Dainik Ishan
প্রকাশক: কামাল উদ্দিন
সম্পাদক: খ. ম. ইব্রাহিম
গোপনীয়তার নীতি|আমাদের সম্পর্কে|আর্কাইভ

যোগাযোগ

সম্পাদকীয় কার্যালয় : নুরভবন, শাহ আমানত সড়ক, চট্টগ্রাম।

ফোন : ০৯৬৯৭৫১০০২৪, ০১৫৩২৭৬৪৪০৪।

ইমেইল: dainikishan@gmail.com

প্রয়োজনীয় লিংক

  • Facebookফেসবুক পেজ
  • Xএক্স (টুইটার)
  • LinkedInলিংকডইন
  • @থ্রেডস
  • Messengerমেসেঞ্জার
  • WhatsAppহোয়াটসঅ্যাপ
  • Instagramইনস্টাগ্রাম
  • Telegramটেলিগ্রাম
  • YouTubeইউটিউব চ্যানেল
  • টিকটক

কিউআর কোড

QR Code
Copyright©DainikIshan`2023 । সতর্কতা-কপিরাইট অ্যাক্ট অনুসরণ করুন...
Developed by Dainik Ishan IT Team
বেচা-কেনা.com
ই-পেপার
প্রেস রিলিজ
ফেসবুক পেজসমূহ
  • Dainik Ishan | দৈনিক ঈশান
  • দৈনিক ঈশান | Dainik Ishan
  • Dainik Ishan | দৈনিক ঈশান
Dainik Ishan
XLinkedIn@MessengerWhatsAppInstagramTelegramYouTube
    বিজ্ঞাপন — 970 × 90

    আপনার এলাকার খবর

    বিশ্ব

    ইরানের অর্থনীতিতে বিলিয়ন ডলার জোগান দিচ্ছে চীন

    ইরানের অর্থনীতিতে বিলিয়ন ডলার জোগান দিচ্ছে চীন

    ইসরাইলের হামলায় লেবাননে আরও ৩৯ জন মারা গেছে.

    ইসরাইলের হামলায় লেবাননে আরও ৩৯ জন মারা গেছে.

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে প্রাণ হারাল কিশোরগঞ্জের রিয়াদ

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে প্রাণ হারাল কিশোরগঞ্জের রিয়াদ

    ফিলিস্তিনির লাশ কবর থেকে সরাতে বাধ্য করল ইসরাইল

    অধিকৃত পশ্চিম তীরের জেনিনের আল-আসাসা গ্রামে এক ফিলিস্তিনির লাশ কবর থেকে তুলে অন্যত্র দাফন করতে বাধ্য করেছে ইসরাইলি বাহিনী। দিনের শুরুর দিকে সমাহিত করা ওই লাশটি অবৈধ ইসরাইলি বসতির খুব কাছে হওয়ায় তারা এই নির্দেশ দেয়।

