চট্টগ্রামে এখন নতুন করে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে বিরল মশাবাহিত ভাইরাস। এ ভাইরাসের আক্রমণে প্রাণ হারিয়েছেন চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি এন্ড এনিম্যাল সায়েন্সেস ইউনিভার্সিটির (সিভাসু) শিক্ষক অধ্যাপক ড. জাকিয়া সুলতানা জুথি। ফলে এ ভাইরাস নিয়ে চরম উদ্ব্নিগ্ন চিকিৎসকরা। চিকিৎসকরা জানান, সিভাসুর শিক্ষক জুথি জাপানিজ এনসেফালাইটিস নামক এক মারাত্নক ভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন। জাপানিজ এনসেফালাইটিসের সকল উপসর্গ ছিল তাঁর। এর মধ্যে তাঁর মাল্টিপল স্ট্রোক হয়েছিল। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।অধ্যাপক ড. জাকিয়া সুলতানা জুথির আকস্মিক মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিভাসু) উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান। শুক্রবার (৮ মে) প্রেরিত শোকবার্তায় তিনি বলেন, বিশ^বিদ্যালয় একজন নিবেদিতপ্রাণ গবেষক ও বিজ্ঞানীকে হারালো। তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানাচ্ছি।পারিবারিক ও বিশ্ববিদ্যালয় এবং চিকিৎসক সূত্র জানায়, গত ৪ মে সামান্য জ্বর অনুভব করেন ড. জুথি। সেই সঙ্গে ছিল প্রচন্ড মাথাব্যথা ও বমি। প্রাথমিক অবস্থায় সাধারণ ফ্লু মনে হলেও দ্রুত তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। চিকিৎসকের পরামর্শে ৫ মে তাঁকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার আরও অবনতি হলে তাঁকে প্রথমে এইচডিইউতে রাখা হয় পরবর্তীতে আইসিইউতে নেওয়া হয়। এরমধ্যেই মেডিকেল বোর্ড বসে তাঁর বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা স¤পন্ন করেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য ৬ মে তাঁকে দ্রুত চট্টগ্রাম এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। কিন্তু ততক্ষণে এই ভাইরাস তাঁর মস্তিষ্কে মারাÍত্নক প্রভাব ফেলে। হাসপাতালে পৌঁছানোর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।মেট্রোপলিটন হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগের চিকিৎসক ডা. কাউসারুল আলম জানান, হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার কয়েক ঘণ্টারমধ্যেই ওই শিক্ষকের মাল্টিপল স্ট্রোক হয়। সময়ও পাওয়া যায়নি। চিকিৎসকরা আন্তরিকতা দিয়ে চেষ্টা করেন। পরে পরিবারের সদস্যরা এভারকেয়ার হাসপাতালে নিয়ে যান।এদিকে এভারকেয়ার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রোগীকে যখন মেট্রোপলিটন হাসপাতাল থেকে স্থানান্তর করা হয়, তখন তাঁর অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন ছিল। পথিমধ্যে তাঁর কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয় এবং তাঁকে প্রায় ৫-৬ সাইকেল সিপিআর দিতে হয়েছিল।হাসপাতালের একজন চিকিৎসক জানান, রোগী যখন আমাদের ইউনিটে পৌঁছান, তখন তিনি ক্লিনিক্যালি ব্রেইন ডেড ছিলেন। আইসিইউ সাপোর্টে রাখার পরও তাঁকে আর ফেরানো সম্ভব হয়নি। প্রাথমিক উপসর্গ ও ক্লিনিক্যাল কন্ডিশন দেখে আমাদের সন্দেহ এটি জাপানিজ এনসেফালাইটিস।বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানান, জাপানিজ এনসেফালাইটিস মূলত কিউলেক্স মশার মাধ্যমে ছড়ায়। এটি সরাসরি মানুষের স্নায়ুতন্ত্র বা মস্তিষ্কে আঘাত করে। ড. জুথির ক্ষেত্রেও এই ভাইরাসের আক্রমণে ব্রেন স্ট্রোক হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। চিকিৎসা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই রোগে মৃত্যুহার অত্যন্ত বেশি এবং যারা বেঁচে থাকেন, তাদের অনেকেরই স্থায়ী স্নায়বিক সমস্যা দেখা দেয়। জুথির মৃত্যুর খবরে সিভাসুসহ চট্টগ্রাামের সচেতন মহলের মাঝে এখন আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে। সিভাসুর শিক্ষার্থী আরমান হোসেন বলেন, জুথি ম্যাডাম কি চট্টগ্রামেই জাপানিজ এনসেফালাইটিস ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, নাকি দেশের বাইরে থেকে, সেটা এখনো কেউ নিশ্চিত নই। এ কারণে চট্টগ্রামে মশা দেখলে এখন ভয় জাগছে মনে। অথচ চট্টগ্রামে মশা এখন কিলবিল করছে। রাত-দিন সমানতালে মশার বামড়ে অতিষ্ঠ চট্টগ্রামের মানুষ। সূত্র জানায়, ড. জুথি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০৭-০৮ সেশনের অত্যন্ত মেধাবী শিক্ষার্থী ছিলেন। সম্প্রতি তিনি জাপানের হিরোশিমা ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি এবং কিউশু ইউনিভার্সিটি থেকে পোস্ট-ডক শেষ করে দেশে ফেরেন। এ বছরের শুরুতেই তিনি সিভাসুর প্রফেসর হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছিলেন। তিনি সিভাসুর ফুড সায়েন্স ও টেকনোলজি অনুষদের অধ্যাপক ছিলেন। তাঁর স্বামী বাংলাদেশ কৃষি বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রফেসর ড. শাহরিয়ার হাসেম অর্নব। তাদের ৫ বছরের একটি শিশু সন্তান রয়েছে।
১০ দিন আগে
বয়সের সঙ্গে নারীদের গোপনাঙ্গেও পরিবর্তন আসে। পিরিয়ডের সময় একভাবে যত্ন নিতে হয়, সন্তান জন্মের পর আরেকভাবে। আবার ঋতুবন্ধের সময় আলাদা বিশেষ যত্নের প্রয়োজন হয়। এছাড়া নিয়মিত শারীরিক মিলনে লিপ্ত হলে যোনির আলাদা সুরক্ষার প্রয়োজন হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায়, ঠিকমতো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন না করার কারণে নারীদের নানা সংক্রমণে ভুগতে হয়। সাধারণত পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুলেই যোনি সুরক্ষিত থাকে। এর জন্য কোনো প্রকার সুগন্ধি বা সাবান ব্যবহারের প্রয়োজন পড়ে না। বরং, প্রসাধনী ব্যবহারে বাড়ে সংক্রমণের ঝুঁকি। তাই প্রসাধনী ছাড়াই সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে গোপনাঙ্গের সুরক্ষা করা যেতে পারে। এ জন্য বেশ কিছু খাবার রয়েছে, যা নিয়মিত খেলে ভালো থাকবে ভ্যাজাইনাল হেলথ। সদ্য ঋতুস্রাব শুরু হওয়া কিশোরী হোক বা সন্তান প্রসবের পর নতুন মা, প্রত্যেকের স্বাস্থ্যের জন্য এসব খাবার উপকারি- অ্যান্টি অক্সিডেন্টযুক্ত খাবারযেসব ফলের মধ্যে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে, সেগুলো খান। অ্যান্টি অক্সিডেন্ট কোষকে ক্ষয়ের হাত থেকে বাঁচায় এবং সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করে। প্রজনন স্বাস্থ্যের যত্ন নেয় অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। স্ট্রবেরি, আমলকি, বেদানা, কমলালেবু, মুসাম্বি, ব্লুবেরি ইত্যাদি ফলে রয়েছে ভরপুর মাত্রায় অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। এছাড়া ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার যোনিতে ভালো ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বজায় রাখতে সাহায্য করে। এটি ইস্ট সংক্রমণের ঝুঁকি কমায়। বিভিন্ন ধরনের সবজি, ডাল, দানাশস্য খেতে পারেন। হাই ফাইবার ডায়েট রক্তে শর্করার মাত্রা এবং ওজনও নিয়ন্ত্রণে রাখে, যা সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি। কম গ্লাইসেমিক সূচক যুক্ত খাবারযেসব খাবারের গ্লাইসেমিক সূচক কম, সেগুলো নারীদের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারি। এই ধরনের খাবার রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং এর জেরে ভ্যাজাইনাল ডিসচার্জের ভারসাম্য বজায় থাকে। এসব খাবার সংক্রমণের ঝুঁকি প্রতিরোধে সাহায্য করে। এক্ষেত্রে আপেল, লেবুজাতীয় ফল, স্টার্চমুক্ত সবজি, দুধ, দানাশস্য ইত্যাদি খেতে পারেন।ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবারসন্তান প্রসবের পর এবং ঋতুবন্ধের সময় ও পরে অনেক নারীই যোনিতে শুষ্কভাব অনুভব করে। এই ভ্যাজাইনাল ড্রাইনেস দূর করতে সাহায্য করে ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার। এই ভিটামিন যোনিতে পিএইচ লেভেলের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। ডিম, দুধ, মাশরুম এবং ফর্টিফায়েড খাবারে ভিটামিন ডি থাকে। তবে যেহেতু নারীরা সবচেয়ে বেশি এই পুষ্টির ঘাটতিতে ভোগেন, তাই প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্টও খেতে পারেন। প্রোবায়োটিক খাবারযোনিতে থাকা ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে প্রোবায়োটিক্স। পাশাপাশি ইস্ট ইনফেকশন, মূত্রনালির সংক্রমণের মতো একাধিক রোগের ঝুঁকি প্রতিরোধ করে এটি। এছাড়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় প্রোবায়োটিক্স। একাধিক গবেষণা অনুযায়ী, ভ্যাজাইনাল হেলথের যত্ন নেয় এই উপাদানটি। এক্ষেত্রে রোজকার পাতে রাখতে পারেন টকদই। এছাড়া আচার, কিমচি, ইডলি, দোসার মতো খাবারগুলো প্রোবায়োটিক্সের ভালো উৎস।
১৯ দিন আগে
চট্টগ্রাম বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ। পর্ব-৩ পর্যায়ের এই প্রতিবেদনে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।
৩৪ দিন আগেচট্টগ্রাম বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ। সর্বশেষ পর্যায়ের এই প্রতিবেদনে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।
৩৪ দিন আগেচট্টগ্রাম বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ। মূল্যায়ন পর্যায়ের এই প্রতিবেদনে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।
৩৪ দিন আগেচট্টগ্রাম বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ। বিশেষ প্রতিবেদন পর্যায়ের এই প্রতিবেদনে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।
৩৪ দিন আগেব্রাহ্মণবাড়িয়া বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ। বিশ্লেষণ পর্যায়ের এই প্রতিবেদনে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।
৩৪ দিন আগেব্রাহ্মণবাড়িয়া বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ। প্রতিক্রিয়া পর্যায়ের এই প্রতিবেদনে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।
৩৪ দিন আগেব্রাহ্মণবাড়িয়া বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ। ফলোআপ পর্যায়ের এই প্রতিবেদনে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।
৩৪ দিন আগেব্রাহ্মণবাড়িয়া বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ। গভীর অনুসন্ধান পর্যায়ের এই প্রতিবেদনে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।
৩৪ দিন আগেব্রাহ্মণবাড়িয়া বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ। বিশেষজ্ঞ মত পর্যায়ের এই প্রতিবেদনে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।
৩৪ দিন আগে