সংযুক্ত আরব আমিরাতের সরকারি প্রতিষ্ঠান ‘দুবাই ট্যাক্সি কোম্পানি’-তে সম্পূর্ণ সরকারি নিয়মে ট্যাক্সি ও লিমুজিন ড্রাইভার পদে জরুরি ভিত্তিতে ৬ হাজার কর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। বাংলাদেশ থেকে দক্ষ ও আগ্রহী চালকদের কাছ থেকে সাক্ষাৎকার গ্রহণ শুরু হয়েছে।
সোমবার (১৮ মে) থেকে সাক্ষাৎকার গ্রহণ হয়। বাংলাদেশ-কোরিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, ঢাকায় এই সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হচ্ছে। চলবে নিয়োগপূর্ণ না হ্ওয়া পর্যন্ত।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের এই কোম্পানিতে কর্মী পাঠানোর একমাত্র অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সি ‘আল আনাস ওভারসিজের’ প্রতিনিধিরা জানিয়েছে, ট্যাক্সি ও লিমুজিন ড্রাইভার পদে প্রথম দফায় ১৫০০ কর্মী নেবে। চলতি বছরের মধ্যে নেওয়া হবে ৬ হাজার কর্মী।
সূত্র জানায়, ড্রাইভার ছাড়াও বাংলাদেশ থেকে ক্লিনার, টেকনিশিয়ান ও মেকানিক হিসেবে কর্মী নেওয়ার ব্যাপারে তাদের আগ্রহ রয়েছে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে তারা প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।
দুবাই ট্যাক্সি কোম্পানিতে বর্তমানে ৮ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি কর্মরত আছেন। বাংলাদেশিদের সততা ও কঠোর পরিশ্রমের কারণে এই নিয়োগে বাংলাদেশিদের বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। দুবাই এয়ারপোর্টে বাংলাদেশি নারী চালকেরা সফলতার সাথে কাজ করছেন। তাই যোগ্য নারী চালকদেরও আবেদনের জন্য বিশেষভাবে উৎসাহিত করা হচ্ছে।
আবেদনের যোগ্যতা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
* মূল পাসপোর্ট + কালার ফটোকপি
* ড্রাইভিং লাইসেন্সের কালার কপি
* ৮ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি (সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড)
* ইংরেজিতে সিভি / বায়োডাটা
* শিক্ষাগত সনদের কালার কপি
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক বলেছেন, বাংলাদেশ থেকে একজন ড্রাইভারের দুবাই যেতে বর্তমানে অনেক টাকা খরচ হয়। এই কর্মীরা অত্যন্ত দরিদ্র ও খেটে খাওয়া মানুষ, যারা অনেক কষ্ট করে বা ঋণ নিয়ে এই অর্থ সংস্থান করেন। তাই তাদের আর্থিক সামর্থ্যের কথা বিবেচনা করে এই অভিবাসন খরচ কমিয়ে ১ লাখ টাকার মধ্যে রাখার জন্য তিনি বিশেষভাবে অনুরোধ জানান।