    ১০ দিন আগে
    ফিলিস্তিনির লাশ কবর থেকে সরাতে বাধ্য করল ইসরাইল

    ইরানের রোষানলে বিএসসির জাহাজ বাংলার জয়যাত্রা

    চলতি বছরের ২৬ শে জানুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যের দুবাইয়ের জলসীমায় প্রবেশ করেছিল বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের (বিএসসি) মালিকানাধীন বাণিজ্যিক জাহাজ এমভি বাংলার জয়যাত্রা। এরপর ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যে শুরু হয় ইরানের সাথে আমেরিক ও ইসলাইলের যুদ্ধ।এর মধ্যে কয়েক দফা চেষ্টা করেও হরমুজ প্রণালি পার হতে পারেনি বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজ এমভি বাংলার জয়যাত্রা। গত দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে জাহাজটি দুবাইয়ের জেবেল আলী বন্দরে আটকা পড়েছে।ফলে জাহাজটির নাবিক, ইঞ্জিনিয়ারসহ মোট ৩১ জন ক্রু উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় জীবন কাটাচ্ছেন। একইভাবে চরম উৎকন্ঠায় রয়েছেন নাবিক ও ক্রুদের পরিবারের স্বজনেরা। শুক্রবার (৮ মে) এমন তথ্য জানিয়েছেন বিএসসির নির্বাহী পরিচালক (বাণিজ্য) মুহাম্মদ আনোয়ার পাশা। তিনি বলেন, হরমুজে স্বাভাবিক জাহাজ চলাচল বা অনুমোদন না দেয়া পর্যন্ত জাহাজটি ওখান থেকে বের হতে পারছে না। হরমুজ ছাড়া বিকল্প কোন পথও নেই বের হওয়ার। তিনি বলেন, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর বা আইআরজিসি হরমুজে কিছু কিছু জাহাজকে চলাচলের অনুমিত দিলেও বাংলার জয়যাত্রার অনুমোদন মিলছে না। এর কারণ কি সেটাও বুঝতে পারছি না। হরমুজ দিয়ে মধ্যপ্রাচ্য ত্যাগে ইতোমধ্যে আইআরজিসি বরাবরে একাধিকবার অনুমতি চাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাহাজটির ক্যাপ্টেন মো. শফিকুল ইসলাম। ক্যাপ্টেন মো. শফিকুল ইসলাম জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ইরানের যুদ্ধবিরতি শুরু হলে গত ৮ই এপৃল হরমুজ প্রণালি পার হতে সৌদি আরবের রাস আল খাইর বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করেছিল জাহাজটি। কিন্তু পার হতে পারেনি।জাহাজটির চিফ ইঞ্জিনিয়ার রাশেদুল হাসান জানান, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর বা আইআরজিসির নৌবাহিনী কেউ যদি হরমুজ ক্রসের চেষ্টা করো, অ্যাটাক করা হবে বলে ক্রমাগত বার্তা প্রচার করছে। ফলে হরমুজে জাহাজ নিয়ে আসা নিরাপদ মনে হচ্ছে না। বিএসসির একাধিক কর্মকর্তার ভাষ্য, বাংলার জয়যাত্রা বিএসসির হলেও এটি যুক্তরাষ্ট্রের পণ্য পরিবহণের কাজে ভাড়ায় নিয়োজিত। সম্ভবত এ কারণে বাংলার জয়যাত্রা ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কোর এর রোষানলে পড়েছে। বর্তমানে জাহাজটিতে ৩৯ হাজার টন স্টিল কয়েল রয়েছে। যা নিয়ে যাওয়া হবে যুক্তরাষ্ট্রে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর মাহমুদুল মালেক বলেন, জাহাজটিকে বের করে আনার জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যে ইরানের সাথে আলোচনা করে বাংলাদেশ জাহাজটিকে যখন বের করে আনার পর্যায়ে নিয়ে এসেছিল, ঠিক তখন আবার সংঘাতময় পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। যে কারণে এটি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কমডোর মাহমুদুল মালেক বলেন, জাহাজের নাবিকদের সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। তাদের ভাতা বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। জাহাজে পর্যাপ্ত পানি ও খাদ্য রয়েছে। নাবিকদের সাথে দেশে থাকা পরিবারের নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে বলেও জানান তিনি।প্রসঙ্গত, কাতারের একটি বন্দর থেকে গত ২৬শে ফেব্রুয়ারি প্রায় ৩৯ হাজার টন স্টিল কয়েল নিয়ে দুবাইয়ের জেবেল আলী বন্দরে গিয়েছিল এমভি বাংলার জয়যাত্রা। ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুদ্ধ শুরু হওয়ায় পর গত এক মাস ধরে সংযুক্ত আরব আমীরাতের মিনা সাকারের অদূরে গভীর সমুদ্রে অবস্থান করছিল। গত সোমবার জাহাজটি অবস্থান পাল্টে শারজাহর কাছে কিছুটা নিরাপদে গিয়ে অবস্থান করছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

    ১০ দিন আগে
    ইরানের রোষানলে বিএসসির জাহাজ বাংলার জয়যাত্রা

    ইরানে নিজের ফাঁদেই আটকা ট্রাম্প, খুঁজছেন বেরোনোর পথ

    যদি কথায় যুদ্ধ জেতা যেত, তাহলে ইরান যুদ্ধ অনেক আগেই শেষ হয়ে যেত। কিন্তু প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনো এমন একটি যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছেন, যা দেড় মাসের বেশি চলার কথা ছিল না। যুদ্ধ এখন দশম সপ্তাহে গড়াচ্ছে।

    ১২ দিন আগে
    ইরানে নিজের ফাঁদেই আটকা ট্রাম্প, খুঁজছেন বেরোনোর পথ

    পশ্চিমবঙ্গেও বিজেপির হিন্দুত্ববাদের উত্থান!

