নতুন ফোন কেনার আগে যা খেয়াল রাখবেনঅভিজ্ঞ প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, এই সময়ে একটি ভালো ফোন কিনতে গেলে অন্তত ৮ জিবি র্যাম (RAM) এবং ১২৮ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ বা মেমোরি থাকা ভ্যারিয়েন্ট বেছে নেওয়া উচিত। সেই সাথে ডিসপ্লেতে যেন ন্যূনতম ১২০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট এবং ব্যাটারির সক্ষমতা ৫০০০ এমএএইচ বা তার বেশি থাকে, তা নিশ্চিত করা জরুরি। সর্বোপরি, ডিভাইসটি যেন অবশ্যই ফাইভজি নেটওয়ার্ক সমর্থন করে এবং আপনার এলাকায় ব্র্যান্ডটির ভালো সার্ভিস সেন্টার ও ওয়ারেন্টি সুবিধা রয়েছে কি না, তা যাচাই করে নেওয়া বুদ্ধিমত্তার কাজ হবে।
২ দিন আগে
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ৭ ক্যাটাগরির পদে মোট ১৩০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। ৭ মে থেকে আবেদন শুরু হয়েছে। চলবে আগামী ২৭ মে, ২০২৬ বিকেল ৫টা পর্যন্ত।পদের নাম : সায়েন্টিফিক অফিসার।পদ সংখ্যা : ৩০টি।শিক্ষাগত যোগ্যতা : এসএসসি থেকে পরবর্তী পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে এমএসসি ডিগ্রি।বেতন : ২২,০০০–৫৩,০৬০ টাকা (গ্রেড–৯)।পদের নাম : ইঞ্জিনিয়ার।পদ সংখ্যা : ১৭টি।শিক্ষাগত যোগ্যতা : এমএসসি থেকে পরবর্তী পরীক্ষাগুলোয় প্রথম বিভাগ/শ্রেণিসহ বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি।বেতন : ২২,০০০–৫৩,০৬০ টাকা (গ্রেড–৯)।পদের নাম : মেডিকেল অফিসার।পদ সংখ্যা : ২৬টি।শিক্ষাগত যোগ্যতা : এমএসসি অথবা এইচএসসিতে প্রথম বিভাগসহ কমপক্ষে ৬০% নম্বর প্রাপ্ত এমবিবিএস ডিগ্রি।বেতন : ২২,০০০–৫৩,০৬০ টাকা (গ্রেড–৯)।পদের নাম : কম্পিউটার টাইপিস্ট।পদ সংখ্যা : ৯টি।শিক্ষাগত যোগ্যতা : উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।বেতন : ৯,৩০০–২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড–১৬)।পদের নাম : ল্যাবরেটরি অ্যাটেনডেন্ট।পদ সংখ্যা : ৩২টি।শিক্ষাগত যোগ্যতা : এসএসসি (বিজ্ঞান) অথবা সরকার অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান থেকে ন্যূনতম ৬ মাসের ট্রেড সার্টিফিকেট।বেতন : ৮,৫০০–২০,৫৭০ টাকা (গ্রেড–১৯)।পদের নাম : জেনারেল অ্যাটেনডেন্ট-২।পদ সংখ্যা : ৮টি।শিক্ষাগত যোগ্যতা : অষ্টম শ্রেণি পাস।বেতন : ৮,২৫০–২০,০১০ টাকা (গ্রেড–২০)।পদের নাম : স্যানিটারি অ্যাটেনডেন্ট-২।পদ সংখ্যা : ৮টি।শিক্ষাগত যোগ্যতা : অষ্টম শ্রেণি পাস।বেতন : ৮,২৫০–২০,০১০ টাকা (গ্রেড–২০)।আবেদন পদ্ধতি : আগ্রহী প্রার্থীরা এখানে ক্লিক করে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।আবেদনের শেষ সময় : ২৭ মে, ২০২৬ বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
৩ দিন আগে
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বন অধিদফতরের রাজস্ব খাতভুক্ত ‘ফরেস্টার’ পদে ৩৮২ জন কর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীরা সরাসরি বা ডাকযোগে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের শেষ সময় আগামী ১০ জুন। পদের নাম: ফরেস্টারপদ সংখ্যা: ৩৮২টি শিক্ষাগত যোগ্যতা: ডিপ্লোমা-ইন-ফরেস্ট্রিঅন্যান্য যোগ্যতা: উচ্চতা ১৬৩ সে.মি; ও বুকের মাপ ৭৬ সে.মিবয়সসীমা: ১৮ থেকে ৩২ বছরআবেদন ফি: ১০০ টাকাবেতন: ৯,৭০০-২৩,৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৫)আবেদন যেভাবে: আবেদনপত্র ডাউনলোড করতে এই লিংকে ক্লিক করুনআবেদনপত্র পূরণ করে ডাকযোগে অথবা বন ভবন, আগারগাঁও, ঢাকার দ্বিতীয় তলায় (Level-1)-এ রক্ষিত বাক্সে সরাসরি পৌঁছাতে হবেআবেদন পাঠানোর ঠিকানা: প্রধান বন সংরক্ষক, বন অধিদফতর, বন ভবন, আগারগাঁও, শেরেবাংলা নগর, ঢাকা-১২০৭ আবেদনের সময়সীমা: ১০ জুন, ২০২৬ চাকরি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই লিংকে ক্লিক করুন
৩ দিন আগে