    পশ্চিমবঙ্গে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণ এক অত্যন্ত জটিল ও মেরুকরণমুখী মোড় নিয়েছে। ঘটেছে বিজেপির হিন্দুত্ববাদীর উত্থান। তৃণমূলের চ্যালেঞ্জ, বামপন্থীদের অস্তিত্ব সংকট ও কংগ্রেসের অবস্থান ক্রমশ নিচে চলে গেছে।গত কয়েক বছরে রামনবমী বা হনুমান জয়ন্তীকে কেন্দ্র করে রাজ্যে যে ধরনের ধর্মীয় মেরুকরণ দেখা গেছে, তাকে ভোটব্যাংকে রূপান্তর করাই বিজেপির প্রধান লক্ষ্য ছিল। সেই লক্ষ্য তারা ভালোভাবেই পূরণ করেছে বলে মনে হচ্ছে।বিজেপি তৃণমূলকে মুসলিম তোষণকারী দল হিসেবে অভিযুক্ত করে হিন্দু ভোটারদের একটি বড় অংশকে নিজেদের দিকে টানার কৌশল নিয়েছিল পুরো নির্বাচনী প্রচারণাকালে। এ ছাড়া মতুয়া ভোট এবং সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে হিন্দু শরণার্থীদের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি বিজেপির শক্তির অন্যতম উৎস হিসেবে কাজ করেছে।টানা ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকার ফলে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে একটি বড় প্রতিষ্ঠানবিরোধী হাওয়া তৈরি হয়েছিল, যা ভোটে মমতার জন্য কঠিন পথ তৈরি করে দিয়েছে। নিয়োগ দুর্নীতি বা রেশন দুর্নীতির মতো ইস্যুগুলো নিয়ে তৃণমূল কিছুটা রক্ষণাত্মক অবস্থানে থাকলেও, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা এবং ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ বা ‘স্বাস্থ্য সাথী’-এর মতো জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলো এখনো তাদের প্রধান রক্ষাকবচ। কিন্তু শেষ অবধি শেষরক্ষা হবে কিনা বলা মুশকিল। বিজেপিকে ‘বহিরাগত’ হিসেবে চিহ্নিত করে ‘বাঙালি অস্মিতা’-এর কার্ড খেলে তৃণমূল তাদের জমি ধরে রাখার চেষ্টা করল এবার। কিন্তু সেটি বোধ করি টিকল না।বামেদের হারিয়ে যাওয়া বনাম নতুন প্রজন্মের লড়াইএক সময়ের প্রতাপশালী বামফ্রন্ট এখন পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে প্রান্তিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে। বামপন্থীদের একটি বিশাল অংশের ভোট সরাসরি বিজেপির দিকে চলে যাওয়ায় তাদের পুনরুত্থান কঠিন হয়ে পড়েছে। তবে মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় বা সৃজন ভট্টাচার্যের মতো তরুণ নেতৃত্বরা রাস্তায় নেমে আন্দোলন করে বামপন্থীদের অস্তিত্ব জানান দেওয়ার চেষ্টা করছেন, যদিও তা নির্বাচনী পরিসংখ্যানে কতটা প্রতিফলিত হবে তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে।কংগ্রেস কোথায়?পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে কংগ্রেস এখন কার্যত ক্ষয়িষ্ণু শক্তি। মালদা ও মুর্শিদাবাদের মতো তাদের এক সময়ের দুর্ভেদ্য দুর্গগুলোও এখন তৃণমূল ও বিজেপির দখলে চলে গেছে। জাতীয় স্তরে তৃণমূলের সঙ্গে ‘ইন্ডিয়া’ জোটে থাকলেও রাজ্যে তাদের অবস্থান অনেকটা ‘ত্রিশঙ্কু’ অবস্থার মতো। তাদের নির্দিষ্ট কোনো ভোটব্যাংক বা শক্তিশালী সাংগঠনিক কাঠামো বর্তমানে দৃশ্যমান নয়। ২০২৬-এর নির্বাচন মূলত তৃণমূলের ‘বাঙালি জাতীয়তাবাদ’ বনাম বিজেপির ‘হিন্দুত্ববাদী রাজনীতি’-এর এক চূড়ান্ত মহারণ হচ্ছে। এখানে বাম ও কংগ্রেসের অবস্থান কেবল ভোট কাটাকাটির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকলো।এবারের ভোট ও আন্ডারওয়ার্ল্ডের প্রভাবরাজনৈতিক লড়াইয়ের সমান্তরালে পশ্চিমবঙ্গের অপরাধ জগত ও আন্ডারওয়ার্ল্ডের সংযোগও নির্বাচনের সময় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করতে অপরাধী চক্রগুলোর তৎপরতা বেড়ে যায়, যা আইনশৃঙ্খলার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।বাংলাদেশের ওপর প্রভাববিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালে যদি বিজেপি ক্ষমতায় আসে, তবে তিস্তা পানি বণ্টন বা এনআরসি ইস্যুতে ঢাকার সঙ্গে দিল্লির সম্পর্কের রসায়ন বদলে যেতে পারে। অন্যদিকে, তৃণমূল ক্ষমতায় থাকলে বর্তমান স্থিতিশীল সম্পর্ক বজায় থাকবে, কিন্তু অমীমাংসিত সমস্যাগুলোর সমাধান ঝুলে থাকার সম্ভাবনা বেশি।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিজয় বাংলাদেশের জন্য একটি ‘পরিচিত ও স্থিতিশীল’ প্রশাসনিক পরিবেশ বজায় রাখবে বলে মনে করা হয়। তৃণমূলের শাসনামলে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানে একটি দীর্ঘমেয়াদী স্থিতাবস্থা বজায় ছিল। তবে তিস্তা পানি চুক্তির ক্ষেত্রে মমতার কঠোর অবস্থান বাংলাদেশের জন্য একটি পুরনো চ্যালেঞ্জ হিসেবেই থেকে যেতে পারে।বিজেপি ক্ষমতায় আসলে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে রাজ্য সরকারের নীতির সংঘাত দূর হবে। এটি দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত তিস্তা চুক্তির জট খুলতে সহায়ক হতে পারে বলে অনেক বিশ্লেষক মনে করেছেন। তবে এনআরসি বা সিএএ ইস্যুতে বিজেপির অনমনীয় অবস্থান সীমান্ত এলাকায় অস্থিরতা তৈরি করতে পারে, যা বাংলাদেশের জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে।বিজেপির কেন্দ্রীয় শাসনের সঙ্গে সরাসরি যোগসূত্র থাকলে উত্তর-পূর্ব ভারতের সাথে বাংলাদেশের কানেক্টিভিটি বা যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও দ্রুত উন্নত হতে পারে। অন্যদিকে, তৃণমূলের জয় বর্তমান সীমান্ত বাণিজ্যের ধারাকে সাবলীল রাখবে।ভারত ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালের এই নির্বাচন কেবল পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পালাবদল নয়, বরং ঢাকা-নয়াদিল্লি-কলকাতা এই ত্রিভুজ সম্পর্কের নতুন ভিত্তিপ্রস্তর হিসেবে কাজ করবে।

    ১৪ দিন আগে
    পশ্চিমবঙ্গেও বিজেপির হিন্দুত্ববাদের উত্থান!

    কাঁটাতার পেরিয়ে ফেনীর তিন গরুর ভারত ভ্রমণ!

    এবার মানুষ নয়, কাঁটাতারের বেড়া পেরিয়ে ফেনীর তিন গরুও ভারতের ত্রিপুরায় চলে গেছে। ফেনীর পরশুরামের মীর্জানগর ইউনিয়নের আশ্রাফপুর সীমান্ত দিয়ে গরুগুলো ত্রিপুরা চলে যায়। এতে গরুর মালিক নুরুন নেসা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। গরুগুলো ফিরিয়ে আনতে বিজিবি যোগাযোগ করছে বিএসএফের সঙ্গে।ভুক্তভোগী নুরুন নেসা (৫৫) ফেনীর পরশুরামের মীর্জানগর ইউনিয়নের আশ্রাফপুর গ্রামের বাসিন্দা। ২০ বছর আগে এক দুর্ঘটনায় স্বামীকে হারানোর পর গরু পালন ও দুধ বিক্রি করে সংসার চালান তিনি। তার দুই ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে দুইজন প্রতিবন্ধী।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার (২ মে) নুরুন নেসার ছেলে নজরুল ইসলাম গরুগুলোকে ঘাস খাওয়াতে নিয়ে যান আশ্রাফপুর বড় কবরস্থান এলাকায়। এক পর্যায়ে তিনটি গরু কাঁটাতারের বেড়া পেরিয়ে চলে যায় ভারতের অভ্যন্তরে।গরুগুলো ত্রিপুরার রাজনগর থানার সামনে রাখা হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সাংবাদিক গরুগুলো সেখানে দেখতে পেয়েছেন বলে দাবি করেন। গরুর মধ্যে রয়েছে দুটি গর্ভবতী গাভী এবং একটি বড় বাছুর।নুরুন নেসা পরশুরাম মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। ফেনীস্থ ৪ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান জানালেন, গরুগুলো ফেরত আনতে বিজিবির পক্ষ থেকে বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং সমাধানের চেষ্টা চলছে বিষয়টির।

    ১৪ দিন আগে
    কাঁটাতার পেরিয়ে ফেনীর তিন গরুর ভারত ভ্রমণ!

    জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন প্রস্তাব গৃহীত

    আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    ৩৭ দিন আগে
    জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন প্রস্তাব গৃহীত

    মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আলোচনায় নতুন অগ্রগতি

    বহুদলীয় আলোচনায় সমঝোতার সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

    ৩৭ দিন আগে
    মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আলোচনায় নতুন অগ্রগতি

    চীন-ভারত সম্পর্কে নতুন উষ্ণতার ইঙ্গিত

    দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নত।

    ৩৭ দিন আগে
    চীন-ভারত সম্পর্কে নতুন উষ্ণতার ইঙ্গিত

    ইউরোপে জলবায়ু পরিবর্তনে বড় সিদ্ধান্ত

    কার্বন নিঃসরণ কমাতে ঐতিহাসিক চুক্তি।

    ৩৭ দিন আগে
    ইউরোপে জলবায়ু পরিবর্তনে বড় সিদ্ধান্ত

    আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের হালচাল

    দুই দলের প্রার্থীরা মুখোমুখি হওয়ার প্রস্তুতিতে।

    ৩৭ দিন আগে
    আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের হালচাল

    রাশিয়া-ইউক্রেন সংকট নিরসনে নতুন মধ্যস্থতা প্রচেষ্টা

    টার্কির উদ্যোগে শান্তি আলোচনায় নতুন গতি।

    ৩৭ দিন আগে
    রাশিয়া-ইউক্রেন সংকট নিরসনে নতুন মধ্যস্থতা প্রচেষ্টা

    জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রস্তাব গৃহীত: বিশেষ প্রতিবেদন

    বিশ্ব বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ। বিশেষ প্রতিবেদন পর্যায়ের এই প্রতিবেদনে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।

    ৩৯ দিন আগে
    জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রস্তাব গৃহীত: বিশেষ প্রতিবেদন
    বিজ্ঞাপন — 300 × 250

    এই সপ্তাহের পাঠকপ্রিয়

    ওমান থেকে মঙ্গলবার আসছে চার ভাইয়ের লাশ, শোকে বিহ্বল রাঙ্গুনিয়া

    ওমান থেকে মঙ্গলবার আসছে চার ভাইয়ের লাশ, শোকে বিহ্বল রাঙ্গুনিয়া

    জমি কিনে ১৩ বছর ধরে আদালতে কুদ্দুস বয়াতি

    জমি কিনে ১৩ বছর ধরে আদালতে কুদ্দুস বয়াতি

    সন্তানের চেয়ে কুকুর পোষা অনেক ভালো

    সন্তানের চেয়ে কুকুর পোষা অনেক ভালো

    চট্টগ্রামে জুলাই গ্রাফিতি নিয়ে লঙ্কাকান্ড!

    চট্টগ্রামে জুলাই গ্রাফিতি নিয়ে লঙ্কাকান্ড!

    জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে, ২৮ মে ঈদুল আজহা

    জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে, ২৮ মে ঈদুল আজহা

    ডিসি হতে ৮ কোটি টাকায় চুক্তি!

    ডিসি হতে ৮ কোটি টাকায় চুক্তি!

    উত্তেজনার পর সমঝোতায় মেয়র ও এনসিপি

    উত্তেজনার পর সমঝোতায় মেয়র ও এনসিপি

    মেসিকে নিয়ে এক মন্তব্যে আলোচনায় পরীমণি

    মেসিকে নিয়ে এক মন্তব্যে আলোচনায় পরীমণি

    দুবাই ট্যাক্সি কোম্পানিতে ৬ হাজার ড্রাইভার নিয়োগ

    দুবাই ট্যাক্সি কোম্পানিতে ৬ হাজার ড্রাইভার নিয়োগ

    হিরো মোটরবাইকে নগদ ছাড় ও ঈদুল আজহার উপহার

    হিরো মোটরবাইকে নগদ ছাড় ও ঈদুল আজহার উপহার

    বিজ্ঞাপন — ৩০০ × ২৫০
    বিজ্ঞাপন — ৩০০ × ২৫০
    বিজ্ঞাপন — 970 × 90